কবিতাই সব

মোকসেদুল ইসলাম ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:২৮:৪০অপরাহ্ন কবিতা ৬ মন্তব্য
কবিতা তুমি আছো বলেই আজ আমি কবি বেয়াড়া শব্দগুলো খুব সহজেই এখন আমার খাঁচায় বন্দি সারা মস্তিষ্ক জুড়ে তাদের নিয়ে সাপলুডু খেলি। বিষাদগ্রস্ত মলিন চোখে বিশ্বাসের আনাগোনা বাড়ে প্রেয়সীর ভুলে ঘুনে ধরা হৃদয়ে আবার সজীবতা ফিরে আসে। কবিতা তুমি আছো বলে মনের আকাশে ওড়াই স্বপ্নের ঘুড়ি বায়োনারি পজিশনে দেখি আজব পৃথিবী।

অবশেষে মিমি(পর্ব-১)

পুষ্পবতী ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:১৭:৫২অপরাহ্ন গল্প ১৩ মন্তব্য
চারদিক অন্ধকার হয়ে আছে বৃষ্টি আসবে,আকাশে এতো মেঘ করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,দুরের সব ঘড়বাড়ি গাছপালা গুলো দেখে মনে হচ্ছে অন্ধকারে ডুবে গেছে।ফসলের মাঠ থেকে কৃষক,রাখাল সবাই ছুটে চলেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো।মিমি তার বাবার জন্য চিন্তা করছে,আর মাকে বলছে আকাশের এই অবস্থা তার বাবা ফিরে আসছেনা কেন?বলতে বলতেই হাজির হয়ে গেল মিমির বাবা রমিজ মিয়া।রমিজ মিয়া একজন কৃষক পরের জমিতে চাষ করে সংসার চালায়।অভাব,অনটনের মধ্যে থেকেও খুব সুখেই দিন চলে যাচ্ছে তাদের। রমিজ মিয়া গ্রামের একজন সরল সোজা মানুষ।ঝগড়া ঝাটি মারামারি এইসব একদম পছন্দ করেন না।বলতে গেলে গ্রাম বাংলার একজন খাটি মানুষ।তিন ছেলেমেযে আর সহধর্মিনী আমেনা বেগম কে নিয়া তার সংসার।বড় মেয়ে মিমি ,অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী।লেখাপড়ায় খুবই ভালো।ক্লাসে সবসময়ই প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়না।মিমি তার বাবা কে খুব ভালবাসে,বাবার জন্য অপেক্ষা করে কখন বাড়ি ফিরে আসবে,এক সাথে খাবার খাবে,বাবা ও মেয়েকে খুব ভালবাসে। প্রথম সন্তানদের  সব বাবা মা ই একটু বেশি ভালবাসেন।মিমির ছুটো ভাই রাসেল ও ছুটো বোন রিমি।পরের জমিতে খেটে যা রুজগার করে তাতে সংসার চালাতে হিমছিম খেতে হয় রমিজ মিয়াকে পাচ জনের সংসার,খরচ কম নয়,দিনের পর দিন জিনিস পত্রের দাম যে হারে বাড়ছে আয়ের পরিমান সেই হারে বাড়ছেনা, ফলে রমিজ মিয়ার মত এমন অনেক পরিবারই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে,এতে করে শুধু কষ্ট পাচ্ছে সমাজের নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তরা। মিমি,রিমি আর একমাত্র ছেলে রাসেল কে নিয়ে রমিজ মিয়ার মনে হাজারো স্বপ্ন।ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা করিয়ে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।মেয়ে দুইটাকে পড়াশুনা করিয়ে ভালো কোন ছেলের হাতে তুলে দিবে আর ছেলে পড়াশুনা শিখে বড় চাকরি করবে।এই আশা নিয়েই দিনের পর দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাটিয়ে দিচ্ছে রমিজ মিয়া। মিমি এইবার ক্লাস নাইন এ উঠেছে,সে কিছুটা বুঝতে পারে বাবা সংসারের জন্য কত কষ্ট করে,মিমি ভাবে পড়াশুনা শেষ করে একজন শিক্ষিকা হবে আর বাবার পাশে দাড়াবে তখন আর এত কষ্ট করতে হবেনা,সংসারের সব অভাব দূর হয়ে যাবে। সকাল হয়ে গেছে আযানের ধবনি ভেসে আসছে মসজিদ থেকে,রমিজ মিয়ার ঘুম ভেঙ্গে গেল,ঘুম থেকে উঠে ওজু করে নামায পড়ল,তারপর পান্তা ভাত,লবন আর কাচা মরিচ দিয়ে খেয়ে বের হয়ে গেল মাঠে,এইভাবেই প্রতিদিনের জীবন চলতে থাকে মাঠে যাওয়ার পথে দেখা হলো জলিল মিয়ার সাথে।জলিল মিয়া খুব মন খারাপ করে বসে আছে। রমিজ মিয়া :কি ভাই কি খবর অনেক দিন ধইরা তোমার কোনো খুজ খবর নাই। জলিল মিয়া :আছিলাম একটু দৌড়াদৌড়ির মইধ্যে।মনডা বেশি ভালা না। রমিজ মিয়া :কি হইছে? চলবে...
বয়স বাড়ছে আয়ু কমছে চুল পড়ছে কপাল বাড়ছে । বাড়ছে স্মৃতির বোঝা ফেলে আসা সময় গুলো ভোলা কি এতই সোজা । হাজার মানুষের মাঝে তবুও আমি একা এভাবেই আর কতদিন বেঁচে থাকা । মাঝেমাঝে মনে হয় তবুও ভালই আছি ছোট একটাই তো জীবন কে জানে কতদিন বাঁচি ।

