অনুচ্চারিত শোকগাঁথা

উৎসর্গঃ আরিফ রহমান। অনলাইনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এই তরুনের হাত ধরে বহুদূর যাবে এই কথা আমি আজকে নির্দ্বিধায় বলি। আমি আগুন চিনি, আমি আগুনের উত্তাপ পাই…   আমরা মুক্তিযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হারাবার কথা এলেই সবার আগে বলি ৩০ লক্ষ বা তারো বেশী শহীদের কথা এবং ৪ লক্ষ নির্যাতিত মা বোনদের কথা। এটা আমিও নিজে অসংখ্যবার বলেছি, [বিস্তারিত অনুচ্চারিত শোকগাঁথা]

জল্লাদ এখন লন্ডনে —

জল্লাদ এখন লন্ডনে — মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশের ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে নৃশংস হত্যার  জল্লাদ কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর নেতা চৌধুরী মাঈনুদ্দীন এখনো ধরা পড়েনি !! মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে !! এদের অবস্থান সম্পর্কে সরকার অবগত। তবে নানা জটিলতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা যাচ্ছে না। [বিস্তারিত জল্লাদ এখন লন্ডনে —]

অপারেশন বাংলাদেশ ব্লাক ফ্রিডমফাইটারস । । part 2

খবর : শিরোনাম বিচার বহির্ভূত কোন হত্যাই সমর্থন যোগ্য নয় । অজ্ঞাত জঙ্গী হামলার দায় সরকার কেই নিতে হবে মন্তব্য বিরোধী দলীয় নেতার । সরকার কে চাপে ফেলতে বিরোধী দলের কূটকৌশল কে জনগণ কখনোই প্রশ্রয় দেবে না বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী । দোষী দের সাতদিনের মধ্যে ই বিচারের আয়তায় আনা হবে । জঙ্গীদের খুঁজে বের করতে স্পেশাল [বিস্তারিত অপারেশন বাংলাদেশ ব্লাক ফ্রিডমফাইটারস । । part 2]

বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী প্রবাসী মইনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানের মামলার রায়:একটি আইনী পর্যবেক্ষন

এই লেখাটা সোনেলা ব্লগে প্রকাশিত আমার প্রথম লেখা। ব্যাতিক্রম ছাড়াই লেখাটা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বাংলাদেশের উপর। স্পেসিফিক ভাবে বলতে গেলে এই লেখাটি মুক্তিযুদ্ধকালীন বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের ব্যাপারে আদালতের দেয়া রায়ের একটি আইনী পর্যবেক্ষন। যদিও এখানে রায় ব্যাতীত সংশ্লিষ্ঠ অনেকগুলো ইস্যু আলোচিত হয়েছে। লেখাটি দীর্ঘ। সর্বমোট ১৮,৪৩৩ শব্দের। এমন একটি লেখা লেখা [বিস্তারিত বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী প্রবাসী মইনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানের মামলার রায়:একটি আইনী পর্যবেক্ষন]

বাংলাদেশে বিজয় দিবস এবং পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুলে ঢুকে শতাধিক ছাত্র হত্যা ॥

সেই সব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বাঙালীরা কই যারা মনে করেন একাত্তরের যুদ্ধের কোন প্রয়োজন ই ছিল না । যুদ্ধ হয়েছিল দুইটা মুসলিম দেশকে পৃথক করার আর বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই ঘটনার ভারতীয় দালাল চরিত্রে !!!! আপনারা তো এমনটাই চেয়েছিলেন না !!!! পাকিস্তানের মত বাংলাস্তানেও জঙ্গী তালেবানের অভয়ারান্য হোক । দেশের ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের ধর্মের নামে [বিস্তারিত বাংলাদেশে বিজয় দিবস এবং পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুলে ঢুকে শতাধিক ছাত্র হত্যা ॥]

