যখন কলেজে পড়তাম , কলেজ শেষে বিকেলে একটা দোকানে / ফুডশপে আড্ডা দিতাম । প্রতিদিন । বন্ধুদের নিয়ে । আমি সবসময় পা তুলে বসি । শার্টের হাতা তুলে দিয়ে গল্প বলতাম সবাইকে । তখন অনেক বেশী কথা বলতাম । এখন তাঁর পাচভাগের একভাগ বলি । একদিন বিকেলে দোকানের গ্লাস দিয়ে রাস্তায় দেখি এক বালিকা । [বিস্তারিত অবনী]
ক্যাটাগরি গল্প
সুজলা , সুফলা , শস্য-শ্যামলা আমাদের এই প্রিয় স্বদেশভূমি বাংলাদেশ , এর একটি ইউনিয়ন , নাম সাতনালা । এই সাতনালা ইউনিয়নের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি , নাম আবেদ আলী এবং শমসের ভুইয়া । চেয়ারম্যান হিসাবে একবার জয়ী হন আবেদ আলী , আরেকবার হন শমসের ভুইয়া । বংশানুক্রম এবং প্রভাব , এই দুই কারনে এখানে এই [বিস্তারিত গল্প , কিন্তু গল্প নয় – ১ম পর্ব (চার পর্বে সমাপ্ত)]
আমার প্রিয় উপজেলাবাসী ভাইবোনেরা ; আপনারা আমার সালাম নিবেন । আমি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচন করতে যাচ্ছি । আপনারা ভাববেন , কেন এবং আমার স্বার্থ-ই বা কি ! এ-সমস্ত বলার জন্য-ই এই জনসভা । আপনাদের এই বাজার-স্টেশন চত্ত্বরে আমি এটা বলে যেতে চাই । আমাকে আপনাদের নতুন মনে হতে পারে , [বিস্তারিত নির্বাচিতা একজন]
-ভাইয়া আপনাকে না কাল শেভ করে আসতে বললাম ? -তো কি হইছে? করব না আমি শেভ ৷ -আচ্ছা ভাইয়া, আপনি কোন ব্রান্ডের সিগারেট খান? আপনি যে সিগারেট খান আন্টি জানে ? অনিক ভাবছে সোহানা বুঝি তাকে ব্ল্যাকমেইল করছে, এইতো সেদিন মেয়েটা ঠিকমত কথাও বলতে পারতোনা , আজ সে কলেজে পড়ছে ৷ অনিককে অনিত ভাইয়া ডাকত, [বিস্তারিত অদৃষ্টের অনির্দিষ্টতা]
আজকে কি বার? আজকাল বার, টারের কথা ঠিক মত মনে রাখতে পারিনা। কি যে হচ্ছে দিন দিন? জানিনা। ফ্যামেলির এতো চাপ! নিতেও আর পারছিনা। খুব শীঘ্রই একটা কাজ ম্যানেজ করতে হবে নইলে যে মুক্ত বিহঙ্গে নিঃশ্বাস নেওয়ার মত অবস্থাটাও আমার থাকবেনা। সময় কারো জন্য থেমে থাকেনা। ঠিকই তাঁর নিজের নিয়মে চলতে থাকে। একসময় কত টাকায় [বিস্তারিত মরিচিকা]
রাতের আঁধার কাটেনি তখনো ভালো করে । লোহাগড়া, নড়াইলগামী বাসটি ঢাকা থেকে এসে থামে ফেরিঘাট কালনা-য় । নদীর ঐপারে ফেরি, এপারে আসতে আরো প্রায় ঘন্টাখানেক সময় বাকী । চার/পাঁচ ঘন্টা বাসের সীটে বিরতিহীনভাবে বসে আছি, ক্লান্তিকর ভাবটা কাটাতে বাস থেকে নীচে নেমে আসি, হেঁটে বেড়াই । প্রত্যূষের এই সময়টা আমার অতি অদ্ভুত লাগে, মনে হয় [বিস্তারিত কালনা]
ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৫ আজ রাতটা মনে হয় ছোটনের জেলেই কাটাতে হবে কেউ আসেনি তার জামিন চাইতে আর থানা বাবারা জানেন ছোটনের নামে কোন মামলা লিখে লাভ নেই কেউ না কেউ আসবে তাকে জামিনে বের করে নিতে।অন্ধকার শ্যাত শ্যাতে ছোট্র একটি কামড়া,কামড়ার ভিতরেই টয়লেট সেখানে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশী বসবাস করেন।অনেকক্ষন হয়ে গেলো জেলের ভিতর [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীঁরা০৬]
ঘুম থেকে উঠেই তানভীর চোখ খুলে দেখে মাথার উপর ফ্যান টা অদ্ভুত ভাবে ঘুরছে। অদ্ভুত লাগার কারন হল, তানভীরের কেন জানি মনে হচ্ছে ফ্যানটা যেদিকে ঘুরার কথা তার ঠিক উল্টা দিকে ঘুরছে। ধুর! তানভীর ভাবে ফ্যান উল্টা দিকে ঘুরুক আর ঠিক ভাবে ঘুরুক, তাতে আমার কি? গায়ে বাতাস লাগলেই হলো। ইদানিং যেই ভ্যাপসা গরম পড়েছে, [বিস্তারিত অসহ্য কোলাহলের শব্দ]
