অবশেষে নূতন এলো-ই

অনিষ্পন্ন ব্যাথার মায়া-ফাঁদ লুকিয়ে এ এক নবতম দিন,
যদিও চাইনি/চাই-ও-না, সময়ের কোল ঘেঁষে/কোল বেয়ে
ঠিক-ই হাজির, পোড়ামত গরম পিঠে হাতে।
নখ-খোঁটা, মাথা-নিচু-লাজুকতা ঝেরে ফেলে হীরক-শিশির-উজ্জ্বলতায়।
এ এক মায়াবী সকাল! মায়াবিনী কী-না কে জানে!!

শীতের দোধারী তলোয়ার বাতাসে সাই সাই করে আগুনের ফুল্কি ছড়াচ্ছে,
আত্মঘাতী হয় কী-না কে জানে!! আকুপাংচার হলে অসুখীর অসুখ-বিসুখ
কেটে যাবে সে আমরা নিশ্চিত জানি।

হে নূতনের বছর, মরে ভুত হও, ব্রহ্মদৈত্য না, ঘাড়ে মাথা কিন্তু একট-ই!!
চিকনে-চামেলিদের নিয়ে যা খুশি করতেই পার, কর-না, এদিকে চোখ রেখ-না প্লিজ!
তেঁতুল গাছে বসে থেকে পাকা পাকা তেঁতুল ভ্রমে মন উতলা কেউ এলে শুরু করে দেবে
সেই যে চিরন্তন ফাঁদ-ফাঁদ খেলা।

কবিদের কাছে-পিঠে পেলে উৎসাহে উস্কে দেয়ার ছলে কাচা-কাঁঠাল মাথায় ভাঙ্গার
মজাই-মজা নিতে পারা যেতেই পারে। তবে ভুলেও অ-লিখিয়েদের দিকে নজর-না,
মনে রাখতে হবে।

এই যে নিরন্তর আসা-যাওয়া ক্ষয়ে-ক্ষয়ে নিভে যাওয়া, এর মাঝে-ও তুমুল ভাবে
পথ-মোহনায় অপেক্ষা করে-করে বাঁচতে চাওয়া, গ্রহণ লাগা ঋতুতে সবই ম্যাজিক-খেলা
অমীমাংসিত থেকেই যায়।

ন্যাড়া বেল তলাতেই যায়/যাবে, এবং তা বারে বারেই।

মোট পড়েছেনঃ ২১৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. ভাইসাপ, কবিদের পিছু লেগে আপনার কি লাভ! কি এমন করেছে তাহারা!!

    তবে যাইই হোক, এসব নতুন দিন আমার দিকে তাকাচ্ছে না! এই বা মন্দ কি।

    1. আমার অনেক লাভ, কবিদের দ্যাকতে পারি-না, হিংসে করি প্রচুর,
      কারণ অনেক চেষ্টা চরিত্তির করে কবি হইতারিনাই!! বুঝতেই পারছেন ব্যাপারখানি কত ব্যাপক ও গভীর!!
      কে যে কখন কার দিকে তাকিয়ে বসবে আগাম বলে দেয়া ঠিক না।

  2. ন্যাড়া বেলতলাতে যাবে তা সবাই জানে। তবে যে “নূতন” এসেছে বলে এই লেখা নামালেন সেই “নূতন” তো লেখা পড়েই আবার পেছনে দৌড়ে পালাবে। এত কাটখোট্টা টাইপের ডর ভয় দেখালে কি হয়!! দৈত্য ফৈত্য সাথে কাচা কাঠালের কথাও বাদ দিলেন না!

    এসব কিছু হজম করতে হচ্ছে! (লালমুখের ইমো হবে)

    1. যাক বেলতলার মানুষ পাওয়া গেল, আজকাল সত্য কথার ভাত উঠেই গেছে ভেবেছিলাম।
      আজকাল আর সে সব দিন নেই, কেউ-ই পালিয়ে যায় না, যাবেও না।
      দেখুন কবিদের পছন্দ করি না, তাই ঝড়-ঝাপটা ওদের দিকেই চালান করে দিলাম!!

      তাও ভাল, লালমুখো ইমো দিয়ে বসেন-নি। কিছু তো হজম করতেই হবে।
      আমরাও কত না পাওয়া দাওয়াত আওয়াজ না করেই হজম করেছি!!

