খেজুর গাছের পাতা দিয়ে একটা রানী মুকুট বানিয়ে দিতে চাই, নেবে? পরবে তো? দেখো বহুকাল এপাড় ওপাড়, তবু যেন অন্ধের মতো সুন্দর ছুঁতে পারিনি। বৃষ্টি দেখেছি, কান পেতে রিমঝিম রিদম শুনেছি তবু যেন সামথিং ইজ মিসিং। কিছু একটা নেই, নেই। অন্ধ মানুষটা তার এক একটা অনুভূতি যেমন করে চেটেপুটে নেয়, তা যেন পেয়ে উঠিনা। চোখ… [বিস্তারিত]

শুন্য শুন্যালয়
- নিবন্ধন করেছেনঃ ১২ বছর ১১ মাস ৯ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৬২টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৮৯৩৯টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৮৮৭টি
ফিলিপ আইল্যান্ড। দ্বীপ শুনলেই চোখে ভাসে বরিশালের দূর্গাসাগর। দারুচিনির স্বপ্ন দ্বীপ, যে দ্বীপে যেতে হয় গুটি গুটি পায়ে হেঁটে কিংবা ডুব সাঁতারে। ফিলিপ আইল্যান্ডে সাঁতরে কিংবা ছইতোলা নৌকায় করে যেতে হয়নি। তিনদিকে সমুদ্র দিয়ে ঘেরা অসাধারন এই দ্বীপটির একদিকে সাঁপের মতো এঁকেবেঁকে গেছে সরু পথ। সে পথ ধরে যেতে যেতে শুরুতেই পৌঁছুলাম ছোটোখাটো এক চিড়িয়াখানায়,… [বিস্তারিত]
আজ প্রত্যুষে এক জানে জিগার কৃষ্ণচূড়া ফুলের একটি ছবি পাঠাইয়া বলিল' প্রাণ ভরিয়া উহাকে দেখিয়া লও, শেষ বারের মত উহার নাম ধরিয়া ডাকিয়া নাও, অচিরেই উহার নাম পরিবর্তন হইয়া যাইবে।' তাহাকে বলিলাম 'ইহা কিভাবে সম্ভব?' উত্তরে বলিল 'পাঠ্যপুস্তকে নজরুলের কবিতার শব্দ পাল্টাইয়া মহা-শ্মশান এর পরিবর্তে গোরস্থান করা হইয়াছিল তাহা কি তুমি অবগত নও?' ভীষণ চিন্তিত… [বিস্তারিত]
তিনি রিতু, ঋতু বদলের রিতু, কখনোবা বদল ছাড়াই। শুনেছি এবার চৈত্র মাসেও লেপ লেগেছে সবার, গ্রীষ্মের শুকিয়ে যাওয়া নদীর জায়গায় ভেসে গেছে সব, ভাসিয়ে নিয়ে গেছে কতোকিছু, স্বপ্ন, দুঃস্বপ্ন। রিতু বুঝি এমনই হয়। কখনো চাইবার মতো করে কখনো না চাইবার আগেই অন্যভাবে চেয়ে পাওয়ার মতো করে। বলছি মৌনতার কথা। হ্যাঁ সেই যে চুপচাপ করে মৌন… [বিস্তারিত]
ইশ কী ঠান্ডা শীতল তুই জল! দিলাম ডুব এক, দুই, তিন। আমার দূর্দশায় হেসে হেসে খুব যে নাচছিস? তালে তালে স্পন্দন তুলেছিস! মরেছিস তুই টের পাবি দেখিস। আমি মরলে বুঝি তোর খুব আনন্দ! তোর ছায়া বাঁকিয়ে দেবার কেউ থাকবে? থাকবে নাতো কী! তুই তো যন্ত্রণার গোলাবারুদ। অতিষ্ঠ হয়ে মাঝে মাঝে কোথায় যে লুকাই খুঁজেই পাইনা… [বিস্তারিত]
তুই বলতিস, পৃথিবীর সব প্রজাপতিগুলো নাকি আমি তাই বুঝি সব কাছে থেকেও দূর আর দূরে যেমন আমি, আমার থেকে... স্থির হয়ে আমি প্রজাপতির অস্থিরতা দেখি আমাদের একজীবনের নিভৃতে খোঁজাখুঁজি মাত্র কএক সেকেন্ডেই বুককাভারের মতো চোখে পড়ে... নিরীহ এক অশরীরী যেন প্রজাপতির বেশ নিয়েছে আজ বিভ্রান্ত হয়ে উড়ে যেতে যেতে তার খোলস খুলে পড়ে শরীরী কিছু… [বিস্তারিত]
নিজেকে প্রকাশ করতে আমরা যার আশ্রয় নেই তা হলো লিখনী। লেখার মাঝে প্রতিটি শব্দ যেন জীবনের হাসি, কান্না, আনন্দ-বেদনার রূপকার। শব্দে শব্দে গড়ে উঠে লালিত উচ্চারণ। আর এই উচ্চারণকে সময়স্রোতে হারিয়ে যেতে না দিয়ে বন্দি করে রাখার প্রয়াসের অপর নাম ই-ম্যাগাজিন "সোনেলার বৈশাখ"। আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে- মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে… [বিস্তারিত]
