পশ্চিম পাকিস্থান হতে রিফুজির মত দলে দলে পূর্বপাকিস্থানে পরিবার পরিজন নিয়ে লোকজন এসে বসতি গড়তে থাকে।এ ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্থান সরকার পুরো সহযোগিতা করতে থাকেন।সহায় সম্ভলহীন ভাবে এখানে এসে অল্প কয়দিনেই হয়ে উঠে ধনপতি।রাষ্ট্রের সকল সুবিদা ওরা ভোগ করতে থাকে।পূর্ব বাংলার বাংলা ভাষা ভাষিরা হারাতে থাকেন রাষ্ট্রের দেয়া যৎ সামান্য মৌলিক অধিকারগুলোও।তার মধ্যে আগত রিফুজিদের টার্গেট… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
গোধূলি বেলায় কুহু তান তুলে ঈষৎ অবগুণ্ঠিত বসন্তকে হন-হনিয়ে পাশ কাটাতে দেখলাম হালকা তাচ্ছিল্যের সুবাস ছড়িয়ে, যাক বাবা, বেঁচে গেলাম এ যাত্রায়! আজকাল বসন্তদের খুশিতে ঠ্যালায় ঘোরতে ভাল্লাগে অবস্থা। বাঁক বদলে হঠাৎ হোঁচটের ঝাঁকি খাওয়ার মত করে থমকে দাঁড়ালাম, পুরোটা পথ আগলে বসন্ত দাঁড়িয়ে আছে , দাঁতি হয়ে!! অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে, একরোখা সন্ধি চাইছে বিনা মধ্যস্থতায়;… [বিস্তারিত]
শুনলাম/শুনতে পাচ্ছি বসন্তের নূপুর ধ্বনি, উৎকৃষ্ট প্রকৃষ্ট প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে/নিয়ম করে যেমন আসে ফি বছর। আসুক। দহরম মহরম হবে, হয়ত হয়েছে/হচ্ছে গভীরতম গোপনে কিছুটা প্রকাশ্যে, জনারণ্যেও জনেক জনেকে/অনেক অনেকে; ঔচিত্য অনৌচিত্যেকে কলা (কাঁচা/পাকা) দেখিয়ে, গোমরা মুখে, কেলানো দাঁতে; প্রজাপতি রঙ বাহারের ডানা দোলাবে, ফুলেরা গন্ধ দেবে/বিলোবে, প্রজাপতি গুঞ্জরিবে; বসন্ত আসে নব নব রূপে, সবার জন্য… [বিস্তারিত]
আটকে বাতাস নিঃশ্বাস নেই ঘুমের ভেতর চোখের পাতা সজাগ রেখেই উড়ে বেড়াই স্বপ্নলোক। চাবির গোছা সামলে রেখে ঘরকে করি তালাবন্দী আমার এমন চিত্রখানি, রং ছাড়াই রঙেই আঁকি চিত্রখানি! মাঠের মাঝেই পথ হারিয়ে, পথকে চিনি পথিক সেজে। ঘাসের বুকে নুপুর ফেলে,আপন ভোলা নুপুর পরি কাজল ছাড়াই চোখদুটিতে মেঘের কালো আঁকতে জানি। কাগজ ছাড়াই লিখতে জানি,খাপছাড়া সব… [বিস্তারিত]
আজ নীলু এসেছিলো। নীলু কে? নীলু আমার ছোটবেলার খেলার সাথী। আমার তিন বছরের ছোট সে, উচ্ছল শৈশবের নানান স্মৃতির সাক্ষী। ছোটবেলায় কতদিন কত বছর আমরা হাঁড়িপাতিল, দাড়িয়াবান্ধা, কুতকুত খেলেছি তার আর হিসেব নেই। দু'জনের কত খুনসুটি, লুকিয়ে তার মায়ের হাতে বানানো আঁচার চুরি করা খাওয়া, আমার বই তার বাসায় লুকিয়ে রেখে আম্মাকে বই হারানোর কথা… [বিস্তারিত]
১৬৯ স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন থেকে বেরিয়ে হিলসাইড অ্যাভিনিউ ধরে বাড়ির দিকে হাঁটছে কামরুন নাহার। ক্লান্ত, অবসন্ন, ধীর পায়ে হাইল্যান্ড অ্যাভিনিউর দিকে হাঁটছে। কাজ শেষে এ পথটা হেঁটে বাড়ি ফেরা বেশ ক্লান্তিকর। শ্বাস ঘন হয়ে আসে। দুপাশে প্রকাণ্ড সব গাছ। পাহাড়ের মতো উঁচু রাস্তা। তবুও ফিরতে হয়। অন্য পথে ফেরার কোনো রাস্তা নেই। রোজ এই পথ… [বিস্তারিত]
রহিম মিয়া দশ বছর আগে জীবিকার উদ্দ্যেশ্য নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন। সাথে দুই ছেলে, তিন মেয়ে, স্ত্রী লতিফা ও বৃদ্ধ শাশুড়ীকে নিয়ে। দেনার দায়ে গ্রামের জমিজমা সবই বন্দক রাখতে হয়েছিলো তারও আগে। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার টানতে পারছিলেন না। ঢাকায় এসে দিনমজুরের কাজে যোগ দেন। লতিফা বেগম কাজ নেয় আসেপাশের বাসা-বাড়িতে,গৃহ কর্মীর কাজ। দিনগুলো কাটছিলো… [বিস্তারিত]
