এ কেমন অভিনব কানুনে রাতেরা আসে? বুকের কার্নিশে জগদ্দল পাথর রেখে—বাঁধ সৃষ্টির নিগুঢ় ব্যাঞ্জনায়— যে কালে হরদম চলে অপমানবাহী ভারী ট্রাক।ছাল-বাকলহীন বেলাজ গাছটার মতোন ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা আমি; মৃত্যু আমাকে দ্যাখছে না। তোমাদের ফেলে দেওয়া—বাসি বিষাদ ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে নিয়ে,মানসম্মত-গুণগত সার মেনে গিলে খাচ্ছি প্রতিনিয়ত! ঘুমের তীব্রতা য্যানো— বিয়ের আসর ছেড়ে পলাতক বর; সমাজের কাছে… [বিস্তারিত]

কান্ত রায়
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৫ বছর ১১ মাস ১ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৬৩টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৬০টি
প্রিয় পোস্টঃ ৩টি
প্রণয়িনীর বিষমিশ্রিত দংশনে— ফিনকি দিয়ে আমার মুখ থেকে, বের হতে থাকে- শঠতার ফেনা; ডাকিনিবিদ্যার ব্যাভিচারে— ভেদ মারায় যে অঙ্গনার ক্রোড় রিক্ত হলো— অহমে তিনি আমার খুব চেনা! ঘরের দক্ষিণ দেওয়ালে, টানিয়েছি যে ঊর্বশীর দূর্নীতিগ্রস্থ পাহাড়ে’র বিরল ছবি! সে পাহাড় বেয়ে নেমে আসে— মরণোন্মুখ পাঁচালী। বাস্তুবিজ্ঞান বোলে— এতে নাকি রাজস্বে বাড়ে- বিলুপ্তপ্রায় যতো আছে বিশ্বাস; আর… [বিস্তারিত]
কাহারও কানের লতিতে জায়গা কিনেছি—দুই ক্রান্তি। স্থানীয় পরিহাস,ওই জায়গা আত্মসাৎ কোরে গড়ে তুলে— বেআইনী লালসার কামড়! কথা ছিলো—এখানেই বাজবে, সর্বাতীত-ধ্রুব দহনের মাতম; কথা ছিলো—এখানেই সাজবে, বিটপী-স্বর্ণ আমার কবর! আবার;তাহারে পড়তে গেলেই— বানানে অগুনতি ভুল হয়! এটা কি নাশকতা-না দূর্ঘটনা? তামাক ফোঁকার মতোন, যাহার প্রতিটি দম'ই য্যানো— জীবন থেকে নেওয়া শ্যাষ দম! তোষামোদের গায়ে হোঁচট খেয়ে—নখ… [বিস্তারিত]
সমব্যাথা অন্বেষণে মুখজাত লালা ঝরে, এ যেন জিভ নয় ক্ষুধাতুর দু'টি চোখ— একটাই চাওয়া;তোমার আয়ুতে প্রিয়া আমার আয়ু সংযোজন হোক। অনাদরে বিরোধী সন্ধির গান শিখে যে ভুবন চিল, সে জানতো না— হাইড্রোলিক প্রেম আর শৃঙ্গার রসের মাঝে কথায় আর চালচলনে এতোটা মিল! উইপোকা আড়ম্বরপূর্ণ প্রবাহনামায় কোরেছে তিতা গন্ধ-সব কবুল, সক্কল সকাল উপেক্ষা কোরে নৈকট্য-অভিবাদনে ভক্তের… [বিস্তারিত]
পয়স্বিনী'—অনমনীয় স্পৃহায়; লোহিত বর্ণের ধেনুর কাছে, সহজাত হার-হারে। ভাঙ্গা মানচিত্রে একটা কোঙর গিরগিটি হয়ে, চোখের বাতায়নের শিক—বেয়ে-ওঠে অভিসারে! কেবল,অবরুদ্ধ পিঞ্জরের প্রাণনই জানে— উড্ডীয়মান খেচরের আমোদ। যেমনটা আমি জানি তোমার আগ্রাসিত জবানে; কৈফিয়ত চাওয়া গঁজনা-প্রমুখ। তোমার চলতি পথে,লাল স্মারকচিহ্ন;জ্বলে উঠে চিরতরে। স্মারকচিহ্ন দেখে— বিষ্ময়চিহ্নের মতোন বেবাক দাঁড়িয়ে যেতে হয় আমার। আমি আর এগোতে পারি না— 'শতরুপা'!… [বিস্তারিত]
আমি এক অনবরত পর্যটনকারী ভিক্ষু, যে কিনা বিবাগী হয়ে তোমার চোখে খুঁজে ফিরি— নীল রুপসাগর। সময়ের গেড়াকলে— কতো দেবতাই না,তোমার প্রেম- মন্থনে কলহে জড়ায়; হট্টগোল শেষে তীব্র কালকূট বিষের দাবিদার— হয়েছি একমাত্র আমি। অমৃতকুন্ড নিয়ে পালানোর দায়ে তোমার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি আজ, মার্জনা পেলে পেতেও পারো— যদি মৃত প্রেমিককে বাঁচিয়ে তুলো সঞ্জীবনী শিখড়ে! আমার… [বিস্তারিত]
