বেশ কয়েকদিন থেকে শরীরটা ভালো যাচ্ছিলো না। আমি খুব আশাবাদী ও প্রানচঞ্চল একটা মানুষ। সহজে ভেঙ্গে পড়ি না। হতাশা নামক বস্তুটাকে দূরেই রাখি। প্রাণ দেই না কখনো তাকে। তবু এ হঠাৎ হঠাৎ জ্বরটায় আমি ভেঙ্গে পড়েছিলাম মনে মনে। টেস্ট করালাম টাইফয়েড ধরা পড়লে, এর কোর্স শেষ করলাম। কিন্তু কিছুদিন পর আবারো সেই একদিনের জ্বর। এ… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
মিলমিলে-হিলহিলে-কনকনে হিমেল হাওয়া দূর-সাইরেন বাজাচ্ছে, জাঁকিয়ে বসবে বলে হনহনিয়ে আসছে ধেয়ে, মুখ লুকিয়ে, অ-চঞ্চল-চাদর মুড়ে শ্লথ-জড়িমা উপড়ে ফেলে; তুসের-আগুন জ্বেলেছে হৃদ-চুলোয়, সুগন্ধি-দ্রবণে, শীত-পোড়ানো-ছাই মেখে অপেক্ষায় আড়াল-ভুত-সেজে, ভরকে দেবে বলে; [বিস্তারিত]
যখন তোমার ভাবনা গুলো জোরো হয় এক ঝলক হেমন্তের বাতাসের সাথে, ভিড় করে অজস্র স্মৃতি। স্মৃতি? নাহ,যা কিছু অমলিন তাতো স্মৃতি নয়। অনেক যে ভালোবাসা ছিলো তা কিন্তু নয়!! সূর্যোদোয় থেকে সূর্যাস্ত,রজনী হতে ভোর এরই মাঝে ছিলো ভাবনার পথচলা। অথবা কর্মব্যস্ততার ফাঁকে, কখনো চলতি পথের বাঁকে যেটুকু চোখাচোখি, অফুস্ট শব্দে বলা,না বোঝা কথা গুলো বুঝে… [বিস্তারিত]
দুর্যোগ-রাতের এই রাত-বিরাতে সদা-বন্ধ দরজার ওপাশে কে দাঁড়ায়ে! কে তুমি! ক্ষণে ক্ষণে কড়া নেড়ে নীরবে ডেকে যাও! কী-ই বা চাও!! অশরীরী সেজে ভয় দেখাতে চাও! হে মহান! দগ্ধ-দহন-যন্ত্রণার কামরূপ-শয়তান! দেখাও; যত যত চাও; সকাল-সুন্দরী রাত-প্রেতিনির বেশে! অলীক কোন ভালোবাসার-ঢংয়ের-ভড়ং দেখাতে চাও! যদি-না ভয়হীন চাদরে ঢেকে দাও; ভয় তো পেতেই চাই, পাই-ও; ভয়হীন মুক্তি-মৃত্যু! তাও চাই;… [বিস্তারিত]
আমি বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে বারান্দা থেকে আকাশের দিকে তাকালাম, কৃষ্ণপক্ষের একফাঁলি চাঁদটাকে তুলোর মতো উড়ে যাওয়া মেঘগুলো ঢেকে ফেলেছে। হেমন্তের গা শিরশির করা ঠান্ডা বাতাসে নিজের লোমকূপগুলো খাড়া হয়ে উঠলো। মনে হচ্ছে আজ সব অশরীরী আত্মারা জেগে উঠেছে, কেমন যেন মন খারাপ করা অনুভুতি। আমি বিছানায় নিজের শরীরটাকে এলিয়ে দিলাম। বিছানাটাও টাইলস করা মেঝের… [বিস্তারিত]
সংসারী আলাপ ঘরে বসে চলে স্বামীস্ত্রীর। মাঝে মাঝে বিভিন্ন কথার টানে বউ স্বামীরে কউ আমার খালাত বোনের বিয়েটা দেওয়ার জন্য চেস্টা কর। গেরস্থ কই, দেখ, এখন রিক্সাচালক বল আর যাই বল ঘরে একটা সুন্দর বউ সবাই চাই। অফিস থেকে এসে ঘরে মন না বস্লে, ঘরে ফেরার মানেই হয়না। বউ কয় সবাই যদি সুন্দর খোজে তাহলে… [বিস্তারিত]
আমরা যখন শেখ যায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদের কাছাকাছি পৌঁছাই, তখন দুপুর আর বিকেলের সন্ধিক্ষণ। হাইওয়ে ধরে গাড়ি যতই নিকটে আসছিল, ততই মসজিদের সৌন্দর্য আমাদের আরও বেশি অভিভূত করছিল। যেন এটি শুধু একটি প্রার্থনার স্থানই নয়, শৈল্পিক এক স্থাপত্যশৈলী। বিশ্বের অন্যতম বড় এই মসজিদটির নামই শেখ যায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি উপাসনালয়। মসজিদটির নামকরণ করা… [বিস্তারিত]
চোখ এবার রাগ করেছে, ভীষণ রাগ অর্ধ-নির্মিলিত নির্নিমেষ চোখে, কিছুতেই সে খাবে না ভাত কবিতা খাবে! এত্ত এত্ত কবিতা কোত্থেকে আসে/আসবে কবিতা তাই ভাবতে বসে!! [এরা ভাবা-ভাবি করুক, করতেই থাকুক, আমরা অন্য কিছু ভাবি/দেখি/খুঁজি] চোখ এবার খুলে বসেছে চোখের হৃদ-খাতা সব পড়ে-টড়ে মুখস্থ-টুখস্থ করে খেয়ে ফেলবে!! [তা করুক না! যা খুশি, সমস্যা নেই] আ-দিগন্ত সবুজের… [বিস্তারিত]
