মূল লেখায় যান

উপহার ও শুভেচ্ছা বার্তা

সুরাইয়া পারভীনএকান্ত অনুভূতি৩১টি মন্তব্য

তোমায় নিয়ে লিখতে গিয়ে কতকিছুই যাই ভুলে কোনটা রেখে কোনটা লিখি- ভাবছি কেবল হাই তুলে, কাজল কালো দুই নয়নের আলোয় ঘোচে অন্ধকার রাঙিয়ে দিলে জীবন আমার, হোক না শ্যামল রং তোমার।। হাসিমাখা মুখে যখন বললে আমায় বন্ধু হে - ভাবছি হাজার যোগ্য কি তার দেবো জবাব এই ভবে, কিছু স্মৃতি থাকনা জমা মনের গহীন বন্দরে… [বিস্তারিত]

প্রতি শব্দে

এস.জেড বাবুএকান্ত অনুভূতি২১টি মন্তব্য

একটা জলরংয়ের প্রতিচ্ছবিকে ভালবাসি আমি, এক কৈশরের দুর্দান্ত দুরন্তপনায়। একান্তে নিরবতায়, বা পছন্দের কোন ঝংকারে। যেন ঝড়, মেঘ, ঝর্ণা, আকাশ আর ঢেউ- এক রাশি শুভ্রতার মাঝে অশান্ত মায়াবী প্রকৃতি ॥ সবটুকু দৃশ্যপটে সে নিরব দৃস্টি আমায় মোহিত করে- দুনিয়ার সব আকর্ষণ দিয়ে যেন কেউ আঁকে চোখ- সাদায় আর কালোয়- কি নিদারুন সৃস্টি শিল্পীর ॥ কখনো… [বিস্তারিত]

পরিবারের সবাই একত্রে বসে নাটক দেখার মধ্যে অন্যরকম একটা আনন্দ আছে। মন খারাপের দৃশ্যে সবাই একসাথে মন খারাপ করে বসে থাকে। হাসির দৃশ্যে সবাই একসাথে হাসে। পরিবারের সবাই মিলে একসাথে হাসে, এরচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত আর কি হতে পারে! সময় একুশ শতকের সূচনালগ্ন।একুশে টিভি তখন উন্মুক্ত টেরিষ্টোরিয়াল টেলিভিশন কেন্দ্র হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে। সেই সুবাদে গ্রামের… [বিস্তারিত]

ক্লাস

সঞ্জয় মালাকারএকান্ত অনুভূতি১৪টি মন্তব্য

ক্লাস জীবন একটা ক্লাস রুম, আর সময় হলো একজন টিচার, জীবন তো সব কিছু দেখায়, সত্য মিথ্যে,বাস্তব অবাস্তব শুধু সময় পরিবর্তন করে মানব চিত্র! শুধু বদলে যাওয়া জীবনে.....সময়ই জ্ঞানের আলো হয়ে দাঁড়ায়, বদলে দেয় জীবন চিত্র.... যেমন টা শৈশব কেটেছিলো ক্লাস রুমে আর শিক্ষা দিয়েছিলো সময়। আজ সেই শিক্ষা জ্ঞান সময় উপযোগী হয়ে আস্হা জাগায়,… [বিস্তারিত]

কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ স্যার এর লিখিত প্রতিটি উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রকে তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই অতুলনীয় এবং অনন্য। কেমন যেন গভীর মাদকতা আছে তাঁর প্রতিটি লেখনীতে। প্রতিটি লেখার অর্থবহ ও প্রাঞ্জলতার দরুন তিনি ঠাঁই করে নিয়েছেন বহু মানুষের হৃদয়ে। অবশ্য নিন্দুকেরা আড়ালে আবডালে কত কথাই না বলে। তাই বলে স্যার এর জনপ্রিয়তা কিংবা… [বিস্তারিত]

“গল্পটা মনের..

