
পত্র-পল্লবে শুনি মৃদু ঝরমর
বসন্ত বেলা বয়ে যায় যে,
প্রভাতে মেলে আঁখি মনে শুধু কুহু ডাকি
প্রস্থানে বুঝি কভু
আর নাহি ডাকো যে।
পথিক হেঁড়িয়া ভাবে
এই বুঝি এলো তবে,
কৃষ্ণকলিরও বাঁশি কানে লাগে সুধা যে।
তাই দেখে রাধা হাসে
মনে বলে এসো পাশে
বসন্ত বেলা তব এই বুঝি গেল রে!
মন শুধু আনচান
ওষ্ঠাগত এ প্রাণ,
কিছুই না লাগে প্রাণে আর সুধা যে।
ভ্রমরের গুঞ্জন কোকিলের কুহুতান
গোধূলির আলোতে বুঝি
কালিমারা নামে রে।
পথিক হৃদয় ভাবে করিনিতো সিঞ্চন
তাই বুঝি শুনি এই মর্মর ধ্বনি,
কৃষ্ণ হয়েও আমি পরাহত ভগবান
থাকিতে রাধারও পা কি করে না চুমি?
(আমার অ-কবিতা)
মোট পড়েছেনঃ ৯৮৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ভাই, শেষে আপনিও ভয় পাইয়ে দিলেন!!
কবিদের খুব ভয় পাই। সে কবিতা আর অ-কবিতা সে যাই হোক।
প্রথম কমেন্ট!! ধন্যবাদ ভাই। চকলেটের ইমো।
ভয় পাইবেন না, কবিদের ভয় পাইতে নাই। কবি কভু ভয়ে নাহি ডরে।☺☺
অলস সময়ে একটু চেষ্টা করলাম শব্দ খেলা করার। আমার ভান্ডারে মাত্র গুটি কয়েক শব্দের ঝনঝনানি।
জানেনিতো, খালি কলসি বাজে বেশি।☺☺
শেষ পর্যন্ত আপনিও কবি!
আপনার পুর্বের অত্যন্ত ভালো লেখা গুলো পাঠ করে নিজকে একটু বলীয়ান মনে হয়েছিল এই ভেবে যে, আমিও আপনি কবিতা না পারার দলে। এইটা কি করলেন ভাই? আমাকে গদ্যের দলে একা রেখে আপনি পদ্যে চলে গেলেন?
ভাইরে আমারে একা রাখবেন না। আপনার কবিতার প্রশংসা আমি তাই করুম না, ফিরে আসেন পদ্য থেকে গদ্যে।
আমি কবি নই, আমিতো আপনারই মত শব্দের বাঁশিওয়ালা ভাই।☺
আসলে আমি কবিতা কম বুঝি ভাইয়া, এ কারনে কবিতার পোস্টে ভয়ে ভয়ে কমেন্ট করি। পাছে যদি কবি উপহাস করে তাই!!
