পৃথ্বী বাড়ি খুঁজতে শাড়ি হাঁটছি দীঘল পথ স্বপ্ন আঁকা পথটি বাঁকা একটি মাখা নথ নথের ধারে অচীন পারে মায়াবতীর চর চরটি জুড়ে সোনায় মুড়ে বিষম প্রীতির ঘর ঘরের মাঝে সকাল-সাঁঝে বাস করে এক পাখি যার ভরসায় মন হরষায় অনন্তকাল রাখি পাখির গায়ে নিটোল পায়ে নুপুর বাজে বেশ তারই ছন্দে মন আনন্দে নাচছে হৃদয়দেশ হৃদয়গাঙে স্বপ্নরাঙে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
#ফানুশ নীরা এলোমেলো আর শূণ্যতা ভরা পিচঢালা এই রাস্তা ল্যাম্পপোস্টের নিয়ন আলোয় শহুরে জীবন সস্তা! আমার হয়েছে যে কী কি করে তা বলি... একদিন সব ঘুচে যাবে আর মুছে যাবে সব স্মৃতি কোলাহলে ঘেরা পথে প্রান্তরে নিভে যাবে সব বাতি। বারবার মনে তাড়া করে ফেরে কি করে তাদের ভুলি... কাগজের ঠোঙা বাতাসে ওড়ে,আকাশে মেঘের ছায়া… [বিস্তারিত]
১ দু’হাজার নয় সাল। ডিসেম্বরের শুরু। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। গোটা কলেজে বিএড, এম এড এর শিক্ষার্থীরা এমনকি শিক্ষক শিক্ষিকাগণের মুখে মুখে এখন একটাই কথা। শিক্ষা সফর। শিক্ষা সফর দেশে হবে নাকি প্রতিবেশী দেশগুলোর কোথাও হবে তা নিয়ে কয়েকদিন ছাত্র-শিক্ষক মিটিং হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে ত্রিদেশীয় শিক্ষা সফর হবে; ভারত-নেপাল-ভুটানে বেড়াতে… [বিস্তারিত]
হাতুরি তুমি শুধু পেরাক ঠুকার যন্ত্র নও তুমি আজ তান্ডব লিলা চালাবার মহা হাতিয়ার দুবৃত্তের অপশক্তি, নিরিহ ছাত্রদের উপর বিভৎস অমানবিক নির্যাতন মর মর শব্দ হারপাজর ভাঙ্গার। হাতুরি তুমি অসত্যের মিথ্যা দাপাদাপি অসহায়ের উপর উলঙ্গ হামলা আর্তনাদ হাহাকার ছাত্রী বোনের স্তনে অশালিন হস্তচালনা গায়ে ধরে জাপটে থাকা লাম্পট্য উৎসব বস্ত্রহরনে পৈসাচিক চিৎকার। হাতুরি তুমি কোমলমতি… [বিস্তারিত]
কয়েকটা শব্দ- খুঁজে দিবি চির অমর ? বিশুদ্ধ বানানে- শুভ্র কিছু অক্ষর ! কিছু বর্ণের- ভাললাগার যুগল বন্দি, কিছু প্রত্যাশা- আর প্রতিকের মহা-সন্ধি ॥ একটা ডাইরি- কিনে দিবি আমায় সখি !? প্রতিটি পাতায়- যেন জল রংয়ে তোকে দেখি, প্রতিটি ভাঁজে- মিশে থাকে তোর গন্ধ, যেন উজ্জলতায়- ভেসে উঠে কিছু ছন্দ ॥ একটা দোয়াত- রেখে দিস… [বিস্তারিত]
হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা, শব্দগুলো যখন, খাতার পাতায় একত্রিত সমাবেশে, কবিতা হয়ে ফোটে। ঠিক তখনই তুমি এসে, হাজির হও আমার সামনে। কিশোরী কন্যার মতো বেনী দুলিয়ে। সলাজ নয়নে,নত মাথায়। আড়ে আড়ে চেয়ে দেখো অদেখা কোন সুন্দরকে। তুমি কবিতা না প্রেমিকা? আমি মেলাতে পারিনা কিছুতেই। [বিস্তারিত]
জোছনা রাত দিগন্ত আলোয় ঝলমল প্রকৃতি সেজে আছে আপন নিয়মে।ঝিঁঝি পোকা গুলো অনবরত গান গেয়ে যাচ্ছে।দু’একটা রাতজাগা পাখি উড়ে উড়ে জোছনায় ভিজে,বৃক্ষগুলো মৃদু হাওয়ায় দোলে,স্নিগ্ধ উষ্ণতা কিছু মিষ্ট ফুলের ঘ্রাণ চারপাশ। সমুদ্রের হুঙ্কারে এলোমেলো তট সৈকত,জলস্রোতের প্রেমদীপ্ত জোছনা এ যেন প্রকৃতি আর জোছনার প্রেম। জল জোছনার প্রেমলিলা,ঝাউ বন ছুঁয়ে স্নিগ্ধ প্রশান্তি আর শুভ্রতায় মিশে স্বর্গের… [বিস্তারিত]
