তোমায় দেখেছি শ্রাবণ বা ভাদ্রে কখনও প্রখর রোদ্রে, কখনও ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে ধ্বংস অথবা সৃষ্টিতে। দেখেছি তোমায় হয়তোবা, বর্ষা, শীত অথবা ফাগুণে শাণিত স্লোগানের আগুন জ্বালা আন্দোলনে। নতুবা হয়তো – কতিপয় শুকনো আতেলের সম্মিলনে, ভাবসর্বস্ব সামাজিকতার মোহাচ্ছনে, মানুষের লেবাসে কিছু যন্ত্রমানবের মধ্যিখানে ভেসে যেতে দেখেছি অসামাজিকতার অন্ধটানে। যেভাবেই তুমি দেখা দাও আমায়, আমি তোমাকে ছুয়েছি… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
রাজাকার আল বদর রশিদ মোল্লার ভয়ে তটস্থ গ্রামবাসী"খবরের কাগজে নিউজটি পড়ছিলেন সাহসী সাংবাবাদিক রায়হান আহম্মেদ।কনকনে শীতে গ্রাম্য চায়ের দোকানে পত্রিকা পড়া উৎসুক বৃদ্ধের অনুরোধে সাংবাদিক রায়হান এতক্ষন রাজাকার রশিদ মোল্লার কুকৃর্তির ইতিহাস পড়ে জানালেন তা ছিল রায়হান সাহেবের রিপোর্ট।ঘটনার শেষ মুহুর্তে থেমে যাওয়ায় উৎসুক বৃদ্ধ অবাক হলেন। -কি হলো সংবাদিক সাব থামলেন কেনো শেষ করুন।ফুলীর… [বিস্তারিত]
পরিপক্ক একটা অপেক্ষা নিয়ে ঝিমোচ্ছে প্রেম। প্রেম দেখতে কেমন? নারী-নদী-আলো-ছায়া-বৃষ্টি? নাকি পুরুষ-বিদ্যুৎ-আকাশ-মেঘ? কবির কবিতা বলে যা রং ছড়ায়, তা-ই হচ্ছে প্রেম। আর পরাজিত প্রেমিক-প্রেমিকারা বলে শুধুই খেলা। এসব সত্যি নাকি মিথ্যে জানিনা কিছুই; শুধু বলতে পারি, একটি পরিপূর্ণ আবেগ অপেক্ষায় থাকতে থাকতে তারুণ্য কাল পার করে দিলো। বোকা হৃদয়টা তারপরেও ভেবেই চলছে যখন তুমি আসবে,… [বিস্তারিত]
আকাশ মেলে দেয় ছায়াপথ রাতের তারারা পথ দেখায় শহুরে ঘুমে স্বপ্নচারী আমি। টেলিপ্যাথি ঢেকে নিয়েছে মগজের রন্ধ্র ফেসবুকে মোলায়েম একটি মুখ কথারা সফর সেরে হাত রাখে। ঘুমিয়ে থাকা শহরে দু’জোড়া চোখ কবিতার পাশে বালিশ রেখেছিলো বালিশে ঘাম, ঘামে স্বপ্নেরা অবয়ব পায় আর ছায়াপথ দূরে সরে গেলে হাজার যোজন দূরত্ব ঘোচাবার যন্ত্রণা হাতফোনে বন্দি হয়। … [বিস্তারিত]
ঠাকুরমার ঝুলি থেকে আপনারা অনেক গল্প শুনেছেন । ঠাকুরমা যদি গল্প বলতে পারেন তবে ঠাকুরদা কেন পারবেন না ? সে অনেক বছর আগের কথা । তখন মানুষের বাড়ি এই বিদ্যুতের বাতি ছিল না । টিভি মোবাইলের ও বালাই ছিল না । কারও কারও ঘরে রেডিও ছিল আর খুব বড়লোক হলে তাঁদের বাড়ি টেলিফোন থাকত ।… [বিস্তারিত]
১৫:৩০, ০৭-০৩-৭১ ধীরে ধীরে ঘুমের স্তর থেকে জেগে উঠছে একজন অভিযাত্রী! পূর্বরূপঃ মেকানোট্রোনিক্স স্পেশালিস্ট বিজ্ঞানী ঊষা তাঁর ল্যাবে বিগড়ানো রোবোটে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স ফিল্ড দিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন রোবোটের এটমিক এনার্জি সোর্সের ফোটন কণা নিজস্ব তরঙ্গ ধর্ম না মেনে ইলেক্ট্রনের উল্লম্ফনে পরিবর্তণ এসেছে যা কি না অনেকটা মানুষের চেতনার মতো লজিক আর এন্টিলজিকের মতো আচরণ… [বিস্তারিত]
বহুদিন আগে জানতে চেয়েছিলাম , তোমার কাছে --- আচ্ছা বলতে পারো কোন ব্র্যাণ্ডের অ্যালকোহলে খুব বেশী নেশা আছে ? তুমি বললে , "আদরে...।" বোকার মতো বললাম , কিনে এনে দেবে ? কতো দাম ? তা নইলে আমি-ই গিয়ে নিয়ে আসবো... আচ্ছা কি বলতে হবে ? আদর ? এই বানানটা লিখে দাও তো । তুমি তখন… [বিস্তারিত]
