বীরাঙ্গনা-১

১৯৭১ সালে ৯ মাস ব্যাপী যুদ্ধকালীন সময়ে পাকবাহিনী দ্বারা ধর্ষিত বীরাঙ্গনাদের করুণ পরিণতির পেছনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছিলো এদেশেরই কিছু লোক রাজাকার-আলবদররা। তাদের সাহায্য নিয়েই মিলিটারিরা অসহায় নারীদের উপর তাণ্ডব চালিয়েছিলো, যে তাণ্ডবের যন্ত্রণা তাঁরা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন। শ্রীপুরের বীরমাতা মমতাজ গর্ভাবস্থার নয় মাস চলাকালীন সময়ে আট পাকিস্তানি সৈন্য কর্তৃক ধর্ষিত হন। যার ফলে জরায়ু ও [বিস্তারিত বীরাঙ্গনা-১]

আমায় একটি জন্মসনদ দিন : একাত্তরের যুদ্ধশিশু মনোয়ারা ক্লার্ক

হেমন্তের শান্ত বিকেল। পিনপতন নীরবতা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারিতে। দেয়ালে স্বাধীনতা যুদ্ধের চিত্র। পাকিস্তানি হানাদারদের নির্মম অত্যাচারে নির্যাতিত নারী। ক্ষুধার্থ শিশুর আঁকড়ে ধরা মায়ের শূন্য বুক। গণকবরে গলিত লাশ। চুপচাপ দেখছিলেন এক নারী। বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কষ্ট যেন চেপে রাখতে পারলেন না। হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বললেন, আমি তো বাংলাদেশেরই নাগরিক। আমাকে কি একটা [বিস্তারিত আমায় একটি জন্মসনদ দিন : একাত্তরের যুদ্ধশিশু মনোয়ারা ক্লার্ক]

এভাবেই প্রকাশ্যে ফাঁসী দেয়া উচিৎ ছিলো ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের

এটি কোন ওয়েস্টার্ন মুভির স্থির চিত্র নয়। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের প্রকাশ্যে ফাঁসী। সর্বস্তরের জনগনের সামনে এই অপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। নারী বলে সামান্য সহানুভূতি এদের প্রতি দেখানো হয়নি। খুবই সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে বিশেষ আদালত এদের শাস্তি প্রদান করেন। এরপর ফাঁসীতে ঝুলিয়ে দেয়া। এই নারীরা একটি কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গার্ড ছিল। বিশেষ [বিস্তারিত এভাবেই প্রকাশ্যে ফাঁসী দেয়া উচিৎ ছিলো ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের]

মায়ের বিজয়

এই সেই মাস খামছে ধরা শকুনের কু-কর্মের প্রতিবাদ বোনের ইজ্জতের বদলা ভাইয়ের রক্তের প্রতিশোধ। এই সেই মাস হঠাৎ কালো রাতের বর্বরতম হামলার পরিচয়হীন ভূমিষ্ট শিশুর কান্নার প্রতিদান বীর শহীদদের জানাই রক্তাক্ত লাল সালাম। এই সেই মাস কন কনে শীতে বাংলা মায়েদের সন্তান কোলে-কাধে নিয়ে বয়ে বেড়ানো, নিরাপত্তায় ছুটা মায়েদের আতংকীত দৃষ্টির বদলা। এই সেই মাস [বিস্তারিত মায়ের বিজয়]

মুক্তিযোদ্ধা- মোঃ সফর আলী

কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের মনসুর গ্রামের বাসিন্দা। সবার আগে দেশ- এই আপ্তবাক্য বুকে ধারণ করে ১৯৭১ সালে স্ত্রী ও ছোট্ট সন্তানকে রেখে চলে গিয়েছিলেন দেশ স্বাধীন করতে। কোরমা বাগানে শত্রুদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে হারিয়েছিলেন বন্ধু মুক্তিযোদ্ধা গনিকে। ৩৬টি হ্যান্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে টানা সাতদিন ব্লক করে রেখেছিলেন পাকিস্তানী সৈন্যদের। আরও কত সেই লোমহর্ষক অভিজ্ঞতাগুলো! দেশ স্বাধীন [বিস্তারিত মুক্তিযোদ্ধা- মোঃ সফর আলী]