ক কাব্য

জিসান শা ইকরাম ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:৫২:৩৯পূর্বাহ্ন কবিতা ৪৭ মন্তব্য
কলিকাতার কবিভাবাপন্ন, কাব্যানুরাগী কানাই কর্মকারের কাজলাঞ্জন কনিষ্ঠা কন্যা কামিনী কর্মকার, কপাল কুঞ্চিত করিয়া, কঙ্কন কচলাইয়া, কাকা কেদার কর্মকারকে কানে কানে কোমল কন্ঠে কহিলো, কাকা কুঞ্জে কৃষ্ণ-কালো কোকিল কাকুতি করিতে করিতে কুহু কুহু করিলেও কলিকাতার কতিপয় কালো কাক, কোকাইতে-কোকাইতে কোন কারণে কুলক্ষনে কা-কা করে? কোন কালের কাকেরা কা-কা করিয়া কাকে কাকা কহিতেছে? কুহেলী কাকেদের কাকা কে? [বিস্তারিত]
আপনার শখের মোবাইল ফোনটিতে ছোটখাটো আঁচড় লেগে গেলে মন নিশ্চয়ই খারাপ হয়। আঁচড় বা দাগ সারাতে আপনি কিন্তু নিজেই হয়ে যেতে পারেন মেকানিক। কোনো কিছুর ঘষা লেগে কিংবা হাত থেকে পড়ে মোবাইল ফোনে যে দাগ বা আঁচড় পড়ে, তা সারানোর উপকরণ আপনার হাতের কাছেই পাবেন। হাতের কাছের সহজলভ্য এই উপকরণ ব্যবহার করে মোবাইলের আঁচড় দূর [বিস্তারিত]