এই লিখাটি আমার একজন ফ্রেন্ড কে ডেডিকেট করে লিখা, যে কিনা সবসময় ক্লান্ত পথিকের মত নির্বাক থাকে। আমি জানিনা তার এত কষ্টের সূত্রপাত কোথায়? জানতে ও ভয় হয় যদি কষ্ট আমাকেও আচ্ছন্ন করে দেয়? শুভ কামনা রইলো, তুমি স্মৃতি ভেজা সমুদ্র জলে স্নান করে উড়ে যাও পাখিদের মত___ -এখানে আরেকটু এগোও, তবে দেখবে রক্তাক্ত [বিস্তারিত রক্তাক্ত চাঁদটি সুভাস বিলোবে মহুয়ার মত]
এক ছোট ভাই এর লাইফ স্টোরি এর সাথে ফিকশন মিশিয়ে একটি ছোট গল্প লিখেই ফেললাম। আবারো ক্ষমা প্রার্থনা করে নিলাম ফিকশন যোগ করার জন্য। *****একটি নীল অপরাজিতা ও গোল্ডলিফ সিগারেট******* গত দশ মিনিট ধরে বনানী এগারো এর সামনে দাড়িয়ে আছে দীপরাজ, অপেক্ষা করছে ত্রপার জন্য। মাত্র দশ মিনিট অথচ দিপরাজের মনে হচ্ছে কত সময় ধরেই [বিস্তারিত একটি নীল অপরাজিতা ও গোল্ডলিফ সিগারেট]
প্রিয়বরেষু জীবন, জন্ম লইবার পর হইতে নানা চড়াই উৎরাই পার হইয়া আজ এক অদ্ভুত বাঁকে আসিয়া দাঁড়াইয়াছি। এই পর্যন্ত আসিবার পথে আমি বহু সংগ্রাম দেখিয়াছি, বহু আনন্দ বেদনার অভিজ্ঞতা লাভ করিয়াছি, বহু সাথী পাইয়াছি, অনেককে হারাইয়াছি। প্রাচুর্যে দিনাতিপাত করিবার পর নিদারুণ অর্থকষ্টে পড়িয়াছি, আবার তাহা হইতে বাহির হইয়া নিশ্চিন্ত সচ্ছলতার শান্তিও উপভোগ করিয়াছি। [বিস্তারিত খোলা চিঠি]
–বাবা গো… আমার বাবা…..আমাকে ক্ষমা করে দিও আমি তোমার অবাধ্য সন্তান।তুমি বলেছিলে,এ দেশে যারা এ দেশের ক্ষতি করবে তারা এক দিন শাস্তি পাবেই…. এক দিন এই বাঙ্গালী জাতিই হিসাব চাইবে,বিচার করবে সব দেশদ্রোহী আর যুদ্ধাপরাধীদের। আমি… তোমার সে দিনের কোন কথাই রাখিনি অবশেষে সেই যে তুমি ঘর ছাড়লে আর এলে না….সারাটা জীবন টাকার নেশায় এতটাই [বিস্তারিত ঋণী(শেষ পর্বের শেষ অংশ)]
৮ আগস্ট কয় দিন ধরে দেয়াল গুলি খুব বেয়াড়া আচরন করছে। আজ খুব বাড় বেড়েছে। কাপে চা ঢাল ছিলাম হটাত কানের কাছে আমার নাম ধরে এমন চিৎকার দিয়ে উঠলো … এখন আমি আমার নাম মনে করতে পারছি না, যতবার মনে করার চেষ্টা করছি ততোবার তারা অট্টহাসি দিয়ে উঠছে … ৯ আগস্ট কবিতা পড়ছিলাম কিন্তু ক্ষুধার [বিস্তারিত দেয়াল অথবা অসুস্থতা]
আকাশে আধো আধো মেঘ জমেছে। বৃষ্টি হতে পারে আজ। অনেকদিন বৃষ্টিতে ভেজা হয়না। ছোট বেলার অভ্যাস গুলো হঠাৎ করে কেমন যেনো উধাও হয়ে গেলো। বর্ষা এলে ভিজতে যাওয়া আর ফুটবল নিয়ে মাঠে ঝাপিয়ে পড়া! সব কিছুই হারিয়ে গেলো। একে একে সবই হারিয়ে যাচ্ছে। আমি নিজেকেও হারিয়ে ফেলছি। সাজানো গোছানো জীবনটা একেবারে এলোমেলো, ছন্নছাড়া হয়ে গেলো। [বিস্তারিত তোমায় ভেবে, শেষ বিকেলে…]
পায়ের কাছে খসখস শব্দ হচ্ছে। জাহেদ চেষ্টা করছে চোখ না খুলতে, কিন্তু চোখ খুলে যাচ্ছে! এর আগেও এরকম হয়েছে। না চাইলেও মাঝে মাঝে হাত-পা, বিশেষ করে চোখ হুটহাট একটা কিছু করে বসে! ব্যাপারটা বিরক্তিকর। এই যেমন এখন, জাহেদ জানে শব্দটা কীসের। পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে কেউ বসে আছে; এটা দেখার জন্যে চোখ খোলার দরকার নেই, [বিস্তারিত ঘোর]