মিস্টি প্রেমের গল্প – ৩

উত্তরার একটি পার্কে দুজনের প্রথম ডেটিং। বাসা থেকে নেমে রাস্তায় কিছুদূর গিয়ে বাসস্টান্ড। দাঁড়িয়ে আছে ঝিরি। প্রশ্ন ফোন দিয়েছে, ‘ঝিরি তুমি আসার সময় সাদা সুতো আর সুই নিয়ে এসোতো, আমার টি- সার্টের একটা বোতাম খুলে গেছে’। বলেই কল কেটে দিলো।

এমন কথা শুনে ঝিরি হতবাক, প্রথম ডেটিং তাদের, কত রোমান্টিকতায় পূর্ণ থাকবে সময়, এর মাঝে সুই সুতো! জীবনে কেউ প্রথম ডেটিং এ সুই সুতো নিয়ে গিয়েছে!

ঘন্টা খানেক পরে, উত্তরা লেক ঘেষে ঘন সবুজ গাছ পরিবেষ্টিত সিমেন্টের একটি বেঞ্চে দুজন যুবক যুবতীকে দেখা গেলো। যুবতীটি পরম যত্নে খুলে যাওয়া যুবকের বুকের কাছের একটি বোতাম সুই সুতো দিয়ে লাগাচ্ছে, লাগানোর পর দাঁত দিয়ে সুতো কাটছে। যুবতীর মনে স্বর্গীয় সুখ, সুধু বোতাম লাগানোতেই এত সুখ! দাঁত দিয়ে সুতো কাটার সময়ে যুবতীর নাক যুবকের বুকে স্পর্শ।
এই প্রথম যুবতীটি যুবকের শরীরের গন্ধ নাকে নিল, গন্ধটি অনেক চেনা।

মিষ্টি প্রেমের গল্প- ২

মোট পড়েছেনঃ ২,০১৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬২টি মন্তব্য

    1. কুনই সমস্যা নাই,
      রক্ত মাখা কইলজা খাক সুই দিয়ে গুতিয়ে, তাতে আমাদের কি?
      প্রেম ছাড়া দুইন্যাই অচল,
      সোনেলাকে সচল রাখা লাগবে না?

  1. আহ আহ! বাহ বাহ! আমি যত প্রেমের গল্প এ যাবৎকালে পড়েছি, তবে এই গল্পের মতো কোনো গল্প শেষ করে প্রেম করার ইচ্ছা জাগেনি। বুড়া হইসি নাইলে আবার ট্রাই করা যেত। কত্তো কিউট একটা গল্প লিখলেন আপনি। যুগ যুগ ধরে মনে থাকবো মইরা গেলেও ভুলব না এই গল্পের কথা। মুখস্ত, ঠোটস্ত, অন্তস্ত, পড়স্ত হয়ে গেছে একবার পাঠেই।

    এই গল্প পড়ে সোনেলার কোন ব্লগার যে কোন দিকে ভৌ-দৌড় দিবে তা বলা মুশকিল। সবাইকে সামলান কঠোর হাতে।

    1. বুঝি কিন্তু প্রহেলিকার মন্তব্যের ভিতরের মন্তব্যকে ☺
      আর কেউ দৌড় না দিলেও জিসান যে দৌড় দেবে তাতে সন্দেহ নাই, তারে সামলানোরও কোন ইচ্ছা নাই৷

      1. মন্তব্যের ভেতরে আবার কিসের মন্তব্য! ফকফকা সব তো বলেই দিলাম, ইচ্ছা করতেছে প্রশংসা করে ভাসাই ফেলি। কিন্তু এমন আরও পাওয়ার জন্য অল্প করে করলাম।

    2. গুপনে এক কাজ করা যায়,
      প্রহেলিকা একটা গল্প লেইখ্যা মন্তব্যে দিয়ে দিক, আমি তা আমার পোস্ট এডিট কইর‍্যা আমার নামেই চালায়ে দেই।
      সব আমরা আমরাইতো 😊😊

  2. নাম দুটো কিন্তু বেশ হয়েছে ঝিরি এবং প্রশ্ন। এমন প্রেমের গল্প যে লিখে তার মনে কত প্রেম তাই ভাবছি।

    লেখক যেন আবির্ভূত হয়েছেন তারুণ্যের প্রেমের দীপ্তি নিয়ে।

  3. আমিও চাই এই লেখা শীর্ষস্হানীয় লেখায় থাকবে। অনেক সময় পার করে সোনেলা একটা প্রেমের গল্প পেল। জিসান ভাইয়ের হাত ধরে। সমাপ্তিটা শিহরণ ।

  4. এতো রোমান্টিক গল্প ক্যাম্নে লেখে!! 🙂
    ভাষার কাঠিন্য নেই, হাজার উপমা নেই, যাস্ট বলে যাওয়া।
    সবাই তো সব বলে গেলো, আসলে ঠিক তা নয়, এক প্রহেলিকাই একশো কথা বলে গেলো, কিছু তো পাচ্ছিনা লেখার মতো। প্রেম করতে মন চাচ্ছে এই লেখা পড়ে 🙂