আমার সাহিত্যাঙ্গনে সাহিত্য সম্পর্কিত কিংবা সাহিত্যের তেমন কেউ নই।একদম সাধারন একজন আজীবন কামলা খাটা চাকুরী জীবি মানুষ তবে মনে আছে সাহিত্য সম্পর্কে, সাহিত্য সংশ্লিষ্ট যে কোন উদ্দ্যেগের সহিত অংশগ্রহণ করার প্রবল ইচ্ছে।আর আছে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে উঠতি বেশ কয়েকজন উজ্জ্বল নক্ষত্র কবি সাহিত্যিকদের সাথে সখ্যতা ।তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন,হালের জনপ্রিয় সাহিত্যিক উপন্যাসিক দীপু মাহমুদ।সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা… [বিস্তারিত]
গতকালও বৈশাখের কাঠফাটা গরমে আবহাওয়াটা অসহ্য রকমের গুমোট হয়েছিল। কিছুক্ষন আগে একপশলা বৃষ্টি হয়েছোট। এখন থেমে গেলেও আকাশটা স্লেটের মত কালো হয়ে আছে। বাতাসে হিমেল আমেজ। এখানে বসে পাহাড় শ্রেণীর অনেকদুর দেখা যায় । বৃষ্টি ঝেড়ে ফেলা, পেজা তুলার মত হালকা সফেদ রঙা সাদা মেঘগুলি ভাসছে, ঠিক তার নিচে সবুজে ছাওয়া পাহাড়ী বন। বনের গাছ-গাছালির… [বিস্তারিত]
কতদিন কবিতা লিখিনা, খাতা কলম সব লেখার টেবিলে পড়ে আছে। বসার চেয়ারটা হেলে পড়েছে একপাশে, সামান্য বসতেই ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। টেবিলে জমেছে ধুলোর আস্তর। আমি একপানে চেয়ে থাকি সেদিকে। স্মৃতিতে ভেসে ওঠে কত কালের সাক্ষী সময়গুলো। কত শব্দ খেলা করেছিলো একসময় সেখানে। সব ধোঁয়াশা, মনে হয় স্বপ্ন। অক্ষরেরা আজকাল আর মাথায় আসেনা।… [বিস্তারিত]
আরো কিছু সময় চলুক, সময়ের ঘুর্নিপাকে চলুক কিছু হলদে হওয়া উড়ন্ত পাতার মায়াকান্না পাতলা আচ্ছাদনে ঢাকা পড়ুক জিঘাংসার হরবোলা ধোঁয়াশা পেয়েলায় ঢেঁকুর তুলে ঘুমিয়ে থাকুক সজারারুর কাঁটা আহত সায়ক দিনান্তের রক্তবর্ন মেঘের তলে নিশ্বাসের ছাড়পত্র খুঁজে নিক খুঁজে পাক একচ্ছত্র আধিপত্যের স্বপ্নীল বিভোর একরাত ঘুম। বিন্দু বিন্দু ঘামকপালে নামুক উত্তুরে ঠান্ডা পারিজাত পালকের আদর। আরো… [বিস্তারিত]
আমি যুদ্ধ দেখিনি দেখেছি তোমার যুদ্ধের মনবল দেখেছি ইতিহাস পাতায় পাতায়, তোমার বীরত্বের গান তুমি সেই মহান নেতা মহান বঙ্গবন্ধু আজও গাই বিজয়ের গান। আমি যুদ্ধ দেখিনি দেখেছি তোমার অকৃত্রিম বিশ্বাসের ঝুড়ি মনকে করেছো মাটির পুতুল, সাম্যতায় ক্ষমার গুণে তুমিই কৃর্তী এ বাংলার ঘরে ঘরে! বিশ্বাসের খুটি অটুটে তুমি করলে নিজেকে আত্ম ত্যাগ, ক্ষমা করেনি… [বিস্তারিত]
সেপ্টেম্বরের এক অলস দুপরে বসে বসে ঝিমুচ্ছিলাম। এমন সময় হঠাৎ পুরোনো বাটন ফোনটা বেজে উঠলো। রিসিভ করে জিজ্ঞেস করলাম, : কে বলছেন? : আমি অর্ণব। ছোটবেলার বেশ কজন ক্রাশের ভেতর অর্ণব একজন! কিন্তু একই নামে আরো কত মানুষ থাকতে পারে।তাই সাতপাঁচ না ভেবে আবার কথা বললাম, ওপাশ থেকে শুনতে পেলাম "হ্যালো........ হ্যালো" বলেই চলেছে। :… [বিস্তারিত]
আমি মাদ্রাসার দাওরা শেষ করে ফেকাহ্ ( আইন) শাস্ত্রে ভর্তি হয়েছি। এরই মাঝে কয়েকটা মাদ্রাসা হতে চাকরির অফার এসেছে। বেতন যথেষ্ঠ লোভনীয় তাছাড়া কয়েকটা মসজিদে ইমামতি করার জন্য অফার আছে। আমি অবশ্য আমার বাড়ির কাছাকাছি একটা বড় মসজিদে জুম্মার নামায পড়াই। তবে তা সাময়িক। বলা আছে আমি চাইলেই যে কোন সময় খতিবের ( যারা শুধু… [বিস্তারিত]
“হে মহামান্য জিউস আমিই আমাকে খুন করে এসেছি আমাকে শাস্তি দিন, আমিই বুকের কুসুমে ঢেলেছি এক-শিশি বিষ।“ চির-ঘুমের মানুষ ঘুমায় দু’চোখে বন্ধ রেখে, শখের বিষখোর ঘুমায় উঁকি-মারা-চোখে, বিষ খেয়ে বেশি বেশি ঘুমায়, ঘুমের ভান করে; জিউস সব-ই দেখেন, বোঝেন, বলেন একটু একটু করে। বিষ অমৃতটুকু ভাগ নিয়ে ভেগে যাবে বলে বসে আছে সুনসানের দুপুর-ঘুমে জিউস… [বিস্তারিত]







