আমার একটি নদী ছিল
নাম ছিল তাঁর শীতলক্ষ্যা,
করুণ অমানবিক নির্মম অত্যাচারে
পেলো না সে রক্ষা!
যা ছিল তাঁর কেড়ে নিলে
মান, ইজ্জত, সুখ্যাতি, সুনাম,
করেছে তারে বিবস্ত্র, উলঙ্গ
দিয়েছে কলঙ্কের দাগ দুর্নাম!
নদীটি ছিল শান্ত লাজুক
ছিল তাঁর স্বচ্ছ পানি,
ছিল তাঁর রূপের বাহার
বাংলার লোকে তা জানি!
প্রাচ্যের ডান্ডি উপাধি ছিল
নারায়ণগঞ্জ ছিল তাঁর বাড়ি,
দু’পাড়ে তাঁর যা-ই ছিল
সবই নিলো দুর্বৃত্তরা কাড়ি!
নেই কিছু আর নদীটির এখন
রূপ, যৌবন, তেমন কোনও গুণ,
নদীটি এখন রোগাক্রান্ত অসুস্থ
পানিতে দুর্গন্ধ, দু’পাড়ে শকুন!
আমার শীতলক্ষ্যা এখন কাঁদে
বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার কোরে!,
কেউ শোনে না ওর কান্না
অমানুষগুলো শুধু হেসেই মরে!
আমার একটি নদী ছিল
প্রাচ্যের ডান্ডি নারায়ণগঞ্জের বুকে,
সেই নদীতে বিষাক্ত কেমিক্যাল–
তাই নদীটি মরছে ধুকে ধুকে!
নিতাই বাবু
ছবি নিজের মোবাইল ফোন দিয়ে তোলা।
প্রথম হলাম
আসছি পরে…..
প্রথম হয়েছেন বলে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাচ্ছি দাদা।
এই নদীতৈ আমারও বহু স্মৃতি যা এখন কেবলি স্বপ্ন।এ নদী নিয়ে আপনার আরো লেখা আছে যা আমাকে মুগ্ধ করে।
মানুষের অপরিকল্পিত নগরায়ন,শিল্পায়ন, অযত্ন, অবহেলা, সঠিক তত্বাবধানের অভাবে আমরা অমাদের নদী গুলোকে হারিয়ে ফেলছি।
খুব ভালো লিখেছেন।
এমনি করে এদেশের কিছু কিছু নদী আজ খালে রুপান্তরিত হয়েছে। এগুলোই আবার একসময় রাষ্ট্র কর্তৃক ভরাট করে রাস্তা তৈরি হবে বলে মনে হয়।
নদী আমার খুবই প্রিয়। কিন্তু যাদের এগুলোর পেছনে সময় দেয়ার কথা তাদের যেন কিছুই যায় আসে না।
সুন্দর ছন্দ কাব্য।নদী ও জীবন পরস্পরকে ভালোবেসে বাঁচুক।এমন জীবনই অর্থপূর্ণ আরাধ্য।
শীতলক্ষ্যার সাথে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীও রোগাক্রান্ত হয়ে পরছি। কারণ, শীতলক্ষ্যার বর্তমান পচা পানিই আমাদের পান করে বাঁত হচ্ছে, তাই।
মূল্যবান মন্তব্যের জনে শুভকামনা সবসময়।
শীতলক্ষ্যায় আমার অনেক স্মৃতি আছে দাদা। বলবো কোন একদিন। তবে আপনার লেখাটি মনকে নাড়া দিয়ে গেলো। নদী বাঁচাতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
সুন্দর লেখনীর জন্য ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য।
একবার শুনেছিলাম তুরাগ, কর্ণফুলীর পর শীতলক্ষ্যার দু’পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলবে। আশায় ছিলাম অধীর আগ্রহ নিয়ে! কিন্তু না, তা আর দেখছি না শ্রদ্ধেয় দাদা। হয়ত রাঘববোয়ালদের মুখে কিছু দানাপানি ঢেলে দিয়েছে। তাই আর উচ্ছেদ হচ্ছে না। দুঃখ শুধু থেকেই যাচ্ছে।
রাঘববোয়ালদের জন্যই যত সমস্যা দাদাভাই। তবে প্রশাসন আর স্থানীয় জনগনকে এগিয়ে আসতে হবে সবার আগে।
চমৎকার কাব্যিক ছন্দে বয়ান করেছেন নদীদুঃখের কাহিনী। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন সুন্দর প্রকাশের জন্য। শুভ কামনা জানবেন শ্রদ্ধার সাথে
আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী খুবই দুরবস্থার মধ্যে আছি শ্রদ্ধেয় দিদি। তাই শীতলক্ষ্যা নিয়ে সময়সময় একটু আধটু লিখি।
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদ।
ছবি দেখে কিছুটা অনুমান করতে পারছি কি করুন অবস্থা তৈরি করেছি আমারা,
আর লেখায় তুলে ধরেছেন করুন প্রাণের আর্তি।
নিয়মিত লিখছেন দেখে ভাল লাগল।
সোনেলায় আছি দাদা। সময়সময় কাজের ঝামেলায় নিয়মিত হতে পারি না। খেটে খাওয়া মানুষ আমি, তাই।
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদের সাথে শুভকামনাও রইল।
নদী মরে সভ্যতার বুকে,
কবিরা নদীর প্রাণ দানে নিমগ্ন থাকে।
.
যথার্থ লেখনী জন্য ধন্যবাদ দাদা।
নদী আজ সভ্যতার কথা বলে,আমাদের কথা বলে!
কি অমানবিক আমরা!!
আমরা মানুষরা খুবই নির্মম,
ব্যাক্তিগত স্বার্থের কারনে নদীকে মেরে ফেলি।
দেশের কত নদীকে মেরে ফেলা হয়েছে!
আপনার স্মৃতিবিজরিত নদীকেও মেরে ফেলা হচ্ছে।
কাব্যের মাধ্যমে যথার্থ ভাবেই তুলে ধরেছেন নদীর করুন অবস্থা।
ভাল থাকুন দাদা, শুভ কামনা।
নদীগুলো কে এভাবেই মেরে ফেলা হচ্ছে। আজ এদের বাঁচাতে কেউ আসছেনা, একদিন চাইলেও শীতলক্ষ্যা ফিরে আসবেনা। প্রকৃতির প্রতিশোধ খুব নির্মম হয়।
শুভ কামনা দাদা 🌹🌹
করুণ অবস্থা আমাদের নদীগুলোর।
ভালো লিখলেন খুব