ফিরে এসো বাঁচি আবার একসাথে

উৎসর্গঃ ‘দিলরুবা নার্গিস (কৃষ্ণকলি) যার সাথে জুটি বেঁধে গলায় গলা মিলিয়ে জীবনের ৩৮টি কনসার্টে সুনাম কুড়িয়েছি’

কৃষ্ণকলি,
এখন তুমি ষোল বছরের কিশোরী নও,
তেইশ বছরে সদ্য বিধবা নারী;
কি আজব ইচ্ছা বিধাতার!
কেড়ে নিলো তোমার-
হাটা চলার ছন্দ, প্রিয় অলংকার,
জমিয়ে দিলো চোখে চিন্তার কালি;
জীবনটা এমন কেন?
শান্ত নদীর বুকে চোরাবালি।

ভাগ্য দুঃখীর সাথে করে উপহাস
বেঁচে থেকে আমিও আজ তুমিহীনা লাশ,
কোন কালে মন ভুলে করেছি কি পাপ
তুমি হলে অন্যের,
মনে পরিতাপ।

কুক্ষনে জড়িয়ে ছিলাম তোমার সাথে,
কয়েক বছর বা কিছু দিন;
পাহাড়সম চাওয়া পাওয়ায় জমছে কিছু ঋণ,
পাওনা ঋণের ছলে এসে ফিরে নিভৃতে
ভুলে যাও সব ক্লেশ মোহ পিছু টান,
গলা ছেড়ে গাই চলো সব হারানোর গান।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

    1. প্রতিটি মানুষ দেউলিয়া পার্থিব জীবনে সকলেই বিশেষ কিছু হারিয়ে নীরবে কাঁদে,
      পুরুষের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা আমরা ফুঁপিয়ে কাঁদতে পারিনা।

  1. এমন ঋণ পরিশোধের আহবান কৃষ্ণকলি ফিরিয়ে দিবে বলে মনে হচ্ছে না। সুক্ষণে বা কুক্ষণে যে গান গাওয়া হয়ে গেছে সেই সুরই তাকে ফিরিয়ে আনবে বাকি গানে গলা মিলাতে।

    ভালো লাগলো কবিতা,
    এই-ই কি সেই-ই দিলরুবা, যার জন্মদিনে কেক কেটেছিলেন?

    1. ভাববাদী লেডী ভীষন ভাব তার,
      কিছুটা লোভীও বটে।
      লোভ আর সম্পদের পিপাসা সাময়িক মিটিয়েছে সে কিন্তু সুখী হতে পারলো না।
      এই সেই কৃষ্ণকলি যাকে নিয়ে কিছুদিন পুর্বে লিখেছিলাম,
      ওকে নিয়ে একটা কভার করার ইচ্ছা আছে অনেকদিন গলা ছেড়ে গাইনা প্রায় ২\৩ বছর বা সামথিং এবার বিজয় দিবসে একসাথে গাওয়ার ইচ্ছা আছে “আর একটি বার আয় সখা প্রানের মাঝে আয়, মোরা সুখের দুঃখের কথা কবো প্রান জুড়াবে তায়”

    1. অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
      জীবনের অর্থ নেই,
      জীবন নদীর মতো কারো প্রতি কোন ঘৃনা নেই কারো প্রতি কোনো মায়াও নেই।
      নীরবে বয়ে চলে বয়ে নিয়ে যায় কিছু যন্ত্রনা।

  2. কৃষ্ণ বা কৃষ্ণকলিরা কি আদৌ ফিরে আসে অপেক্ষার প্রহর মাড়িয়ে? বৃথাই এ অপেক্ষা তবুও মন যে অবুঝ। ধন্যবাদ আপনাকে

  3. কিছু ঋণ কখনোই শোধ হয় না
    তবুও ঋণ শোধের তীব্র বাসনা থাকে মনে।
    আপনার কৃষ্ণকলি ফিরে আসুক সমস্ত প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে। শুভ কামনা রইলো

মন্তব্য করুন