তুচ্ছ প্রলাপের পুচ্ছকে শুন্যে মেলে
ক্ষণিকসময় কৌতুকের ছেলে খেলাখেলিতে,
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা কামনারা আজ;
বেলা অবেলার ভাবের মেলায়
লজ্জিত বিহনে হয়েছে নিষ্পেষিত।
অভিসারিকার আগমনে আনন্দরুপে উদ্বেলিত
মুক্ত বিহঙ্গমার সুপ্ত চৈতন্যরা,
ঝড়ের বেগের মৃদুমন্দ দোলনে মৌনতায় পর্যবেসিত;
কিশোর অক্ষরলিপিতে আঁঁকা রংতুলিতে
আড়ালে আবডালে এসেছিল যে- সে অবন্তিকা।
গহনে গ্রহণে আলোর সঙ্গমে মিলিত জোনাকীরা
বিশ্বপ্রাণের স্পর্শরসে তন্দ্রাচ্ছন্ন আকাশতলে,
কবিত্বহীন বিধাতার হিসেবের যাতাকলে;
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
শরীরতত্ত্বের বক্রতায় জ্যামেতিক ত্রিভূজে।
মোট পড়েছেনঃ ৭৮৯জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা কামনারা আজ;
বেলা অবেলার ভাবের মেলায়
লজ্জিত বিহনে হয়েছে নিষ্পেষিত।
চমৎকার উপস্থাপন
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু। ভালো থাকবেন।
বিরাট গবেষণা,
ত্রিভূজ আবিস্কৃত হলে কামনারা আর নিষ্পেষিত থাকে কি করে!!
আহা শরীরতত্ত্ব এই শীতে মন্দ হবে না।
এই গবেষনা করতে প্রেম বিশারদ হবার দরকার হয়না মহারাজ, গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখবেন সবাই এর মাঝে পতিত হয়েছে। শুধুমাত্র ল্যাবেন্ডিস যারা তারা ছাড়া ☺
ত্রিভুজ আবিষ্কৃত হলেও সেখানে পৌঁছাতে কত বাধাবিপত্তি আসে সে খবর যে ভুক্তভোগী কেবল সেই জানে। তাইতো কামনা তরতর করে উপরে উঠে আবার ফুঁস করে নেতিয়ে যায়। বুঝলেননা! ☺
শীতে শরীরতত্ত্ব নিয়েই আষ্টেপৃষ্ঠে থাকাটা বেশ উপভোগ্য কিন্তু!! 😃😃
গহনে গ্রহণে আলোর সঙ্গমে মিলিত জোনাকীরা
বিশ্বপ্রাণের স্পর্শরসে তন্দ্রাচ্ছন্ন আকাশতলে,
কবিত্বহীন বিধাতার হিসেবের যাতাকলে;
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
শরীরতত্ত্বের বক্রতায় জ্যামেতিক ত্রিভূজে।
একেবারে সঠিক সময়ের কবিতা।আহা শীত তুই আরো কেপে আয়।দারুণ।
শীত কিন্তু দারুণভাবে জেঁকে বসেছে ভাই। এই শীতে একটু ওম হলে মন্দ হয়না।
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা কামনারা আজ;
বেলা অবেলার ভাবের মেলায়
লজ্জিত বিহনে হয়েছে নিষ্পেষিত!
চমৎকার লিখেছেন দাদা।
ধন্যবাদ দাদা, ভালো থাকবেন।
কবিত্বহীন বিধাতার হিসেবের যাতাকলে;
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
.
অনেকদিন পর আপনার এমন কবিতা পেয়ে আমি অনেকটা আনন্দিত। একে একে তিনবার প্রতিটি ছন্দ আনয়ন করলাম। না হলে বুঝতে অক্ষম হয়ে পড়তাম।
বেশ দারুণ রচনাশৈলী দাদা।
শরীর জুড়ে কিশোর বাসনা..যা কবির মনোজগতকে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে।
কিশোর বেলার প্রেমকথা সেকি এতসহজে ভোলা যায় দাদা।
ভালো থাকবেন।
কিশোরবেলার অক্ষরগুলো এলোমেলো হলেও ভালোলাগায় ভরা। বাকি সময়টায় বার বার ঢেউ তোলে।
চমৎকার লিখেছেন।
চমৎকার বললেন আপু। শুভকামনা রইলো।
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
শরীরতত্ত্বের বক্রতায় জ্যামেতিক ত্রিভূজে।
বুঝে নিতে হয় কবিতার ভাষায়
যদি ও কলার ছাত্র নই
শুভ কামনা
কবিতার ভাষাকে বুঝতে কলার ছাত্র হতে হয়? আমি কিন্তু সাইন্সের ছাত্র দাদাভাই।☺
ওরে কঠিন কঠিন শব্দ। এতো সুন্দর করে সাজিয়ে কিভাবে লিখেন?আমি যে কবে এমন করে লিখতে পারবো! চমৎকার আবেগ আর শব্দ চয়নে বিস্মিত হলাম
কিভাবে কিভাবে যেন হয়ে যায় আপু। আপনার লেখাও অনেক সুন্দর কিন্তু।
বড্ড কঠিন ,কিন্তু চমৎকার ।
আপনার লেখাও কিন্তু অনেক ভালো আপু।ভালো থাকবেন সবসময়।
মন্তব্য দিতে ভয় পাচ্ছি ভাই,
দেহ তত্ত্বের লেখা।
শেষ পর্যন্ত আপনিও কবি হয়ে গেলেন?!
আমাকে অ-কবির দলে ঠেলেই দিলেন?!!!!
আমি আপনার দলেই আছি, কিন্তু সোনেলার কবিরা নিজেদের যেভাবে উপস্থাপন করছেন তাতে তাদের পাঠকপ্রিয়তা দেখে ভয় পেয়েছি। তাই নিজের অবস্থান একটু জানান দিলাম আর কি! ☺
এতো সহজ তবুও কঠিন বলছেন!
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
শরীরতত্ত্বের বক্রতায় জ্যামেতিক ত্রিভূজে।
অসাধারণ শব্দ চয়ন। মুগ্ধতা রেখে গেলাম দেহ তত্ত্বের কবিতায় ।
ধন্যবাদ জানবেন ভাই।
“গহনে গ্রহণে আলোর সঙ্গমে মিলিত জোনাকীরা
বিশ্বপ্রাণের স্পর্শরসে তন্দ্রাচ্ছন্ন আকাশতলে,
কবিত্বহীন বিধাতার হিসেবের যাতাকলে;
দেহরসের অস্তিত্বরা বিলীনতায় মত্ত ধীরলয়ে-
শরীরতত্ত্বের বক্রতায় জ্যামেতিক ত্রিভূজে।”
নান্দনিক নির্মাণ! অনেক অনেক ভাল লাগা।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই। আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।