আকাশের সাথে গল্প হবে আজ মেঘ পেতে দিয়েছে চাদর, বেশ একটা আসর বসেছে। ওখানেই আজ নয় বিকেলটা কাটুক চা কিংবা কফিতে চুমুক দিয়ে! চিঠি দিয়ে খবর পাঠালো নীল পাহাড় আর টেলিফোন করলো মেঘের বিদ্যুৎ। ভেবেই নিলাম, যদি বৃষ্টি হয় হোক, ভিঁজলামই নয় অঝোরে অথবা হাল্কা টুপটাপ। তারপর ফিনফিনে সন্ধ্যের সময় সূর্য যখন বিশ্রাম নিতে আসবে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
পাহাড় ভাবে আর একটু হলেই আকাশ ছোঁবে, আকাশ ভাবে ঐ তো পাহাড়, দৃষ্টি সীমায়। সবুজ ভাবে বৃষ্টি এলো বলে, ঐ তো মেঘ; হাত বাড়ালেই আসবে নেমে অঝোর ধারায়। মেঘ আসে না পাহাড় হাসে না, নিশ্চল নিশ্চুপ পাহাড়ের আকাশ ছোঁয়া হয় না। সাগর ভাবে ঐ তো বালিয়াড়ি পা ছুঁয়ে দিলাম বলে, পা আসে না। পাহাড় কে… [বিস্তারিত]
মুখোমুখি দু'টো বাড়ি। মাঝে শহরের মেইন রাস্তা। ওবাড়ির খালাম্মা সৌখিন ভাবে সাজিয়েছেন বাড়িটি। তাঁর হাতের পায়েস না খেলে আমাদের ঈদ পরিপূর্ণ হতো না। আমাদের টিভি কেনার আগ অবধি আমরা সে বাড়িতে "এসো গান শিখি" কিংবা "এইসব দিনরাত্রি" দেখি। বাড়িটির পিঠেপিঠি বয়সী তিন কন্যা সব সময় একই রকম জামা পরে। একজনই শিক্ষক। ডাইনিং টেবিলের চারপাশে গোল… [বিস্তারিত]
সময় কিভাবে দেখতে দেখতে চলে যায়। একেকটি নতূন দিন একেকটি নতূন নতূন স্মৃতির জন্ম দেয়। প্রতিদিন ভোরে উঠেই আমি ধন্যবাদ দেই ঈশ্বরকে আমায় একটি নতূন দিন দেখানোর জন্যে। হয়তো বিশেষ কিছুই পাওয়া হয়ে ওঠেনা, তবুও পেয়ে তো যাই অনেক কিছুই। ওই যে আকাশটা কখনো মেঘলা, কখনো রোদে ভরা একেকদিন একেকরকম নয় কি? এও তো একরকম… [বিস্তারিত]
যখন রাতের বেলা আমার খুব মন খারাপ লাগে তখন আমার একটা কথা খুব মনে হয় " ইশ আমি যদি ছেলে মানুষ হতাম"। মন খারাপের এই সময়টাতে আমি ঠিক ঘর ছাড়া হতাম। রাত বিরাতে রাস্তা ধরে উদ্দেশহীন হেটে বেড়াতাম। গায়ে একটা টি-শার্ট সাথে থ্রি-কোয়াটার বা ফুল প্যান্ট। পায়ে হয়ত অনেক দিনের ব্যবহারে নষ্ট প্রায় চটি। সেও… [বিস্তারিত]
আমি খেয়ালী মেয়ে, সোনেলা পরিবারের একজন—প্রায় বছরখানেক আগেও এই সোনেলা পরিবার আমার কাছে ছিলো অজানা, অথচো আজ সেই সোনেলা আমার অনেক প্রিয়,খুব কাছের—সোনেলাতে এসে খুব সহজেই পেয়ে যাই অনেকগুলো ভালো লেখকের সন্ধান—যাদের লেখা আমাকে জোঁকের মতো আঁকড়ে ধরেছে—মুগ্ধ হয়ে পড়ি তাদের লেখা, সময়ের ব্যবধানে অনেকেই আমার খুব প্রিয় হয়ে গেছে—অপেক্ষা করি তাদের নতুন লেখার, শেখার… [বিস্তারিত]
১। প্রকাশ হত্যাকান্ডে তোমার নাকি হাত ছিলো? অনুভূতি আজ স্বচক্ষু সাক্ষ্য ভয়ে তুমি থেকে পালিয়ে বেড়ায়। ২। ভয় পাও বলেই কি ছেড়েছ পাঠোভ্যাস? ভুলে যাবে যে ছড়া ঠোঁটে সহজ কঠিন বলেই নেশারু টিলার চুড়ার হাতছানিতে আজো আটকে আছো। ৩। সবকিছু দেখবে বলেই দেবতাকে পাঠিয়ে দিলে অই সাত আসমানের ওপার, দূর দূর সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ পেতে গেলে… [বিস্তারিত]
চাই শিল্পসম্মত নিরাপদ ভালোবাসা, ধমকা-ধ্মকি, রাম চিমট ও নখর বিহীন উষ্ণ ভালোবাসা। ছলার কলা বিহীন এক চিমটি সাদামাটা ভালোবাসা, অমৃতের অমরত্ব চাই না অসম্ভব সমুদ্র মন্থনে। রক্ত-কুয়াশার বোধ এড়িয়ে। তীর্থের কাক, চাতক অপেক্ষা হয়ে থাকুক নিপাতনে সন্ধি। সহস্রাব্দের কাল ঘেঁষে নির্বাসনে থাকি, বিশ্বাসের চোরাবালিতে ফেলে রেখে কোথায় হারালে, কোন সে দূরে? এঁকে দেয়া এয়োতির তিলক… [বিস্তারিত]
