তখনো কি ভোরের কাছে নত ছিলোনা শেষ রাতের আকুতি, নাকি মত্ত ছিলো সুদূরের চেনা কোলাহলে আবছায়া হয়ে? এতো বিষণ্ণ ক্ষণ আগে ফিরে আসেনি, স্তব্ধ আচ্ছন্নতায় মৌন দৃষ্টি নিয়ে চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া যাযাবর ধোঁয়ার করার কিছুই ছিলোনা। দুই আঙুলে ফাঁকে খুচরো তার প্রতিবিম্ব দেখে অবাক হই, এই তো কিছু মুহূর্ত আগেও বেঁচে ছিলাম বায়বীয় অধ্যায়ে।… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
ঘুমহীন এক রাতে মায়াবী চাঁদের জোছনায় একেঁ ছিলাম আমার প্রিয়'র ছবি, তোমার ছবি । তুমি এসেছো বসন্ত হয়ে এই ফাগুনে, স্বপ্ন-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে, আর-জনম জয় করে। অথচ, তোমায় স্বপ্নে দেখবো বলেই বন্ধ রেখেছিলাম সকল স্বপ্ন-দ্বার ! হৃদয়ে যে ছবি আঁকা ছিলো সেই প্রতিবিম্ব নিয়েই এসে দাড়িয়েছো সম্মুখে, যতকথা কথা বলার ছিলো, তোমার আগমনে সব ভাষা… [বিস্তারিত]
- আমি তোকে খুব ভালোবাসিরে, শুধু বোঝাতে পারি না । আর তুইও পুরো কথা না শুনেই রেগে যাস। এতো রাগ করে থাকলে ভালোবাসা তোর চোখে পড়বে কেমন করে বল ? - শোন , মনে মনে ভালোবাসার কোনো দাম নেই। মুখে প্রকাশ করতে হয়, কথায়/ কাজে মিল রাখতে হয়। তাহলে ভালোবাসা-বাসি বোঝা যায়। তুই যদি খাবার… [বিস্তারিত]
বইঃ সম্ভাবনার স্বপ্নযাত্রা লেখকঃ কাজী হাসান রবিন প্রকাশনীঃ ছায়াবীথি প্রচ্ছদশিল্পীঃ সুজন জাহাঙ্গীর মোট পৃষ্ঠাঃ ৮০ মূল্যঃ ১৬০ টাকা পাঠ্য প্রতিক্রিয়া : "কাজী হাসান রবিন" হচ্ছেন 'ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ' এর কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক এবং "গুগল ডেভেলপার গ্রুপ (জিডিজি) বাংলা" এর উপদেষ্টা। "সম্ভাবনার স্বপ্নযাত্রা" বইয়ের নামই স্যারের লিখার একটি… [বিস্তারিত]
সন্ধ্যা সাতটার কিছু পরেই অনিক ওর ফ্যামিলি সহ এয়ারপোর্টে হাজির হলো, রাত সাড়ে নয়টায় ওর ফ্লাইট, গাড়ী থেকে নেমেই অবাক হলো অনিক, ওর প্রিয় বন্ধু রওশন গাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে আছে লাগেজ ট্রলি নিয়ে। তুই এইখানে, অনিকের চোখ ছলছল করে উঠলো। দাঁড়া আগে লাগেজ গুলো নামিয়ে নিই, জবাবে বললো রওশন, দ্রুত পিছনের বনেট থেকে ব্যাগ গুলো… [বিস্তারিত]
ধূলির প্রসার-নিমজ্জনেও হৃদয়ে পুঁতে রাখা বিপুল আনন্দ-উচ্ছ্বাসের প্রাণ-উদ্দীপক ঘোরতে ভালোলাগার উত্তেজিত-আলোড়ন নিয়ে এলোমেলো ঘুরে বেড়ানো বই মেলা জুড়ে; গৃহগামীতার শজারু-শূলবিদ্ধতার পিছুটান মোটেই ছিল না। ধূলি-গুঞ্জনে ভেসে ভেসে লাস্যময়ীদের ঝাঁক এড়িয়ে এক স্টল থেকে অন্য স্টলের চৌহদ্দি পেরিয়ে পুস্তক মাখামাখি ধীর-ধীরতার সাথে, দ্রুততায় ও; নই ল্যাখক, পাঠক-ও!নই, নেই ধনাত্মক ঋণাত্মকের সঙ্কট, নেই তেঁতুল বৃক্ষের জমাট হাতছানি,… [বিস্তারিত]
ঐতরিয় আরণ্যকে নিহত ছিলো অবসৃত বিসর্জন, অতট বিহ্বল ক্ষৌণী স্যাঁতস্যাঁতে ব্যাসল্টে প্রতিমার হিতার্থ শিলালিপি খোদাই করে এক নিরঙ্কুশ দূরত্ব নিয়ে। আমাদের কাছে ছিলো শতকোটি পবিত্র গ্রন্থ, আমাদের ছিলো হাজার কুঠিবাড়ি, অগ্রহায়ণ মৃগয়ালব্ধ ছায়ায় অসদগ্রাহী বৃষলতা এঁকেছিল বলে নরক নৃলোকে নামতে পারেনি। বর্ণী ভাষাংশ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নব প্রাণে অস্থিরতা ব্রজ্যা অবলীতে বাহিত হয়েছে অর্ধস্বর কন্ঠে, ফিনকী'তে… [বিস্তারিত]
...♥.#ভালবাসা.♥... ভালবাসা, সিক্ত হও শুভ্রতায় উর্বর হও সততায় উদাহরণ হও মৃত্তিকার উজ্জ্বল হও প্রেমে বিবাগী হও চাওয়ায় উল্লাসি হও পাওয়ায়। ভালবাসা উজ্জীবিত হও, বিস্তৃত হও কানায় কানায় ভালবাসা, দূর করে দাও হিংসা, লোভ, ছলনা, বিকৃতি মনা। ভালবাসা দূর করে দাও অভাব হীন্য মন্য যত স্বভাব সবার মাঝে জেগে উঠুক প্রেম জাগিয়ে দাও মানুষ জেগে উঠুক… [বিস্তারিত]
