হিমাংশুর আজ সকাল থেকেই মনটা খারাপ। মিথ্যে বলতে তার একটুও ভালো লাগেনা, তবুও মিথ্যা বলতেই হয়। এইত সকালে বাড়িওয়ালাকে বলতে হল দুই তিনদিনের মধ্যেই ভাড়া টা দিয়ে দিবে। মার চিঠি এসেছিলো, ছোট ভাই টার পরীক্ষার ফিস লাগবে। চিঠির উত্তর হাতে হিমাংশু বের হয়েছে। চিঠিতেও মিথ্যে বলতে হয়েছে, টাকা পাঠিয়ে দিবে দুই-তিন দিনের ভিতরে। সেই গত [বিস্তারিত মিথ্যে]
ক্যাটাগরি গল্প
আজ আকাশের মেঘ গুলির মাঝে কেমন জানি একটা বিষাদ বিষাদ ভাব রয়েছে। বেশ কিছুক্ষন ধরে ত্রপা জানালা দিয়ে আকাশ দেখছে, ফাগুনের দিপ্তি চোখে ত্রপার। মেঘগুলি কিছুক্ষন পরপরই বদলে যাচ্ছে। সবকিছুই বদলে যায়, মানুষ বদলে যায়,সময় বদলে যায়। একটা সময় ছিল সৈকত ত্রপা কে বুঝত কিন্তু এইবার ত্রপা না হয় একটু বাড়াবাড়িই করে ফেলেছিল, কিন্তু তাই [বিস্তারিত বিষাদ]
ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৪ অনেক খোজাঁ খুজির পর আমান সাহেব খুজেঁ পেল ছোটনকে ।এক সন্ধ্যায় একটি অপরিচিত স্হানে কেরাম বোড খেলার আড্ডায়।ধুমছে একটার পর একটা সিগারেট জ্বালাচ্ছে আর খেলায় মগ্ন।আমান সাহেব এসেছে বলে এক দূত ছোটনকে জানায় ছোটন দূতকে বসতে বলে। ছোটন ভেংচি কাটে আমান সাহেবকে উদ্দ্যেশ্য করে। -সালা শুয়োরের বাচ্চা আবার কোন ভেজালঁ নিয়ে [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৫]
সৈকত বেশ কিছুদিন ধরেই লক্ষ করছে মেয়ে টা ভার্সিটির গেটের বাইরে দাড়িয়ে থাকে। সে কারো জন্য অপেক্ষা করছে? কাউকে খুজছে? এমন হাজারো প্রশ্ন আসে সৈকতের মনে। সাধারণত এত কৌতূহল তার নেই কিন্তু আজ কেন জানি মন বলছে মেয়েটা কোন সমস্যায় আছে এবং ওকে সাহায্য করা উচিৎ। সৈকত এগিয়ে যায়_ -এস্কিউজ মি! আপনি কি কাউকে খুঁজছেন? [বিস্তারিত অপেক্ষা]
বিষণ্ণ মন! অলস দুপুর, সাড়া শব্দহীন এক শান্ত নগরী। পাখিদের কিচির মিচির মুক্ত নির্জনতার ভিড়ে চারিদিকে কোলাহল মুক্ত এক নিস্তব্দ পরিবেশে মন্টুর টং এর দোকানে বসে চায়ের পেয়ালা হাতে নিশ্চুপ মনে নির্বাক দুটি চোখে চেয়ে আছে “অরণ্য” চেনা পথটার পানে। অনেকবারই “রিতুর” কোমল হাতটি ধরে এ পথ দিয়ে আসা যাওয়া হয়েছে অরণ্যের। দীর্ঘ ছয় মাস [বিস্তারিত “অরণ্যের ক্লান্ত দুপুর”]
তিন হাটুতে ভর করে চলাচল করতে হয় সমাজের অচেনা ব্যাক্তি নাছির সাহেবকে।জীবনে চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে জীবন সংসার কিংবা রাষ্ট্রীয় কোন দেশপ্রেমের সংগ্রামে।সে আজ অসহায় নিঃস্ব, যে ছিল একদিন বীরের দর্পের দাপুটে সে আজ কাঙ্গাল ভালবাসায়,স্নেহে,মমতায়।নাছির সাহেব গভীর অন্ধকারে ঝড়া জীর্ণ একটি আশ্রীত বিল্ডিংয়ে দিন রাত অতিবাহিত করছেন কখন বিধাতার ডাক পরবে বলে।তারই [বিস্তারিত ঋণী]
পৌষ মাস চলে, শেষের দিকে অবশ্য। শীত পরেছে ভালোই। রিকশা জমাদিয়ে বাসায় ফিরছে জামিল। কুয়াশাও ভালোই জেঁকে ধরেছে পথঘাট। দশ হাত দূরেও কি আছে, ভালো করে বোঝার উপায় নেই। এবার নাকি আগেরবছরগুলোর সব রেকর্ড ভেঙ্গে দেওয়া শীত পরেছে। পৌষ মাসেই এই অবস্থা, মাঘে কি হবে খোদা জানে। জামিল গায়ে জ্যাকেট পড়া, তার উপর চাদর জড়ানো। [বিস্তারিত বিলম্ব]
আয়মনের মন বেশ খারাপ । তার স্বামী আরমানের সন্ধ্যায় এসে তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা । যতবার সে রাগ করে চলে আসে সন্ধ্যায় তাকে নিতে আসে । সে এখনো আসেনি । সে আরমান থেকে খুব বেশী কিছু আশা করেনা । এটুকু আশা করেছিল । গতরাতে রাগ করে সে বাবার বাড়ি চলে এসেছে । আয়মনের বিশ্বাস ছিল [বিস্তারিত সীমানা]
ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা-০৩ আজ ফুলীঁ খুব সকাল সকাল উঠে বাহিরে বের হলেন চাকরী খোজাঁর ধান্দায়।মেয়েদের চাকরী সাধারনতঃ এখন তেমন কোন সমস্যা না।গার্মেন্টস শিল্পের প্রসারে তা এখন সকাল সন্ধ্যা মাত্র।প্রথমে সে চেষ্টা করে একটি স্হানীয় গার্মেন্টস ফেক্টরীতে।প্রথম চেষ্টাতেই কাজ হয়ে যায় কিন্তু বেতন জীবন ধারনের জন্য তুলনামুলক হারে অনেক কম তবুও সে সেখানেই যোগ দেন।শুরু [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীরাঁ০৪]
অতৃপ্ত জীবন….ভালবাসা০৮ রোমিওরা আড্ডা জমায় কলেজ প্রাঙ্গনে জুলিয়েটরা প্রেমে পড়ে স্মার্ট বয় দেখে ছয় ফিটের দেহ ফর্সা তার স্কিন মাথার চুল হিরো যেসি বদনাম নেই যার জীবনে। রোমিও,কেউ হয় প্রকাশ্যে কেউবা চুপিসারে সবার জীবনে প্রেম আসে,কারো নজরে কারো বা চুপিসারে, কেউ পায় কেউ বা হারায় নিজ কর্মগুণে ভাগ্যের জোরে হয় যে মিলন যা বিধাতার লিখন। [বিস্তারিত অতৃপ্ত জীবন…ভালবাসা০৯]
ঘুম আসছেনা রঞ্জুর। অথচ শরীর আর মন জুড়ে রাজ্যের ক্লান্তি। ক্লান্তি আর ঘুমহীনতার দড়ি টানাটানিতে ছেঁড়া ছেঁড়া ভাবনা অাসা যাওয়া করছে মাথায়। মনে পড়ছে কৈশোরে এক অন্ধ ভিখিরিকে রাস্তা পার করিয়ে দেয়ার পর মাথায় হাত রেখে সে দোয়া করেছিল “অনেক বড় হও বাবা”! পর মুহূর্তেই মনে পড়ছে বাড়ির পেছনের পুকুরে ছোট চাচার বড়শী ফেলে একাগ্র [বিস্তারিত আবোল তাবোল]
সুশ্মিতা সাদিয়ার ডাইরি থেকে…………. গত বছরের শুরুর দিকের কথা,আমি তখন আমি ক্লাস টেনের ছাত্রি,ঢাকা শহরের মেয়েদের সবচেয়ে ভাল বিদ্যাপীঠের ছাত্রী হিসেবে পরিবারে আমার শুনামের অভাব নেই, ভালই যাচ্ছিলো জীবন। হটাত করেই “রবি” একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম খুলে circle । আমি তখন একটা আইডি খুলি sHuShmitTa নামে । খুলে ভালই চলছিল জীবন, নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় [বিস্তারিত গল্প- খুন না হত্যা ??]
একটি আধপুড়া ডাইরি সামনের শিশু গাছটি তে হাজারো জোনাকি মিটিমিটি জ্বলছে । আমার ছোট ঘরে ফ্লোরোসেন্ট লাইটটি জ্বলছে । টেবিল ফ্যানটি বন্ধ। বাহির থেকে বাতাস আসছে,আমার ঘেমে যাওয়া শরীরে ঠান্ডা স্পর্শ লাগাচ্ছে মৃদু বাতাস। বিছানায় আমার ছোট ভাই ঘুমাচ্ছে । বয়স আর কতই বা হবে ১৮ কিংবা ১৯ বছর। ইবতেহাজ রেজা রিফাত । [বিস্তারিত গল্প- নষ্ট জন্ম।]
ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০২ বেলা যে গেল বয়ে তবুও ফুলীঁর কোন সাড়া শব্দ নেই।রাতের অন্ধকারে বিষাক্ত সাপের ছোবলেঁ ফুলীঁ শুয়ে আছে সাহেবের রুমের মেঝেতে।সাহেবের বিধবা বোন আর সাহেবের ছেলে তাকে খুজেঁ হয়রান।কোথাও নেই।সাহেবের বিধবা বোন উপরে সাহেবের রুমে তাকিয়ে অবাক হন,দরজাটি মৃদু খোলা ছিল সেই খোলা স্হান দিয়েই সাহেবের বোনের চোখে পড়ে ফুলীঁর অসাড় দেহখানী।কেমন [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৩]
অহমের সংক্ষিপ্ত জীবনী – পার্ট ১ সীমা সারমিন অহমের জীবন সম্পর্কে জানার খুব একটা সৌভাগ্য হয়নি। ৯ ভাইবোনের মধ্যে সে ছিল ৮ম। তার একটি ছোটো বোন ছিল। ৫ ভাইয়ের মাঝে সে ছিল সকলের ছোটো। অবসর প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক বাবার ছোটো ছেলে অহম তার মাকে খুব বেশি ভালোবাসতো। বাবাকেও সে কম ভালোবাসতো না। অহম ছিল অনেক [বিস্তারিত অহমের সংক্ষিপ্ত জীবনী – পার্ট ১]