স্বিকারোক্তি

আগুন রঙের শিমুল ৫ জুলাই ২০১৪, শনিবার, ১০:৩৮:৪৫অপরাহ্ন বিবিধ ১৪ মন্তব্য
শব্দের একক কোন ক্ষমতা নেই কবিতা হবার, ইচ্ছে হলেই লিখে দিতে পারি দিস্তা দিস্তা তা শুধুই শব্দ এবং বাক্য হবে কবিতা হবেনা। লিখে যেতে পারি মাইলের পর মাইল, সবুজ কালো কিংবা ধুসর, আকাশী নীল রঙের শব্দগুচ্ছ। জেনে রাখো, তা কখনো তোমায় ছোঁয়ার সাহস পাবেনা। যদি, ভালোবাসার ম্যাজিক সহ একটি মাত্র বিন্দু লিখি, কিংবা ধরো তোমায় [বিস্তারিত]
ভাগাড়ে গরুর চামড়া ছিলা ও ভাগ-বাটোয়ারার রীতি  ভাগাড়ে রামু ও কৃষ্ণা গরুর চামড়া ছিলছে। পাশেই কয়েকটা গ্রিফন শকুন  চিৎকার করতে করতে মরা গরুর দিকে অগ্রসর হবার চেষ্টা করে। কৃষ্ণা শকুনের দিকে মাটির ঢেলা ছুঁরে মেরে হটিয়ে দেয় বারবার। রামু: ঝরছে কর। কেউ দেখলিয়েছে ভাগ দিয়ে হই। দূর থেকে ছুড়ি হাতে গরুর দিকে দৌড়ে আসতে থাকে [বিস্তারিত]
প্রথমেই বলে নিই আমি সব ধর্ম কে সমান সম্মান করি । নিজেকে দিয়েই বলি এখন চলছে পবিত্র রমজান মাস । দিনের বেলা পান আহার বন্ধ বা নিষেধ । এতে বিশেষভাবে সমস্যায় পড়ছে আমার মত অমুসলিম ব্যাচেলর রা । দিনের বেলা রান্না বন্ধ হওয়ার দুপুরের খাবার প্রায় দিনই খেয়ে বা না থাকতে হয় । আবার হোটেল [বিস্তারিত]
সালাম এবং  শুভেচ্ছা সবাই কে , কেমন  আছেন সবাই আশা করি সবাই ভাল আছেন, আমি ও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ্‌ , সোনেলা ব্লগ এ অনেক দিন যাবত আছি সবাই অনেক ভাল লিখে , পড়ে নিজের কাছে অনেক ভাল লাগে আমি নিজে তেমন কিছু  লিখতে পারি না তবে আপনাদের লেখা পড়ে অনেক ভাল লাগে আসলে সবাই মিলে [বিস্তারিত]
‘পর্দা’র বিষয়ে লিখিতে বসিয়া বড়ই টেনশন ফিল করিতেছি। না জানি, কাহার গাত্রে আবার দাউদাউ করিয়া আগুন জ্বলিয়া উঠিলো? কেহ আমার চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধারেও উঠিয়া-পড়িয়া লাগিয়া গেলেন কিনা, তাহা ভাবিয়া সত্যই আশংকাবোধ করিতেছি! কেহ চটিয়া থাকিলে বিনীত করজোড়ে বলিতেছি, চটিবেন না। কারণ আমার কথাতো এখনো শুরুই হয় নাই কিংবা সমাপ্তও করি নাই; পুরাপুরি না শুনিয়া অযথা চটিবার [বিস্তারিত]
বছর বিশেক আগের শেষ হয়ে আসা আগস্টের এক পড়ন্ত বেলায় আমাদের শেষ দ্যাখা, ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের পুরনো জারুল গাছটার নিচে। পরস্পর পরস্পরের কুশল বিনিময় ছাড়াও বলার মত কিংবা জিজ্ঞেস করার মত অনেক প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও পরস্পরই পরস্পরের ব্যাধিময় পরিণতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলিনি সেদিন! গড়ালো বছর বিশেক এরপর রিলের মত সিনেমার আর পদ্মা, মেঘনা, যমুনায় জেগে [বিস্তারিত]
মাঝে মধ্যেই রুচি পরিবর্তনের প্রয়োজন হইয়া পড়ে, এ কারনে সেকালে ভগ্নস্বাস্থ্য উদ্ধার ও অগ্নিমন্দা থেকে রক্ষা পাইবার আশায় কেউ কেউ বায়ু পরিবর্তনের জন্য দক্ষিণে যাইতেন আর একালের মানুষ তাদের ভগ্নস্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করিবার জন্য ডানে ছোটেন, বামে যান, গদি অথবা পয়সার লোভে রীতি-নীতির বালাই নেই যত্রতত্র পাত পাড়িয়া বসেন। ক্ষমতার বায়ু যেদিকে প্রবাহিত হয়, দলে দলে [বিস্তারিত]
STROKE (স্ট্রোক): মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R. আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো। একটি সত্যি গল্পঃ একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের [বিস্তারিত]
লাদিসলাউস সিৎসিক-সাতারি। পেট নেম লাজলো। একজন অশীতিপর বৃদ্ধ, দেখতে নিরীহ। মানে বয়স হলে যেমন হয় আরকি। কিন্ত এই আশিতিপর নিরীহ বৃদ্ধটি হচ্ছে একজন ভয়াবহ খুনী এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধকারী ভয়ংকর নাজী অফিসার,লাজলো সাতারি, ১৯৪৪ এর রয়্যাল হাঙ্গেরিয়ান পুলিশের ‘কমান্ডার’ । ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পরই ইউরোপ ছেড়ে পালিয়ে যান লাজলো। পাড়ি দেন [বিস্তারিত]

আর্কাইভ