সরকারের এই বিজ্ঞাপনে আমি শতভাগ গর্বিত। আর দেশের ভবিষ্যৎ পরিচালক শিশু, কিশোর ও বালক-বালিকা। সমাজে দেশে তাঁদের যদি সঠিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, বাসস্থান, বিনোদন, সুনির্মল পরিবেশ দিতে ব্যারথ হই তবে তাঁদের কিভাবে বাবা-মা, বা অভিভাবক তাঁদের সঠিক সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে?
সমাজের বা দেশের অঘটনা ঘটতেই পারে কিন্তু তাঁর সঠিক নিরাপত্তা দেওয়ার সকল ক্ষমতা থাকে সরকারের হাতে। সরকারের মাঝে দলীয়, আত্বীয়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপেই সুবিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে পিতামাতা মেয়ে সন্তাদের বেশি লেখাপড়া শিখানোর খুব ইচ্ছা থাকলেও, মন কষ্টে অভভাবক ভাল পাত্র মনে করেই কন্যাদানে ব্যাস্ত হতে বাধ্য থাকে। যদিও কন্যাটি কতটুকু সুপাত্র পেল তা ভাবী সময়ি বলে দেবে!
স্কুলে, প্রাইভেট টিচার, পাড়ায়-মহল্লায় যদি ছেলে মেয়ে সুস্থ পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হই তবে কোথায় কাহার নিকট আশ্রয় চাইবে? স্কুলে, মাদ্রাসায় সন্তানকে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় বা উদ্বিগ্ন হতে হই তবে কিভাবে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার ইচ্ছা পোষণ করবে অভিভাবকগণ?
আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে যা প্রচার হয় তা বাস্তবে কেন ফল পাইনা সাধারন জনগণ? আমি যদি মনে করি শুধু প্রচারের উদ্দ্যেশেই করে তবে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় কি সকল ক্ষেত্রেই করা হচ্ছেনা?
শেষে বেঝে নিলাম প্রিয় প্রহেলিকার একটি লেখা।
কপটতার প্লাবনে হারিয়ে ফেলেছি নিজেকে,
হারিয়েছি অনুভূতির সাথে আলিঙ্গনের স্বাদটুকু।
নেমে আসো অধ্রুব হয়েই অবিলম্বে কিংবা-
বাতাসে প্রেরণ কর তোমার সর্বশেষ ওহী,
জানিয়ে দাও সুখ দুঃখ প্রসবিত হয় কার গর্ভে?
কোথায় তাদের সুবিন্যস্ত করবো, কিভাবে?
কথায় নয় বাস্তবে চাই, ভাষণে নয় বাস্তবে চাই, মিডিয়াতে নয় বাস্তবে চাই, ব্রিফিঙয়ে নয় বাস্তবে চাই, বই-পুস্তকে নয় বাস্তবে চাই, ফেস্টুন ও ব্যানারে নয় বাস্তবে চাই। মুখ ভরা কথায় নয় বাস্তবে চাই।
আমি প্রথম
দিদিভাই, দিদিভাই দিদিভাই।
মজিবর ভাই দারুণ একটা পোস্ট দিয়েছেন।
চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন ভাই।
ধব্যবাদ পড়ার জন্য।
সম্পূর্ণ একমত ভাই।
ধন্যবাদ ইঞ্জা ভাই।
শুভেচ্ছা ভাই।
সহমত
শুভেচ্ছা অবিরত।
পাড়া মহল্লার মানুষরা অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেয় স্বভাবে। হাজার প্রতিকুলতার মধ্যেও তো মেয়েরা পড়াশোনা করছে। একটা আইন মানা না হলে শাস্তি, তবে শাস্তির বিধান আছে এমন আইনগুলো আমরা মানছি না কেন। নিজেদেরকে পরিবর্তন সবার আগে দরকার। সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়েছি জনগন, যেই জনগনের নিজেদেরই স্বভাব নষ্ট। এটাই সত্য।
হুম! সরকারি এই উপলক্ষে এনজিও ও কিচ্ছু কর্মকর্তা একটিভ কিন্তু কোন একটি মেয়ের উপর যখন কোন আক্রমন হয় তখন তারা পালায়। পাশে থাকেনা। দেখুন কত মেয়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাস , পথেঘাটে নাজেহাল হচ্ছে বিচার চেয়ে পাচ্ছেনা। দেশে আলোচিত গুলর ও বিচার হচ্ছেনা। সাধারন গুল কেমনে পাই!
আপু আমি একটি বাস্তব উদাহরন দিচ্ছি, শহরে অনেক এন জিও আছে বস্তিবাসীদের রক্ষা নিয়ে আন্দোলন করে। আমিও ছিলাম তখন এক এন জিও তে, সেই সময় ধাকার শ্যামলি রিং রোডে একটি বস্তি ছিল। আমার এক সহকর্মী সেটার নিয়ে কাজ করত। একদিন উচ্ছেদ অভিযান চলল আমার সহকর্মী তাঁর বসদের সাহায্য চেয়ে তাড়া খেল। বস্তির লোকজন বার বার ফোন দিয়ে বা এসে ফিরে গেল। বলেন আমরা কোথায় বাস করি।
জনগণ আজ বন্দি রাজনীতিবিদদের হাতে।
সুন্দর বিষয় নিয়ে লিখেছেন ভাইজান। এটা কি ম্যাগাজিনে দেয়ার কথা ভেবেছেন?
এটা ম্যাগাজিনের মত উপযুক্ত না আপু।
ম্যাগাজিনের জন্য লেখা দিন ভাইজান। যা খুশি লিখুন। কিন্তু লেখা দিতে হবে। মনে থাকে যেনো।
বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করতেই হবে। সহমত আপনার সাথে ভাইয়া।
সহমত আপু।
বাল্যবিবাহ রোধে যে সকল আইন আছে সেসকল আইন বাস্তবায়ন করা দরকার।
আপনার লেখাটা যৌক্তিক।।
খুবি দরকার আপু।
বাল্য বিবাহ রুখতে হলে
আওয়াজ তুলো তালে তালে
শ্লোগানটি জাতীয় হোক।
এটা বিটিভির নিয়মিত প্রচার হই ভাইজান।
জানতাম না। কারন বিটিভি দেখা হয় না বহুদিন।
মেয়েদের বিয়েতে নাকি কোন বয়স লাগে না,
কোন এক গ্রাণ্ড মুফতি নাকি এই ঘোষনা দিয়েছেন!!
বস আমি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা চেয়েছি যাতে সব মেয়েরা নিরাপদে পথ চলতে পারে। আমিয়ামার স্বাধীন দেশের কথায় চলব মুফতি নই।
মজিবর ভাই ম্যাগাজিনের লেখা কই? ধমক দিতে হবে?
আমাকে তো তাজ আপুর রোগে ধরেছে, লেখা আসেনা। মাথার ঘেলু নাই।
জলদি করেন, এসব বললে হবে না। উদ্যোগ সফল করুন।
ভালো লাগলো,
ভাল লাগার জপুন্য ধপ্ন্যবাদ দাদা।