ওপড়ানো চোখের ভিক্ষুক ঠিকঠাক হেঁটে যায় সময়ের প্রান্ত ধরে নির্বিঘ্নে, গলি, রাজপথ, আলপথ, জীবনের অলিন্দ-নিলয়ে; এ যেন তার পূর্ব পুরুষদের ভিটেমাটি, চেনা মেঠোপথ। এ যেন রূপ-কথার ডালিম কুমারের চির চেনা হাঁটা-পথ-ঘাট, ঘুম এখানে নির্বিষ, রাক্ষস খোক্ষসের বাস এখানে নেই, ছদ্মবেশী এক মুখো দু’মুখো সাপ-কোপ! নাহ্, তা-ও এখানে নেই। নীরবতার অন্ধ-প্রদীপ পান করে, আঁজলা আঁজলা সুখন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: বিবিধ
বাজ-পড়া তালগাছ ঠায় দাঁড়িয়ে, স্থাণু, সাধ ছিল, ছিল স্বপ্ন, বিশ্রাম-পথিক ছিল, ছিল বাবুইদের ঘরদোর; এখন শুধুই মৃত্যুর তারিখ খোদিত হয়ে আছে, জন্ম! কেউ জানে না, জানি না, জানবে-ও না; ভেকধারী কেউ বলতেই পারে, জানি কিন্তু বলবো না!! ছিঁড়ে যাওয়া বোতাম কেউ খোঁজে-না, জেগে থাকা রাতে-চোখ কেউ দেখে-না সেখানে লুকিয়ে থাকে/আছে অজস্র-দীর্ঘ-রাত, অদৃশ্যের শূন্যস্থান শূন্যে-ই নির্বাসিত,… [বিস্তারিত]
মৃত্যুর হাঁটা পথে পায়ে পা-ফেলে ক্রমাগত হেঁটে যাচ্ছি বিভাজিত হবো বলে, এ এক অমোঘ নিয়তি; সই করা মৃত্যু পরোয়ানা ঝুলে আছে দৃশ্যত অদৃশ্যতায়, বিয়োগ চিহ্নের মত; এঁকে রাখা দেয়াল গ্রাফিতি কখন যে জেনে-অজান্তে খসে পড়বে আগাম জানান দিয়ে না-দিয়েও। এ যেন হঠাৎ উল্টে পড়া বোবা-ভাস্কর্য সারা শরীরে গেঁথে আছে অবিশ্বাসের পেরেক; চির-ঘুমের শীতল পাটিতে শুয়ে… [বিস্তারিত]
স্তব্ধতার বাণ-ডাকা সময়ে এখন আর ভ্যাবাচেকা খাই না, মাশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলতে শিখে গেছি প্রায়! সুখ-দুঃখের বিকার-কে না-বলে-বলে। কারণে অকারণে তন্ময়তাটুকু কেটে গেলে হা-পিত্যেস করি না, চিৎকার চেঁচামেচি-ও-না ধস্ততায় আকুল হতে হতে ঘাড় বেঁকিয়ে ভাবি স্মরণে থাকুক, স্মরণে রাখুন, হে বিধাতা; ঐ দূর-দূরান্তের নীলাকাশ আমার হবে, আমিও নীলাকাশের, ব্যাঘ্র অসন্তোষগুলো গুলে খেয়ে। ছবি নেটের। [বিস্তারিত]
❝মনটা যদি খোলা যেতো সিন্দুকেরই মতো দেখাইতে পারিতাম তোমায় ভালোবাসি কত ❞ অথবা ❝আমি তোমারই প্রেমো ভিখারি ভালোবেসে ঠাঁই দিও পরানে গো❞ এই গানগুলো কারো মন কেড়ে নেয়নি এমন মানুষ কমই আছে। আরও আছে, আইলো দারুণ ফাগুনরে লাগলো মনে আগুনরে একা একা ভালো লাগে না... খুনসুটি দিয়ে প্রবাসী প্রেমিককে বাড়িতে ফেরাতে এই গান অনেকেই এখনো… [বিস্তারিত]
ফাগুন, যদি ভালোই বাসো, তাহলে দুরে দুরে দাঁড়িয়ে থাকো কেন? তোমার আমার মাঝে রহস্যের যে বন্দি শেকল কবে তা ভেদ করে পৌঁছবো তোমাতে! একবার খোলাসা করে বর্ষার মত ঝাঁপিয়ে পর আমার বুকে আমি দীর্ঘ স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলি। দোদুল্যমান দোলাচলে মন পুড়ে পুড়ে হয় ছাই তোমার আশায় আশায়, তুমি জানো কি? প্রত্যাশা বড্ড ভয়ানক এক ব্যাধি,… [বিস্তারিত]
বনজ প্রাণীর মত সময়ের অলিগলি পেড়িয়ে চেনা জীবনের চৌহদ্দিতে দাঁড়িয়ে প্রাণের দ্বার খুলি, দেখতে পাই অতল গহ্বরের অ-প্রচ্ছন্ন হাতছানি; ছায়া দিগন্তের সোঁদালো আবেশে জৈবতার স্পন্দনে সুগন্ধ-নিঃশ্বাস নিতে নিতে আঁকড়ে থাকতে চাই পলক পলক জীবন। সৃষ্টি-স্রষ্টার এই পাশা খেলা, এই প্রমোদ বাহু-পাশ থেকে মুক্তি চাই, চাই অনন্ত জীবন। শোক-তাপের এই গরমিলে জীবনের মণিমুক্তার সবটুকু-ই আমার চাই।… [বিস্তারিত]
ছোট্ট পাখিটা আসে রোজ রোজ মানে রোজ-ই আসে, ঠিক সন্ধ্যা ছুঁইছুঁই সময়ে এসে জানালার পাশে আম গাছের একটা ডালে বসে। তার আমার দূরত্ব থাকে আধ-হাত, জানালার এপাড় ওপাড় মুখোমুখি হয়ে বসে থাকি আমরা। মাত্র সাতদিন এত্তটুকুন একটা পাখি কেমন করে যেন সঙ্গী হয়ে গেলো! প্রথম সন্ধ্যার প্রথম দেখায় অবাক করলো এক মূহুর্ত নিয়ে, এরপর দিন-দুই… [বিস্তারিত]