আমাদের সোনেলার যে কজন লেখক? ব্লগার সোনেলাকে হৃদয়ে ধারণ করে আছেন, রিমি রুম্মান এদের মধ্যে অন্যতম। তার প্রকাশিত লেখাগুলো আমাদের সবার অন্তর স্পর্শ করে যায়, মনে হয় ঘটনাগুলো আমাদের নিজেরই বা আশে পাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা। সোনেলায় আসার প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত সোনেলাকে আকড়ে ধরে আছেন তিনি অমূল্য সম্পদের মত। এই সোনেলার মাধ্যমেই অনলাইনে… [বিস্তারিত]
সন্ধ্যা সাতটার পর অনিক অফিস শেষে তার ফ্ল্যাটে ফিরে এলো, সে একাই থাকে এই ফ্ল্যাটে, ওর বাবা মা ভাই বোন সবাই দেশেই থাকে, ওই একমাত্র এই দেশ মানে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের থাকে। অনিক ফ্রেস হয়ে এসে নিজের জন্য অল্প কিছু খাবার রান্না করেখেলো, সে বাসী খাবার খেতে পারেনা সেই ছোটবেলা থেকেই, একি কারণে প্রতিবার সে… [বিস্তারিত]
আমাদের সোনেলার প্রিয় লেখক রিতু জাহান, যিনি সোনেলাকে ধারণ করেছেন ভালোবাসায়, হৃদয়ের মনি কোঠায়। তার লেখা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। একজন পরিপুর্ন ব্লগারের সমস্ত বৈশিষ্ট ই দেখতে পাওয়া যায় তার লেখার মাঝে। তার বড় সন্তান জুবায়ের আফতার মেমন। ক্যাডেট কলেজের নবম শ্রেনীর ছাত্র। বিভিন্ন বিষয়ে তার অগাধ উৎসাহ। এরমধ্যে সাহিত্য চর্চা অন্যতম। ইতিপূর্বে রিতু মেমনের… [বিস্তারিত]
দশ তারিখ বইমেলা গেছিলাম! সল্ট লেক করুণাময়ী! জায়গাটা ভালোই কিন্তু অনেকটা ছোট / খুব সাজানো গোছানো হয়েছে/ সবার শেষ গেটে রয়েছে আমাদের লিটল ম্যাগাজিন/মানে নয় নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই কিছুদূর যেতে লিটল ম্যাগাজিন চত্বর/ আগের বছর ভালো জায়গায় ছিল মুক্তমঞ্চের কাছে/ এ বছর পিছনে!/ সব মিলিয়ে স্টল গুলো বেশ পরিপাটি/ বেশ কিছু স্টলে তো ভিড়ে… [বিস্তারিত]
খুবই সহজ-সংক্ষেপে দু’টি অতীব সাধারণ ঘটনা বলার চেষ্টা হবে,মহা-ব্যস্ত পাঠকের অতি মূল্যবান সময়-ক্ষেপণ না করে ধৈর্যচ্যুতির দায়ভার এড়িয়ে যাচ্ছি। ঘটনা.........১ সেবার হঠাৎ করে প্রস্তাব এলো বিশেষ কর্মের জন্য দূরগামী গন্তব্যের সাথী হতে হবে। ঘুরুক্কু মন (ঘোরতে ভাল্লাগে) বিনা পায়ে-ই এক বাক্যে রাজি, দেখি না কী কী হয়! যেতে যেতে যেতে ক্লান্তিহীন, প্রায় জন-মানবহীন এক ছাড়া-ভিটেয়… [বিস্তারিত]
আমি বেশ সাবধানে মোটরসাইকেল চালাই। খুব জোড়ে চালানো কিংবা রাস্তায় কারও সাথে টেক্কা দেওয়ার মতো কাজ আমি কখনোই করি না। তারপরও সেদিন একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেল। কী একটা কাজে গোবিন্দগঞ্জ গিয়েছিলাম। গোবিন্দগঞ্জ আমাদের বাড়ি থেকে মোটামুটি বারো-তেরো কিলোমিটার দূরে। ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। চারদিকে আবছা অন্ধকার। রাস্তার দুপাশে সারিসারি গাছ। হালকা শীত আর শিরশিরে বাতাস।… [বিস্তারিত]
-মাথাটা ভন ভন করছে-ঘুরছে। -কেন?গত রাতে ঘুম ভাল হয়নি! -গত রাতে তুমি আমার পাশে ছিলে না? -ছিলামতো! অবাক হয়ে দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন।এরপর কর্তী ফ্লোরে বসা তার ভ্যালেন্টাইল কার্ডে নাম লিখতে ব্যাস্ত।কর্তা তার শোবার খাটে শুয়ে মনোযোগ গল্পের বইয়ের পাতায় পাতায়।এর মাঝে কথা চলে বিচ্ছিন্ন ভাবে।হঠাৎ কর্তার সমুচ্চোরে হাসি এলো।হাসির অবস্থা এমন যে… [বিস্তারিত]








