আজ হাসির কোলাহল

 

জ্যোৎস্নার চাঁদ-রাতে ঘুমন্ত বন জেগে ওঠে
আজ সে হাসবে অট্টের হাসিতে
যা সে লুকিয়ে রেখেছিল বনের জলজ উঠনে
সেই কত কাল আগে;

কত জল বয়ে গেল কত জল ঢেউয়ে হারালো
দুকুল উপচে, কত চাঁদ মুখ লুকালো
তেষ্টা-তপ্ত হৃদয়ের
আহ্নিক-বার্ষিক ধাঁধার গোলকে;

সুদীর্ঘ ফেরারি বৃষ্টি অতর্কিতে নেমে এসে
বুনে দিয়েছে প্রাণে লীলা বীজ
তুঙ্গ-হাসির কোলাহলে।

মোট পড়েছেনঃ ১,৪১৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৪টি মন্তব্য

  1. আজ তারার উৎসব,
    শতাব্দীর ঘুম ভেংগে জোছনার জাগরনে হেসেছে তিমির রাত,
    কালচে–সবুজ বনের লাজুক হাসিতে ম্লান হয়েছে জ্বোনাকির মিছিল। সে এসেছে, প্রত্যাশিত পথে
    প্রত্যাখ্যানের ধুধু মরূ পাড়ি দিয়ে,
    চাঁদ উঠবে আজ মরু-মেরুতে …

    এটা অর্ধেক বাকিটা ভাত খেয়ে দিচ্ছি।

    1. অট্টহাসির রাশি রাশি সুর-মূর্ছনায়
      জেগেছে শীতল হিমালয়,
      উত্তাপ-হীন চন্দ্রিমায় তরল হবে আজ।

      পরিযায়ীর দল ভুলেছে পথ,
      আলাপনের তীর আগন্তুকের আগমনে।

      মরুর রুক্ষতায় আর মেরুর হিমে
      ধূসরিত উপেক্ষার বীজে বেজে উঠে প্রাণের বাঁশি,
      তুঙ্গ-হাসিতে মুখোরিত চারিদিক…

      1. এ মন্তব্যের উত্তর দিতে অপারগ।

        আপনি কৈ ছিলেন এত এত এ দিন!
        কোন শৈলের-গুহায়, কোন হিম-চুড়ায়
        রুক্ষ-মরুর আচ এড়িয়ে
        চন্দ্রের চন্দ্রিলতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে,
        প্রাণ-বাঁশির তুঙ্গ-হাসিতে!!

        ছিলেন হয়ত ছায়া পথের ধার ঘিরে
        আলতো পায়ে আল-পথের নূপুর পায়ে!!
        এই তো এই সোনেলার হৃদয় জুড়ে।

  2. কবিদের নিয়ে দেখছি বড় বিপদে পড়েছি! কবিতার রথ এত দ্রুত চলে, যা নিয়ে আর কিছু বলার থাকে না।

    এবার কবিতা থেকে দূরে যাওয়া দরকার, এ আমার কাম্য নহে, যারা সকাল বিকালে এভাবে কবিতার ঘোড়াদৌড়ে সামিল হতে কবিতা তাদের জন্যই!

    গোলকধাঁধাকে কবি কিভাবে ধাঁধার গোলক বানায় তাকিয়েই দেখছি কেবল। সব দেখে ফেলা কবিদের মতো কবিতা লিখেছেন এবারে! কোথাকার জল কোথায় কোথায় বয়ে যায় সবই জানাফানা!

      1. আপনার লেখা কখনো পণ্ডে যেতে পারে না। কবিতার ভেতর পেয়ারা আছে, পেয়ারা সব খাওয়া শেষ তাই এই আউল ফাউল মন্তব্য! দুশ আমার না!

    1. আপনি ধরে নিন অতর্কিত বৃষ্টির ফলেই গাছে এতো এতো পেয়ারা ধরেছে, পেয়ারা ভর্তি নৌকা এখন জলের ঢেউয়ে হারাবে, আর এতো এতো পেয়ারা দেখে কতদিন ধরে এসব খাবে এই ভেবে কবির মনে তুঙ্গ হাসির কোলাহল বাজছে, এছাড়াতো আর উপায় দেখছিনা।

      1. আপনি জব্বর একখান ছবি আর কবিতার তরজমা করেছেন! এউভাবে ভাবা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই! আপনার এই তরজমা ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখার মতোই।

