কথা দেয়া আছে

একটা শীতলপাটির কাছে কথা দেয়া আছে
ছাদে বিছানোর, চন্দ্ররাতে
কয়েকটা তারার কাছে কথা দেয়া আছে
কাজলচোখে নামিয়ে আনার,
একটা দিঘীর কাছে, একটা রাস্তার কাছে,
একটা জারুল গাছের কাছে
কথা দেয়া আছে, কথা দেয়া আছে।

কথা দেয়া আছে কালনী নদীরে
কথা দেয়া আছে ঝুম বরষার বুকভরা বাওড়ে,
কথা দেয়া আছে শান্তাহার জংশন
কুসুম কুসুম আলোর ঘুমঘুম রেলের শহরে
কথা দেয়া আছে, কথা দেয়া আছে।

কথা দেয়া আছে সোমেশ্বরী নদীর পাহাড়ি ঢলেরে
কথা দেয়া আছে গারো পাহাড়ের উতল হাওয়ারে
কথা দেয়া আদিগন্ত মাঠের সর্বগ্রাসী বৃষ্টিরে
একদিন ভিজে যাবো সদর, অন্দরে।

একদিন এইসব ছুঁয়ে দিতে ফিরবে যাযাবর
একলা হলোইবা, কি আসে যায়
একদিন ফিরবেই শেকড়ে।

 

 

মোট পড়েছেনঃ ৭১৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৩টি মন্তব্য

    1. খুব বেশী কিন্ত না , সোমেশ্বরীর পারে দাড়ালেই গারো পাহারের উতল হাওয়ারা ছুঁয়ে যায় আর তখনই যদি বৃষ্টি নামে ………

      একাই শেষ পর্যন্ত

    1. 🙂

      কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন,

      শোন পার্থ আমি যদি অস্ত্রধারন করতাম কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধ একদিনে শেষ হয়ে যেত। কিন্ত তাতে কর্মফল মিটত না।

       

      ব্যাপারটা এরকমই, কেউ কেউ কথা দেয় না রাখার জন্যই । সবাই কথা রাখলে কর্মফল মিটবে না

  1. শান্তাহার জংশন শুনে বুক ধক করে উঠেছে। এ আমার স্টেশন। সবাই অপেক্ষা করে আছে, ফিরবে যাযাবর, ছুঁয়ে দেবে সবার একাকিত্ব, রইলোই বা একা তাতে কি?

মন্তব্য করুন