      1. ভাগ্যিস কবি নই, তাই শঙ্কিত নই! ঝড় ঝাপটা চালাতেই পারেন কবিদের উপর। তারা খুব খারাপ হয়, সুযোগ পেলেই দৈত্য ফৈত্যদের সাথে গভীর ভাব জমায়। আপনি যেহেতু কবি নন, অবশ্যই আপনাকে ইংগিত করছি না।

        হজম, দাওয়াত এগুলো নিয়ে হাটে হাঁড়ি না ভাঙাই ভালো। (মুখ চেপে ধরে রাখার ইমো হবে)

        মন্তব্য করিতেই ভয় হয়, কখন না মাথার উপর বসে অদৃশ্য কেউ ঘাড় মটকায়। নতুন বছরের শুরুতেই এই ডর ভয় নিয়ে চলতে হচ্ছে। এবার না’হয় এসব তুলে রাখুন। কিছু মিষ্টিমিষ্ট ঝাপি থেকে কাত করে ফেলুন। গড়িয়েই পড়ুক, আমাদের ভাসতে সমস্যা নেই।

      2. দেখুন কোবতে লেখার অনেক চেষ্টাতেও বিফল হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছি,
        তবে হিংসা পিছু ছাড়ছে না!! আপনি কবি নন দেখ/ভেবে মনের কথা বললাম।

        হাড়ি আস্ত রাখতে হলে কিছু লেখা-দক্ষিণা অন্তত দিতে হবে, দেয়াই উচিত!!

        আপনার ঘাড়ে অনেক মাথা তাই, ভয়ের কিচ্ছু নেই, দু’একখানা না হয় মটকে গেল!! সমস্যা কী!!

        মিষ্ট-মিষ্টি ঝাঁপি তো খোলাই যায়, কিন্তু কোথায় খুলি, কার কাছেই বা খুলি!! সু-হৃদের যা আকাল।
        যাক আপনি মানি মানুষ, বললে আর না-করি কী-ভাবে!!

  3. নতুন আসে/আসবেই,
    আগল দেওয়া বন্ধ দরজায় কড়া নাড়বে,,
    বাধা দেয়া যায়না,,বাধা দিতেও নেই।
    ঠিক তেমন করেই বরণ করতে হয়
    যেমন করে পুরোনোকে বিদায় জানাতে হয়েছিলো,,

    নতুন-পুরনোর যাওয়া আসা,
    চলছে,চলবে নিয়মিত,,
    ন্যাড়াও বেলতলাতেই যাবে
    বারবার, প্রতিবার,,নিয়ম করে,,নিয়ম মত।

    1. আচ্ছা,
      আপনিও দেখছি বেল বাগানের বাসিন্দা!!
      বেলের সাজি মাথায় রেখে বেঁচে-বর্তে থাকুন।
      ঠিক আছে ঠিক বাগানে না হলেও আশে পাশেই থাকব যদি অভয় দেন!!

      শুভেচ্ছা জানালাম।

  4. ন্যাড়া যদি বারবার ই যায় বেল তলায়, ভালোই তো! ট্যাকো মাথা ফাটিয়ে মন যদি খুশী থাকে, তাহলে আর কী সমস্যা!

    নিজে কবি হয়ে নিজেকেই ভয় দেখাচ্ছেন, কাঁচা কাঁঠালের কথা বলছেন। আপনাকে বেহ্মদত্যিও ভয় পায়। তবে শাঁকচুন্নি কাউকেই ডরায় না। নূতন বছরেও তার কার্যক্রম ঠিক একই থাকবে। কুবিরাজ ভাই এমন একটা কুবিতা লিখুন, যেখানে মন্তব্য আপনা আপনিই এসে যায়। এতো ভেবেচিন্তে দিতে গেলে আমার মাথা পুরোপুরি খারাপ হবে নিশ্চিত।

    নতুন বছরের শুভেচ্ছা। 😀

    1. আপনার ন্যাড়া মাথায় আবার লেখা নিয়ে চিন্তা করতে হয় নাকি!!
      দাঁত তুলে রেখেছেন জানতাম, মাথাও যে ন্যাড়া তা আগে বলবেন না!!
      শাঁকচুন্নির কাম কাইজ চালু থাকুক তাই-ই চাই।

      আপনাকে ভুত শুভেচ্ছা।

      1. আপনি আমাকে যে কতো কী বানিয়ে দিলেন! কখনো ন্যাড়া, কখনো দন্তহীন। এটা ঠিক না।

        ভালো কথা না কইলে, বেশি বেশি “পরশংসা” না করলে লিখমুই না। 😡

মন্তব্য করুন