ক্যাটাগরি একান্ত অনুভূতি

“আমার জানালা”

মেহেরী তাজ ২৮ মার্চ ২০১৭, মঙ্গলবার, ০১:২৫:৩১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩২ মন্তব্য
রাত ১:২৫। ঘুমানোর চেষ্টা করছি। এখন চোখ ভেঙ্গে ঘুম আসার কথা কিন্তু ঘুম আসছে না। কোথাও একটা গান বাজছে। মিউজিক টা খুব পরিচিত কিন্তু সেটা শুনতে ইচ্ছে করছে না। তাহলে কি করা যায়! ফোনটা হাতে নিয়ে জানালার পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। যদিও ঠান্ডা বাতাসের জন্য সমস্যা হতে পারে কিন্তু ও সব এখন মাথায় কাজ করছে না। [ বিস্তারিত ]

মাকে লেখা চিঠি

অরুণিমা মন্ডল দাস ২৬ মার্চ ২০১৭, রবিবার, ০৯:০০:২৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৭ মন্তব্য
প্রিয় মা, দখিনা হাওয়া বইলে তোমার হাতের স্পর্শ আমার খুব মনে পড়ে । টেবিলের উপর কিছু দেখলেই তোমার শুকনো ভিজে ব্যস্ত হাতের ছবি ভেসে উঠে । স্কুলব্যাগের বইগুলো ও তোমার ভালোবাসা খুঁজে বেড়ায় - তোমার মুখ আজ কুড়ি বছর দেখিনি । কবে নার্সারী তে তোমার শাঁখার ঝনঝন শুনছিলাম তারপর থেকে সেই আওয়াজ আমাকে বোবা বানিয়ে [ বিস্তারিত ]

চিবুক-তিল

ছাইরাছ হেলাল ২৫ মার্চ ২০১৭, শনিবার, ০৯:৫৯:০৭অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৮ মন্তব্য
রাত্রির রক্তরাঙা চিবুকে (অক্ষরেখা-বরাবর) অসমান্য ঝকঝকে জীবন্ত মায়াতিলচিহ্ন দেখে বিস্ময়বিস্ফার চোখে, ঘোর লাগে-নি; হৃদ-অন্তস্থল বিপুল-বিশালতায় ধড়ফড় করে-নি, খুন-হয়ে-যাওয়া বিচূর্ণ হৃদয়ের উচ্ছসিত জলস্রোত!! উহ্‌, তা-ও-না; বোখারা-সমরখন্দ দিয়ে দেব!! এমন ভাবনা-ও ভাবি-নি (নেই-ও-তা); তিলোত্তমা!! নাহ্‌, তা-ও-তো মনে হয়-নি। তিলটি ক্রমাগত গড়াতে গড়াতে ঢেকে গেল সারা-মুখ সারা-শরীর, অরণ্যস্নাত প্রত্যুষ কুয়াশার আদ্রতায় হৃদয়ের দীপাবলীতে, জড়ালাম কালো-চাদরে অনন্ত জ্যোৎস্নার সরোবরে; [ বিস্তারিত ]
একটি ছড়ার জন্মকথা # ‘নাক ভাঙ্গা বাঘ’ নামে আমার একটি ছড়া আছে। ব্লগে আজকে ছড়াটি শেয়ার করবো। ছড়াটির একটি ইতিহাস আছে, তাই ছড়াটির পিছনের কিছু কথা বলতেই হয় । ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা করানো খুবই কষ্টের বিষয়। অনেকেই এই কাজটি সহজে পারেন না। কারণ ছোট শিশুদের আব্দার থাকে বেশী, তারা নানা রকম বাহানা তুলে পড়ালেখা [ বিস্তারিত ]
আচমকা ভয়ে আমার ঘুম ভেঙে যায়। চুল তোমার এলোমেলো, আমার কাছে ছুটে আসো। তোমার চোখে গুঁড়ো গুঁড়ো ঘুম আমায় জড়িয়ে ধরো। খুবখুব গরমে, তোমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে দেবার বাহানায় ছুঁয়ে দেখার নেশা। ছোট্ট দুটি মলিন চোখ, পাপড়ি গুলো ঘামে ভেজা। শাড়ি জড়িয়ে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে চলো তখন, লোকালয়ে ভীড়ে লুকিয়ে থাকা মধ্যাহ্ন দেবী [ বিস্তারিত ]
প্রিয় স্বদেশ, অনেক ভালো থাকার মাঝেও আমি ভালো নেই। ভেতরটা কেমন যেনো খাঁখাঁ শূন্যতায় কাঁদে। শুনেছি বিদেশ বিভূঁইয়ে সমুদ্রের তীরে গেলে মানুষের মন ভালো হয়। কিন্তু, যতোবারই সমুদ্রের ধারে গিয়েছি, জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দের মাঝে স্বর্ণকেশীদের ডুবে যাওয়া আর ভেসে উঠার খেলা দেখে আমার কেবলই সেই কলের জলের শব্দ কানে বাজে, বালতি থেকে মগ ভর্তি [ বিস্তারিত ]

