মূল লেখায় যান

চাওয়াদের না-চাওয়া

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৪টি মন্তব্য

এই-যে ক্রমাগত না-হতে থাকা থেকে থেকে, না-ই হয়ে যাওয়া বালখিল্যতার আনন্দ-বিষাদে মন্দ লাগে-না, আনন্দ না-আনন্দদের আতিশয্যে গুলিয়ে ফেলে গুলতে গুলতে ঢক করে গিলে ফেলা; তা-ও মন্দ নয়, আমরা যাব অরণ্য-গভীরে, কোন এক জানা-না-জানার বনে নিশীথে বা মধ্য-দ্বিপ্রহরে ঘর্মাক্ত কলেবরে, ঘোড় সওয়ারির বেশ ধরে, নগ্ন পায়ে-ও, হাঁটা-না-হাঁটার ভাব নিয়ে খেলতে খেলতে, ক্রমাগত আড়াল নিতে থাকবো, প্রকাণ্ড… [বিস্তারিত]

ফড়িঙের মতো একটা জীবন যদি পাওয়া যেতো, অনুভূমিক পাখায় ভর দিয়ে এদিক থেকে ওদিক ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতাম। "যে জীবন ফড়িঙের,দোয়েলের-মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা" সত্যি কি তাই! কেন আমি তবে মানুষ হোলাম? বেনোজলে খড়কুটো হয়ে ভেসে গেলে একদিন হয়তো ঠিক সমুদ্রে মিশে যাওয়া যেতো। যদিও সমুদ্র ভালো লাগেনা আমার। তবুও কোথাও তো যাওয়া হতো! কতোদিন… [বিস্তারিত]

শেষের ঠিকানা

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৪টি মন্তব্য

হাউই হয়ে উড়বে বলে, হাউই ওড়াবে বলে দিগ্বিজয়ই দিগ্বজ দিগম্বরের বেশে ভুঁড়ি বাগিয়ে হাউই হয়ে তেড়েফুঁড়ে উড়ে যাবে ঐ নীলাকাশে! সে কী এক আহ্লাদি আয়োজন! বেহিসাবি উদয়-অস্ত, নিদহীন দিবারাত্রি, তুড়ি মেরে ক্ষুৎ-পিপাসা সে এক এলাহী দক্ষ-যজ্ঞ; কোথায় সলতে, কতটুকু ভিতরে, কতটুকুই বা ঝুলবে বাহিরে হিসেবি বারুদ কখন কোথায় কতক্ষণ পুড়বে! অপেক্ষা, এই তো শেষের শেষ… [বিস্তারিত]

প্রিয় সোনারা, একটি নির্মল, আনন্দময়, কলকাকলি মুখরিত ব্লগের প্রত্যয় নিয়ে সোনেলা ব্লগের যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছরের ব্লগ জগতে পরিভ্রমণ আমাদের কাছে আনন্দ বেদনার কাব্য হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আছে। যদিও প্রতিবন্ধকতাময় পরিভ্রমন, তবুও আমাদের সাথে ভ্রমণ সঙ্গী হয়েছেন আপনাদের মত আন্তরিক কিছু মানুষ যারা এক একজন খাঁটি সোনা হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আছেন সোনেলার কাছে।… [বিস্তারিত]

৫ম পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে): আরে, রশি যতো টানি ততো চলে আসতেছে কেন? তাহলে কি জাহাজ থেকে ওরা রশি ছেড়ে দিয়েছে? হঠাৎ আমার বুকের ভেতরটা ছোৎ কেরে উঠলো! আমি চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলাম। মনে হলো এই প্রথম বারের মত আমি কিছুটা হলেও ভয় পেলাম। এখন কি হবে? আমি এমন অবস্থানে আছি জাহাজের কাউকে দেখতেও পাচ্ছি… [বিস্তারিত]

আমার ঘাসবুক সমগ্র।

রিতু জাহানএকান্ত অনুভূতি৩৪টি মন্তব্য

আমার ঘাসবুক। না, আজ আর কোনো অধিকারে মন কাঁদে না। এ এক একার অধিকার চাইতে চাইতে, আজ সে সত্যিই জড়ো। এ জড়ো তাই নড়ে না চড়ে না, কোনো অধিকারের অনুভূতি তাকে আর নাড়া দিয়ে ওঠে না। আজ এ অধিকার না চাওয়াতে, না দেওয়াতে ভেবো না অন্য কোথাও এ জড়ের প্রাণ সেজেছে। কতোটা আঘাতে একটা প্রাণ… [বিস্তারিত]

চিঠি পর্ব – ১

আর্বনীলএকান্ত অনুভূতি৪টি মন্তব্য

অনেক দিন পর সোনেলায়... পুরোনো কিছু স্মৃতি শেয়ার করছি আজ... নন্দিনীকে লেখা শুভঙ্করের প্রথম চিঠি - নন্দিনী, চিঠির শুরুতেই নিও একগুচ্ছ বেলী ফুলের শুভ্র শুভেচ্ছা। জানোই তো এই ফুলটা আমার খুব পছন্দের। আর সেটা যদি হয় তোমার খোঁপায় পচানো বাসী ফুল! তাহলে সেদিন আর কিচ্ছু চাইনা আমার। তোমার শ্যাম্পু করা চুলের গন্ধ আর বেলীর ফুলের… [বিস্তারিত]

স্পনটেনিয়াস

নীলাঞ্জনা নীলাএকান্ত অনুভূতি, কবিতা৩৬টি মন্তব্য

তুই, যাকে আমি কোনো এককালে ভালোবেসেছিলাম। উদ্দেশ্যহীনভাবে ভালোবেসেই যাচ্ছিলাম। বিষণ্ণ ছায়া ভেবে কখনোবা ক্যামেলিয়া ফুল। কখনো দেখেছিস ক্যামেলিয়া ফুল দেখতে কেমন? প্রেমহীন আলোর ভেতরে আমি খুঁজে যাচ্ছিলাম নীল আগুণ। যেখানে রোজ নিজেকে জ্বালাতে আর পোড়াতে রেখে দিতাম শুকনো কাঠের মতো। জানিস কয়লা যখন আগুণে পোড়ে সে কাঁদে? শুধু তার নাম দিয়েছি স্ফুলিঙ্গ। রোজ কতো কতো… [বিস্তারিত]

কবিতা দ্রোহের স্বর (ম্যাগাজিন) আমি তো ধ্রুপদী আকাশ দেখে গুটিয়ে রাখা পা বাড়ানোর পথে। শামুক শামুক চিৎকার শুনে কচ্ছপ গতির মানবিক আমি বুনে, আবারো গুটিয়ে ফেলেছি। শামুক শামুক! আমি তো হিমেল হাওয়া দেখে পোড়ানো একটুকরো মাংস নিয়ে। ছাই ছাই চিৎকার শুনে আদ্র ন্যাংটো ঝরা-পাতার মত, তলিয়ে গিয়েছি আমি। ছাই ছাই! মোমের আলো জ্বালাতে গিয়ে চৈত্রের… [বিস্তারিত]

ডায়রী হাতে অতীত নষ্টালিজায় কিছুক্ষণ ফিরে গেলেন বিউটি।ভাগ্যের কি নির্মম খেলা কতকাল পর আবারো স্মৃতির সমুদ্রে ঢিল পড়ল মনে বিরহের ঢেউ জাগল।ডায়রীর কয়েকটি পৃষ্টা উল্টাতেই বাথ রুম থেকে বেরিয়ে এলেন মবিন চৌধুরী।তড়িগড়ি করে হাতের ডায়রীটি খাটের উপর ফেলে নিজের কাপড় গুছানোর কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়লেন।তোঁয়ালে দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে ডয়রীটি হাতে নিয়ে মবিন বিউটিকে লক্ষ্য… [বিস্তারিত]

বিষন্ন পথে

রিতু জাহানএকান্ত অনুভূতি২০টি মন্তব্য

কি এক বিষন্ন ছায়া এসে ভর করায়, সাঁজের আলোয়, সোনালী এক দিপ্ত মাখব বলে, বেরিয়ে পড়লাম দিগন্ত ছুতে, মেঠোপথ চিরে রেল লাইনের ঐ পথ ধরে তপ্ত রোদের সে বিষন্ন ছায়া ছেড়ে। সাঁজের বেলা গেলো মোর, সন্ধ্যা এলো। জোনাকীর বেশে এলে আলোর মিছিল নিয়ে ঝিঁঝিঁপোকা ডেকে সাড়া দিল, পাহারায় আছি। মধুর সে সন্ধ্যাও এখন ফুরিয়ে এলো… [বিস্তারিত]

৪র্থ পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে); সেখানে (কুতুবদিয়ায়) এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কয়েকটা গ্রামের একূল-ওকূল সব দেখা যাচ্ছিলো। কারণ কোন গাছপালা বা বাড়ি ঘরের সজীব উপস্থিতি সেখানে ছিলো না। বড় বড় গাছ যেগুলো ছিল তাও যেন এসিড দিয়ে গোসল করেছে। দ্বীপ কুতুবদিয়া যেন পুড়া ভিটার মত তামাটে হয়ে গেছে। গাছের অনেক উঁচুতে হয়ত দেখা যাচ্ছে কারো ছিড়া… [বিস্তারিত]

মাঝে মাঝেই মনে প্রশ্ন জাগে, আমি কি বাঙ্গালী? কেন নয়? আমি বাংলায় কথা বলি, তাই আমি বাঙ্গালী। আমি মাছ, মাংস, আলু, পটল, শাক-সব্জি, বিরিয়ানী, পোলাও সব সারাবছর ধরে খাই। অবশ্যই আমি বাঙ্গালী। ছোটবেলায় চৈত্রের শেষে গ্রামে বেড়াতে গেলে চাচাদের সাথে বাজারে হালখাতার দাওয়াতে যেতাম। রাতে আম্মা আর চাচীরা মিলে কত ধরণের পিঠা বানাতেন। এবাড়ি ওবাড়ি… [বিস্তারিত]

এসো হে বৈশাখ

ইঞ্জাএকান্ত অনুভূতি, কবিতা২০টি মন্তব্য

অলস দুপুর, সূর্যের প্রকট তাপে ঘেমে নেয়ে একাকার শরীর বাতাসটাও বিদঘুটে, আরামের ছোঁয়াও দেয়না পাশের ছাদে দুই শালিক খুটে খুটে খায় আপন মনে যেন গরমে তাদের কিছু আসে যায়না হতাস মনে পায়রার দল ঘুটুর ঘুটুর করে ফন্দী আঁটে এক সাথে উড়ে গিয়ে শালিকদের আসে পাশেই যেয়ে বসে শ্রান্ত মনে আমি জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকি… [বিস্তারিত]

গল্প পড়লে টান টান উত্তেজনা ফ্রি…. ৩য় পর্ব (সত্য ঘটনা অবলম্বনে) # আমার শরীর তখন উত্তেজনায় কাঁপছে। তারপর উনাকে বললাম- দয়া করে আমার কাপড় ও ঘড়ি আপনি রাখবেন। এই বলে কেবিন থেকে বের হয়ে গেলাম। তখন আমার পুরো শরীর উদোম, পরনে একটা লুঙ্গি। খালি গায়ে দেখে কয়েকজন যাত্রী এসে আমাকে ঘিরে ধরলো। একজন বলল- উনি… [বিস্তারিত]