ছুটে চলা এক বেঁতো ঘোড়া

দোর্দণ্ড প্রতাপের অশ্বারোহী ছুটছে টগবগিয়ে, প্রশস্তিবাচক উচ্চারণ আউড়ে,
যদিও আপাদ মস্তক ভীতু, ফন্দিবাজ, নির্বোধ স্তাবক, ভাব নিয়েছে সত্যবাদের সাহসী শিশু।

কখনো পাহাড় গাত্রে বিশ্রাম নিচ্ছে, নির্জন প্রান্তরে গাছেদের ছায়ায় নদীকুলের মিষ্ট-মিষ্টি বাতাসে।

যেমন-তেমন করেই হোক খুঁজে-পেতে পৌঁছে যাবে কবিতার কাছে, বেঁতো ঘোড়ায়;
নির্ভয়ের ভাব করে দাঁড়াবে কবিতা-সম্মুখে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতার নিরিখে নয়,
উদ্ধত উদ্যত ছুরি হাতে-ও না, বাঘেদের হালুম গর্জনে-ও না, রাংতা রঙের বাক্‌স্ফূর্তি তুলে-ও না,
অর্থহীন অর্বাচীনের মুহুর্মুহু ক্রন্দন ধ্বনিতে নয়। পরশপাথরের উত্তেজনার মুগ্ধতা নিয়ে!!

কবিতা, আড়মোড়া ভেঙ্গে পাশ ফিরে লেপ মুড়ি দিয়ে শু’তে শু’তে ভাবে,
ভূতে পেলে হরিণ-কোমল-নয়নে ঢেঁকি-ছাঁটা-সুগন্ধি-গান অনেকেই গায়!!
আগেও শুনেছি অমন অনেক!!

মোট পড়েছেনঃ ৭২৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. এত এত্তো কিছু! তবুও যদি কবিতাদেবীর মর্জি হতো তাহলে না’হয় কথা আলাদা। শব্দের মারপ্যাঁচে কবিরা কতকিছুই যে বলে যায়, বোকারাম হয়ে কেবল তাকিয়ে তাকিয়েই দেখি।

    কাঠুরে যেমন জানে হাতুড়ির গোপন গোমড় তেমনিও কবিতাও বুঝে গেছে কবিকে যে ভূতে পেয়েছে।

    লিখতে গেলে কীবোর্ড ভাঙে আর আপনি দেখি শব্দেরহাট বসাইছেন। ঠিক লয়, ঠিক লয়!

    গ্যাপ দেয়া ভালো না!

    1. মারপ্যাঁচ বলে কিচ্ছু নেই, সব ই ফকফকা!!
      কবিতা যারা লেখে-টেখে তারাই ভাববে/ভাবুক ঐ সব দেবী/ফেবীদের কথা, আম জনতার চিন্তা নেই!!
      আচ্ছা কী-বোর্ডে কবিতা থাকে নাকি!! জলদি ঠিকানা দিয়েন। একা একা সব খেয়ে ফেলবেন না যেন।

      পাঠকদের আর কত অত্যাচার করা যায়!!

  2. ভালোই গল্প ফেঁদেছেন দেখছি! মনের ভেতরে শিশু সুলভতা আর ভাবেসাবে “মুই কী হনু রে!” কবিতার জন্য কতো কিছু! পরশপাথরের একটা টুকরো আমাকে দিন না, দেখি আপনার মাতো এমন “গল্পবিতা” লিখতে পারি কিনা!

    অনেকবার পড়ার পরে এই মন্তব্য করতে পেরেছি। আর পারমু না। ^:^

    1. ফাঁদতে আর পারলাম কৈ!!
      সব কিছুইতো আপনাদের দখলে, এই জন্যই বলি কবিরা খুব খারাপ (আপনি বাদে)
      আমিতো আপনার লেখা নকল করে করে লিখি;
      আরে!! এমুন লেখা-তো অনেক অনেক বার করেই পড়তে হবে,
      পড়া উচিৎ-ও!

  3. আপনি বেঁতো ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে বহুদুরেই চলে গেছেন,,সম্ভবত কোন ভিনগ্রহে। অনুমান করি সেখানে বসেই লিখেছেন গপ্পোখানি। অন্যলোকে যাওয়ার আগে ডিকশনারিটা ফেরত দিয়ে গেলেন না মহারাজ।( দুঃখের ইমু হইবে )। এখন এই গপ্পের ভাষা বুঝতে কার কাছে যে যাই !! ;?

    আপনার কাজ হয়ে গেলে ভাঙা-চুরা ঘোড়াটা একটু হাওলাৎ দিয়েন,,দেখবো কোন গ্রহে গেলে এমন এমন লেখা শেখা যায় ।

    1. এই রুগ্ণ ঘোড়াকে আমি পাঠাতে চাইলেও সে প্রাণ ভয়ে আপনার কাছে
      যেতে রাঝি হবে বলে মনে হচ্ছে না, কখন না জানি আবার ফট করে কবিতা লিখে বসেন!!
      এ আর কী এমন গপ্পো!! শুধুই এলেবেলে!!
      ডিকশনারি আপনার লাগবেই, যা বানানের অবস্থা!! (অবশ্য আমার চেয়ে ভাল)
      ইমু না দিয়ে এ যাত্রা বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ!! (গ্যানী না মটেই)

      1. আহা, কি যে বলেন !! আমি গ্যানি হতে যাবো কোন দুক্ষে,, আমার কি ভয়-ডর নাই ?

        আপনার ঘোড়া ( বেঁতো) টাকে কিন্তু আমি খুব যত্নেই রাখতাম,,, এমন এমন ভালুবাসার কবিতা শোনাতাম যে সে অজ্ঞান হয়ে যেতো,,,কি আর করা মহামান্য সম্রাটের ঘোড়া বলে কথা,, যার-তার দ্বারে যাবে না বুঝতে পারলাম। 😕

      2. কবি/লেখকরা কিন্তু ভয়-ডর পায়-ই না।
        তারা ল্যাক্তে ঘোরতে পছন্দ করে।

        এই সামান্য ঘড়া আপনার দেখা পেলেই পটল তুলবে,
        কবিদের খুব ভয় পায়!!

মন্তব্য করুন