আত্মকথন

গান- আমার সকল অনুভূতির সাক্ষী। প্রতিটি দিন ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় গান না থাকলে হয়তো বা আমি কবেই বিলীন হয়ে যেটা সময়ের বাস্তবতার রঙে রাঙানো নির্মম স্রোতের সাথে, হারিয়ে যেতাম জগতের কলুষতা মাখা আঁধারে তথাকথিত সামাজিক মানুষ হয়ে। এখনও যদি কিছুটা অন্তত মানসিক ভাবে বেঁচে আছি তবে এই গান এর জন্য। আর রবীন্দ্রসঙ্গীত, সে তো আমার প্রান বলা চলে। মাঝে মাঝে মনে হয় রবীন্দ্রসঙ্গীত না থাকলে হয়তো বা আমার বেঁচে থাকাটাই সম্পূর্ণ অর্থহীন লাগতো। এখনও লাগে… তবে খুব ছোটখাটো কিছু আনন্দের টানে বেঁচে থাকি। বেঁচে থাকতে হয় বলে বেঁচে থাকি। মজা পাচ্ছে না পড়ে ? বলছেন, এসব কি ! নিজের কথা লিখতে বসেছে। আসলে ইচ্ছে করছিল রবীন্দ্রসঙ্গীত এর প্রশংসা করি কারও কাছে। সামনে কেও না থাকায় ব্লগ এ পোস্ট করার সিদ্ধান্ত নিলাম। তাই আর কি এখানে আসা।

এতটা মোহময় হয় রবীন্দ্রসঙ্গীত এর কথাগুলো। যে মোহ তে আটকে আছি বেশ কিছুদিন ধরে, যখন থেকে মূলত রবীন্দ্র শোনা শুরু করেছিলাম। তখন থেকেই। যত দিন যায়, তত মোহ বাড়ে। আসলে আমার যত আবেগ সব আমি গান শোনা আর কবিতা লেখা দিয়ে প্রকাশ করি। তাই আমার কাছে গান এতটা মূল্য পায়। আমার কাছে মনে হয়, গান আমার আত্মা কে বাচিয়ে রাখছে। গান আমার আত্মার অক্সিজেন। আর রবীন্দ্রসঙ্গীত হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট এবং সব থেকে পরিচ্ছন্ন অক্সিজেন। নিজে থেকেও সে ধাচের গান লিখতে ইচ্ছে করে, দু একটা লিখেছি ও বটে। তবে সাহস হচ্ছে না সবার সাথে শেয়ার করতে। হয়তো করবো একদিন, যখন সাহস যোগাতে পারবো। যাই হোক, এই কথা গুলো মাথায় ঘুরছিল, কিন্তু শেয়ার করার কেও না থাকায় ব্লগ এ লিখে দিলাম। আপনাদের বিরক্ত করার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত 🙂

মোট পড়েছেনঃ ৭৯১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. বিরক্ত হওয়ার বা বিরক্ত করার কিছু নেই ।
    নিজের আবেগ উচ্ছ্বাসকে ব্যক্ত করার জন্য আমরা এখানে আসি ।

    রবীন্দ্র সংগীত আমারও প্রিয় , হয়ত আপনার মত নয় ।
    এখন ও আমার কাছে গান মানেই রবীন্দ্র সংগীত ।

    লেখা গান নিয়ে যদিও আমার ধারনা কম , তবুও আপনার গানের কথাগুলো পড়ে দেখতে চাই ।

  2. রবীন্দ্র সংগীত ভালো থাকাতেও প্রিয়, মন্দ থাকাতেও প্রিয়।
    তবে আমি আবার বাউল, লালন, হাসন, পাগলা কানাই, পল্লী গীতি খুব মন দিয়ে শুনি। একটা গান শেয়ার দিব ভাবছি। ভালো লাগতেও পারে।

    শুভেচ্ছা।

মন্তব্য করুন