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর কিছু দুর্লভ ফটো

আজকের এই দিনে ৯ মাস যুদ্ধ করে দখলদার পাকিস্থানী  বাহিনীকে পরাজিত করে মুক্তিপাগল বাঙ্গালী বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। সর্ব শ্রেনীর বাঙ্গালীরা এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছি্লেন। নয় মাস যুদ্ধের পরে ফিরে এসেছিলো মুক্তিযোদ্ধারা বিজয়ের প্রতীক হয়ে। জনতা নেমে এসেছিলো তাঁদেরকে স্বাগত জানাতে।অবাক বিস্ময়ে জনতা অভ্যর্থনা জানিয়েছে সেই সব দেব দূতদের যারা মৃত্যুকে পরোয়া না করে দেশকে বিজয় [বিস্তারিত ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর কিছু দুর্লভ ফটো]

ছেলেবেলার বিজয়দিবস ।

ছেলেবেলার বিজয়দিবস । ছেলেবেলার স্মৃতিময় সময়টা সবচেয়ে বেশী নষ্টালজিক । সুযোগ পেলেই সবাই একবার ঘুরে আসতে চায় স্বর্ণালী অতীতে । ছেলেবেলায় বিজয়দিবসে আমাদের কয়েকদিন আগে থেকেই বিভিন্ন প্লান থাকত তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাতে ফুল চুরি করা । কোন কোন বাড়ি থেকে রাতে ফুল চুরি হবে সেটা আগেই সিলেক্ট করা থাকত । যদিও অত্যধিক সাহসের কারণে [বিস্তারিত ছেলেবেলার বিজয়দিবস ।]

জাগতে হবে, জাগাতে হবে! ঘুমন্ত চেতনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে!

একাত্তরে এক কঠিন ঐক্য আর জাতীয় চেতনাবোধ ছিল বাঙালীর মননে। এই চেতনাবোধ আমাদেরকে ধর্মীয় পরিচয়ের উর্ধ্বে উঠে বাঙালী করে তুলেছিলো। চেতনাবোধের সে স্ফুলিঙ্গ আগুন ধরিয়েছিলো বাঙালীর মননে। যার ফলে প্রবল পরাশক্তির শতভাগ সমর্থন থাকার পরও পাকবাহিনীর ইজ্জত মুক্তিবাহিনীর কাছে অসহায় আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে লুটিয়ে পড়েছিল তাসের ঘরের মতো। চেতনাবোধের সে জাদুস্পর্শ ছুঁয়ে গিয়েছিলো দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে [বিস্তারিত জাগতে হবে, জাগাতে হবে! ঘুমন্ত চেতনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে!]

ভাষ্কর্যে মুক্তিযুদ্ধ

মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যের কথা তুললে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঢাকার ‘অপরাজেয় বাংলা’র ছবি। তারপর বহু ভাস্কর্য হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় নিয়ে। নগরীর মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো দেখলেই একাত্তরের ৯ মাসের ঘটনার চাক্ষুস দেখা মেলে। এসব ভাস্কর্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির প্রতিবাদ, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি, ত্যাগ, তিতিক্ষা, গতি-উদ্যমের প্রতীক, বীরত্ব, গণ হত্যা সহ অসংখ্য চিত্র। যা বর্তমান প্রজন্মকে [বিস্তারিত ভাষ্কর্যে মুক্তিযুদ্ধ]

মুক্তির মন্দির সোপানতলের বঞ্চনার ইতিবৃত্ত (দ্যা আনসাং হিরো অখন্ড)

মালিটোলার নাদের। নাদের ছিল গুন্ডা, পুরান ঢাকার গুন্ডা। আজকের দিনের ছ্যাচরা মাস্তান না। নাদের গুন্ডা দেখিয়েছিল এই দেশের জননীরা কাপুরুষ জন্ম দেয়না, জন্ম দেয় নাদেরের মতো দুঃসাহসী বীর। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের আতঙ্ক নাদেরের অসীম বীরত্বগাথা আজ খুব কম লোকেরই জানা। বংশালের বয়োবৃদ্ধ প্রাচীন লোকেরও ভাসা ভাসা মনে করতে পারেন সেই সময়ের কাহীনি। সুসজ্জিত পাকিস্তানী আর্মি ও [বিস্তারিত মুক্তির মন্দির সোপানতলের বঞ্চনার ইতিবৃত্ত (দ্যা আনসাং হিরো অখন্ড)]

