আমাদের সবার জীবনের চলার পথে অনেক বাধা বিপত্তি আসতে পারে। কেউ কেউ সেইসব বিপত্তি উতরে যান আবার কেউবা যেতে পারেন না।
একই বাণী হয়তো অনেকে অনেক ভাবে বলেন। এবার আসুন জেনে নেই কিছু কিছু বাণী যা আপনাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে চলার পথের পাথেয় হিসেবে।
১, সময়কে প্রাধান্য দাও। আর এ জন্য সময়ের কাজ সময়ের মধ্যেই করে নাও।
২, যতই পড়বে ততই জানবে
৩, উচ্চশিক্ষিত হয়েও শিক্ষিত মানুষ হওয়া কঠিন।
৪, তোমার নিজের ভিতরের ক্রোধ সংযত রাখাই শ্রেয়। আর সেটা প্রকৃত মানুষের বহিঃপ্রাকাশ।
৫, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেও সেখান থেকে উত্তরণের পথ খুজে বের করাটাই কৃ্তিত্ব।
৬, একদিকে বাবা মায়ের খেদমত এবং অন্যদিকে বন্ধুদের সময় দেয়া; এই মধ্যে যদি প্রথমটাকে বেছে নেয়া হয় তাহলে এর থেকে সবচেয়ে বড় সওয়াব আর কিছু হতে পারে না।
৭, জীবনের কোন ক্ষেত্রেই ধৈর্য্যচ্যুতি হওয়া ভাল না।
৮, আপনি জীবনে কোন মানুষের কোনরকম ক্ষতি না করলে আপনাকেও কেউ ক্ষতি করবে না।
৯, বাবা মা তুলে কাউকে গালি দেয়া মানে সেই গালি আপনার কাছে এসেই আঘাত করা।
১০, নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করুন। এটাই হল নিজেকে প্রমাণ করার সবচেয়ে ভাল গুণ।
১১, জীবনের খুব কঠিন সময়ে নিজের উপর আস্থা হারাবেন না। বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর।
১২, আপনার জীবনটা শুধু কালো অন্ধকার পথ দিয়েই ঘেরা। সেখানে আছে শুধু হতাশা, ক্লান্তি, মুক্তি পাওয়ার অবিরাম ইচ্ছে, জীবন সংগ্রান, কষ্ট, বেদনা। এতকিছুর পরও যে এই সময়টাতে ভালমত উতরে যেতে পারে সেই বিজয়ী। সেই কালো অন্ধকার ভেদ করে একটা সময় ঠিকই সে আলোর দেখা পায়। হোক সেটা ক্ষীণ, কিন্তু তার মাহাত্য অপরিসীম।
১৩, অনেকসময় আপনার একটু সুন্দর হাসি বদলে দিতে পারে চারপাশের পরিবেশ।
১৪, জীবনে কোন ভুল করলে সেই ভুলের জন্য কাউকে ক্ষমা করতে পিছপা হবেন না।
১৫, দাম্ভিকতা নিয়ে চলার মাঝে কোন কৃ্তিত্ব নেই।
১৬, টাকা পয়সাই জীবনের সবকিছু নয়। শান্তি, সুখ, শ্রদ্ধা, ভালবাসা এগুলোর থেকে বড় আর কিছু নেই।
১৭, আপনি কাউকে ভালবাসলে সেও যে আপনাকে ভালবাসবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
১৮, নিজের স্বামীকে / স্ত্রীকে সবটুকু দিয়ে ভালবাসুন। কখনো তার প্রতি সন্দেহ পোষন করবেন না। বিশ্বাস থাকাটা জরুরি।
১৯, কখনো নিজের স্ত্রীর অধিকার এবং একইসাথে আপনার মা এর অধিকার; এই দুটোকে একসাথে দেখতে যাবেন না। দুটোই আলাদা।
২০, আত্যহত্যা কারো জীবনে কোন ফলাফল নয়।
বিঃদ্রঃ গুগল মামার থেকে ধার হিসেবে নেয়া
সত্যি সত্যি এগুলো অমূল্য বানী।
🙂
বাহ্, জানা জিনিসগুলো আবার পড়তে ভালো লাগলো। পজিটিভিটি থাকাটা প্রয়োজনীয়। শুধু জানলে না, প্রয়োগ করতে পারলেই স্বার্থকতা।
ধন্যবাদ আপনাকে ঘুঘোকেযাঅপ 🙂
ধন্যবাদ আপনাকেও
আসলেই অমূল্য বাণী এসব।
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা।
ধন্যবাদ -{@
এগুলি আমরা জানি, মানি কজন?
জানা জিনিস নতুন করে পড়তে ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য
বাহ দারুণ।তবে বাণীর মত করে আমরা কজন চলি বলুন?
🙁
১২ নং এ বানান গোলমাল
১৪ এবং ১৫ তো বিপরীত মুখী হয়ে গেল।
তবে কালেকশন খুবই ভালো।
ধন্যবাদ আরিফ ভাই। -{@
এসব কথা গুলো পড়লে আমার কন্ফিডেন্স বেড়ে যায়, এভাবে বাঁচতে ইচ্ছে করে, অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ 🙂
ভাল বাণী কিন্তু চলতে পারি কই।
ধন্যবাদ সবার মাঝে নতুন করে বুনন করর জন্য।
আপনাকে ও ধন্যবাদ
অমূল্য বানীগুলো মেনে চলতে পারলেই মানূষ যথার্থ মানুষ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে কিন্তু ক’জনই-বা তা করে!
সেই, আমরা ভুলে যাই এসব
অন্য কোন ব্লগে এটি দেখেছিলাম যতটা মনে পড়ে অনেক আগে। ভাল লেখা।
সজীব ভাই, এই ব্লগে আপনাকে পেয়ে ভাল লাগছে।
ঠিকই ধরেছেন। সামুতে পড়েছিলেন। ওটা আমারই লেখা ছিল। 🙂
ধন্যবাদ
স্মৃতি শক্তি একদম খারাপ না আমার, কি বলেন? :p ২০১২ সনে সামু বাদ দিয়েছি। ভুলেও আর ঐ ব্লগে ক্লিক করিনা :D)
দারূণ স্মৃতি শক্তি আপনার।
কেন ভাই? কি হয়েছিল?
অবশ্যই বানীগুলো অমূল্য ,তবে আট নম্বর টা অনেকাংশে সঠিক নাও হতে পারে 🙂
হ ম ম, তা হতে পারে
অমূল্য বানী। মেনে চললেতো চুড়ান্ত।
আসুন কিছু যোগ করি ঃ
“যার প্রাপ্য তাকে দিন”।
এই ক্ষেত্রে প্রায় সবগুলো বানীই সংগ্রহ করা। সেক্ষেত্রে তাদের নাম দিলে তাদের প্রাপ্য তাদেরকে দেয়া হতো।
শুভেচ্ছা রইলো।
বিঃদ্রঃ বলেছি। 🙂
ভাল থাকবেন
ভালো।
ধন্যবাদ। শিক্ষণীয় পোস্ট।
ধন্যবাদ আপনাকে
বাণী চিরন্তনী ভালোই লাগলো।
ধন্যবাদ আপা