শুধু একটিবার

ছাইরাছ হেলাল ২৪ মার্চ ২০১৭, শুক্রবার, ০৯:৫৮:৫৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩০ মন্তব্য
আগুন, একবার, একটিবার শুধু জ্বলে ওঠো, একবার-ই, (প্লিগ লাগে) প্রাসাদ মিনার, জিউস বা ইন্দ্রের রাজ-দরবারে নয়, জোতদারের গৃহপ্রাঙ্গণে নয়, মরণরশ্মি বিকিরণের মোবাইল টাওয়ার সুরঞ্জনার সেই উজবুক যুবকের মাথায় বা দুর্গন্ধের কালো-কূপেও নয়; নিভু-নিভু অঙ্গারে হলেও সখীর পাথর হৃদয়ে জ্বলে ওঠো, পোড়াও আমৃত্যু, উল্টে-পাল্টে, প্রাণ-সুখ জুড়িয়ে; আরে আরে!! আগুন!! সখীর বসন্তচোখের অনুসরণ-সুখ পাইনি এখনো; রগরগে শীতের [ বিস্তারিত ]

তরুণ কথা

হিলিয়াম এইচ ই ২৪ মার্চ ২০১৭, শুক্রবার, ০৯:৫৬:৪৭পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১১ মন্তব্য
- ভাইয়া কেমন আছেন? - সে ভালো আছে। - কি বলেন বুঝি না, অনেকদিন ধরে আপনাকে খুঁজে পাচ্ছি না। - আসলেই, আমি নিজেও নিজেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ছেলেটা অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। কি বলে উনি? হাবিজাবি। তরুন হেঁটে চলে গেল। সে জানে ছেলেটা কিছু বুঝেনি। নিজের ভিতরকার কথা তরুণ কাওকে বলতে চায় না, বুঝাতেও চায় [ বিস্তারিত ]
[caption id="attachment_52373" align="aligncenter" width="300"] অর্ধশ্বাসে নিঃস্ব নিঃশ্বাস...[/caption] জানো কি আমার অন্ধত্বের ভেতরে চেতনার দৃষ্টি বাস করে? আলোর রোদ কিংবা রোদের আলো নেই, তবু দেখতে পারতাম তোমাকে। অন্ধকারের ঘ্রাণ পেয়ে গেলে বুঝে যেতাম, এই এখুনি চলে যাবে তুমি আর আমার বিষাদগ্রস্ত সময় রাজত্ব করতে উঠে দাঁড়াবে তীক্ষ্ণ তীর-ধনুক হাতে পরাজিত যোদ্ধা হবার থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে [ বিস্তারিত ]