প্রতিদিন একঘেঁয়ে একটা জীবন। অ্যালার্ম বাজলেই উঠে রেডি, বাসের জন্যে দৌঁড়, তারপর সারাদিন অসুস্থতার কাছে সমর্পণ। তবুও বলি ভালো আছি এই যান্ত্রিক সময়ের মধ্যে। আজকাল চাকরীর বাজার ভালো না। তার মধ্যেও যে পাশ করেই চাকরী পেয়েছি, তাকে নিয়ে আফসোস করিনা। কিন্তু ক্লান্তি তো আসেই। বিশেষ করে সকালে যখন বিছানা ছেড়ে উঠতে হয়, মনে পড়ে যায়… [বিস্তারিত]
যখন আমি চিকনা ছিলাম,কত যে হাহুতাস করছি মোটা হবার জন্য। কমলা,আপেল,আংগুর,মধু, ডাব সহ ভেষজ চালাইছি দিনের পর দিন। কাচা ডিম,পাকা ডিম চলেছে হরদম। দুধের মধ্যে কাচা ডিম দিয়া শ্বাস বন্ধ করে গেলা [ কেমন একটা ভোটকা গন্ধ একারণে শ্বাস বন্ধ ] , ভোর ভেলা কাচা ছোলা বুট আদার কুচি সহযোগে খাওয়া, কাচা বাদাম কোনকিছুই বাদ… [বিস্তারিত]
কালের বিবর্তনে সময়ের কারুকার্যটুকুও ব্যবচ্ছেদিত হয় নানা বর্ণে, নানান মতে। কবি জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কবিতাকে আজ কেউ বলে সমকামী কবিতা তো কেউ প্রশ্ন তুলে আদতে তিনি নিজেই কি বনলতা? কবি সুকান্তকে কেউ বলেন বিপ্লবী তো কেউ আখ্যা দেন বামপন্থী, কবি রবিঠাকুরকে কেউ বলেন প্রেমের কবি তো কেউ বলেন ভন্ডামি, বিদ্রোহী কবিকে কেউ বলেন সময়ের… [বিস্তারিত]
আমার জন্মশহর ছেড়ে হাজার হাজার মাইল দূরের এই শহরে দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠি। পর্যাপ্ত রুম না থাকায় আমরা স্বামী-স্ত্রী ড্রইং রুমের ফ্লোরে বিছানা পেতে ঘুমাই সবাই ঘুমিয়ে গেলে। আবার ভোরে সবাই জেগে উঠবার আগেই বিছানা পত্র গুটিয়ে উঠে যাবার চেষ্টা করি। এক শুক্রবার স্বামী'র ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছুটে আসে অন্য শহর হতে। শনি-রবি দু'দিন… [বিস্তারিত]
মাত্র খবর পেলাম কবিতার ব্যস্ততা বেড়েছে কবিতাদের নিয়ে। ইয়া মুশকো মোটাসোটা গাছ ধরেছে জড়িয়ে দু’হাতে শরীর জড়ো করে, মগডাল অব্দি দুরন্ত চলাফেরা চোখের পলকে সবুজ থেকে ছিন্ন পত্রে, পাহাড় চুড়া থেকে শীতল পর্বত গুহা পর্যন্ত সমুদ্র থেকে রৌদ্র স্নানে। শ্রান্তিহীন মত্ততায় চলছে বন্য পরকীয়া প্রেম রংধনুতেও নেই তির্যক অরুচি; তবুও জলজ সান্ত্বনা, এক চিমটির দু’ফোটায়… [বিস্তারিত]
একটি ছেলে তার প্রেমিকার "আমি তোমাকে ভালবাসি, তোমাকে মিস করি" এই টাইপ মেসেজ পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে যেত ! এক রাতে প্রেমিকার কাছ হালকা কথা কাটাকাটির পর সে মোবাইল সাইলেন্ট করে দিলো, অনেকগুলো ফোন আসলো, একটি মেসেজ আসলো, কিন্তু সে সেটি না পড়ে ঘুমিয়ে গেল। ... পরদিন ভোর বেলায় মেয়ের মা'র ফোনে তার ঘুম ভাঙ্গল।… [বিস্তারিত]
এসো মৃত্যু, করি ব্যবচ্ছেদ তোমাকেই, দুঃখের ডানায় ভর করে সুখের পায়রা উড়িয়ে। থরে থরে সাজানো মৃত্যুদের আর্তচিৎকার, মৃতদের কেন আবার ছেঁড়াখোঁড়া! প্রস্তুত ধবধবে নিথর শবটেবিল। দেখ মৃত্যু, কোন একদিন বিপুল নিঃসত্ত্ব নিঃসঙ্গতায় নিশি পাবে তোমাকেও। নিঁদে বা জাগরণে, গ্রীষ্মের বর্ষায় বা প্রবল একরোখা শীতে। দাঁতে খিল ফেলে গোঁ গোঁ শব্দ করে মুখে ফেনা তুলে মেরুদণ্ডে… [বিস্তারিত]