গুগল ক্রমকে সাজিয়ে নিন বাংলাদেশের পতাকার আদলে

ডিসেম্বর মাস এলেই আমরা দেখি আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমটা মনে হয় একটু বেড়েই যায়।। কত জনে কত কিছু করে, অনেকে ফেইসবুকের প্রোফাইল পিকচার চেইঞ্জ করে, কাভার পিকচার চেইঞ্জ করে আরো কত কি।। কিন্তু একটাবার কেউ চিন্তা করেছেন আপনার ব্যাবহার করা গুগল ক্রম ব্রাউজারের থিমটা যদি আমাদের এই বাংলাদেশের পতাকার থিমে পরিবর্তন করা যায়?? আইডিয়াটা [বিস্তারিত গুগল ক্রমকে সাজিয়ে নিন বাংলাদেশের পতাকার আদলে]

দ্যা আনসাং হিরো (উইং কমান্ডার ওয়ালীউল্লাহ)

“Sir, I owe my allegiance to Bangladesh and not to Pakistan. I want to resign from my service.” বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দাফন হয়েছিলো পাকিস্তান করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে। কবরের সামনে লেখা ছিলো- ‘ইধার শো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার’। প্রায় ৩৫ বছর ওখানে ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান। ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট মতিউর রহমান শহীদ হবার [বিস্তারিত দ্যা আনসাং হিরো (উইং কমান্ডার ওয়ালীউল্লাহ)]

প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৭তম

যদি রাত পোহালে শুনা যেত বঙ্গ বন্ধু মরে নাই………….. কেউ বলুক আর নাই বলুক তুমিই বঙ্গ বন্ধু,বাংলাদেশের জাতির পিতা কেউ মানুক আর নাই মানুক তুমিই বঙ্গের জন্মদাতা। যুগে কালে ভাদ্রে জন্মেছে এমনি নেতা যার হাত ধরে, উঠে ,অন্ধকারে নিমজ্জিত জনতা শেখ মুজিব, সেই তুমি না ধরলে হাল পেতো না স্বাধীনতা। এইতো হাতে গণা আর মাত্র [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ১৭তম]

একটা নতুন প্রস্তাব । আপনাদের মতামত কি ?

মোবাইলে ওয়াজ চলছিল । ওয়াজের সব বক্তাই যে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেন তা নয় । কেউ কেউ হাসান হোসেন সহ নবীর বিভিন্ন বেদনা ময় ঘটনা এমন ভাবে উপস্থাপন করেন যে বক্তা শ্রোতা উভয়ই আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদেই ফেলেন । । ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের কথা শুনে তাঁরা কঠিন সংকল্প বদ্ধ হন , যে কোন মূল্যে প্রয়োজনে [বিস্তারিত একটা নতুন প্রস্তাব । আপনাদের মতামত কি ?]

তাদেরই রক্তে স্বাধীন স্বদেশে মাথা উচুঁ করে হাঁটি

১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট ক্র্যাক প্লাটুনের  তেজী মুক্তিযোদ্ধা আজাদকে পাকিস্তানী সেনারা ধরে নিয়ে গিয়ে রাখে রমনা থানায়। আজাদের মা ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বলেন বলেন, “শক্ত হয়ে থেকো বাবা। কোন কিছু স্বীকার করবে না।” প্রতিজ্ঞা করে আজাদ মায়ের কাছে । আজাদ তখন মার কাছে ভাত খেতে চায়। মা ভাত নিয়ে এসে ছেলেকে আর পায়নি। [বিস্তারিত তাদেরই রক্তে স্বাধীন স্বদেশে মাথা উচুঁ করে হাঁটি]