মুখস্থ সংলাপ

  পৃথিবীর আয়ুরেখা চিনি-নি/চিনি-না, দেখি-ও-নি শেষের ঠিকানা, তবুও একটু একটু ঝরে যাচ্ছে শিশির কণা ঘাসের পরতে পরতে, লুকিয়ে সময়ের ডানা; ভেবেছিলাম পাখি হয়ে উড়ে যাবো নীলাকাশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে, টুপ করে নীল-ভেদে উড়ে উড়ে মিলিয়ে যাবো শূন্যতার মহাশূন্যে ; যাচ্ছি যাচ্ছিতো, টের ও পাচ্ছি দিনান্তে, রাতের শেষ প্রান্তে; এমনি করে একদিন ঠিক ই পৌঁছে যাবো নিজ [বিস্তারিত মুখস্থ সংলাপ]

একটা নাম দাও

দেখছি, ভালোও লাগছে; মজাও পাচ্ছি তোমার সেই চিরচেনা ব্যস্ততা, খুনসুটিময় সংলাপ, বিগলিত আহ্লাদী সুর ও কনকনে প্রেম, যা কিছুদিন আগে আমার জন্যও ছিলো। উহ্ শব্দের শশব্যস্ততা, কষ্ট পাবার রঙগুলিও ভীষন চেনা। আর ওই আগলে রাখবার যে সবুজ সোনালীকে বারবার বেঁচে খাও এদোরে ওদোরে, আর কতোকাল তা বেচাবেচি করবে এভাবে? গন্তব্য বলে একটা শব্দ তো আছে? [বিস্তারিত একটা নাম দাও]

নিঃশব্দে নীরবে!

ধরতে চাই না। ছুঁতে চাই না। স্পর্শ চাই না। আঁকড়ে থাকতে চাই না। ভালবাসা চাই না। প্রেম পিরিতি চাই না। ঠোঁট দিয়ে অনুভব করতে চাই তোমার অস্থিত্ব। শুধুই তোমাতে বিলীন হতে সমর্পণ করবো সমস্ত। তোমাকে জড়িয়ে থাকতে চাই হাজার বছর। আমি নিঃশব্দে নীরবে সুখে শান্তিতে কাটাবো প্রহর। 

আধ-আঁকা ছাপ-ছবি

  ছুঁয়ে থাকা, ছুঁতে থাকা মৃদুমন্দ ভালাবাসাবাসির স্মৃতিগুলো ছুঁয়েছে/ছুঁয়েছি কী-না ঠিক-ঠাক বুঝতে-ও পারি-না, পারি-নি, বারংবার বিস্মিত বিপন্ন আবিষ্কারের জাল ফেলে, জাল তুলে যাপিতের ঘন যাপন শুধুই নির্বিষ চোখে রেখে, চোখ তুলে দেখতে থাকে, অতীত থেকে বর্তমানের এ-কুল অব্ধি; নিঃশেষের পেয়ালায় স্বাস্থ্য-সুখ কামনা করা ছাড়া আর কী-ই-বা করার থাকে; আজ অথবা আগামীর কিছু বৃন্তচ্যুত পাপড়ি বিকল্পের [বিস্তারিত আধ-আঁকা ছাপ-ছবি]

জীবনের কৃষ্ণগহ্বর

কৃষ্ণগহ্বর টা ক্রমশ আস্তে আস্তে বড় হা করছে। মনে হচ্ছে একসাথে সমস্ত আলোর কণা গ্রাস করে নিবে। ভয়ে কম্পিত হয়ে কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ মুখ লুকিয়েছে। চারদিকে ঘন কালো আঁধার। তবু দেখো ওই আঁধারের মাঝে আকাশে জ্বলজ্বল করছে একটি তারা। কি যেন নাম তার। ওহ, সবাই বলে সে নাকি শুকতারা। দিকহারা নাবিকের পথ দেখানোর জন্য রাত [বিস্তারিত জীবনের কৃষ্ণগহ্বর]

