মহাজ্ঞানী নই তবুও সদাই হামবড়া ভাবে থাকি, রূপকার নই তাতে কি হয়েছে হৃদয়ে তো ছবি আঁকি! গান শুনে যদি তৃপ্তিতে কেউ কৌতুক ভেবে বসে, কি বা দোষ তাতে খুঁজলে আসন পেতে শ্রেষ্ঠর দশে! তানপুরা ভেবে নাই বা বললে মিঠা সুস্বাদু বেল, দুঃখ পাব না যদি দেখি নেই তোমার দু’হাতে তেল। তানপুরা > শোভাবর্ধণকারী দেখতে এক… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
একজন মানুষের তখনই মৃত্যু হয় যখন পৃথিবী থেকে তার সকল সৃষ্টিকর্ম স্মৃতি বিস্মৃতি গুলো বিলীন হয়ে যায়। সেই মানুষের কখনোই মৃত্যু হয় না যার সৃষ্টিকর্ম বিরল সেই মানুষের কখনো মৃত্যু নেই সে চির অমর সেই চির অমর। একটি জাতির তখনই মৃত্যু হয় যখন সেই জাতির শিল্প সংস্কৃতি ধ্বংস লীলায় পরিণত হয় যখন সেই জাতি পরাবলম্বন… [বিস্তারিত]
দৃশ্য পটে নিশিকান্ত দুচোখ লাবণ্যময় প্যান্ট শার্ট পরা আজ কাল কবিতারা দুরন্তপনা হুম হরশায় ছুটে চলছে- অথচ সালোয়ার কামিজ আমরা মানে আমি পরতে পারি না- সোনালি কথাগুলো কেনো জানি বিড়ম্বনা করে- তবুও মাঝে মধ্যে খুব হচ্ছে হয়- সালোয়ার কামিজ পরি- কারণ তারও মানুষ আমিও মানুষ; তাহলে পাথর্ক্য হয় কেনো? আফসোস লাগে সোনালি মাঠে যাই কিংবা… [বিস্তারিত]
[১] ফয়সাল এর আগে কখনো একা একা শহরে আসেনি। যদিও শহরটা তার গ্রামের কাছাকাছি তবুও বিভিন্ন কারণে আসা হয়নি তার। ফয়সালের বয়স আঠারো বছর তিন মাস বারো দিন, সবচেয়ে অবাক ব্যাপার এতটা বয়সে বাবা মাকে ছেড়ে সে একা একা থাকেনি কোথাও কোনদিন। ভীষণ রকম মা বাবা নির্ভরশীল ছেলে সে। একমাত্র ছেলে হবার কারণে সম্ভবত এমনটা।… [বিস্তারিত]
আসুন ! দয়া করে এদিকে ফিরে আসুন ! আমরা একটি ফা ইং তাওয়াল্লাও সহ অন্যান্য অনুভূতির দিকে গমন করি। যেখানে মায়ার জালে ফেঁসে যাওয়া যায়, অতিদূর অমরাবতীর ইন্দ্রপুরীতে। অতঃপর, সত্য এসে নিজের উপস্থিতি জানান দিল। বিনয়ের সাথে অন্যসব ফাক্বুল হাসবিয়াল্লা-হু এসে জড়ো হলো। হঠাৎ কি যেন হয়ে গেল লা- ইলা-হা ইল্লা- হুয়ার চোখে-মুখে। অভূত চোখে… [বিস্তারিত]
বাংলার ধ্বংস লীলা আর অন্যায় অবিচার দেখে বসে আছো তুমি মনে হয় তুমি আমার সন্তান না কেন মা এ কথা বলছো আমার সন্তান কাপুরুষ বা ভীতু হতে পারে না আমি নির্ভীক সন্তানের জননী যে তার মাকে রক্ষা করবে অন্যায় অনিয়মের হাত থেকে জোর করে মাকে অন্যরা ভোগ দখল করতে চাইলে বাঁধা দেবে রক্ষা করবে মাকে… [বিস্তারিত]
ইছামতী নদীর ধারে ছোট্ট দুখানা ঘর জলাঙ্গীর ঊর্মিতে ঘর দুখানা করিত যে নড়বড় স্নান ভোজ করে ওরা ইছার জলতে ধান নষ্ট, বীজ নষ্ট, নষ্ট ক্ষেতের পর ক্ষেত আরও নষ্ট জমিলার জীবন সংসার কেঁড়ে নিল ওর স্বামী সন্তান এক ভাঙনে নদীর ধর্ম এক কূল ভাঙা অপর কূল গড়া এই তো নদীর খেলা জগৎ জুড়ে গেছে ভরে… [বিস্তারিত]
তুলছে কতো অট্টালিকা করতে পূরণ স্বপ্ন মনের আশ, কেউ খেয়ে রোজ মণ্ডা মিঠাই ঘোর নিদেও ফেলছে সুখের শ্বাস। তাই বলে কি গরীব দুখী কষ্টে শুধু চলছে টেনে দুখ? জীর্ণ ঘরেই মিলছে ওদের তুষ্টিতে বেশ আত্ম জয়ের সুখ। সবাই যখন সুখ সু’আশে হোক না কাজে জপছে আলেক সাঁই, নিভৃতে কেউ খুঁজছে তখন কর্মতে তার মন মানুষের… [বিস্তারিত]