অতনু ঘোষ , তুখোড় এবং সংবেদনশীল একজন পরিচালক। তাঁর পরিচালিত " রবিবার "। যেখানে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ এবং বাংলাদেশের জয়া আহসান। ভালোবাসা, বিচ্ছেদ এবং পরিণীতিহীন বর্তমান এই তিনটি মেইন থিম সিনেমার। ছবিটিতে দুই প্রাক্তনের প্রেমের গল্প। তারা ১৫ বছর পর কোন এক রবিবারে একসাথে কাটাতে গিয়ে বদলাতে পারেনি দুজনের মত বা জীবনকে। কারণ তারা দুজন… [বিস্তারিত]
ঘুমের ঘোরে ঘুমিয়ে পড়ে জেগেছিলাম গভীরের মধ্য-রাতে, যেন দূর বহুদূর থেকে ধেয়ে আসছে ঢেউয়ে ঢেউয়ে অজস্র অগুনতি বিষণ্ণেরা; এ যেন বিবস্ত্রতার আহাজারি, শোক সন্তপ্ততা! আমি কী জেগে আছি? আমি কী ঘুমিয়ে আছি? জেগে/ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছি? স্বপ্নেরা কী ঘুমে তলিয়ে যাচ্ছে! না-কী ঘুমেরা স্বপ্ন দেখছে! বিষাদ-জীবনে বিষণ্ণতার জলছাপে বিষকনাগুলো জেগে আছে, জীবনের পরতে পরতে; ঘুমের জাগরণে,… [বিস্তারিত]
ভাবনার ঘনত্ব ফিকে হয়ে এলে, মূর্ত হয় কথার মারপ্যাঁচ, প্রাক্তন প্রেমের নিকুচি-ঠিকুজি, পাটিগণিতের ছং বং, বহুগামী-মন নূতন মওকা/সওদা খোঁজে পাহাড়ি হাসির মোক্ষম তীরে, এখুনি ছুঁড়বে সে, ছুঁড়েছে যেমন আগে-ও, জেদি নাভিতে, নূপুর নাচের মুদ্রায়; মাতৃহীন ভাগাড়, কুকুরদের হানাহানি, লুটেরাদের মহড়া, অপরাধ-অপরাধীর পুণ্যস্থানে সরগরম এ শহুরে শহর, এক হাসপাতাল অসুস্থতা নিয়ে মিথ্যেবাদীরা গল্প শোনাচ্ছে স্যাভলন ঘ্রাণের,… [বিস্তারিত]
আহা....এ তল্লাট ছেঁড়ে আর যাব কোথা? একটা নয়, হাজারো প্রশ্নবোধক চিহ্ন কপালে সেঁটে নগরীর যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে গেছি, যখন যেমন পেরেছি। কপট চক্ষুর নিকৃষ্ট ক্রোধাণল ঠিকরোতে ঠিকরোতে কপাল ঢেকে গ্যাছে ধুসর রঙা ছাইয়ে; ক্রমাগত উত্তরের কাছে রোজ ভেজে শুকনো পাতার দল: ভেজে, আবার শুকায়! আবার দাঁড়িয়ে যায় কংক্রিটের গাঁথুনী। যত্র তত্র মিছিল এগোয় ধীরে,, অতি… [বিস্তারিত]
ইচ্ছে মত তেড়ে আসছে, যখন-তখন, হা রে রে করে, ঘৃণা বিদ্বেষের বড় বড় লাল চোখে, খেয়ে ফেলবে, খেয়ে দেব, এই মুহূর্তে, এই ক্ষণে; লুটপাট হয়ে যাচ্ছে/করে নিচ্ছে, জীবন আর জীবিকা, প্রকাশ্যে দিবালোকে ঝাঁপিয়ে পড়ে, করোনা-খেলার ভেক ধরে। হাত ধুচ্ছি, হাত ধুচ্ছি, ধুচ্ছি আগে-পরে, যদিও বন্ধ ছোঁয়া-ছুঁয়িই, ভেতরে বাহিরে; একটু অক্সিজেন পেলে বেঁচে যাব, তাও পাচ্ছি… [বিস্তারিত]
Sanskrit Latin English sama simills similar septa septan seven sharkara succaran sugar smi smilen smile pitra pater Father Matri mater mother এটা মাত্র কিছু শব্দের উদাহরণ । এরকম আরও আছে । তারও আগে ১৬৫৩ সালে Van boxhorn গবেষণা করে পেয়েছিলেন ইন্ডিয়া এবং ইউরোপিয়ান ভাষার সাথে সংস্কৃত ভাষার মিল আছে। ১৭৬৭ সালে Gaton Laurent coeurdoux নামক… [বিস্তারিত]
বিশ্বজগত দেখবো আমি আপন হাতের মুঠোয় নিয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলাম কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় বিশ্বজগতকে আপন হাতের মুঠোয় নিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। কবি নিজ হাতের মুঠোয় জগতকে দেখতে পাননি কিন্তু স্বপ্ন দেখেছিলেন। আজ আধুনিক বিজ্ঞান সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক। তিনি… [বিস্তারিত]





















