“তার কবিতা পছন্দ না!”

তার কবিতা পছন্দ না,
কিন্তু সে গোলাপ পছন্দ করে।
রজনীগন্ধার মালা তার ভালো লাগে।
তার গোলাপ পঁচে যায়,
রজনীগন্ধার মালা শুকিয়ে মরে যায়।
কিন্তু অপছন্দের কবিতার তাজাপাতা তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে।
সে কবিতার বুকে পা মাড়ায়।
অনুভূতি খুন করে।
কথা কম বলে।
মস্তিষ্কে কেবল অদ্ভুত শব্দ বুনে।
সে ভালোবাসে
আলতো করে ছুঁয়ে যায়।
কিন্তু বেঁধে রাখেনা শক্ত করে,
উড়িয়ে দেয় সব!
যেমন ইচ্ছা তেমন করে।
সে ক্লান্ত, সে অস্থির।
কেবল একটু মায়া পেতে চায়
অথচ মায়ারা পালিয়ে বেড়ায়।
সে যা চায়, তা পায়না
সে স্বপ্নের খোঁজে ঘুমায়।
ঘুমের দেশে স্বপ্নরাই হারায়।
সে অপেক্ষা করতে চায়না
তবু সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা সেই করে।
সে কষ্ট পেতে চায়না
অথচ সব কষ্ট তার একার!
সে গোলাপ পছন্দ করে
অথচ তার সমস্ত ঘরে অপছন্দের কবিতারা ঘুরে!

মোট পড়েছেনঃ ১,১৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. এখন বড্ড ভয় হয় সেই পুরোনোকে তাঁকে দেখতে…..সে বড্ড গোলাপ পছন্দ করে!
    বড় পছন্দ করে একা থাকতে
    পছন্দ করে চুপ থাকতে
    তাঁর মায়া আছে
    কষ্টে ভোগে
    তবু ভালোবাসে সে
    সবাইকে, সে কবিতা পছন্দ
    করেনা, কবিতা তাঁকে ছেড়ে যায়না।
    আকূল আঁধারের বুকে চাঁদ খুঁজে খুঁজে মালা গাঁথে, মালা শুকায়, সাগর পাড়ে ঝিনুক
    খোঁজে, সে একলা থাকে, তাঁর
    মন পোড়ে কবিতার শব্দে।
    নিজেকে পোড়াতে-
    এমনই তো সে!!
    শুভ কামনা।

  2. অনেকের সাথেই এমন হয় তার ভালোলাগা, ভালোবাসা গুলো প্রকাশ পায়না , করতে পারেনা বা প্রকাশের ধরনটাই আলাদা আর সবার মতো নয়। সবকিছুতেই কিছুটা ব্যতিক্রম থাকবেই। সবার ভালোলাগা সবার সাথে এনজয় করতে পারেনা তাই হয়তো একাকীত্বে সে তার আনন্দ খুঁজে পায় বা ভিতরে ভিতরে পুড়ে মরে কারো সাথে শেয়ার করতে না পেরে। খুব ভালো লেগেছে কবিতা।

  3. আমার এ লেখাটি পছন্দ না।,
    তবুও বার কয়েক না পড়ে থাকাই যায় না।
    এ ভাবে না লিখে পারা যায় কি না তও ভাবি,
    ভাবতে ভাবতেই লিখে ফেলি কত না কত কি!!

    1. পছন্দ অপছন্দের আপেক্ষিকতায়, ভালো লাগা, না লাগার অদ্ভুত হিসেবের জীবন সমীকরণের অনেকটাই দুর্বোধ্য।
      অসংখ্য ধন্যবাদ।

  4. সে গোলাপ পছন্দ করে
    অথচ তার সমস্ত ঘরে
    অপছন্দের কবিতারা ঘুরে!
    কারন পছন্দের লোক
    কবি হয়ে কবিতায় ব্যস্ত থাকে বলে।
    ভালো লাগলো। শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন