সোনালি পেলব হাতছানি

সোনেলার অসীম আলোকিত অলংকারে কি অপূর্ব বেশে, আসাযাওয়া করে মন- চিরসুন্দরের সুরপুরে, প্রলয়ের ভাসান খেলায়। দশম প্রাচীরের কষ্টবিলাষী আলিঙ্গনে রিক্ত সিক্ত নবনীতকোমল পত্রপল্লবে; খেলা করে কবি, প্রেমিকার কবিতারা। সোনালি আলোকছটার অবগাহনে কলামঞ্চের কুশীলবরা আজ মিলনে ব্যাকুল! সাথে তুমি, আমি, সে…। একসময় যে-সুন্দর বসেছিলো পাশে ক্ষণিকের ক্ষীণ ছদ্মবেশে, আলোকিত দীপশিখা রেখেছি জ্বালিয়ে অনন্য আদরে; মনপিঞ্জিরার গহীন [বিস্তারিত সোনালি পেলব হাতছানি]

আমি আর আলো দেখি না

সত্যি বলছি……………………….এই সব চেষ্টাগুলো ছেড়ে দিয়েছি। যখনই বলতে চাই! হৃদপিণ্ড তখনই দুনিয়ার তাবৎ শক্তি জোগাড় করে প্রতিবাদ করে ওঠে। একটা ভারী তর্জনী টিপে ধরে বুকের মাঝ বরাবর। বিমূঢ়  বিমুখতায়, আমি আবার আলো হাতে নেবার চেষ্টা করি। অমাবশ্যা বড্ড ক্ষুধা জমাতে জমাতে : একসময় ক্লান্ত হয়ে যায়। সুঁই সুতোয় গাঁথতে গাঁথতে -পুরো আকাশ মেঘ দিয়ে ঢাকা [বিস্তারিত আমি আর আলো দেখি না]

প্রিয় সোনেলা

সোনেলায় আজ আনন্দহীন সকলের মনে কালো মেঘের ধোঁয়া বিচলিত ছন্দপতন ধরায় আজ আশ্রয়হীন তবুও কর্মহীন থাকা নয় খাদ্য জোগাড়ে আশায়। যতই কষ্ট বুকে ততই আসিব ফিরে যতই আশাহীন তবুও আশায় বাধি বুক বার বার আসিব তোমারি পাতায় ফিরে ধরায় থাকি যতদিন আশায় বাধি বুক। সোনেলা তোমার আলোয় উদ্ভাসিত তোমার পাতায় পদচারণ তোমাকে স্মরে আসিব ফিরে [বিস্তারিত প্রিয় সোনেলা]

তবু্ও খুঁজে মন!

  কি খুঁজি কেন খুঁজি কাকে খুঁজি! জানি না! মনও জানেনা! আস্থা ভরসা স্বস্তি শান্তি প্রশান্তি প্রেম কেউ দিতে চায় না। তবুও খুঁজে মন! প্রেম ভালবাসা মায়া মমতা প্রতিক্ষণ। কেউ এসে বলে না এসো মিলেমিশে বৃষ্টি দেখি। শুনি বৃষ্টির রিমঝিম মধুর কলতান। কেউ আসেনা দু’দণ্ড সময় নিয়ে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে গল্পের রাজ্যে হারিয়ে [বিস্তারিত তবু্ও খুঁজে মন!]

সোনেলায় আমি

ব্লগে লিখে ব্লগার। ব্লগার শুনতেই বিস্মিত হতাম। আসলে ব্লগ কি, কিভাবে সেখানে লিখতে হয় এ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা ছিল না। ব্লগারদের লেখা নিয়ে মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তপ্ত হত। তাই ব্লগে লেখার চেয়ে জানার আগ্রহটাই বেশি ছিল। আরজু আপা খুব ভালো লিখতেন। সব ধরনের লেখায় তাঁর দক্ষতা ছিল অবিশ্বাস্য। তাঁর কিছু কিছু লেখা মাঝে [বিস্তারিত সোনেলায় আমি]

অসামান্যের কাশফুল

  নৈশব্দ থেকে জেগে উঠে, এক টুকরো জলজ মেঘ ফোঁটায় ফোঁটায় নেমে আসে, ভিজবে ভেজাবে বলে হৃদয়ের একুল ওকুল, নৈকট্যের নীরব আতিথ্যে; নাই হয়ে যাওয়া সামান্যের চাওয়া পাওয়া অর্কেস্টার সুর, এখন ও বেজে চলে, চলবে ও; আলো হয়ে ফুটে থাকা সোনেলার জোনাকফুল বিরহ বৃক্ষকে পাশে ঠেলে মাধ্যমিক চেহারায় মুখোমুখি এই শুভ্রতার কাশ-বনে, এ যেন দাঁড়িয়ে [বিস্তারিত অসামান্যের কাশফুল]

বাবার কাছে লেখা চিঠি

*******বাবার কাছে লেখা চিঠি*******   বাবা, তুমি কেমন আছো বাবা? সেই যে গেলে আর আসার নাম নেই! দীর্ঘ দুই মাস পার হয়ে গেল। এখন শরৎ কাল। তোমার নিজ হাতে লাগানো গাছগুলোতে ফুল এসেছে। শিউলির / শেফালীর ডালে ডালে মৌ মৌ গন্ধ। বাড়ির চারপাশের গাছগুলো এখন ফুল-ফলে টইটুম্বুর। তুমি তো জানোই পাড়ার সবাই এখন তোমার বাড়িটাকে [বিস্তারিত বাবার কাছে লেখা চিঠি]

ক্লান্ত রোদ হাঁটতে দেখি

মুহুর্মুহু বিষন্ন  পাখোয়াজ বেজে চলে – আমি কান পেতে রই তারও গভীরের ডাক শুনব বলে। নীল  শুন্যতায় ছাওয়া আকাশে আজ শরতের ডাক ডাকছে ভীষণ সাদা মেঘে। হরবোলা পাখিও বলে আমার নামটি কোথাও কী আছে পড়ে!! উত্তর – দক্ষিন- পূর্ব – পশ্চিমের দিক,  কখন গিয়েছে মুছে কালের বয়স মেপে!! রোজ সকালে  ঘুম জাগানিয়া দোয়েলের ঠোঁটে আয়ু [বিস্তারিত ক্লান্ত রোদ হাঁটতে দেখি]

একঘরে আপন

শুভ সকাল! সবাই কেমন আছেন? কেন যেন মনে হচ্ছে আমার মতোই! বাইরে অঝোর বৃষ্টি। বেশ কিছুদিন পর এমন বৃষ্টি আনন্দদায়ক হবার কথা তা না হয়ে কেমন বিরক্ত লাগছে। মনে হচ্ছে ঘোরের ভেতর আছি। সবই করছি, চলছি কিন্তু এ জগতে নেই। কারও কথা শুনতে, বলতেও ভালো লাগছে না। আবার কেন ভালো নেই এটা কাউকে বোঝানো যাচ্ছে [বিস্তারিত একঘরে আপন]

মন বলে তুমি রয়েছো যে কাছে

আপা ৫টা কবিতা রেডি রাইখেন। নতুন কাজ শুরু করবো। বারবার মনে হচ্ছিল-আপা  মেসেঞ্জারে নক করে বলবে। আপা কবিতা রেডি তো। না আর বলবেনা। ১১ সেপ্টেম্বর দুনিয়ার সব মায়ার বাঁধন কেটে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। শব্দ কূহুক থেকে পরিচয়। বিভিন্ন পোস্টে মন্তব্য করা। বানান ভুল হলে সংশোধন করে নিতে বলতেন। প্রতিটি পোস্ট মনোযোগ সহকারে পড়তেন। [বিস্তারিত মন বলে তুমি রয়েছো যে কাছে]

এ জন্ম কাটিয়ে দিতে চাই

শরতের আকাশে যখন রোদ ভরা গল্প নামে আমি তখন চলে যাই ময়ূরাক্ষীর তীরে। এখানে আছে কেবল শান্ত বাতাস, লাল মাটির গন্ধ আর মাঝির কণ্ঠে ভাটিয়ালি গান। বিকেল হলে শহরের রোদ যখন হাওরের বুকে এসে পড়ে তখন মনে হয় কেউ একজন তার মনের মাধুরী দিয়ে সাজিয়ে রেখেছে। কি অপার প্রকৃতির মুগ্ধতা। যেখানে জড়িয়ে আছে বনলতার শিল্পশালা। [বিস্তারিত এ জন্ম কাটিয়ে দিতে চাই]

দেখা হলো না চোখ মেলে।

প্রিয় আরজু মুক্তা আপুর প্রতি  বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী।                দেখা হলোনা চোখ মেলে। এতটুকু ভালোবাসা দিতে চেয়েছিলাম দু’ হাত ভরে, অপরাজিতা হয়েই রইলে সবার মনে উজার করে। শরৎ সঞ্চারণে এখনো  রয়েছে লগন, তোমার সুদীপ্ত  বিচরণে মধুময় ছিল সারাক্ষণ । ফুটেছে কত শিউলি, দোলনচাপা, চামেলি ঘন কাশবনে  এখনো আছে সাদা কাশফুল, নিত্যদিনের আসা- যাওয়ায় সবাই ছিল মশগুল। [বিস্তারিত দেখা হলো না চোখ মেলে।]

সব ছেড়ে ছুঁড়ে পালাই চলো

আমাদের ঘোরলাগা সময়গুলোকে রেখে দেই নিশ্চিন্তে কোনো ফড়িংএর ডানায়। তারপর চলো ভুলে যাই সব।আমরা বরং অনিশ্চিত কোনো ইচ্ছাকে দম দিতে থাকি নিশ্চিন্তে। কিছু শব্দ ওড়াই বাতাসের অদৃশ্য পৃষ্ঠায়। অগুণতি প্রতিশ্রুতি থরে থরে সাজুক মরা কোনো বৃক্ষের তাকে। ন্যাপথলিনের দরকার হবে না কখনো। শব্দগুলো মায়ায় ছড়াবে স্মৃতির সুগন্ধি, এক্কেবারে তরতাজা থেকে যাবে পৃথিবী ধ্বংসের শেষদিন পর্যন্ত। [বিস্তারিত সব ছেড়ে ছুঁড়ে পালাই চলো]

জানালায় শরৎ

  প্রতিদিনের সকালে দাঁড়াই পূবের জানালায়, জানালা খুলে দিলে সেখানে ভোর আসে মিহি বাতাস আর শুভ্র রুপালী রোঁদ আমায় বলে “সুপ্রভাত!” আসে শালিকের ঝাঁক দল বেঁধে/ বেশি কিছু না, একমুঠো মুড়িতেই তাদের প্রসন্ন সকাল দেখতে পাই। আর আসে দুরন্ত এক দোয়েল তার তাড়াহুড়োর শেষ নেই। কিছু খাবে না, এক দন্ড স্থির হবে না, যেন শুধু-ই [বিস্তারিত জানালায় শরৎ]

ক্ষণটা কেন দীর্ঘক্ষণ হয়?আরজু মুক্তা স্মরণে

লেখকরা বড্ড বেশি তরুণ হয়,তাই না?আমার ৬ টি প্রকাশনার প্রত্যেকটিতে আপুর মন্তব্য থাকত।আপুুুুকে এভাবে চিনেছি। মন্তব্য করতে আসাতে আপুকে নিয়ে একটু জানতে চাওয়া কাজ করেছে মনে।দেখলাম সোনেলা ব্লগ আর লেখা তার মধ্যে মিশে গেছে।উনি ছোট্ট স্বাভাবিক অনুভূতিতে প্রাণ দিতে পারত।উনার লেখার বর্ণনা মন ছুয়েঁ যেত। মনটা কাদঁছে। চোখ বেয়ে জল আসছে।মানুষটাকে লেখা দিয়ে চিনি।মানুষটার কর্ম [বিস্তারিত ক্ষণটা কেন দীর্ঘক্ষণ হয়?আরজু মুক্তা স্মরণে]