তবুও শীত নামবে

তোমার সাথে কি কথা হয়? তোমার ভাষায় আজাইরা কিছু সংলাপ, আমার অনবরত উচ্ছসিতো বলে যাওয়া আর তোমার বিরক্তিকর হুম, হ্যাঁ, শুনছি, বলো। একসময় নিস্প্রুভ প্রতিপক্ষে পরাজিত আমি খান্ত দেই বলা যায় পাবার খাতা আমার পুরোই খালি, আমাদের সংলাপ আপাতত: এই!   জানিনা কি থাকে তোমার ওই অবহেলায়, এডিয়ে যাওয়া হুম, হ্যাঁ, শুনছি, বলো নামক কিছু [বিস্তারিত তবুও শীত নামবে]

চলো হারিয়ে যাই!

  চলো হারিয়ে যাই দুইজনে গভীর অরণ্যে। যেখানে গাছ গাছালীর বন বাঁদাড়ে খেলা করে পাখপাখালির দল কিছিরমিছির করে। যেখানে বন্য প্রাণীরা চলাচল করে নির্ভয়ে। যেখানে সবুজের অপূর্ব ছোঁয়া দোলা দেয় প্রেমিক মনে। আন্দোলন শিহরণ জাগে মনে। যেখানে ফুলের সৌরভ আর সুভাস দেহমনকে করে চাংগা আর ফুরফুরে। নবীন সতেজ প্রাণবন্ত। যেখানে বৃষ্টির অঝোর ধারা প্রফুল্লতা আনে [বিস্তারিত চলো হারিয়ে যাই!]

সব প্রচারেই প্রসার না আত্নঘাতি।

প্রচারেই প্রসার অতীব গুরুত্বপুর্ণ বাক্য। দুই শব্দেই জ্বলন্ত প্রমাণ। কিন্তু আপামর সমাজে এমন কিছু কাহিনী ঘটে যা প্রচারেই প্রসার সেই প্রসার কিন্তু সমাজকে আরও কলুষিত থেকে আরও অন্ধকারে পতিত করবে নিঃসন্দেহ বলা যায়। আমরা সামাজিক বসবাসেই অভ্যস্ত পরিবারে অনেক ঘটনা ঘটে যা দেখে অন্যরাও ঘটানোর প্রবল সম্ভাবনা থাকে। সেগুলি প্রচার না করাই উত্তম বলে মনে [বিস্তারিত সব প্রচারেই প্রসার না আত্নঘাতি।]

এ শরৎ

এ শরৎ চৈত্রদগ্ধের মতো! এখানের শান্ত নদী মৃদুভাবে ঢেউ খেলে। দূর হতে আসে অহমীয়া লোকগীতির সুর। কি সুন্দর তার ছন্দ! মন ভুলানো বাঁশির রাগ। যে বাঁশির রাগে কিশোরী ঘর ছেড়েছে। আজও খুঁজে ফিরে তন্নতন্ন করে সে বাঁশিওয়ালাকে। মাঠভর্তি ইরিধান, নদীর তীরে কাশফুল আর ধানক্ষেতের আলপথ জুড়ে দূর্বাদল। সেসব কিছু দক্ষিণা হাওয়ায় এক্কাদোক্কা খেলে মিতালী মুখর [বিস্তারিত এ শরৎ]

আমি তোমাকে চাই !

  আমি তোমাকে চাই বেলায়। আমি তোমাকে চাই অবেলায়। আমি তোমাকে চাই সুপ্রভাতে। আমি তোমাকে চাই নিশুতি রাতে। আমি তোমাকে চাই সূর্যোদয়ে। আমি তোমাকে চাই সূর্যাস্তে। আমি তোমাকে চাই ঝুম বর্ষায়। আমি তোমাকে চাই বৃষ্টির ছোঁয়ায়। আমি তোমাকে চাই নদীর পাড়ে। আমি তোমাকে চাই সাগর তীরে। আমি তোমাকে চাই সমুদ্র সৈকতে। আমি তোমাকে চাই বনভূমিতে। [বিস্তারিত আমি তোমাকে চাই !]

