বাস্তবতায় নিষিক্ত অকবিতা

তোমাকে দিয়ে যাই পথের দিশা ,যে পথের নাম সুদূর
যেতে যেতে, যেতে যেতে তোমাকে দেখাই আলোছায়া,
তোমাকে দিয়ে যাই জলের ঘ্রাণ, উড়বার আকাশ
চলে যাবার পথের কণ্টকে বিছিয়ে দেই একবুক মায়া।

তোমাকে দিয়ে যাই মেঘের মতন নরম ঘুম
লাল চোখে আমি লিখি সুদীর্ঘ রাত্রির ইতিহাস; ঘুমহীন।
ওষ্ঠের বিষ তৃষ্ণা সযতনে লুকাই আড়ালে,
তোমাতেই আকন্ঠ ডুবে থাকি, দিনরাত রাতদিন।

ঝাউয়ের চুড়ায় মোহন রোদ্দুর
বুকের ভেতর শিষ দেয় সুতানালী সাপ,
থমধরা বিকেলে মোচড়ায় বুক
নিজের মুখোমুখি হতে বড় ভয়,
আয়নার ওপাশ চিৎকার করে বলে
এই ভাবে চলে যাওয়া বড় পাপ হে, খুব বেশী পাপ।

ফটুক – আমি অধমের তোলা ঘাসফুল 🙂

মোট পড়েছেনঃ ৫৯৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

    1. পাপ পুন্য থাকুক পাপ পুন্যের জায়গায়

      কবি পাপ পুন্য নিয়ে মাথা ঘামাবেনা

      কবির কোন নিয়ম মানতে নেই, কবির নিয়ম কবির ব্যক্তিগত

      1. অনেক কিছুই দেখি বুঝেছেন ? তবে কেন অবুঝ সেজে, বটবৃক্ষ তলে রোদ্দুর আশায়, গত কিছুটা সময়, আড়ালে নয় প্রকাশ্যে হোক জয়, সত্যের; মিথ্যে যত সে প্রকাশ্যেই ধবংস হোক।

  1. সুন্দর কবিতা।  একবুক মায়া, লাল চোখে আমি লিখি সুদীর্ঘ রাত্রির ইতিহাস, ঝাউয়ের চুড়ায় মোহন রোদ্দুর

    এমন শব্দ অথবা বাক্য মুগ্ধতা সৃষ্টি করে, তৃপ্তি আসে, বোধটুকুও বেশ হয়েছে। শুভকামনা।

    1. বন্য !!!!

      বুকে বন্যতা পুষে গৃহস্থ্য হয়ে বাচি, শূন্য ইস্টিশনে বসে থাকি মানুষ দেখার আশায়

      আমার কোথাও যাবার নেই হে, কোথাও যাবার নেই।

      তাই উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজার দুয়ারে ।

       

      আপনার নিকটা জব্বর পছন্দ হইছে 🙂

      1. ঠিকই বলছেন সকল বন্যরা আজ মানুষী বেশে ঘুরি মানুষের খোঁজে। একই খোঁজে ট্রেনের পর ট্রেন চলে যায় জংশন পরে থাকে, আসবে বলে মানুষ বন্যরণ্যে।

  2. “তোমাকে দিয়ে যাই পথের দিশা ,যে পথের নাম সুদূর
    যেতে যেতে, যেতে যেতে তোমাকে দেখাই আলোছায়া,
    তোমাকে দিয়ে যাই জলের ঘ্রাণ, উড়বার আকাশ
    চলে যাবার পথের কণ্টকে বিছিয়ে দেই একবুক মায়া।”

    ভালো লেগেছে অনেক…

  3. খুব বেশি সুন্দর।লাইনে লাইনে সুন্দর,শব্দে শব্দে সুন্দর…
    এত সুন্দর কবিতা একবার পড়ে মন ভরে না,কয়েকবার পড়লাম তাই। ভীষন ভালো…। 🙂

মন্তব্য করুন