অ-উপেক্ষণীয় শীত-সকাল-কুয়াশার নিবিড় ডাকে ঘরছাড়া হয়ে শীতোষ্ণ হচ্ছি, ভিজে যাচ্ছি, ভিজে যাচ্ছি, হৃদয়ের হাহাকারে চৌচির হচ্ছি! হায়, এতো মরীচিকা! ফেরার পথ সে-ও হারিয়েছি। নন্দন-লোকের মায়া-দেখিয়ে মায়ায়-ফেলে কোথায় হারালে! প্রমোদের বিলাস বিছানা, রক্তের উষ্ণ উত্তাপ, কমনীয় মধু-ক্ষণ, মধু-ক্ষরণ, উন্মত্ত ঢেউয়ের আলোড়ণ; হাসির আলোকচ্ছটা! সবই মরীচিকা আজ। সহসাই ঢেকে যাই নিচ্ছিদ্র ভারী কুয়াশা-চাদরে কণ্ঠে রুদ্ধশ্বাস ফেলে পৌঁছে… [বিস্তারিত]
"আইয়ুব বাচ্চু" জন্ম ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট , নাম যার পরিচয় হয়ে উঠেছিল । তিনি একদিন বনের 'ময়না'র' দিকে তাকিয়ে 'রক্তগোলাপ' হাতে নিয়ে বলেছিলেন - " 'প্রেম তুমি কি!' শুধু কি 'দুটি মন' এর নাকি এতো মানুষের 'জীবনে'র !!" । আকাশ থেকে 'রিমঝিম বৃষ্টি' ঝরে পরছিল তিনি ভাবছিলেন - " 'একা' একা 'কাফেলা'য় চলে যাওয়া… [বিস্তারিত]
ঐ দুটি চোখ সকলকাব্যর কাব্য ধরণীর সর্বভাষা বোঝে সর্বেসব্য। যে চোখে উঠে মায়া সে চোখে অসীম জ্বালা। নয়নের খপ্পরে যে জন পড়ে বারোটা বাজিয়ে তারে ছাড়ে। চক্ষু তীর বর্শা হানে বুকে লাগে অন্তরের অন্তে। নয়ন অনলে মন জ্বলে জলহীন কাষ্ঠ অন্তর পুড়ে । যে চোখেতে প্রাননাথ ঐ চোখেতেই প্রাননাশ। ছনিটি গুগলের [বিস্তারিত]
বৃষ্টিভেজা দিন---ফুরফুরে হাওয়া----কলেজের গেট----সুন্দরীদের আনাগোনা---কলেজ ছাত্রী ছাত্র দের আসা যাওয়া---হাসি ঠাট্টা----কোলাহল---স্যার মাডামদের মুচকি হাসি---মাঝেসাঝে বকাঝকা----কোন কোন প্রেমিক প্রেমিকার ঘুরে ঘুরে তাকানো---তঁাদের হাত ধরাধরি উল্লাশ---চোখের কোনে জমাট বঁাধা কত খুশি--- সত্যিকথা বলতে আমার নিজে হইচই আনন্দ করার থেকে এককোনে রাস্তার ধারে গেটের মুখে চেয়ারে বসে এইসব কাহিনী রোমান্স দেখতে ভালো লাগে\---ফিল করতে ভালো লাগে স্কুলের ক্লাশটিচারদের… [বিস্তারিত]
প্রিয় রুদ্র, তোমার জন্মদিনের শেষ প্রহরে এসে বললাম “শুভ হোক তোমার জন্ম, শুভ জন্মদিন”। আমি তসলিমা আপার মতো কবিতা না কথা কোনটাই গুছিয়ে লিখতে কিংবা বলতে পারি না কিন্তু আজ তোমাকে অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে । তোমার সাথে আমার চেনা-জানা হয়নি কিন্তু কয়েকটা দিন কিংবা বছর যাবত আমি তোমার লেখার প্রেমে পরেছি। কাঠ ফাটা… [বিস্তারিত]
মানুষ কখন জীবনের মানে খোঁজে? যখন তার মন আহত হয়, তখন? নাকি যখন তার শরীর অক্ষম হয় তখন? এসব প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া সহজ নয়, নয় কঠিনও। উত্তরণের জন্য বহু পথ খোলা আছে, যা চোখে দেখা যায়না। সবচেয়ে যা কঠিন যে কোনো সম্পর্কের মধ্যে জটিলতা। আমরা যখনই কোনো বিপদে পড়ি, খুঁজি সেই মানুষটিকেই যে আমাদের মনটা… [বিস্তারিত]
তুমি আমি, আমি তুমি মিশে যাব, যখন তখন, যেখানে সেখানে, প্রবল-প্রকাশে প্রকাশ্যে, গলি-গুপচির চিপা-চাপায়-ও; পিছু-নে’য় সাঙ্গোপাঙ্গদের চোখে ধুলো দিয়ে জুতসই অদৃষ্টিগোচরতায় আঁটোসাঁটো ঘড়ি-হীন মুহূর্তে মিশি, মেশাই, মেশামেশি করি, শুধুই দু’জনে; তুমি কে! আমি কে! কে মেশাবে, কী মেশাবে, কতটুকু-ই-বা মেশাবে/মেশাবো!! চির-উদ্ধত-বর্ণালীর বর্ণীল প্রেম উদ্ধৃত হয়-না, থাকে-ও-না; মেশামেশি হবে মিলেমিশে, হয়েছিল যেমন বাৎচিত দীর্ঘ-মান-অভিমান ছায়া-উপত্যকায়; মিলাবে… [বিস্তারিত]








