খুঁজেছি তোমায় বারে-বার গানে, কবিতায়, কল্পনায়। তোমার অপেক্ষায় থাকা অপেক্ষারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে গেছে, পাড়ি দিয়েছে সুদূর কোনো অতীতে,, সুপ্ত প্রেম-আচ্ছাদনের খোলস ভেঙে ছোট্ট তৃণটি মহীরুহে পরিনত হলো সময়-সার পেয়ে , ফুলে-ফেঁপে ছড়িয়ে দিলো ডাল-পাতা-ফুল কত রঙে কত রুপে মোহনীয় হয়ে রচনা করলো এক প্রেম-কাব্য, আমি পড়েছি,,,,,, চঞ্চল মনে, আবেশে, শিহরণে-মন পর্দায় এঁকে যাই তোমার… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
আমি তো স্বীকৃত-ই চেয়েছি মনে মনে, কবিতার কাছে, ঘুমিয়ে-ঘুমিয়ে শুনতে থাকা পরণ কথার মত; আবরণহীন সূচনা-রাত্রির মত, অরণ্য-দিনে ছিন্ন-বস্ত্রের মত, ফেনিয়ে ওঠা সূচী-শুভ্র ঘূর্ণাবর্তের মত; আড়াল-হীন রঙ্গ মঞ্চে প্রতিধ্বনির কলরোল তুলে হাজারো সম্মুখ দৃষ্টির তোয়াক্কা না করে হস্তান্তরিত হোক এ অদম্য কবিতা; বিষে বিষক্ষয় সে তো জানাই আছে, নির্ঘুম ঝর্ণা-বকুনির দেয়া বিষ নিয়ে নেব অঢেলে;… [বিস্তারিত]
আমার আল্লা বিধির নাম দিলে করে দান আমার আল্লা বিধিরও নাম, পাচঁ টাকার দানে পাবে লক্ষ কোটি ছোয়াব আমার আল্লা বিধিরও নাম……… এভাবে বিলাপ সূরে এক অন্ধ ফকির ভিক্ষা করছেন।অদ্ভুদ রকমে তার চোখের পাতাদ্বয়,ভ্রু অনেকটা নাই বললেই চলে,বিলাপের সময় দাতগুলো দেখলে মনে হয় হয়তো কয়েক জনম সে দাত মাজেননি,বিলাপে তার মুখভঙ্গি নিঃসন্দেহে বাচ্চারাতো ভয় পাবেই… [বিস্তারিত]
দোর্দণ্ড প্রতাপের অশ্বারোহী ছুটছে টগবগিয়ে, প্রশস্তিবাচক উচ্চারণ আউড়ে, যদিও আপাদ মস্তক ভীতু, ফন্দিবাজ, নির্বোধ স্তাবক, ভাব নিয়েছে সত্যবাদের সাহসী শিশু। কখনো পাহাড় গাত্রে বিশ্রাম নিচ্ছে, নির্জন প্রান্তরে গাছেদের ছায়ায় নদীকুলের মিষ্ট-মিষ্টি বাতাসে। যেমন-তেমন করেই হোক খুঁজে-পেতে পৌঁছে যাবে কবিতার কাছে, বেঁতো ঘোড়ায়; নির্ভয়ের ভাব করে দাঁড়াবে কবিতা-সম্মুখে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতার নিরিখে নয়, উদ্ধত উদ্যত ছুরি হাতে-ও… [বিস্তারিত]
পাখোয়াজ বসন্তের গোপনীয়তায় হানা দেয় হলদে হয়ে যাওয়া ঘাস; ফড়িং-এর বুকে চিড় ধরে। যেমন করে ফুরিয়ে যাবার আগে বল্কল খসে পড়ে বিটপীর; বেঁচে থাকার জন্য গভীরভাবে আঁকড়ে ধরে, হাত বাড়ায়, আরো একটু রোদের সম্ভোগ, যদি আরো একটু, খুব অল্প --- পরিযায়ী পাখী এবং বৃক্ষ যেমন জানে মানুষের মাঞ্চিনিল মনের কথা। ভালোবেসে খুন, সুকৌশলী অভিনয় দিয়ে… [বিস্তারিত]