রম্য কাব্যের একটা ধারা হল, অক্ষর বৃত্ত ছন্দে অসংগতির বর্ণনা করা, অষ্টক পঙক্তিতে। সোনালার জন্য ঈদের আগে আগে ঈদ গিফটের সাথের ফ্রী টা আগেই দিয়ে দিলাম। সীমান্ত উন্মাদ উল্টা কাজ করবে এইটাই স্বাভাবিক। শুভেচ্ছা সবাইকে। নক আউট...রম্য-০.০১ নক আউট হয় অনেক ক্ষেত্রে চাকরী, খেলায়, প্রেমে, কত্তো মানুষ থমকে গেছে নক আউটের ফ্রেমে।। এমন আউট হবার… [বিস্তারিত]
তুমি এখন অনেক, অনেক বড় ইচ্ছে হলেই যখন তখন আকাশ ছুঁতে পার, কাঞ্চনজঙ্ঘায় তোমার বিজয় পতাকা উড়ে অনুক্ষণ। অথচ আমার এখন নিরন্ন উপবাস লক্ষন রেখায় শৃঙ্খলিত আমার চরণ উন্মুক্ত দ্বার সবার, আমি শুধু অশুচি এখন। আমার সারাদিন উপবাস নিরান্ন পাত, ফুল পাতা জল আর প্রভুর নাম ঘরের পুরুষ পরের যখন, শুন্য আমার আবাস। এবং আশ্চর্য… [বিস্তারিত]
কেউ বা যেতো আলোচনায় কেউ শুনতো গান আমার মধ্যে ছিলো কিন্তু অন্য কিছুর টান। কালী মন্দির, সন্ধ্যা পুজো নাগ-লিঙ্গম ফুল তারা আমায় টানতো কাছে ভীষণ রকম ভুল। আলোকচিত্রে নরেন্দ্রনাথ বারোই জানুয়ারি মা সারদা, বড় পুকুর ঠাকুর মশাইর বাড়ি ওসব কিছু টানতো নাতো আমায় কোনোদিন অন্য কিছু টানতো আমায় টানতো অন্তহীন। আমায় টানতো পুবদুয়ারী ছোট্ট টিনের… [বিস্তারিত]
সূর্য এখন আর নেই, তবুও সে তার অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমের আকাশটা এখনও লাল হয়ে আছে। গাছগুলো ছায়া মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টায় আছে। সেই কখন থেকে ঝিঁঝিঁ পোকাগুলো ডেকে চলেছে। তাদের চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। রাণু গান ধরলো। রাণুর গানের গলা বেশ ভালো। সে গানে আমি আমার মগজের শুকনো জমিতে… [বিস্তারিত]
সময়ের স্রোতে ছুটে চলা তরী যুদ্ধের নিশাণা লাগিয়ে গায় ভয় কি বন্ধু মরন যদি হয় স্বদেশকে ভালবেশে। সমরের পাশে এখন সবাই আছে।যাকে কখনো ভাবেননি আসবেন সেই স্বর্নার রাগভারী পিতা সেও হাসপাতালে তার পাশে শিয়রে সিটে বসা।চোখ মেলে সমর অবাক হন,তার সন্মানার্থে শুয়া থেকে কিছুটা উঠবার চেষ্টায় তাতে স্বর্নার পিতা স্নেভাজন সূরে তাকে বিশ্রাম নিতে বলেন।… [বিস্তারিত]
ছি! সাইফুল! ছিহ্! কি করে তুই টিচার ছিলি একটু বলবি কি? ছিলি তবু টিচার ঢাকা ভার্সিটির যে নামে আমি উঁচু করি শির; তুই সেখানে টিচারের বেশে ডিপার্টমেন্টের মাথা হয়ে বসে কন্যাতুল্য তোর ছাত্রীর কাছে জোর করে তার উরু নাভি ঘসে নম্বর দিবি কি! ছি! সাইফুল! ছিহ্! ধিক! সাইফুল! ধিক! চিরকুমার তুই মাস্টার ছিলি! আদতে সমাজ… [বিস্তারিত]
হাঁটু ভেঙে বসে নতজানু হয়ে ভালোবাসা চাই যতো ততোবার তুমি সুকৌশলী উন্নত, উদ্ধত। চাওয়ার চাইতে পেয়েছো অনেক আমি তো সহজলভ্য আশা-ভালোবাসা ছেঁটে ফেলে আমি আজ একলব্য। ৪ জুলাই ২০১৫, ধানমন্ডি; ঢাকা [বিস্তারিত]
নিম্ন বিত্ত গোপাল ভাঁড় বনাম প্রদীপ দৈত্য-ইদানিং-১৪-১৫ এতো রাতে হাতের কাছে ওরকম একটা প্রদীপ দেখে টাসকি খেয়ে গেলো গোপাল ভাড়। এমন নির্জন জায়গায় পড়ে থাকা ময়লা প্রদীপটিকে হাতে তুলে নিয়ে হালকা ঘষা দিল। যা ভেবেছিল ঠিক তাই, এটি একটি জাদুর প্রদীপ! মুহূর্তের মধ্যেই আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তুলে এক বিশালাকার দৈত্য গোপাল ভাঁড়ের সামনে আবির্ভূত হলো। যথারীতি… [বিস্তারিত]