শিব নারায়ন দাশ! বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা হিসাবে পটুয়া কামরুল হাসানের নাম প্রচলিত থাকলেও মুলতঃ লাল-সবুজের মূল পতাকার নকশা করেন কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা শিব নারায়ন দাশ। সবুজ জমিনের উপর লাল সূর্যের মাঝে হলুদ রঙের বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা। পরে মানচিত্রটি সরিয়ে পতাকাটি পরিমার্জন করায় কামরুল হাসানকেই নকশাকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৭১ [বিস্তারিত শিব নারায়ন দাশ! বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা।]

আমাদের অহংকার জাতীয় স্মৃতিসৌধ

আমরা সবাই জাতীয় স্মৃতিসৌধকে দেখি,অনেকেই আছি যারা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। আসুন জেনে নেই স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে কিছু তথ্য। কেন এমন আকৃতি? স্মৃতিসৌধের স্থপতির চমৎকার ব্যাখ্যা ‘চারদিকে প্রচণ্ড চাপ। সেই চাপে কিছু একটা উপরে উঠে যাচ্ছে।’ স্তম্ভের ব্যাখ্যাঃ স্মৃতিসৌধের বেদীমূল থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে সাতটি ত্রিকোণ কলাম। ম্তম্ভের সাতটি ত্রিকোন কলাম বিভিন্ন উচ্চতার কংক্রিটের স্ট্রাকচার। ইংরেজি এল [বিস্তারিত আমাদের অহংকার জাতীয় স্মৃতিসৌধ]

বীরাঙ্গনাদের গল্প গাঁথা(লেখাটি সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি)

রূপকথার কোন গল্প বা হরর কাহিনী নয়। এসব আমার আমাদের মা বোনদের সত্যি কাহিনী। আজকে বিজয়ের মাসের প্রথম দিন । । এই বিজয় টা কিভাবে এসেছিল ? নিচের লেখাগুলো একটু সময় নিয়ে পড়ুন । আশাকরি পড়ার পর মন্তব্য করার কোন ভাষা পাবেন না । ঘৃণার আগুনে জ্বলবে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ । আমি লেখাটা পড়ার পর [বিস্তারিত বীরাঙ্গনাদের গল্প গাঁথা(লেখাটি সবাইকে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি)]

প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৬তম

তামান্নার মনের আবেগ যেন কুয়াশায় ঘূর্ণিপাকে মহা সাগরের ঢেউয়ে উতাল পাতাল, কি করবেন বুঝতে পারছেন না,বাবা জেলে মা নেই,নেই কোন ভাই বোন যাদের সাথে আড্ডা মেরে নিজের দুঃখ সুখ বলার সাথী বানিয়ে মনকে হালকা করবেন।ঘরে অনেক দিন যাবৎ বাহিরে তেমন একটা না বের হওয়াতে মন কেবল ছটফট করছিল তাই একটি রিক্সা নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন মা [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৬তম]

প্রজম্মের ঋণ শোধ… ১৫তম (বিশেষ পর্ব)

মন ভালো নেই তামান্নার এক দিকে জম্মদাতার যুদ্ধাপরাধী মামলায় অপমানে মন নিজেকেই অপরাধী করে বার বার।পিতার অপরাধে পাত্রস্হত ঠিক হওয়া বিয়েটাও ভেঙ্গে যায়।তাই সারক্ষণ কেবল ঘরে বসে টিভি দেখা আর বই পড়া ছাড়া আর কোন কাজই নেই হাতে। তামান্না আজকের পত্রিকাটি হাতে নিয়ে একটি রিপোর্ট দেখে অবাক ‘৭১ এর পর বঙ্গ বন্ধুর শাসনামলে এ রকম [বিস্তারিত প্রজম্মের ঋণ শোধ… ১৫তম (বিশেষ পর্ব)]

