সন্ধ্যা শুয়ে আছে নিসর্গ-শিয়রে

 

কোন এক বিরল সন্ধ্যায়
ঠাটা-মৃত্যুর অভিশাপে ভারাক্রান্ত
অন্তঃসত্ত্বা এ হৃদয়,
খোঁজে একটুখানি উন্মুখ জানালা;
বিনিদ্র রাত্রির শঙ্কায় একটু বাতাস,
গলে-যাওয়া চাঁদের হিম-শ্রী হ্রদে
খরতাপের অন্তহীন একাকীত্বে।

ক্ষণ-জীবনের জল-বৃষ্টিতে নির্বাক বিস্ময়ে ভাবে,
কে আর রাখিবে কারে আধার-স্মরণে!

আচ্ছন্নের মসৃণ খুশি, অনুপকারী প্রত্যহের ফুটে থাকা
কিরণ-কল্পন আফসোসের কারণ,
সবেধন-নীলমণি চাঁদ, ফিকে আজ দূর আকাশে
স্তব্ধতায় ডুবে আছে, নরম-সন্ধ্যা শুয়ে আছে নিসর্গ-শিয়রে,
মৃদু-উজ্জ্বল আলো ফেলে, বৈপরীত্যের অবগুণ্ঠনে!

মোট পড়েছেনঃ ৭৮৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. ক্ষণ-জীবনের জল-বৃষ্টিতে নির্বাক বিস্ময়ে ভাবে, কে আর রাখিবে কারে আধার-স্মরণে!

    কখেঁটে খাওয়া মানুষেরা অন্যের জন্য ভাবার সময়ও পায় না। এঁদের মধ্য আমি একজন অন্যতম।
    কবির জন্য শুভকামনা।

  2. নিসর্গের শিয়রে সন্ধ্যা”……..
    বিষন্নতায় ভরে ওঠে মন।
    আপনি অনেক বেশি ভাবছেন “সন্ধ্যা” নিয়ে।
    ভালো আছেন তো?
    লেখার প্রশংসার যোগ্যতা নাই।
    প্রতিটা শব্দে চমকিত হই।
    খুব ভালো থাকবেন।

  3. এই নস্বর পৃথিবীতে কেউ কারো নয়। একা এসেছি একাই চলে যাবো। মাঝখানে কেউ আসে আলেয়ার আলো হয়ে। কিছু ভালোবাসা আর কিছু মন খারাপের আকুতি নিয়ে।

    শুভকামনা জানবেন ভাইজান।

  4. ক্ষণ-জীবনের জল-বৃষ্টিতে নির্বাক বিস্ময়ে ভাবে,
    কে আর রাখিবে কারে আধার-স্মরণে!

    চমৎকার উক্তি। বিপদে কেউ কাউকে চেনে না।

  5. বিষন্নতা সংক্রামক ব্যাধির মতো। ভালো লাগেনা এমন লেখা পড়তে। আনন্দের লেখা দিন মহারাজ। আলোকিত সন্ধ্যা আসুক নতুন লেখায়।

মন্তব্য করুন