মনির হোসেন মমিএকান্ত অনুভূতি১৭টি মন্তব্য

মেয়েরা প্রত্যহ আয়নায় নিজেকে দেখে।সকাল দুপুর বিকেল কিংবা রাত্রীর শয্যানিদ্রার আগ মুহুর্ত।অধিকাংশ মেয়েরাই তাদের ভ্যানিটি ব্যাগে ছোট আয়নায় ক্ষণ ক্ষণ মুহুর্তে নিজেকে দেখে।বার বার ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় নিজেকে, নিজের মুখটি দেখে-খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে-আবার আফসোসও করে-নাহ্,,কেমন জানি নিজেকে অচেনা অচেনা লাগছে অথবা ইস্ সাজঁটা যেন মন মত হচ্ছেই না। এ দিকে ঘন্টা পেরিয়ে গিয়ে কোন শুভ… [বিস্তারিত]

পাগলীটা হাসে

এস.জেড বাবুএকান্ত অনুভূতি১৭টি মন্তব্য

কথাটা মুখে মুখে আজকাল- ঝাঁলর মোড়ানো বাঁশের ডগায় লেগে গেছে তিরপাল, আজকের সন্ধ্যেটা বর্ণিল, উজ্জলতায় কেটে গেছে রাত্রীর নিরবতা, বদলে গেছে এ বাড়ির হালচাল । আল্পনায় সেজেছে ঘরের মেঝে, সিড়িগুলিও সেজেছে রঙ্গীন সাজে। মুহুর্মুহু সারাবাড়ি, লেগে গেছে ঝাড় বাতি; এই তো সময়- শুরু হবে ক্ষণ, “গায়ে হলুদের আরোতি” প্রিয়ন্তী হাসে- এমন লগন জীবনে কি আর,… [বিস্তারিত]

কী দিয়া তোমায় সম্বোধন করিবো

সুরাইয়া পারভীনচিঠি২৪টি মন্তব্য

বিঃদ্রঃ হয়তো তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি।প্রথম এমন লিখেছি।সাধু ভাষা, চলতি ভাষা, বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রন এসেছে,,, প্লিজ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এটা জাস্ট মজা করার জন্য লিখেছি। প্রিয়,,,,,, কি দিয়ে তোমাকে সম্বোধন করিবো অনেক ভাবিয়া তাহা স্থির করিতে পারিলুম না বলিয়াই বাধ্য হইয়া প্রিয়তে এসে থেমে গেলুম।বোধ করি ভালো কাটিতেছে তোমায় সময় গুলি,নতুন মানুষ তোমায় ভালো রেখেছে জেনে… [বিস্তারিত]

১৯৮৩ সনে ছাত্রাবস্থায়ই বুঝে গিয়েছিলাম যে ব্যবসা করতে হবে আমাকে। চাকুরীতে পোষাবে না। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। পেশা হিসেবে নিয়ে নিলাম ঠিকাদারি ব্যবসা। সবাই লেখা পড়ার পাশাপাশি পার্ট টাইম কিছু করে। আর আমি ব্যবসার পাশাপাশি পার্ট টাইম লেখা পড়া আরম্ভ করলাম। একটাই অভিষ্ট লক্ষ্য- প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সেই যে দৌড় আরম্ভ এখনো চলছে। সারা সময়… [বিস্তারিত]

আমার মা

ইঞ্জাএকান্ত অনুভূতি৩৬টি মন্তব্য

১৯৯০ সনের কথা, তখন আমি সিলেটে আমাদের গাড়ীর শোরুম দেখতাম, ওখানেই থাকতাম এক হোটেলে দৈনিক ১৫০ টাকা ভাড়ায় আমার আরেক স্টাফ সহ, সেখানে শোরুম দেখভালের সাথে সাথে পড়াশুনাটাও চলছিলো সমান গতিতে। সারাদিন অফিস, গাড়ী ডেলিভারি ইত্যাদিতে ব্যস্ত থেকে সন্ধ্যায় শ্রান্ত আমি ফিরে যেতাম হোটেলে,কিছুক্ষণ রেস্ট করেই পড়তে বসতাম, এই ছিলো আমার নৈমিত্তিক কর্ম। মাসে দুই… [বিস্তারিত]