জবাব দাও ।

প্রয়োজন নেই এই স্বাধীনতা আমার পরাধীন ছিলাম সে ও ছিল ভাল । কি হবে মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ বোকা মানুষদের সহজ সরল আত্মত্যাগে ? ধর্ষিতা বোনের শাড়ী দিয়ে বানানো লক্ষ শহীদের রক্তে রাঙ্গানো প্রিয় মাতৃভুমির পতাকা আজ শকুনে ঠুকরে খাচ্ছে । স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন আজ সবাই ভুলেছে সে সব । নষ্ট মানুষের প্রেতাপ্তা ভর [বিস্তারিত জবাব দাও ।]

ঘৃণা

ঘৃণা দেখতে চাও,ঘৃণা? যে জননীর স্তন পান করে বেড়ে উঠেছো, কোলে পিঠে করে বড় হয়েছো সেই জননীকে ধর্ষকের হাতে তুলে দাও অথবা ধর্ষককে বুকে টেনে নাও, বিলাপ করো রক্তচোষা বাদুরের জন্য; তোমার নগ্ন বিবেকে একদলা থুথু ছিটিয়ে আমি তোমায় ঘৃণা দেখাবো যে জননীর নাভিমূল ছিন্ন-করে পৃথিবীর আলো দেখেছো সেই জননী তোমায় ঘৃণা দেখাবে ঘৃণা। ভালোবেসে [বিস্তারিত ঘৃণা]

এ কে খন্দকারের ইতিহাস বিকৃতির পাঠোদ্ধার

এ কে খন্দকারের ‘১৯৭১ ভেতরে বাইরে’ ইতিহাস বিকৃতির পাঠোদ্ধারকল্পে আমার এই সামান্য আলোচনা। এ কে খন্দকার তার ফরমায়েশি গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু, ৭ মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য দিয়েছেন প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত তার উল্লেখিত গ্রন্থে। খন্দকারের গ্রন্থটি যে, ফরমায়েশি লেখা তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। গ্রন্থটি প্রকাশ হওয়ার পর [বিস্তারিত এ কে খন্দকারের ইতিহাস বিকৃতির পাঠোদ্ধার]

বীরাঙ্গনা শেষ পর্ব

পাকিদের অমানবিক নির্মম শারিরীক অত্যাচারে ফুলী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।ফুলীর চোখঁ ঘূড়ে ঘূড়ে দেখে ছোট ক্যাম্প কি ভাবে ধীরে ধীরে ভরে গেল শিশু থেকে ষাট বছরের ধর্ষিত বৃদ্ধায়।ফুলী অবাক হন একটি আট দশ বছরের অন্তঃসত্ত্বার কিশোরীকে দেখে।যে বয়সে বাবার হাতটি ধরে কৈশরের রঙ্গীন স্বপ্নগুলোকে পেড়িয়ে যাবার কথা যে বয়সে অবাক পৃথিবীকে চেখে দেখবার কিংবা উপভোগ করার [বিস্তারিত বীরাঙ্গনা শেষ পর্ব]

বীরাঙ্গনা (২য় পর্ব)

পাকিস্হানী কুলাঙ্গার ফুলীর চতুর দিকে ঘুড়ে ঘুড়ে দেখতে লাগল।মুখে রাখা চুরুটের সিগারেটের ধোয়া মেয়েটির নাকে স্পর্শ করতে  রাগ যেন প্রসমিত করতে পারলেন না। -বদমাশ কোথাকার তোর কি মা বোন নেই। -কিয়া বাতায়ে,উর্ধুমে বাতাও হাম ভাঙ্গা নেহি জানতে…. -ভাঙ্গা নয় বাংলা ভাষা যে ভাষা প্রতিষ্টিত হয়েছিল বহু রক্তের বিনিময়ে সে ভাষাকে সম্মান জানা। পাকি উচ্চ স্বরে [বিস্তারিত বীরাঙ্গনা (২য় পর্ব)]