কবিতা আমার মাথার উপর দিয়ে যায়!! তাই সাহস করে আপনার পিছে পিছে থাকি, পদ্যেই আছি আমি।
ধন্যবাদ ভাই, উৎসাহিত হলাম। ভালোবাসার ইমো।
” কবিতা আমার মাথার উপর দিয়ে যায়!! তাই সাহস করে আপনার পিছে পিছে থাকি, পদ্যেই আছি আমি। ”
হায়রে খোদা, এত অনুরোধ করলাম, তারপরেও বললেন পদ্যেই আছেন😠
পদ্যেই আছি মানে এই লেখার মন্তব্যের জবাব দেয়া পর্যন্ত ভাই। ☺☺
গদ্য গদ্য গদ্য, এরপর গদ্যেই দৌড়াবো।
পরে কি হবে জানিনা ☺
আপনি নাকি কবিতাতে মন্তব্য করতে ভয় পান। হা হা আমিও আবার কবিতাতে যতটা সাচ্ছন্দ্য-এ মন্তব্য করতে পারি, অ-কবিতাতে ঠিক ততটাই ভয় পাই। অ-কবিতা মাথার উপর দিয়াই যায়।
মাঝেমধ্যে শব্দেরা খেলা করে, বেশীরভাগ সময় কুতকুত খেলে। তাই আর সেসব শব্দ কবিতা হয়না,হয় অ কবিতা।
মাথার উপর দিয়েতো যাবেই ভাই।☺☺
রাধার পায়ে চুমু দিতে দেরি করলে কৃষ্ণের বাঁশিতে সুর আসবে? আসবে না। তাই কৃষ্ণকে আগে পদচুম্বন করতে হবে,
তৌহিদ ভাই আপনার মতলব টা কি? অ–কবিতা লিখে আমার আসন টানাটানি করতে চাইছেন!! আমিতো চিন্তায় পরে গেলাম, আজকে ঘুমাবো কিভাবে 😲😲
কৃষ্ণ আর রাধা দুজনেই খেলছে লুকোচুরি!! অনুভব করে কিন্তু কেউ কাউকে ধরা দেয়না।
আপনাদের কাছ থেকেই একটু আধটু শিখছি আপু, তাই চিন্তার কিছু নেই। গুরুর স্থান সবার উপরে।
তবে কবিতা পোষ্ট দেয়ার পর আমারো চিন্তায় ঘুম হয়নি, কে যে কি বলবে!!☺☺
বসন্ত এসেছে ধরায়…
আপনার কবিতা তা পুনঃ উপলব্ধি করালো।
শুভকামনা জানবেন আপু।
ভাই চমৎকার লেখনি। এগিয়ে যান আমরা আছি আপনার সাথে।
পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
এতো এতো ভাল কবিতাটিকে অ-কবিতা বলা এটা মোটেও ঠিক না।লিখুন সাহিত্যের সকল শাখায়।
আমিততো আর কবি নই। তাই এসব অকবিতাই। চেষ্টা করি মাঝেমধ্যে একটু আধটু।
ধন্যবাদ জানবেন ভাই।
ভাল্লাগেনাই, ভাল্লাগেনাই। 🙁
সোনেলার কবিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হইয়া গেছি।
আমার এতো পছন্দের গদ্য লেখক, গদ্যই লিখুক বেশি বেশি।
আপনিই আমার প্রকৃত বন্ধু। আসল কথা বলেছেন, সমালোচনা করলেন লেখার।
শিক্ষকদের এরকম যন্ত্রনা সহ্য করতে হবে মাঝেমধ্যেই।
কবিতা কিন্তু বেশ লিখেছেন।
ছন্দে আনন্দে রাধা নেচেছে বেশ।
পড়ন্ত বিকেলে পড়তে বেশ লাগলো।
চলুক চলুক।।।
চেষ্টা করছি লিখতে আপু, কিন্তু আপনাদের কবিদের ভীড়ে কুলে উঠতে পারছিনা যে!
আরও লিখতে হবে বেশি বেশি।
ধন্যবাদ আপু।
অ-কবিতা যদি এমন হয়, তাহলে কবিতা কেমন হয় সেটা আরেকবার দেখি তো!
লজ্জায় ফেলে দিলেন আপু! মনের খেয়ালে কিছু লাইন লিখলেই কি আর কবিতা হয়!!
পাশে থাকবেন, উৎসাহ দেবেন, তাহলেই একদিন কবিতা লিখতে পারবো।
ধন্যবাদ জানবেন।
আসলেই আর কবিতা লেখা হবেনা আমার। ছাইপাশ যাই লিখতাম ক্ষান্ত। দিতেই হবে এবার। আর চলবেনা। ছন্দে ভাবার্থে দারুন সুখপাঠ্য একখানি কাব্য।শুভ কামনা।
কবিতা আমারো আর লেখা হবেনা আপু। কবিতার ক’ও আমি বুঝিনা।
ভালো লেগেছে জেনে সুখী হলাম।
ধন্যবাদ জানবেন।