আচমকা ভয়ে আমার ঘুম ভেঙে যায়। চুল তোমার এলোমেলো, আমার কাছে ছুটে আসো। তোমার চোখে গুঁড়ো গুঁড়ো ঘুম আমায় জড়িয়ে ধরো। খুবখুব গরমে, তোমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে দেবার বাহানায় ছুঁয়ে দেখার নেশা। ছোট্ট দুটি মলিন চোখ, পাপড়ি গুলো ঘামে ভেজা। শাড়ি জড়িয়ে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে চলো তখন, লোকালয়ে ভীড়ে লুকিয়ে থাকা মধ্যাহ্ন দেবী… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
প্রিয় স্বদেশ, অনেক ভালো থাকার মাঝেও আমি ভালো নেই। ভেতরটা কেমন যেনো খাঁখাঁ শূন্যতায় কাঁদে। শুনেছি বিদেশ বিভূঁইয়ে সমুদ্রের তীরে গেলে মানুষের মন ভালো হয়। কিন্তু, যতোবারই সমুদ্রের ধারে গিয়েছি, জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দের মাঝে স্বর্ণকেশীদের ডুবে যাওয়া আর ভেসে উঠার খেলা দেখে আমার কেবলই সেই কলের জলের শব্দ কানে বাজে, বালতি থেকে মগ ভর্তি… [বিস্তারিত]
আগুন, একবার, একটিবার শুধু জ্বলে ওঠো, একবার-ই, (প্লিগ লাগে) প্রাসাদ মিনার, জিউস বা ইন্দ্রের রাজ-দরবারে নয়, জোতদারের গৃহপ্রাঙ্গণে নয়, মরণরশ্মি বিকিরণের মোবাইল টাওয়ার সুরঞ্জনার সেই উজবুক যুবকের মাথায় বা দুর্গন্ধের কালো-কূপেও নয়; নিভু-নিভু অঙ্গারে হলেও সখীর পাথর হৃদয়ে জ্বলে ওঠো, পোড়াও আমৃত্যু, উল্টে-পাল্টে, প্রাণ-সুখ জুড়িয়ে; আরে আরে!! আগুন!! সখীর বসন্তচোখের অনুসরণ-সুখ পাইনি এখনো; রগরগে শীতের… [বিস্তারিত]
- ভাইয়া কেমন আছেন? - সে ভালো আছে। - কি বলেন বুঝি না, অনেকদিন ধরে আপনাকে খুঁজে পাচ্ছি না। - আসলেই, আমি নিজেও নিজেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ছেলেটা অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। কি বলে উনি? হাবিজাবি। তরুন হেঁটে চলে গেল। সে জানে ছেলেটা কিছু বুঝেনি। নিজের ভিতরকার কথা তরুণ কাওকে বলতে চায় না, বুঝাতেও চায়… [বিস্তারিত]
জানো কি আমার অন্ধত্বের ভেতরে চেতনার দৃষ্টি বাস করে? আলোর রোদ কিংবা রোদের আলো নেই, তবু দেখতে পারতাম তোমাকে। অন্ধকারের ঘ্রাণ পেয়ে গেলে বুঝে যেতাম, এই এখুনি চলে যাবে তুমি আর আমার বিষাদগ্রস্ত সময় রাজত্ব করতে উঠে দাঁড়াবে তীক্ষ্ণ তীর-ধনুক হাতে পরাজিত যোদ্ধা হবার থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে যেতে থাকবো আমি, ব্যর্থতাকে হারিয়ে দিয়ে তোমার… [বিস্তারিত]
ঘুঘু ডাকা ভোর, শেষ বিকেলের কুহুতান, গ্রীষ্মের নিষ্প্রভ নক্ষত্র, উত্তাল ঝোড়ো হাওয়া, রূপোর জ্যোৎস্না সবই আছে যেমন ছিল, চারণভূমির ঝর্ণাটিও। শিশির-ভোরের রোদ্দুর, নিঃশব্দ ডানায় দ্রুত উড়ে যাওয়া বিভ্রান্তির প্রজাপতি, ঘুম জাগা ফুল, জেগে-ওঠা পাখিদের কুজন, কাস্তের কানাকানি, ক্রুশ বেঁধা যীশুমূর্তি, শুধু সানন্দের ভোর-আনন্দে নেই ফিংয়ে পাখিটি, সকালেই দুপুর-ক্লান্তি, খুঁজছে নিভৃত নীরবতার ছায়া, নেই কবিতাগুচ্ছের ওড়াউড়ি,… [বিস্তারিত]
প্রিয় শমশেরনগর চা’ বাগান, কেমন আছো তুমি? তোমার উঁচু-নীচু টিলায় জন্মে থাকা চা গাছ, চায়ের পাতার ঘ্রাণ, ধূলো-কাদা মাখা পথ, সবুজ মাঠ, মাঠের চারদিক ঘিরে বাগান স্টাফদের বাসা, বিশাল বড়ো সেই দশ আর ছয় নম্বর লেক, গলফ ফিল্ড, নীল আকাশ, বাগান লাইনে বসবাসরত চা' শ্রমিক, মসজিদ, একটা খুব ছোট্ট গির্জা, কালভৈরব দেবতা- মা দুর্গা মন্দির,… [বিস্তারিত]