শেষ পর্ব মানুষের ভেতরে যে হুঁশ থাকে সম্ভবত সে হুঁশটা মানুষের পাপ ও পূণ্য নিয়ে নড়াচড়া করে। বাহিরে যতোই প্রলেপ দেওয়া হোক লাল কে নীল হলুদকে সবুজ করা হোক। ভেতরের সে মানুষটা এক ইঞ্চিও ছাড় দিতে জানে না, জানে না কোনক্রমেই আপোষ করতে। তাই সে সত্য কে সে সত্য হিসেবেই চিনে মিথ্যেকে চিনি মিথ্যে হিসেবেই।… [বিস্তারিত]
ক্ষণজন্মা এই পৃথিবীতে কদিনি আর বাঁচবো বলো। অমর হবার কোন ইচ্ছে আমার নেই, তবে মাঝে মাঝে দুরন্ত যুবক বয়স টাকে বেঁধে রাখতে খুব ইচ্ছে করে । তা আর পারলাম কোথায়।আমাদের গড় আয়ু যখন 70-72 বছর, এর মাঝে প্রায় 30 শেষ করে ফেলেছি। কদিন আর বাঁচবো বল, ক্ষণজন্মা পৃথিবীতে আমার অমরত্ব লাভ করার কোন ইচ্ছা নেই।তবে… [বিস্তারিত]
ভাগ্য আমার আমি নিজে লিখে নিইনি'তো অজানা সে কোন এক চুক্তি- তবু বারেবারে কেন ভাগ্যের তলানিতে জমা পড়ে থাকে প্রভু ভক্তি ।। মাথা নোয়াবার শত অলিখিত দায় নিয়ে খুঁজে ফিরি ভাগ্যের দিশা রোজ রোজ মারো তবু একবারে কেন বলো- যাচ্ছে না কেটে তব নেশা ।। প্রভাতে প্রথম বাণী তীরোবেগে বিঁধে ছিলো হৃদয়ের দ্বার মম ঘেঁষে… [বিস্তারিত]
"Kubla Khan " কবিতাটি কবি কোলরিজের বিখ্যাত রোমান্টিক কবিতার একটি। ১৭৯৭ সালে তিনি এটা লিখেন আর প্রকাশিত হয়েছিলো ১৮১৬ সালে। এর লিখিত কপিটি এখনও লন্ডনের 'ব্রিটিশ মিউজিয়ামে' সংরক্ষিত আছে। ১৭৯৭ সালের এক রাত্রিতে, কবির কোন কিছুতেই মন বসতে ছিলো না। তাঁর কষ্ট লাঘব করার জন্য একটু আফিম খেয়ে ঘুমিয়ে পরেন। এবং দ্রুত ঘুমিয়ে গেলেন। ঘুমিয়ে… [বিস্তারিত]
আমার সকাল আর সন্ধ্যা-সুর গ্রীষ্মায়ু নারী তার চেয়ে দীর্ঘ আদিম অস্তিত্ব লড়াই নিত্য কাগজে মানচিত্রে ঠাণ্ডা শহর শিকড় উলঙ্গ সুখ , অধিকার , হুই-হল্লার নেই শ্রেষ্ঠত্ব হাহাকার একদিন সত্যিকারের সূর্য উঠবে শিউলী বোঁটায় একদিন সত্যিকারের অস্ত যাবে দুর্গন্ধ বক্র রোদে পলাশ কৃষ্ণচূড়া বুকের মধ্যে যৌবন ফিরিয়ে দিবে সাঁচীস্তুপে তুমিও আসবে নিরাপদ পরিচয়ে অভিন্ন যুগের মত… [বিস্তারিত]
কাশেম (ছদ্মনাম) ক্লাস সেভেন এ পড়ে। বাবা একজন দিনমুজুর কোনো রকম দিনে এনে দিনে খায়। তার পড়ালেখা, সংসার সব মিলিয়ে কাশেমের বাবার খুব কষ্টহচ্ছে তারপরওছেলে কাশেমের পড়াশোনা করাইত কোনো মন খারাপ নাহ। কাশেমের পড়াশোনা করাইতে বাবা-মা দুই জনে নিজেদের সর্বোচ্চ সব ত্যাগ করেও ছেলের লেখাপড়া চালাইতেছে। বাবা অন্যের কাজ করে কিন্তু ছেলে কাশেম কে বাবার… [বিস্তারিত]
যতই দেখাস আঁধার রাতের ভয়, আমি খুব সহজে হারিয়ে যাবার নই । যতই বলিস 'চাঁদ-জোছনা অস্ত গেল ওই' আমি তোকে উদীয়মান সূর্য দেখাবোই । ----------------------0 0----------------------- [বিস্তারিত]
ফাল্গুন এসেছে ফিরে আনন্দ বার্তা নিয়ে দ্বীন কাঙালের ঘরে। মায়ের আঁচল মোড়ানো স্নেহ মমতায় ফাল্গুন এসেছে ফিরে। পৌষ - কার্তিকের খড়ার আগুনে পুড়েছিল ফসলি জমি। পানির অভাবে শুকিয়ে যাওয়া চৌচির উর্বর ভুমি। নদী শুকিয়ে জেগে উঠেছিল ধু-ধু বালুচর। জেলে তার জাল তুলে রেখেছিল দীর্ঘশ্বাস ফেলে কুঁড়ে ঘর। কৃষক তার লাঙলখানি সযতনে রেখে যায় তুলে। হতাশায়… [বিস্তারিত]