আজ থেকে বহু বছর পর, ধরো তখন আমি জবুথবু বয়সের ভারে নয়তো মাটির বিছানায় কঙ্কাল হয়ে পড়ে আছি। যদি বেঁচে থাকি অনেক কিছুই ভুলে যাবো, নয়তো মনে করতে কেমন জানি এদিক ওদিক উঁকি মারবো কুঁচকানো চামড়ার প্রাচীরে আটকানো দগ্ধ সনাতনী চোখে।কি অদ্ভুত , তাইনা? কত শত চেনা জানা হয়ে যাবে ওপাড়ের অচেনা বাসিন্দা অথবা হারানো… [বিস্তারিত]
পাপ দেখি- পাপ দেখি-পাপের পিছু ছুটি আমার আমি কি করি-পাপের পিছু ছুটি- ভালমন্দ চোখ আমার- সবই দেখি আলো- ভাবি না হাত তিনেক গর্ত-আঁধার কালো তবুও বুঝার হলো না শেষ- পাপ ভারি মন্দ- পাপের মধ্যে জ্বলো- কি হলো- কি হলো বলো; বলার আগেই নিশ্বাস ফুরাল-থামল জীবন গতি- এবার করলো শুরু মুখে বলা- হায় কি পাপ- হায়… [বিস্তারিত]
ওগো প্রেয়সী অকস্মাৎ জানতে ইচ্ছে করে তুমি কেমন আছ। আমি জানি তুমি দেবে না আমার এই চিঠির উত্তর তবুও তোমাকেই লিখছি জানতে ইচ্ছে বড় তোমার দোরের কাছে রক্তিম জবা গাছে নতুন ফুল আদৌও ফোটে জানালার পাশে ভোরের শিশিরে আদৌও কি পাখি গায় তোমার পোষা বিড়াল আদৌও কি মিউ মিউ করে সত্যি জানতে বড় ইচ্ছে করে।… [বিস্তারিত]
প্রিয়, আজ রাতে তোমায় দিলাম ছুটি ~ শহর জুড়ে ঘুমিয়ে থেকো, বন্ধ নয়ন দুটি ~ মন জুড়ানো, প্রাণ হারানো, কথা মালা থাক ~ কুয়াশা ঘেরা চাঁদটা আজ, যাক ডুবে যাক ~ শিউলী গুলো পড়ুক ঝরে, ভোরের আলোর মুখে ~ প্রভাত বেলা স্বপ্ন কুড়াবো, অন্য রকম সুখে ~ একটি রাত কাটিয়ে দাও আজ, শীতল প্রেমের ঘুমে… [বিস্তারিত]
(১) আকার বিভ্রাট -- -------------------------- হ্যালো দোস্ত আছিস? - এখন রাখ! পরে রিপ্লাই দিতেছি, দৌড়ের উপ্রে এখন। কই যাস হাউখাউ কইরা? - বিয়া করতে! মেসেজ দিলাম- ভাবী ঘটনা কি! ও নাকি আবার বিয়া করতে গেলো- শুনছেন কিছু? - আরে কি বলেন এসব! দাঁড়ান আজ ওর চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার না করছিতো! কিছুক্ষণ পরে- - হ্যা ভাই, পাত্রীর… [বিস্তারিত]
টস টসে ভরপুর দেখলেই জাগে সুর খেজুরের রসে ডোবা আহা কি যে মিঠা! হিম হিম পিঠা। দাদু খায় দাদী চায় নাতি মুখ চটকায় আরো দাও বলে যদি দেয় খুক কাশি, কেউ ঢাকে হাসি। কুহেলীর আড়ে বসে সকলেই মিলে মিশে কি যে মজা কাঁচা রস ভাগে খেতে মেপে, ঠক ঠক কেঁপে। শীতের এ ভালোবাসা হৃদয়ে জাগায়… [বিস্তারিত]
পয়স্বিনী'—অনমনীয় স্পৃহায়; লোহিত বর্ণের ধেনুর কাছে, সহজাত হার-হারে। ভাঙ্গা মানচিত্রে একটা কোঙর গিরগিটি হয়ে, চোখের বাতায়নের শিক—বেয়ে-ওঠে অভিসারে! কেবল,অবরুদ্ধ পিঞ্জরের প্রাণনই জানে— উড্ডীয়মান খেচরের আমোদ। যেমনটা আমি জানি তোমার আগ্রাসিত জবানে; কৈফিয়ত চাওয়া গঁজনা-প্রমুখ। তোমার চলতি পথে,লাল স্মারকচিহ্ন;জ্বলে উঠে চিরতরে। স্মারকচিহ্ন দেখে— বিষ্ময়চিহ্নের মতোন বেবাক দাঁড়িয়ে যেতে হয় আমার। আমি আর এগোতে পারি না— 'শতরুপা'!… [বিস্তারিত]









