তোমাকে দিয়ে যাই পথের দিশা ,যে পথের নাম সুদূর যেতে যেতে, যেতে যেতে তোমাকে দেখাই আলোছায়া, তোমাকে দিয়ে যাই জলের ঘ্রাণ, উড়বার আকাশ চলে যাবার পথের কণ্টকে বিছিয়ে দেই একবুক মায়া। তোমাকে দিয়ে যাই মেঘের মতন নরম ঘুম লাল চোখে আমি লিখি সুদীর্ঘ রাত্রির ইতিহাস; ঘুমহীন। ওষ্ঠের বিষ তৃষ্ণা সযতনে লুকাই আড়ালে, তোমাতেই আকন্ঠ ডুবে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
অর্গল এঁটে দিলাম, বাতাসের সঙ্গে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলির কথা তুমি হয়তো জানো-- অজস্র কথা মরে গ্যাছে-- ঝড়ের মত সুনামি থেমে গিয়েছিল বহুদিন আগেই-- এখন মৃতের উঠে আসে দেওয়াল ছবিতে-- জলজ ভাষাগুলি তোমার অনুনয়ে ভাষা পেত যদি তবে কি ঠিকানাগুলি জেনে নিতে পারি ! সন্ধ্যাছায়ার মাঝে জীবনের লুকোনো পরিধি-- পরিচ্ছদ আড়ালে প্রথমত ঘন কুয়াশা... [বিস্তারিত]
তোমাকে কামনা করা, ভুল ছিল আমার, তোমাকে ভালোবাসা, বড়ই ভুল ছিল আমার। তোমার মাঝে নিজেকে দেখা, ভুল ছিল আমার, বড়ই ভুল ছিল আমার। প্রথম দেখাতেই তোমাকে লেগেছিল ভালো, ভেবেছিলাম হবে মোর স্বপ্নের সুভাষিনী, কিন্তু তুমি ছিলে যে এক মরীচিকা, যাকে ভালাবাসাটাই ভুল ছিল আমার, বড়ই ভুল ছিল আমার। তোমাকে কামনা করেছি আমার নিজ স্বত্তায়, তোমাকে… [বিস্তারিত]
আমি রাজাকার হতে চাই আলো যদি হয় আঁধার মিথ্যে যদি হয় সত্য, তবে রাজ্যের ভার, কে-না পেতে চায়। ইচ্ছে হলেই মনের খায়েশ হয় যদি পূর্ণ রাজা থেকেই হয়তো রাজাকারের বেশ কিংবা রাজাকার থেকে রাজা; অন্যায় অত্যাচার নিপীড়ন দূর্বলকে শোষণ, আইনকে অন্ধ আবরণে আলোকে আঁধারের মাঝে বলিদান যেখানে পান্তা ভাতের মতোই হয় রক্ত ক্ষরণ। আমি রাজকার… [বিস্তারিত]
হারালে কিংবা কষ্ট পেলেই মানুষ চেনা যায়… হারানোর ভয়ে প্রতিদিন স্বপ্ন দেখে বেড়াই… হারালে কিংবা কষ্ট পেলেই মানুষ চেনা যায়… ইট পাথরে গড়া শহরের মানুষ গুলো ইস্পাতের ন্যায়, ভালবাসা কিংবা সহানুভূতি খুঁজে পাওয়া দায়, মানুষগুলো আজ স্বার্থের কাঙাল শহর সে সুখের জাহান্নাম। [বিস্তারিত]
ঠোঁটে ঠোঁটে জড়ো হয় স্বপ্ন খড়কুটোর আশ্বাসে বাবুই তার নীড় বাঁধে নতুন ঠিকানায় গল্পের দেয়ালে জুড়ে দেয় পুরনো ফ্রেমের আড়ম্বর দিনগুলো তারপর... সুদীর্ঘ পথচলা, চড়াই-উৎরাই, গড়াগড়ি আলোর আঙিনা ভুলে একদিন ঢুকে যাই ডার্করুমে দেখি ধাতু-দড়িতে শুকোচ্ছে নীল অন্তর্বাস কালো ক্লিপে ঝুলে আছে আমাদের প্রতিবিম্ব এ এক কমনীয় আঁধার আযোনি প্রসস্ত— স্বয়ম্ভর [বিস্তারিত]
পথের প্রণয় আমাকে বাহির করেছে ধুলোর মায়া জড়িয়েছে পায় তুমি ঘর বাঁধতে বলো তিন কোশ দূরে রাশ মেলার সাথী হতে পারো না আমি পথিক গাঁদার গহনা জড়ানো বোষ্টমী চাই এক দীর্ঘসুত্রী যাত্রায় [বিস্তারিত]