ক্রুশে বিদ্ধতা

ছাইরাছ হেলাল ২৩ মার্চ ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ০৯:৫৫:০৬অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৯ মন্তব্য
ঘুঘু ডাকা ভোর, শেষ বিকেলের কুহুতান, গ্রীষ্মের নিষ্প্রভ নক্ষত্র, উত্তাল ঝোড়ো হাওয়া, রূপোর জ্যোৎস্না সবই আছে যেমন ছিল, চারণভূমির ঝর্ণাটিও। শিশির-ভোরের রোদ্দুর, নিঃশব্দ ডানায় দ্রুত উড়ে যাওয়া বিভ্রান্তির প্রজাপতি, ঘুম জাগা ফুল, জেগে-ওঠা পাখিদের কুজন, কাস্তের কানাকানি, ক্রুশ বেঁধা যীশুমূর্তি, শুধু সানন্দের ভোর-আনন্দে নেই ফিংয়ে পাখিটি, সকালেই দুপুর-ক্লান্তি, খুঁজছে নিভৃত নীরবতার ছায়া, নেই কবিতাগুচ্ছের ওড়াউড়ি, [ বিস্তারিত ]
প্রিয় শমশেরনগর চা’ বাগান, কেমন আছো তুমি? তোমার উঁচু-নীচু টিলায় জন্মে থাকা চা গাছ, চায়ের পাতার ঘ্রাণ, ধূলো-কাদা মাখা পথ, সবুজ মাঠ, মাঠের চারদিক ঘিরে বাগান স্টাফদের বাসা, বিশাল বড়ো সেই দশ আর ছয় নম্বর লেক, গলফ ফিল্ড, নীল আকাশ, বাগান লাইনে বসবাসরত চা' শ্রমিক, মসজিদ, একটা খুব ছোট্ট গির্জা, কালভৈরব দেবতা- মা দুর্গা মন্দির, [ বিস্তারিত ]
কল্পনা করুণ চাদরের উপরে বিছিয়ে রাখা সামগ্রীর উপর একটি কাপড় দিয়ে সবকিছু ঢেকে রাখা আছে। এবার কাপড়টি তুলে নেয়া হলো। এক মিনিট সময়, দেখে নিন কি কি আছে এখানে। এরপর আবার ঢেকে দেয়া হলো। অথবা আপনি এক মিনিট এই সমস্ত সামগ্রীর উপর তাকিয়ে চোখ সরিয়ে ফেলুন। এরপর লিখতে বসুন কি কি আছে এখানে, একবারের বেশী [ বিস্তারিত ]
আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী ভন্ডনষ্টপাপীরা হও সাবধানী। ধর্মবর্ণে মাপিসনা, মাপো মানবপ্রেমে মাপুনী মানবতার শত্রুতে হইয়না রুপান্তরী হউনা পাপী ধর্মের নামে ভন্ডামী।   আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী লন্ডভন্ড হবে সব অকল্যানী ভাঙ্গ সব শনি, ভাঙ্গ সব ভন্ডামী। আসছে ধেয়ে কালবৈশাখী বজ্রপাত বিদ্যুৎ চমকানী ভাঙ্গবে যত ভন্ডামী আউলফাউল নস্টমানুসের মনগুলী। আসবে নিপিড়িতের বিজয় নিশানী।
কোনো-একদিন। দিন মনে নেই, ঋতুকাল মনে আছে; কেননা, আমি যখন যখন বাস থেকে বিহ্বল মাছের চোখ নিয়ে এ-শহরে পা রাখলাম, তখন ভেজা রাস্তার আকাশগঙ্গা থেকে গলিত নক্ষত্রের লাভায় আমার প্যান্ট মাখামাখি হয়ে গেল শহুরে কাদার আস্বাদ। এসবে আমার চোখ ছিল না যদিও, কেননা বিহ্বল মাছ কাদায় বিভ্রান্ত হয় না, আমার সুতি ঢোলা মফস্বলী প্যান্ট বহুবার [ বিস্তারিত ]
১ সেন্টারফোল্ডের মতো ঝলমলে উপস্থাপন - এই দেখো, না দেখোনা লুকোচুরি আজ এই হাত কাল ঐ হাত ঘোরাঘুরি - এইরকম করে আর কতদূর যাবে? অথচ আমি তো জানি - জীবন বদলাতে চেয়েছিলে, চারুলতা। ২ কখন যে মুছে আসে আলো - কখন যে পর হয় পরিচিত ঘ্রাণ, মনে রাখবার আয়োজন করেই ভুলেছি তার সব কথা, ব্যথা, [ বিস্তারিত ]

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

আর্কাইভ