    2. লেখায়-ও আছে, আমাদেরগুলো কে আর দেখতে পায়!
      বনের জলজ উঠোন কে নদী ভাবতে পারেন, আর প্রকৃতি যখন জল পেয়ে হাসাহাসি শুরু করবে
      তখন ফুল-ফলে সব কিছু ভরে উঠবে।

      কী পাইলেন জানান দিয়েন।

      1. আমাদেরগুলো!! আহারে, কারে আবার দলে টানতেছেন?
        যা ভাবাবেন, তাইই ভেবে নেবো এতো সহজ নাকি! চাঁদ রাত্রিতে অট্টহাসির প্রিপারেশন নিতে নিতেই কী বৃষ্টি চলে এলো! নাকি বৃষ্টি শেষে প্রিপারেশন নিলো মাথায় ঢুকতেছেনা। এমনিতেই মাথা ব্যথা করতেছে, মাথা টেপার লোক নাই, তার মধ্যে এইসব যা তা লেখা!

      2. ফেরারি বৃষ্টি! তাও রেহাই দিচ্ছেন না!
        না কিছুই সহজ না, বৃষ্টি, সে যখন যেমন করেই আসুক না কেন,
        তাকে ছাড়া আমাদের চলেই না।
        আহা মাথা!!

  3. এবার মৌসুমে আয়োজন হোক সোনেলা যোদ্ধাদের এই বনজ হাসির সঙ্গে পরিচিতি করিয়ে দেবার। মৌসুম এলে দল বেঁধে ভিমরুলি,বা আটঘর কুড়িয়ানা নৌ ভ্রমনে আমন্ত্রন জানানো হোক। ইচ্ছে মতো বনজ অট্টের হাসি প্রান ভরে দেখে আসবে।
    অনেক ভালো লাগলো লেখা। শুভ কামনা।

  4. লুকিয়ে রাখা শব্দগুলো যে জানা যাচ্ছে কবিতার উঠানে, আপনার কল্যানে। পেয়ারা খেতে মনে যে চাচ্ছে, কি ছবি যে দিলেন ভাইয়া। পেয়ারা বনে গিয়ে পেয়ারা খেতে মনে চাইছে।

    1. শব্দ তো আমার তৈরি না, আর এতো লুকিয়ে রাখার বস্তু নয়।
      এক ছবি দেখেই এই অবস্থা!! হাজার ছবি দেখলে কী করবেন।
      এই রাজ্যে গেলে কিছুই খেতে পারবেন না, দেখেই কাৎ হবেন।
      ভাল থাকবেন।

  5. অট্টহাসিতে ঠান্ডা বুঝি মাথা
    অট্টহাসির জবাব কিন্তু না হয় গরমে ঠান্ডা
    ঐচাদ, ঐজোস্না এখনও বুঝি ডাকে ঐবনবাদালে।
    মনে বুঝি জাগে টেউ বসন্তের কুহু কুহুকুহুটানে!!

  6. সে জলের বয়ে চলাতে গভীর রাতে কুল ভাঙ্গে। তবু কুল যায় জলের কাছে।
    নাকি জলই বুক পেতে থাকে?
    চাঁদের রুপালী আলোর ছোঁয়ায় গভীর রাতে বন জেগে ওঠে। বন কেয়ার ফিসফিসানি শুনি সুপারি ফুলের সাথে। শুকনো পাতায় মরমর ভেঙ্গে উঠে আসে লক্ষী প্যাঁচা।
    যাবার আগে চলে যায় রাতচোরা পাখি।’
    ,,,,,আর কিছু কমু না। আমি কুবি না। কুবি হইতারলাম না আর।
    শিখে আসতেছি,,,

    1. চাঁদের আলোয় জল আর কুলের মাতামাতি এ এক আজব উপাখ্যান,
      কে যে কার কাছে যায় বা যায়-না, তা আগে থেকে কেউ বলতে পারে না।

      আপনি যা হওয়ার তা হয়েই আছেন, শুধু চালু রাখলেই হবে।

      1. এ উপাখ্যানের এক বাস্তব সাক্ষী আমি। নদীর দেশের মেয়ে বলে কথা!
        কতো কতো অপলোক সময় গেছে সে সব চাঁদ রাতে ও জলের পানে চেয়ে!!
        চালু তো থাকেই। চলতেই থাকে। শুধু থেমে থাকে নিজস্ব কিছু সময়।

মন্তব্য করুন