চোখের কোটরে হিংস্র আগুন শিকার কাবু করার পৈশাচিক উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে ঠোঁটের পেশী, রক্ত শিরায় পবিত্র প্রভুর নামে এবার কণ্ঠনালীতে নির্বিঘ্নে চালিয়ে দেয় শখের ড্যাগার চিক চিক উষ্ণ খুনে মাঝরাতের জোসনায় হেসে ওঠে নিপুণ ছুরি জোয়ারের জলে ধুয়ে নেয় নাপাকি, বিশুদ্ধ ধাঁর ফরজ গোসল আলো ফোঁটার আগেই ঈশ্বরের নৈকট্য প্রত্যাশী পাষণ্ড এগুতে থাকে কল্যাণের ডাকে—… [বিস্তারিত]
শেষ বিকেলের রোদ যদি এসে পরে আমার জানালায়, একবার ছুঁয়ে দেব তারে স্বাগত গোধূলী বেলায়। [বিস্তারিত]
গাঙ পাড়ে জটলা গল্পকথা, গুঞ্জন, কানাকানি আজকের পত্রিকায় লোকটির কোনো ছবি নেই কোথাও ছাপা হয়নি নিখোঁজ সংবাদ অভাগা— ঋণগ্রস্থ ছিল বুঝি ধর্ষিতা মেয়ের পিতা কে জানে কতদিন খাবার জোটাতে পারেনি পরিবারে বন্যাপীড়িতও হতে পারে সর্বহারা-- নদী ভাঙনের শিকার... অশনাক্তের কপাল কুঞ্চিত নয় মুছে গেছে চিন্তার বিপন্ন রেখা দারিদ্রতার উপহাস আর লেপে দিতে পারছে না কালিমা… [বিস্তারিত]
একটা শীতলপাটির কাছে কথা দেয়া আছে ছাদে বিছানোর, চন্দ্ররাতে কয়েকটা তারার কাছে কথা দেয়া আছে কাজলচোখে নামিয়ে আনার, একটা দিঘীর কাছে, একটা রাস্তার কাছে, একটা জারুল গাছের কাছে কথা দেয়া আছে, কথা দেয়া আছে। কথা দেয়া আছে কালনী নদীরে কথা দেয়া আছে ঝুম বরষার বুকভরা বাওড়ে, কথা দেয়া আছে শান্তাহার জংশন কুসুম কুসুম আলোর ঘুমঘুম… [বিস্তারিত]
কার লাগি তুমি হও বিবাগী; আঁচলে বাঁধো প্রান, কার সাথে কবে, তোমার যে হবে ঝুম বরষায় স্নান, -রুদ্র রুহান [বিস্তারিত]
জানিস মুনিয়া, আজ বিকালে তোদের বাড়ি ঘুরে এলাম ... হেঁটেই গেলাম ... জানিস যে ছোট্ট সাইকেলটা আমরা চালাতাম, সেটায় এখন জং ধরেছে ... তাই আর ওটা নিয়ে যাইনি... ভাবলাম তোদের বারান্দাটা নোংরা করব না , সাথে বারান্দায় কিছুটা জায়গাও বেঁচে যাবে ... মনে পড়ে , ওই বারান্দাটায় বসে কতো সময় গেছে, ছেলেমানুষি খেলায় ... কতো… [বিস্তারিত]
কথার উল্লাসে ঝলসে ওঠে হৃদয় রাজপথ দুর্মূল্যের এই হাটে চালাই অসম কাব্যরথ উন্মাদ বসন্ত আমার ফেরারী যৌবন বোধে পাপ পূন্যের ব্যবধানে তা কী আর রোধে জন্মান্ধ কাপালিক আমি নিত্য বেচি মন ভ্রমর আর ফুলে ঘটায় অপূর্ব মিলন হৃদয় নদে ভাসে কৃষ্ণ কুমারীর আঁচল যে আমার নিয়েছিল কয় ফোঁটা জল আমি তো ঋণী সেই আঁচলের ছায়ায়… [বিস্তারিত]
তখনও মহুয়ার বনে জেগেছিল চাঁদ বন্ধ্যা নদীর বুক জুড়ে উঠেছিল দীর্ঘশ্বাস বাঁশের পাতায় ঝিমিয়ে পড়েছিল ঝিঁঝিঁ পোকার দল ঝরে পড়া পাপড়ির সুরে বেজে উঠেছিল নিঃসঙ্গ ঐক্যতান বিষন্ন আলো জ্বেলে কষ্টের আরাধনায় মেতেছিল নিস্তব্ধ রাত। অতীতের সিঁড়ি বেয়ে বিষণ্ণতার প্রাসাদে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল কষ্টের পিরামিড কবির দু’চোখে সেদিন রজনী নামেনি জ্যোৎস্নার আলো মেখে মাটির সোঁদাগন্ধ… [বিস্তারিত]