প্রতিদিনের মতো আজও ঘড়ির অ্যালার্ম বাজতেই হুড়মুড় করে উঠে বসে সাথী। বুকের ভেতরটা ধড়ফড় করে উঠে কয়েক সেকেন্ড। তখনো বাইরের আকাশ ফরসা হয়ে ওঠেনি। ভোরের দিকে এমন ঘুম ভাঙানিয়া অ্যালার্মের শব্দ ভয়াবহ বিরক্তিকর মনে হয়। হৃৎস্পন্দন থেমে যাওয়ার পূর্বক্ষণের মতো প্রবলবেগে বুক ধড়ফড় করে, যেন নিভে যাওয়ার আগে প্রদীপ শিখার প্রজ্বলন। তবুও বসে থাকার জো… [বিস্তারিত]
বইঃ সুকান্ত-সমগ্র সম্পাদনাঃ সিকদার আবুল বাসার প্রকাশনীঃ সমবায় প্রচ্ছদশিল্পীঃ দেবব্রত মুখোপাধ্যায় মোট পৃষ্ঠাঃ ২৯৯ মূল্যঃ ২১৩ পাঠ্য প্রতিক্রিয়া : "সুকান্ত ভট্টাচার্য" হচ্ছেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি । নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্মেও সে ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেছিলেন,স্কুলের হাতে লেখা পত্রিকা ‘সঞ্চয়ে’ একটি ছোট্ট হাসির গল্প লিখে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি;… [বিস্তারিত]
এ এক কঠিন পণ, রৌদ্রোজ্জ্বল উষ্ণতায়, নত মুখের ভান করে নিরন্তর হেঁটে যাওয়া বিষুব রেখা বরাবর। আহ্নিক গতি বার্ষিক গতির থোরাই কেয়ার করে। কারো কোন পিছু ডাক শুনব-না শুনছি-না ভাব ধরবো। (আমার) নাম ভূমিকায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছে/রাজি করিয়েছি এক আধ-জনকে। পালা করে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধরে। নিষ্কৃতির আশা নিয়ে। খুব যে কাঠখোট্টা হবে, তা… [বিস্তারিত]
চারকোনে আলোহীন মৃতকাঠের চার দেয়াল সুরক্ষিত সুচারু শব্দের তীব্র আওয়াজে নিশ্চল মৃতকাষ্ঠ! আলো খেলা করে চার দেয়ালের বাইরে, খেলা করে মৌসুমী বাতাস। দৃষ্টি সীমিত বলয়ে আঁধারে'র কথোপকথন নিষেধ মানে, মেনে চলে দিবানিশি। কি দিন! কি রাত!! সমান্তরাল যেন রেল লাইন--------। চারকোনা চৌকো চারদেয়ালের কাব্যে ভ্রুক্ষেপ নেই,নেই আক্ষেপ! উড়ছে উড়ুক,ভাসছে ভাসুক! কথার উপর শুধুই কথা।। ধার… [বিস্তারিত]
পুণ্যের পূর্ণতা নিয়ে ভাবতে বসিনি, এমন নয় জমিয়ে ফেলেছি রাশি রাশি, জমাতে চেয়েছি, এমন-ও নয়। এক হাতে গুপ্তি অন্য হাতে প্রতারণ-চুমু ছুঁড়ে শতশত উগড়ে দেয়া বিষ নিশ্বাসের জালে আঁটকে পড়ে খাবি খাচ্ছি প্রতিনিয়ত, খেয়েছি-ও; সময়ের চোরা শিকারির জাল ছিন্ন ভিন্ন হয়নি, ঘুম ভাঙ্গা ভোরে ঈশ্বরের সমকালীন শয্যায়। মাঝে মাঝে কোথা থেকে শিস তোলা ছোট্ট পাখি… [বিস্তারিত]
