হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি

 

ফুঁসে ওঠা জলরাশি ছুঁড়ে দ্যায় শুধুই
ডুব-যন্ত্রণা ফি বছর,
সোমত্ত-বান প্লাবন মেলে শুধুই
ভাসিয়ে দেয়, ভাসিয়ে নেয়,
প্রকৃতির এ এক হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি।

বিভাজিত হৃদয়ে শুধুই হারানোর বেদনা
বাঁধ ভাঙ্গা জলের তোড়ে তাও চাপা পরে যায়,
গোটা প্রান্তর জুড়ে শুধুই সফেদে ভাসে যাওয়া
বিপুল বিস্তৃত বিন্যাসে;

অভিবাসহীন খাঁ খাঁ শূন্যতায় শুধুই নিরন্তর নির্জনতা,
মেঘ-জলের নির্মম-কঠিন আবরণ কেটে তর্কাতীত
ফুরফুরে ঝিলিমিলি নীলাকাশ একদিন ঝুঁকিহীন
সান্নিধ্যের-তাড়া করবেই, জানি।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১,০৪৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. ফুঁসে ওঠা জলরাশি ছুঁড়ে দ্যায় শুধুই
    ডুব-যন্ত্রণা ফি বছর,
    সোমত্ত-বান প্লাবন মেলে শুধুই
    ভাসিয়ে দেয়, ভাসিয়ে নেয়,
    প্রকৃতির এ এক হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি।

    বানবাসিদের এই তো যন্ত্রণা ভাইজান।

  2. বানভাসি মানুষ আজ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। প্রতিবছর ই বলতে গেলে ফুঁসে উঠছে জলরাশি আর ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জমি, সম্পদ, বাড়ি-ঘর। চারিদিকে শুধুই সফেদ ফেনা । একদিন দুর্দিন কেটে ঝলমলে নীলাকাশ উপভোগ করবোই। শুভ কামনা রইলো।

    1. নীলাকাশের অপেক্ষায় জীবন কেটে যাচ্ছে।
      শুধু ছুঁতে পাচ্ছি না। দুর্দিন কেটে যাক এ প্রার্থনা অবশ্যই থাকে প্রাণে।
      ধন্যবাদ দিচ্ছি।

  3. “ফুঁসে ওঠা জলরাশি ছুঁড়ে দ্যায় শুধুই
    ডুব-যন্ত্রণা ফি বছর,
    সোমত্ত-বান প্লাবন মেলে শুধুই
    ভাসিয়ে দেয়, ভাসিয়ে নেয়,
    প্রকৃতির এ এক হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি।”
    বানভাসি মানুষের দু:খ দুর্দশা
    ধরা পড়ে যায় বন্ধুর কলমে
    তাই তো লিখে যান অবিরাম
    করে যান অপূর্ব কাব্যের সৃষ্টি।
    শুভ কামনা।

    1. প্রকৃতির এই দুর্বিষহ রূপ আমাদের মধ্যে বোঝা হয়ে চেপে আছে।
      হাঁসফাঁস অবস্থা শুধুই। লেখায় সেটাই তুলে আন্তে চেষ্টা করেছি মাত্র।
      নিরাপদে থাকবেন আপনি , ভাই।

  4. ফুঁসে ওঠা জলরাশি ছুঁড়ে দ্যায় শুধুই
    ডুব-যন্ত্রণা ফি বছর,
    সোমত্ত-বান প্লাবন মেলে শুধুই
    ভাসিয়ে দেয়, ভাসিয়ে নেয়,
    প্রকৃতির এ এক হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি।

    দাদা আমিও এক বান বাসি
    প্রকৃতির এ এক হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টি।
    ধন্যবাদ দাদ,,

  5. ঝড় বন্যার মতো হেঁয়ালি-ভরা অনাসৃষ্টিগুলো আমাদের যুগ যুগ ধরে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এর অবসান হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই, কিন্তু সুষ্ঠু পরিকল্পনায় এসব থেকে জান মালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব, তেমন পরিকল্পনাকারী কোথায় আমাদের!!

    একবার মাত্র পড়েই পোষ্টে মন্তব্য করতে পারলাম এটা কি আপনার ব্যর্থতা নাকি আমার সফলতা ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না 🙂

    1. পুরোপুরিই আপনার সফলতা অবশ্যই।
      প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সত্যই কঠিন,
      তবুও আমাদের চেষ্টা করেই যেতে হয়।
      সময় করে সময় দিবেন এ আশা থাকেই।
      ধন্যবাদ।

  6. সমস্ত দুর্যোগ বিপর্যয় একদিন থেমে যাবে
    নীলাকাশের বুকে অজস্র নীল আর শুভ্রতার
    হাতছানি
    আকাশনীলা হয়ে ধরা দেবে নীলাকাশ প্রেমী
    কোনো কবির কবিতাতে
    সুদিন আসবে,আসবেই

  7. বন্যায় আমাদের এখানে নদী পাড়ের মানুষ চরম দূর্গতিতে পড়েছে ভাই। পানি কিছুটা নেমে গেলেও শুরু হয়েছে বন্যা পরবর্তী নানাবিধ রোগ। আশাকরি তারা শিঘ্রই এ যাতনা থেকে মুক্তি পাবেন এটাই প্রার্থনা।

    ভালো থাকুন ভাই।

  8. উপায় নেই, ভাসমান জীবনের এ-ই নিয়তি।
    ডুবে যাবে, ভেসে উঠবে, স্মৃতির ভেলায় বৈঠা বেয়ে পাড়ি দিবে অথৈ নির্জনতার পথ। আর বছর ফি-বছর সবই সমান 🙂

  9. সময়পোযোগী দারুন লেখা। বানভাসি মানুষের খুব কষ্ট। চোখে দেখার মত নয়।ত্রান দিতে গিয়ে দেখেছি মানুষের হাহাকার। সহ্য করা খুব মুশকিল। আল্লাহ পাক সকলের মংগল করুন।
    অজস্র ধন্যবাদ৷।

মন্তব্য করুন