কী, কেমন ছিলেন সবাই সাতটি দিন? রাগ, অনুরাগ, ঝগড়া-বিবাদ, মিষ্টি খুনসুটি, চুপিচুপি-সম্মুখ ভোটযুদ্ধ, লুকিয়ে না-লুকিয়ে ঘুষ সাধাসাধি, আরও আরও দেখা-না দেখার বা-হাতি কারবার, কেমন লাগলো বলুন তো? একজন তো আমায় বলেই ফেললো এই সাতদিনে ক'এক কিলো ওজন কমেছে সবার। বিলকুল, কারো না কমলেও আমার যে কমেছে তা হলফে খত দিয়ে বলছি। সবাইকে পেরেশানিতে রাখতে গিয়ে… [বিস্তারিত]
আবারো বয়স বাড়লো তিনশো পঁয়ষট্টি দিন। জন্ম হলো নতুন ভাঁজের, মৃত্যুঞ্জয়, তোমাকে রোওওওজ স্বপ্ন দেখি। একটি শীত কমলো বাঁধা না মেনেই যে চারাগুলো রোপণ করেছিলাম সেখান থেকে একটি আর বেঁচে ওঠেনি, জাতিস্মর, আর কতো অপেক্ষা? যেভাবে বেঁচে থাকি, যেভাবে বেঁচে থাকে সবাই তার ভেতরেই মরে গেলো একটি চৈতী সয়ে যাওয়া মৃত্যুচোখেই ভাবি কবে আসবে তুমি?… [বিস্তারিত]
যারা মডু এবং বিচারকমন্ডলীর কষ্টে হি হি হা হা করছিলেন আর আনন্দে বগল বাজাচ্ছিলেন, তাদের জন্য এই পোস্ট। অতি সত্বর চিঠি প্রতিযোগিতার সকল চিঠির মধ্য থেকে দুইটি চিঠি সিলেক্ট করে মন্তব্যের ঘরে জমা দিন। ১০ ই এপ্রিলের মধ্যে সকলের পছন্দে সেরা চিঠিটি নির্বাচিত হবে “পাঠকের নির্বাচিত সেরা চিঠি” হিসাবে। সোনেলার আমরা যেহেতু আমরাই তাই মনেহয়… [বিস্তারিত]
টিং টিং টিং, সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আপনারা সবাই ইতিমধ্যেই দেখেছেন আমাদের সোনেলাব্লগ কর্তৃক আয়োজিত চিঠি প্রতিযোগিতায় কিরকম হৈ হৈ রৈ রৈ সাড়া পড়ে গেছে। আমিতো ভাবতেই পারছিনা এতো সুন্দর চিঠিগুলোর মধ্যে থেকে কিভাবে নির্বাচিত হবে সেরাদের সেরারা। ঘুমও প্রায় হারাম করে ফেলেছি পুরষ্কার পাবো এই আনন্দে। তর সহ্য করতে না পেরে চুরির জন্য সিঁধ… [বিস্তারিত]
আজ যদি হঠাৎ জড়রা নড়েচড়ে ওঠে!! বলকে ওঠা গরম চা চুমুকে পোড়াবে অধর ওদিকে তোমার চোখ সেঁটে আছে দূরের য ফলা ম্যাসেজে ক্লান্ত চা অপেক্ষায় শীতল হয়ে হঠাৎ যদি বলে বসে “খুব বেশি কী চেয়েছিলাম”? পথের ধারে পড়ে থাকা সোনালী কয়েন যদি ট্যাঁরা চোখে তোমায় দেখে ডেকে ওঠে “বন্দী হতে চাই তোমার মিকি মাউস বক্সে… [বিস্তারিত]
পাখি বাড়ায় এক পা, চূর্ণ জলে উষ্ণ হবে ভেবে আচমকা ছিটকে ওঠে শীতল দুঃখ-স্পর্শে ধীরে, আরো ধীরে, গোলাকার সবুজ জলের স্পন্দন দ্যাখে; অস্থির পাখি সুস্থির হয়ে নেমে ডুবে যায় জলে কখন ক-খ-ন যেন......... জলজঘ্রাণে মেতে ওঠা পাখির ভুবন পাখির পালকে ফোঁটা ফোঁটা সবুজ জল, অসুখের সুখ পোহানো। জলের বুকে সাদা-নীল মেঘগুলো কালোছায়া হয়ে নেমে আসে… [বিস্তারিত]
আমার কোথাও যাবার কথা, কতোটা পথ বুকের ভেতর জল কলকল। ধুপধাপ কে যেন সজোরে বালতি ফেলে আচমকা থামালো; আমিতো কোথাও যাবো বলে বের হয়েছিলাম হাতের মুঠোয় মুঠোফোন, রোদ পরাস্ত ছাতা আরেক মুঠোয় ঘরের চাবি। নিরুদ্দেশ ... আমার ঘরের চাবি!! কোথায় ফেলেছি? বুকের ভেতর অই যে অই কুয়োয়? ভাবনার ওলোটপালোট ঘাসের আড়ালে কোথায় আছে পড়ে সে?… [বিস্তারিত]
প্রিয় ঘুম, যখন তোমাকে লিখছি, আমার পাশের দেয়ালজোড়া জানলা থেকে কাড়ি কাড়ি মেঘের পাহাড়। রাতের নীলের এই সাদা-কালো মেঘ আমার টানটান বিছানা জুড়ে নামিয়ে আনে অমোঘ ঘুম ঘুম শান্তি। তবু তোমাকে লিখতে ইচ্ছে করলো। অবাক হয়েছো চিঠি পেয়ে? পরিকল্পিত এই চিঠির বাক্সে হয়তো জানতেই একটা চিঠি তোমার নামে ঠিক ঠিক রয়ে গেছে, তবু কী ভেবেছিলে,… [বিস্তারিত]
