আহা নীড়, শান্তির নীড়!

গতকাল বৃষ্টি ছিল সারাদিন । কখনও ঝিরঝির, কখনও ঝমঝম। কর্মস্থলে গেলাম হালকা ভিজে। কাজের মাঝে বার বার চোখ চলে যায় কোর্টের বারান্দা পেরিয়ে গাছপালায় ঘেরা বাইরের প্রকৃতিতে। বাইরে সরস প্রকৃতি, ভেতরে নিরস সাক্ষী। একঘেঁয়ে শপথপাঠ, জবানবন্দি, জেরা। পুলকিত হতে চাইলেই কি হওয়া যায়? বলা কি যায়, “এমনও দিনে তারে বলা যায়, এমনও ঘনঘোর বরিষায়?” তাছাড়া বয়সটাও তো ভাবতে হবে!

একসময় শেষ হলো নিরস কাজগুলো। পাখির নীড়ে ফেরার পালা । রিক্সার হুড তুলে পাখিদ্বয় , সেই কোন্ প্রেমিকবেলার মত! নীড়ে অপেক্ষারত কন্যাদ্বয়। মনে হলো, না থাক সেই বয়স, না থাক তখনকার সেই প্রেমিকবেলা, এ বেলাটাতে যে আরও বেশি মায়া জড়ানো ! এ বেলাতেও ভালোলাগা অপার। আহা নীড়, শান্তির নীড়!!

মোট পড়েছেনঃ ৮৩৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

    1. হুডটাই তোলা ছিল, নীল পলিথিনে ঢেকে রেখেছিলাম নিজেদের, তবুও যে ভিজিনি তা নয়। মন তো নেচে উঠেছিলোই।
      শুভকামনা নিরন্তর।

  1. আগে প্রতিদিন অফিস যাওয়ার সময় বৃষ্টি হতো। ভিজতে না পারার জন্য সারাদিন মনের মধ্যে কেমন জানি করতো। লেখা পড়ে পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল।

  2. রিক্সার হুড তুলে পাখিদ্বয় ফিরে যাবে প্রেমিক বেলাতেই। তাইতো বর্ষা আসে চির সবুজ নিয়ে, ফেলে আসা অতীতের জীর্ণতা ধুয়ে ফিরিয়ে দেয় প্রানের সুর।

    বেশ ভালো লাগলো, এমন লেখাগুলো বর্ষা বিড়ম্বনা ভুলিয়ে দেয়। এমনো দিনে তাকে বলা যায়,, 🙂

    ভালোবাসা অবিরত ❤❤

  3. একদিনের কথা মনে পড়লো। আমি আর আমার হারিয়ে যাওয়া প্রেমিকা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতেছিলাম। এমন সময় হঠাৎ করে ঝুম বৃষ্টি নামলো। আমরা তাড়াতাড়ি করে একটা রিক্সা ভাড়া করে গন্তব্যহীন ঘুরতে শুরু করলাম। সেই বৃষ্টি থামলো প্রায় ২ ঘণ্টা পর। এই দুই ঘণ্টায় আমরা রিক্সা করে চট্টগ্রাম নগরের প্রায় অর্ধেক জায়গায় ঘুরেছি। কষ্টের কথা হলো, ওই দিনের দেখাই ছিলো আমাদের শেষ দেখা। এরপর থেকে আমার প্রেমিকা হারিয়ে গেছে। আর খুঁজে পাইনি।

মন্তব্য করুন