প্যান্টের ভাজে জমে থাকা মরুভূমির— বালিতে বেঁচে থাকে, মৃত পিরামিড পিরামিডের ভেতর সমাহিত আছে— হ্যামিলনের হাজারো হাজারো ইঁদুরছানার; মমি কোরা বিগ্রহ। যখন প্রায়,গবাক্ষ সজ্জার শ্যাষ অবসরের যোগাড়— তখনি আমার রাতের অবসাদ চূর্ণ কোরে ফেলা হয়! জাগরুক হয়ে দ্যাখি— রাতের অবসাদে যা দ্যাখেছি;সবই ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য। আমার সম্মুখে— তৃণমূলের শীতলপাটি বিছিয়ে শুয়ে থাকে— চৈত্র মাসের ভ্যাপসা শীতনিবারক, নিষিদ্ধ… [বিস্তারিত]
বক্ষঃস্থলের জবুথবু দাবি-প্রত্যাখানে, যে মানুষটা মরে গেলো— সে তোমার কামিজের সাথে- সেফটিপিনে আটকে দিয়েছিলো—তাঁর অনুর্বর জীবন। তুমি আসন্ন গ্রন্থমেলায়,পাঠকের সামনে নিয়ে এসেছো—বিচ্ছেদের প্রচ্ছদ। সে প্রতি অন্ধিকায়, খয়রাতী মনখারাপের নামে; মানত কোরে—রোজা রাখে! ধারাস্নানের যন্ত্র পেরিয়ে,মেঘের জল যখন —তাঁর মাথায় ছুঁয়ালো হাত। তখনই আকাশপথে উচ্চারিত হয়— এক দৈববাণী;'তুমি মানে দুরারোগ্য ব্যাধি'! ভোরের স্বপ্ন নিত্য হয় জেনে,মানুষটা—ভোরে… [বিস্তারিত]
আমার কথা কি তোর মনে পড়েনা—বউ? চাঁদনি-পসর রাইতে তোর কথা মনে পড়লে আমার বুকের পশম চিক্কুর মাইরা উডে। তহন,বাঁশির কড়া সুর কান্দে,চিরায়ত চৈত্রের রইদ কান্দে;কাইন্দা উডে গঙ্গাধারের পূর্ণিমা। আহা!কতো বিয়ালে,সোহাগ কইরা তো’র প্রসস্থ নাভীতে গুইজা দেইনা—চন্দ্রমল্লিকা ফুল।আইজ গরমের আগ্রাসনে,তোরে সামনে বসাইয়া তালপাতার পাংখা দিয়া;বাতাস খাইলে আমার গতরখানা জুড়াইয়া যাইতো।আমার এহনও মনে আছে—তোরে বিয়া কইরা,ডাটে আমার… [বিস্তারিত]
যুদ্ধঅদি দ্বারা,তোমার বিপক্ষে প্রাধিকার উসুল কোরতে পারিনি বোলে;কেউ আমায় মেঘনাদ অভিধায় ডাকেনি!আমি কুম্ভকর্ণের মতোন ছয় মাস ঘুমিয়ে থাকি—তথাপি একদিন সুধাকর হয়ে জেগে উঠি ভাসান চরে।অতর্কিতে অসাড় চটে গেলে;হাতের কাছে তোমাকে পেলে,তোমায়ও ফণা তুলে সাবাড় করি।এককালে আমি নারদ মুনির কাছ থেকে দার্শনিক পাঠ গ্রহণ কোরেছি—কিন্তু;সাহিত্যে অবদানের জন্য,রাজমহিষীর মতোন মৃত্যুদন্ড বাতিল কোরার কেউ থাকলো না!যেদিন বুকের বিচ্ছিন্নকরণে… [বিস্তারিত]
লাল ফর্দ অনুযায়ী,গাঙ্গ রাণীর মতোন; বিপন্না তুমি আজকাল— শুধু দক্ষিণবঙ্গে নয়, তোমায় খোয়ানোর আশঙ্কায়— নকশাল আন্দোলনের আঁখর; গিয়ে পড়েছে জাজিমবিশিষ্ট বিছানায়। বিছানার যে পাশটায়—শাদা পাঁচিল গেঁথে, প্রতিরোধ কোরা হয়েছে; নির্বাসনের পর—সেথায় এক ঐশ্বরিক উত্তর আমাকে কারারুদ্ধ কোরে রেখেছে— এগারোবার! তুমি চলে যাওয়ার পশ্চাতে, হাতের রেখায় ফাটল ধরেছে; চর্তুভূজ চিহ্ন স্পষ্ট থাকা স্বত্তেও কাজ কোরেনি— কর্ণের… [বিস্তারিত]
এই যে শুনুন—একটু সময় হবে? ওস্তাদ—আপনাকেই বলছি— একটু নড়েচড়ে বসুন। মস্কিষ্কের কোষে,চাপ পড়তে পারে। তাই বিষাদের ঝঞ্জাবাতে,ডোবার আগে—একটু নড়েচড়ে বসুন! সেদিন,প্রভঞ্জনের রাতে; ছোট সাহেবের মেয়ে— 'বলাৎকারের অপমানে উদ্বন্ধনে মারা গিয়েছে'! তো সে সমাজে—কবিদের দায়বদ্ধতা কতটুকু? আপনিও তো—সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন কেউ নন। শুনেছি,আপনাদের হুকুম ছাড়া— আখ্যায়িকার একটা পদও; আন্দোলিত হয়না! সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের নিয়ে— 'আর্ট ফর ড্রিম'… [বিস্তারিত]