কল্পনা করুণ চাদরের উপরে বিছিয়ে রাখা সামগ্রীর উপর একটি কাপড় দিয়ে সবকিছু ঢেকে রাখা আছে। এবার কাপড়টি তুলে নেয়া হলো। এক মিনিট সময়, দেখে নিন কি কি আছে এখানে। এরপর আবার ঢেকে দেয়া হলো। অথবা আপনি এক মিনিট এই সমস্ত সামগ্রীর উপর তাকিয়ে চোখ সরিয়ে ফেলুন। এরপর লিখতে বসুন কি কি আছে এখানে, একবারের বেশী… [বিস্তারিত]
আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী ভন্ডনষ্টপাপীরা হও সাবধানী। ধর্মবর্ণে মাপিসনা, মাপো মানবপ্রেমে মাপুনী মানবতার শত্রুতে হইয়না রুপান্তরী হউনা পাপী ধর্মের নামে ভন্ডামী। আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী লন্ডভন্ড হবে সব অকল্যানী ভাঙ্গ সব শনি, ভাঙ্গ সব ভন্ডামী। আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী বজ্রপাত বিদ্যুৎ চমকানী ভাঙ্গবে যত ভন্ডামী আউলফাউল নস্টমানুসের মনগুলী। আসবে নিপিড়িতের বিজয় নিশানী। [বিস্তারিত]
কোনো-একদিন। দিন মনে নেই, ঋতুকাল মনে আছে; কেননা, আমি যখন যখন বাস থেকে বিহ্বল মাছের চোখ নিয়ে এ-শহরে পা রাখলাম, তখন ভেজা রাস্তার আকাশগঙ্গা থেকে গলিত নক্ষত্রের লাভায় আমার প্যান্ট মাখামাখি হয়ে গেল শহুরে কাদার আস্বাদ। এসবে আমার চোখ ছিল না যদিও, কেননা বিহ্বল মাছ কাদায় বিভ্রান্ত হয় না, আমার সুতি ঢোলা মফস্বলী প্যান্ট বহুবার… [বিস্তারিত]
১ সেন্টারফোল্ডের মতো ঝলমলে উপস্থাপন - এই দেখো, না দেখোনা লুকোচুরি আজ এই হাত কাল ঐ হাত ঘোরাঘুরি - এইরকম করে আর কতদূর যাবে? অথচ আমি তো জানি - জীবন বদলাতে চেয়েছিলে, চারুলতা। ২ কখন যে মুছে আসে আলো - কখন যে পর হয় পরিচিত ঘ্রাণ, মনে রাখবার আয়োজন করেই ভুলেছি তার সব কথা, ব্যথা,… [বিস্তারিত]
* হায় আল্লাহ,আমি কিভাবে এই সিড়ি বেয়ে উপরে উঠবো? = ম্যডাম ম্যাডাম এই যে রেলিং, একহাত দিয়ে ধরুন শক্ত করে। এরপর উপরের ধাপে পা দিন। এরপর একটার পর একটা। * না না আমি পারবে না, পিছলে যদি পরে যাই? = কোন ভয় নেই। আপনি পারবেন ম্যডাম। দেখুন এই যে আমি কিভাবে উঠি। অত:পর ম্যডাম সিড়ির… [বিস্তারিত]
প্রিয় মর্ত্যবাসী, কেমন আছ সকলে? জানি, আমার চেয়ে ভাল আছ। তাই আজ আর চিঠিতে কোন প্রকার শুভেচ্ছা দিতে পারলাম না। কি দেব বলো? এখানে গোলাপ নেই, পায়ড়া নেই, ঝাঁকে ঝাঁকে শালিক নেই, রাত জাগা তারা নেই, জোনাক জ্বলা রাত্রি নেই, নেই কালো কেশের দিগন্তজোড়া আঁধার। কারণ আমি নিজেই এখন সবুজ পৃথিবীর সমস্ত আলো আঁধারি মায়া… [বিস্তারিত]
পাতার ফাঁক গলে যে চূর্ণ রোদ খেলে মাটির বুকে তার উপর আমি স্বপ্ন আঁকি। নদীর কিনারের সাথে নদীর জলের সঙ্গমে একটু না হয় প্রেমই শিখি! বৃক্ষের খোড়লে যত্নে রাখি উদাসিন শব্দ কিছু। নিজস্বতা আমার যা কিছু, তা সে ভুল বা সঠিক বুকের পাঁজরে আটকে থাকুক। আকাশের ঐ মেঘ যতো গভীর কালো হয় তার বর্ষণও কি… [বিস্তারিত]
সড়কে প্রাণ হানির ঘটনাকে আমরা সাধারণতঃ নিছক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেই অথচ প্রান হারাচ্ছে হাজারো প্রতিভাবান ব্যাক্তি কিছুটা খবরের কাগজে আসে অধিকাংশ রয়ে যায় খবরের আড়ালে।সে দিন আমাদের দেশে ট্রাক ড্রাইভার এক দানবের রায়কে কেন্দ্র করে গুটি কয়েকজন ড্রাইবার সন্ত্রাসী দেশের যোগাযোগ ব্যাবস্থাকে জিম্মি রে ফেলে অবশ্য এর নাটের গুরু ছিলেন রাষ্ট্রের এক বিশিষ্ট সাংসদ… [বিস্তারিত]