ধমক দিয়ে মহান হওয়া যায়না !

  অতি সম্প্রতি একটি ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারে লিফটের গোঁড়ায় দাড়ালাম লিফটের অপেক্ষায়। সেখানে একজন ভদ্রমহিলা দাঁড়ানো। ছিলেন সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে লিফটে উঠতে গেলে লিফট ম্যান হাত দিয়ে বেরিকেড দিয়ে আগে উক্ত মহিলাকে ঢোকালেন। তারপর আমি আমার মেয়ে সহ বেশ কয়েকজন নারী পুরুষ উঠলেন। তখন বুঝলাম উনি একজন ডাক্তার হবেন। উনি তাঁর পাশের একজন গ্রাম্য মহিলাকে [বিস্তারিত ধমক দিয়ে মহান হওয়া যায়না !]

সোনেলার জন্মদিন — নবম পেরিয়ে দশমে পা ।

শুভ জন্মদিন  সোনেলা। দীর্ঘ নয়টি বসন্ত পেরিয়ে দশমে পা রেখেছে এই ভালোবাসার  উঠোন। সে উপলক্ষে  সোনেলার কর্তৃপক্ষ সহ লেখক,পাঠক ও  শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই শুভেচ্ছা সহ ভালোবাসা ও  অভিনন্দন।     সো —-স—++সৎ , সাহসী, –ভালোবাসার এই উঠোনে সবাই সৎ ও সাহসী।     নে — ন –++ নতুন,ন্যায়— এই উঠোনে ভালোবাসায় ও ন্যায়ের পথে  নতুনদের আহবান জানায়।      [বিস্তারিত সোনেলার জন্মদিন — নবম পেরিয়ে দশমে পা ।]

কন্যা দিবসের শুভেচ্ছা

প্রতিদিন আমি যখন অফিস যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি তখনি মেয়ে রেডি হয়ে বসে থাকে আমার সাথে এক সাথে বের হবে।যদি বলি বাহিরের সব মজা খেলনার দোকান বন্ধ ।তখন সে কিছুইতেই বিশ্বাস করবে না।যদি তার হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলি ৴দোকান খুললে মজা খেয়ে নিবে।তখন সে এটাও মানবেনা।তার বায়না হলো৴ সে আমার সাথে দোকানে যাবে টুকটাক মজা [বিস্তারিত কন্যা দিবসের শুভেচ্ছা]

দেখা হলোনা চোখ মেলে —– দুই

তোমায় জানান দিচ্ছে  আজ, ঝিরিঝিরি বাতাসে  হাসনাহেনার কাঁপনে। গাছ, লতা, পাতা, ও ফুল, অস্তমিত লাল টুকটুকে সূর্যের অবগাহনে। জানান দিচ্ছে মেঘের পরে মেঘ, ঢেউ খেলানো স্বচ্ছ জল। কলমের আঁচড়ে পাতায় পাতায়, বন্ধন ও  বিচরণ ছিল শতদল । না চাইতেই বিচরণ  হলো  শেষ, না চাইতেই  সবার থেকে হলে নিরুদ্দেশ। অদৃশ্য  হলেও দৃশ্যমান সবই নিরবধি। প্রতিটি  পার্বণেই [বিস্তারিত দেখা হলোনা চোখ মেলে —– দুই]

লিফটের অপ-ব্যবহারঃ

বিজ্ঞানের আশীর্বাদ এবং লিফটের কারণে এখন আর উঁচু ভবনে বা বিল্ডিঙয়ে উঠতে কোন সমস্যা হয়না। ফলশ্রুতিতে শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ মানুষ যে লিফট ব্যবহারে বেশ উপকৃত হচ্ছেন তা অস্বীকার করার উপায় নেই । তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় লিফটের কারণে সব বয়সের মানুষের সিঁড়ি ভেঙ্গে উপরে উঠার অভ্যাস লোপ পাচ্ছে দিন দিন। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য [বিস্তারিত লিফটের অপ-ব্যবহারঃ]