অটুট হেমলক

 

এই আধো রাত্রি কেটে যাক
ভরে যাক বিষ-পেয়ালা
অটুট হেমলক ছড়িয়ে পড়ুক
ধীর স্থিরতায়, ধীরে ধীরে;

আমি নতজানু হবো ঈশ্বর-পল্লীতে
নীরব নিবিড় সান্নিধ্য-আনন্দ-খোঁজে,

হে ঘুমহীন বিধাতা, চির ঘুমের বিধাতা,
আমি জেগে আছি, জেগেই থাকি
বিধাতার আকুল আহ্বানে,
বিধাতার অহোরাত্রি নিবিড় আলিঙ্গনে,
অনন্তের তৃষ্ণায়।

মোট পড়েছেনঃ ১২১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

  1. আমি নতজানু হবো ঈশ্বর-পল্লীতে
    নীরব নিবিড় সান্নিধ্য-আনন্দ-খোঁজে,————- নতজানু হতেও মনে একাগ্রতা লাগে গুরু যা আমার নাই।

    1. সহজ সরল এই মজিবর ভাইকে অনেক পছন্দ করি। অনেকদিন ধরেই সোনেলাতে আছেন। কেমন যেন শান্ত-স্বভাবের একজন মানুষ। লিখুক না লিখুক, ব্লগে এসে ঘুরেফিরে যায়, আন্তরিকতা বেশ দেখেছি উনার মাঝে। ভাল থাকবেন মজিবর ভাই।

      হঠাৎ কথাগুলো বলতে ইচ্ছা হলো, বলা হয়ে উঠে না অনেক সময় যা বলা প্রয়োজন

      1. নব্য কুবি কুবিতা দিসিলো একখান, কাচামরিচ মাখানো মন্তব্যও দিসিলাম একখান। কিন্তু দুক্কু মন্তব্য জমা দেয়ার আগেই পোষ্ট উধাও।

  2. পুরোটাই বিসর্জন দিয়ে দিলেন দেখছি।
    বিষ দিয়ে বিষ ক্ষয়ের কথা শুনেছি, আদৌ কী তাই হয়? বিষ কিন্তু অই আপনার কথার মতোই অটূট থাকে। কিসের এতো তৃষ্ণা কে জানে!

    1. দিলে পুরোটাই দেয়া উচিৎ।
      যার বিষ-ই নেই তার আর ক্ষয় অক্ষয়ের কি আছে।
      ঠিক ঠিক, কিসের যে তিয়াস তাই তো লেখা হল না।
      দোয়া দিয়েন!!

  3. পরম তৃষ্ণায় যা পান করা হয় তাই অমৃত হয়ে যায়, হতে পারে যমুনার জল অথবা হেমলক। তৃষ্ণা যদি তৃষ্ণা বাড়ায় তবে ঈশ্বর পল্লীতে গমন ছাড়া বিকল্প পথ থাকেনা।

    ঈশ্বর পল্লী —যেখানে বিধাতার বিধান বোঝা– না বোঝার কারণে জ্বলতে হয়, হেমলকের জ্বলন কেবলি ম্রিয়মাণ হতে থাকে…..

      1. বিষে বিষ ক্ষয়, তাই বলে বিষের জয়োৎসব করার কি দরকার? বিষ খেতে হয় চুপচাপ, বিষের তান্ডব দেখাতে হয় প্রকাশ্যে নইলে বিষ পান করেন বা চিবিয়ে খান, কোনো ফায়দা নাই। 😁😁

      2. বিষ অনেকেই খায়, কয় না, তবে বিষখোরের (ভালুবাসার) কাব্ঝাপ দেখতে পাবেন অচিরেই।
        বিষের ক্ষয় নেই, বিষ বিষ-ই। অবশ্য বিষহীনেরা এগুলাইন জানে-ই না।

  4. জেনে শুনে বুঝে আনন্দ চিত্তে হেমলককে কাছে টেনে নিলো লেখার লেখক। চাপিয়ে দেয়া কোনো কিছুর জন্য নয়ত?

    লেখাটি আরো পড়তে হবে।

  5. বিধাতার আকুল আহ্বানে নতজানু হয়ে তাকে জানিয়ে যাই, হাজির আমি তোমার ডাকে।
    রাত ভোর হয়, তবু কেনো যেনো অতৃপ্ততা বুকে পাথর চাপা দিয়ে বসে থাকে।
    কি যেনো করার ও কি যেনো পাওয়ার বাকি ছিলো এমন কিছু নিয়ে ভোরের আলো ফোটে। ভয় হয়, সব ঠিক থাকবে তো!!
    মনটা ভারি বা হয় কেনো?
    বড় সড় দীর্ঘশ্বাস বের হয়েও যেনো হয় না। আটকে যায় বুকের পাঁজরে।

    1. আজকাল আপনি সব বলে দেন, আমার আর কওনের জায়গা থাকে না।
      ঈশ্বর চায় প্রকৃত আত্মসমর্পন। এ কাজটি সব থেকে কঠিন, এখানেই পাশার দান উল্টে যেতে পারে, যায় ও।
      আমরা ভারি মনে তার-ই সাহায্য চাই।

      1. বিধাতা জানে কতোটা আত্মসমর্পণে মাথা নতজানু হয়।
        হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে মন। পারব তো সব! এ মনে যা কিছু সে দিয়ে দিয়েছো তার পবিত্রতা তারই হেফাজতে রেখে দেই রাত্রির গভীরতায়।
        যা কিছু অপূর্ণতা তা ঢেকে রাখি, বালিশে মুখ লুকিয়ে শুয়ে পড়ি।
        এবার এটার উপরেই কিছু লেখা জোড়া দেয়ার চেষ্টা করতে হবে।
        সাহস চাই গুরুজী,,,

  6. অনন্তের তৃষ্ণার কিংবা নিবিড় আলিঙ্গনের আবডালে ঈশ্বরকে পটানোর চেষ্টা যে খুব হচ্ছে তাও সে বিধাতা জানে। উনি সব জানে। লেখক লেখাকে সাক্ষীরূপে নথিবদ্ধ করার প্রয়াস কোথা পর্যন্ত গড়ায় দেখা যাক।

    1. তিনি সব-ই জানেন, তাও সোনেলার আপনজনদের সাক্ষী রাখলাম।
      দেখতে থাকি কোথাকার জল পারকি দিয়ে পানি হয়ে গড়ায়!!

      পাই না ক্যা!! বাড়ীর টান!!

মন্তব্য করুন