বাংলাদেশে বিজয় দিবস এবং পেশোয়ারে আর্মি পাবলিক স্কুলে ঢুকে শতাধিক ছাত্র হত্যা ॥

এ

সেই সব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বাঙালীরা কই যারা মনে করেন একাত্তরের যুদ্ধের কোন প্রয়োজন ই ছিল না । যুদ্ধ হয়েছিল দুইটা মুসলিম দেশকে পৃথক করার আর বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই ঘটনার ভারতীয় দালাল চরিত্রে !!!!

আপনারা তো এমনটাই চেয়েছিলেন না !!!! পাকিস্তানের মত বাংলাস্তানেও জঙ্গী তালেবানের অভয়ারান্য হোক । দেশের ছোট ছোট স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের ধর্মের নামে হত্যা যজ্ঞ চলুক ।

ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস যেদিন আমাদের দেশের শিশুরা বিজয় দিবস উৎযাপন করছে ঐ দিন ঐ দেশের শিশুরা গুলিতে ঝাঝরা হচ্ছে । আসলে নিয়তি কাওকে ক্ষমা করে না ।

দূর্ভাগ্য তাদের যাদেরকে পূর্ব পুরুষের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে হচ্ছে ।

পাকিস্তান জন্ম লগ্ন থেকেই একটি অস্থিতিশীল রাস্ট্র । যেখানে ধর্মের নামে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে । নিরাপত্তা সমস্যার কারণে পাকিস্তানে সর্বপ্রকার আন্তর্জাতিক খেলার ভ্যেনু নিষিদ্ধ করেছে ICC .

পাকিস্তানে খুন হওয়া শিশুদের জন্য আমাদের খারাপ লাগছে । কিন্তু ওরা যখন আমাদের শিশুদের বৃদ্ধ দের হত্যা করেছিল রেপ করেছিল ওদের খারাপ লাগেনি !!!!!!! ওরা এখনো একাত্তর কে অস্বীকার করে । মুক্তিযুদ্ধে দুই লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের কথা বললে ওরা উত্তর দেয় তোমরা কাপুরুষ তাই নিজেদের মেয়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারোনি । ।

হায়রে বীর পুরুষের দল তোরা একটা মেয়ের সাথে একধিক পুরুষ পশুত্ব দেখিয়ে সুপুরুষ হয়েছিস !!!!!

হ্যাঁ আমরা কাপুরুষ তাই এখনো তোদের দেশের মৃত শিশুদের দেখে আমাদের কষ্ট হয় । সময় পেলে একবার এসে শিখে যাস কিভাবে ভালবাসতে হয় । দুনিয়ার সবচেয়ে অসভ্য আর দাঙ্গাবাজ দেশ হিসাবে তোদের সাফল্য কামনা করি ।

http://dailyjanakantha.com/?p=details&csl=102885

মোট পড়েছেনঃ ৭৪৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. ২০০১ থেকে ২০০৬’এর জঙ্গী উত্থানই বলে দেয় কে কোন রুপে বাংলাদেশকে দেখতে চায়।

    ৩০ লক্ষ শহীদ পরিবার ও বীরঙ্গনাদের কষ্টের আহাজারী আর দীর্ঘশ্বাসের ফলতো ভোগ করতেই হবে। এর থেকে ওদের কোন পরিত্রান নাই।

  2. আমাদের দেশের মুসলিম চেতনাধারীরা এসব ঘটনা তেমন গুরুত্ব দিবেনা
    তারা গুরুত্ব দিবে- ভারতে যদি মুসলিম হত্যা হয়
    ফিলিস্তিনে যদি শিশু হতা হয়।
    ইসলামী দল সমূহ বিশাল বিশাল মিছিল,সমাবেশ করে ফেলতো এমন হলে।

    কিন্তু এখন তেমন কিছু দেখা যাবেনা
    কারন এটা করেছে তাদের চিন্তার আত্মীয়রা
    তাদের স্বপ্নের দেশ পাকিস্থানে
    এদের শ্লোগান তো- আমরা সবাই তালেবান,বাংলা হবে …………

    এই ন্যাক্কার জনক হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই
    আসলে পাকিদের পাপে ধরেছে ৭১ এর অপরাধের জন্য।

  3. সর্বশেষ বাক্যটিতে আমার কিঞ্চিত আপত্তি থাকলেও পুরো লেখাটিতে আপনার মানবিক মনোভাবই প্রকাশ পেয়েছে। তা নাহলে একথা বলতেন না “তাই এখনো তোদের দেশের মৃত শিশুদের দেখে আমাদের কষ্ট হয়।”

    ওরা বরাবরই বর্বর ছিলো, আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা এদের বেড়াজাল থেকে বের হতে পেরেছিলাম আর দুর্ভাগ্য এই যে, স্বাধীনতা অর্জনের এতো বছর পরও সমাজের একটা অংশ এখনো পাকিপ্রভাব কাটাতে পারেনি।

    1. যে কোন দেশের শিশু হত্যা আমাকে কাঁদায় । শেষ বাক্য টা শিশুদের নয় ঐ দেশের শাসকদের প্রতি ঘৃণার্থে বলেছি । দুধ কলা দিয়ে পোষা সাপ আজ সাপুড়ে কেই দংশন করেছে । ধন্যবাদ ।

  4. তারা জন্মলগ্ন থেকেই অভিশপ্ত এবং বর্বর জাতি, ১৯৭১ সালে বাংলার মা,বোনদের উপর অমানুষিক অত্যাচারই বলে দেয় তারা কতোটা পাশবিক। আমাদের দেশের শিশুরা সহ রক্ষা পায়নি তাদের অত্যাচার থেকে।

    আমাদের দেশ এখন তাদের তুলনায় সহস্রগুন এগিয়ে এক সভ্যজাতিতে পরিনত হয়েছে, যদি আমরা স্বাধীনতা না পেতাম তাহলে আজ আমাদের দেশও পেশোয়ারের মতোই হতো। ভাবনার বিষয় এই যে তাদের কিছু বংশধর এখনো এই বাংলাতে আছে, তাদেরকে নির্মূল করা না গেলে এই দেশটাকে ধীরে ধীরে পেশোয়ারের দিকে ধাবিত করার তুমুল চেষ্টা তারা চালিয়ে যাবে যা এখনো চালাচ্ছে।

    এই পাশবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

    1. আমাদের শরীরের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও লড়ে যাব । ওদের দূরাশা কখনোই পূরণ হবে না । রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব । আমরা যখন মরতে শিখেছি কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না ।

  5. ##পাকিস্তান জন্ম লগ্ন থেকেই একটি অস্থিতিশীল রাস্ট্র । যেখানে ধর্মের নামে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে ।##
    ঠিক কথা, আমাদের ভাগ্য ভালো আমরা সময় থাকতেই ঐ রাহুগ্রাস থেকে বেরিয়ে যেতে পেরেছি।

  6. নিয়তি কাউকেই ক্ষমা করেনা। শান্তির ধর্মের জন্য এটাও জিহাদের অংশ মনে হয়। আমেরিকানদের গায়ের গন্ধ খুঁজছে না কেউ? কেউ না খুঁজলেও আমাদের পাকি প্রেমীরা নিশ্চয়ই খুঁজবে।

মন্তব্য করুন