তুই সেদিন চলে গেলি খোঁজাখুঁজির অনেক দূরে আসলে লুকিয়ে নিলি নিজেকে তোর মনের ঘরে। তোকে আমার পড়েনা মনে, আমাকেও তুই না। সেই যে আবেগ আদতে কোনো কিছুই ছিলো না। কেমন করে বদলে গেলি, এবং আমিও কেউ যে কারো ঘর হোলাম না; পর ছিলাম, হোলাম দূর আরোও। হঠাৎ করে পথে দেখা, আসলেও তুই কী! তুইও চেয়ে… [বিস্তারিত]
সমর স্বপ্নাকে ছাড়াই হাজির হলেন সূর্যদের বাসায়।সূর্য্যের মা রোজী আজ মহা খুশি।সারা জীবনের প্রার্থনা স্রষ্টা মুখ তুলে তাকিয়েছেন।ছেলের ঘরে নাতী হলে সে এক জন খেলার সাথী পাবেন।আজ রাতের খাবারটা কোন এক ভাল রেষ্টুরেন্টে খাবেন বলে মা আর মামীকে ঘরে রেখে ওরা মানে সূর্য-নন্দিনী,সমর আর অভি বেরিয়ে পড়লেন। -স্বপ্না আসেনি কেন?সমরকে সূর্যের জিজ্ঞাসা। -ওর শরিরটা ভাল… [বিস্তারিত]
অনিষ্পন্ন ব্যাথার মায়া-ফাঁদ লুকিয়ে এ এক নবতম দিন, যদিও চাইনি/চাই-ও-না, সময়ের কোল ঘেঁষে/কোল বেয়ে ঠিক-ই হাজির, পোড়ামত গরম পিঠে হাতে। নখ-খোঁটা, মাথা-নিচু-লাজুকতা ঝেরে ফেলে হীরক-শিশির-উজ্জ্বলতায়। এ এক মায়াবী সকাল! মায়াবিনী কী-না কে জানে!! শীতের দোধারী তলোয়ার বাতাসে সাই সাই করে আগুনের ফুল্কি ছড়াচ্ছে, আত্মঘাতী হয় কী-না কে জানে!! আকুপাংচার হলে অসুখীর অসুখ-বিসুখ কেটে যাবে সে… [বিস্তারিত]
ঘটনাটা ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে... বিয়ের তিন বছর পর আমার স্ত্রীর পরিবার আমাদের প্রেমের পরিণয় মানে আমাদের বিয়ে মেনে নেয় এবং আমন্ত্রণ করে তাঁদের বাসায় যাওয়ার জন্য। আমি থাকি কুয়ালালামপুর! এখান থেকে জোহোর-বাহরু শহরে যাওয়ার জন্য নিতে এসেছিলো আমার এক মামা শশুর। সাত-আট ঘন্টার ড্রাইভিং রাস্তা তাই মামা আর আমি পালা করে ড্রাইভ করবো এই… [বিস্তারিত]
নিয়ম-নিগড়ের আতিশয্যে গা-দুলিয়ে ফি বছরের মত এবারেও এসে জাহির দ্বোর গোঁড়ায়, উত্তপ্ত লাভা-গরল ফেলে লালা-চোখা-দৈত্য, ছিঁড়বে খুঁড়বে পিষে পিষে চিরে-ছিরে চ্যাপ্টা বানাবে, অট্ট-হাসি হাসতে হাসতে; বিভ্রম-বন্ধনে অমীমাংসিতের কাটাকুটি খেলা অনন্ত অস্পষ্টতার সিল মেরে। ক্ষয়ে যাওয়া মেঘ-দল দল ছুট হয়ে পথ হারাবে কেঁদে কেঁদে তীব্র শোকে, ঋতুমতী বর্ষা টিকা টিপ্পনী ছেড়ে-টেরে অবাক উদাস নয়নে কোন এক… [বিস্তারিত]