    1. পরোক্ষভাবে বাচাল বইলা গেলেন আপনি! কোথায় যেন শুনেছিলাম, ক্ষমতাবান মানুষ যখন ক্ষমতা হারায় তখন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। প্রথম হতে না পেরেই এত ক্ষেপছেন।

      যাইহোক আপনাকে প্রথম মন্তব্যকারী হিসেবে ঘোষনা করলাম।

    2. আজ আমি লেক্তে পারিনা বলে প্রশংসার নামে এমন করে বললেন,
      আর লেখুমই না।
      আপনি কিন্তু আপনার প্রেমের কাহিনী গুলো আমাকে ইনবক্স করেননি এখনো।
      গল্পের মত করে লিখে দিয়েন, আমি আমার নামেই না হয় প্রকাশ করে দেবো।
      কৃতজ্ঞতা শুন্য শুন্যালয় দিয়ে দেবো 🙂

      1. ইনবক্স করেন করেন। এই সিরিজের ২য় পর্ব থেকে বলতেছেন যে আপনার প্রেমের গল্প দেবেন কয়েকটা। একটাও পাইনি। ভয় পাবেন না, আপনার নাম প্রকাশ করবো না। আমি আউলাইয়া যাবো না 🙂

  5. মিষ্টি প্রেমের গল্প মিষ্টিতে ভরপুর হয়ে আছে। নট–সুগারিরা ইনসুলিন নিতে দ্বিকবিদিক হয়ে কোথায় কোথায় হামলে পড়ে কে জানে!! 😂😂

    মনে হচ্ছে অষুধের দোকানীরাও আজ মিষ্টি খাবে মিষ্টি প্রেমের গল্পের প্রভাবে।

      1. ভাইজান, সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কি লিখবো বলুন, কিছুই তো ঠিক নেই, সব কিছুই কেমন যেন ব্যারাছ্যারা টাইপের, বেখাপ্পা টাইপের, মনই খারাপ হয়ে যায়। 😑

  6. “ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী ” এমন একটা ডায়লগ সমৃদ্ধ বিজ্ঞাপন নিয়মিত বিটিভি তে দেখেছি স্কুল জীবনে আর তার ই প্রয়োগকৌশল নানা ভাবে বিস্তারিত হতে দেখেছি…. স্যারের সকল লেখা খুব সুন্দর ভাবে ছোট হয়ে আসছে ধীরে ধীরে…. তারপর ও স্যার যে ডেডিকেশন নিয়ে অসুস্থতা উপেক্ষা করে ধৈর্যের বাঁধ কাঁধে নিয়ে সোনেলায় সোনার আলো ছড়িয়ে রেখেছেন তার জন্য মহান আল্লাহ পাকের দরবারে শুকরিয়া মেহেরবানী…
    একটা সময় আমি ( খুব ই নগন্য একজন মেয়ে ছেলে) উন্মাদের মত হুমায়ুন স্যারের বই পড়েছি আর যক্ষের ধনের মত আগলে রাখতাম তাঁর লেখা গুলো। সোনেলায় অংশ গ্রহনের পর স্যার আপনার লেখা গুলো বার বার ই আমাকে সেই সব দিনের কথা মনে করিয়ে দেন। সত্যি ই আপনি একজন লেখক এবং প্রিয় লেখক ♥♥♥

  7. প্রথমদিনেই বোতাম সেলাই? যুবক কি তবে ইচ্ছে করে ছিঁড়েছিলো ওটা? এত অল্পেতে মন ভরে না। পর্বটি আরেকটু বড় হতে পারত। ঝিরি নামটা সুন্দর হয়েছে।

    1. নিজে মনে হয় ইচ্ছে করে ছিঁড়েনি।
      হ্যা বড় হতে পারতো, তবে গল্পের এই অংশ টুকু ভালো লেগেছে আমার কাছে বেশী বলে কিছু অংশ বাদ দিয়ে দিয়েছি।

  8. পড়েছিলাম বহু আগেেই মন্তব্যে জানান দিলাম শেষে।লেখার শুরুটা পড়লে যেই কেউ আগ্রহ প্রকাশ করবে এর শেষটা পড়ার।কিন্তু এত অল্প মন ভরল না।

  9. হায়রে পেরেম! আমি ফেরেমের লিখা ছাড়লাম, আর হগলেই দ্যাহি পেরেমের ফেরেম বানায়।
    ঝিরিরে মনে হয় চিনি আমি। তিরির মুখে নামটা হুনছিলাম।

    এমন একখান প্রেমের গল্প বহুকাল পড়ি নাই। একডা পেরেম করোনই লাগবো। ও নানা হয় একখান প্রেমিক খুইজ্যা দ্যাও, নাইলে এমন মিষ্টি প্রেমের গল্প লেখোন শিখাইয়া দ্যাও।

  10. ওরে! আমার ভাইটা কি রোমান্টিক
    এমন একখান দৃশ্য কোনোদিন হইলো না জীবনে। বোতাম ছিঁড়ে গেলে দেয় কষে ধমক। বলে,’ একটু খেয়াল করবে না!’
    আমি তখন মনে মনে বলি, খাড়ুচ একটা ব্যাটা প্রেম করেছে ক্যামনে!’

মন্তব্য করুন