হেমন্তের শিশির

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি২৬টি মন্তব্য

শিশির-বেলা দিঘলতর সোনা-ফসলের ক্ষেত জুড়ে, ঢেউ বয়ে যায়, মুহূর্ত-উৎসবের অবিস্মৃতিপ্রবণ মশগুলতায়; পরীদের সাথে, এ যেন প্রতীতি হেমন্তের উত্তরাধিকার। সংশয়ী স্বাপ্নিক মগ্নতার সন্তাপহীন আনন্দ-স্রোত অনবরত ছুঁয়ে যায় কৃষকের সোনালী শয়ান, অপারঙ্গমতার আত্ম পরিচয় ভুলে একান্নবর্তী হেমন্তের-কৃষক পরিবারে আজ বিজেতার সচ্ছলতা। নূতন ধানের গন্ধ-মেঘে সেজেছে সে প্রণয়ীর বেশে অন্তরে বেঁধেছে বাসা ভালবাসার, ভালবাসিবার তরে দূর থেকে কাছে,… [বিস্তারিত]

আমাদের অধিকাংশ শিক্ষকরা ক্লাসে আসেন একটা মৃত হৃতপিন্ড নিয়ে। তারা যখন ক্লাসরুমে দাঁড়িয়ে পড়ান তখন মনেহয় এটা ক্লাসরুম নয়, একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে ছাত্ররা কথা বলতে পারবেনা, শব্দ করতে পারবেনা; এসব এখানে নিষিদ্ধ।এখানে কেবল নিষ্প্রাণ গ্রন্থ আর তথ্য-প্রযুক্তির নামে যন্ত্র নিয়ে খেলার প্রতিযোগিতা চলে। এইভাবে কি একটা শিশুর সুস্থ বিকাশ সম্ভব!? অথচ খেলাধুলার মাধ্যমে বিশেষ… [বিস্তারিত]

হেমন্তের আগমনে যমুনাতীর ধরে আজকাল শরতের কাশফুল দেখা যায়না। কাশফুল অনেকটা মৃত্তিকাভেদে নিমজ্জিত। শহর জুড়ে শীতের রাজত্ব আর ভেজা ফুলের গন্ধে মাতাল প্রজাপতির দলছুট। সকাল থেকে বৃষ্টি নামছে কার্নিশ বেয়ে। রোদের আভাস নেই। হেমন্তের এই ভরা যৌবনে গঙ্গা,যমুনা দুই'ই স্রোতস্বিনী নয়। তবুও অনেকটা বহমান স্রোত। ঋতুরাজ বসন্তের ন্যায় হেমন্ত আমার বেশ প্রিয়। মাঠেঘাটে সোনালি ধান… [বিস্তারিত]

১ লাখ ছাত্র থেকে ২ হাজার জন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে দিলে দেশ শিক্ষায় উন্নত হবে না,বরং অনুন্নত হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকা ভালো,তবে তা ২ হাজার ছাত্রকে শিক্ষিত করতে গিয়ে ৮০ হাজার ছাত্রকে বেকার বানিয়ে নয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০% শিক্ষার নিশ্চিত করে লাভ নাই,যদি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আসে তাদের জায়গা করে দিতে না পারেন। ১০০ জন… [বিস্তারিত]

হেমন্তের উঁকি দেয়া কৃষক মেলায় এ-সময়ে এই অসময়ে, এই অবেলায় কী চাই! কী চাও! বুলবুল! শ্মশান যাত্রীর বেশে লৌহ-হুঙ্কার এঁকে পেঁজা মেঘের নীল আকাশ জুড়ে, কৃষ্ণ-মেঘের ডানা মেলে, বুকে আঁকা মৃত্যুর-তাণ্ডবে ডাকিনীর সেজে/বেশে বর্তিকা-বিদ্যুতের আস্ফালনে; কৃষক-শিশুর ভেসে আসা আর্তনাদ মুহুর্মুহু রুপালী-তীরের ফলক হয়ে তোমার ঐ কঠিন বুক ভেদ করে না? ফিরে যাও হে খামখেয়ালি বুলবুল… [বিস্তারিত]