এ জগতময় তুমি ছিলে বলে আমরা মাটির ফসল ফুলাই- অথচ তোমার ঘ্রাণ আমরা পায় না- ভুলে গেছি তোমার প্রসব বেদনা, তোমার রক্ত চোষা- ১০ মাস ১০ দিন; আমরাও মা হয়েছি কিন্তু তোমার কষ্টটুকু অনুভব করতে আজও জানলাম না আর কত স্বার্থপর হলে তোমাকে বুঝবো জনমদুখিনী মা! ক্ষমার যোগ্যহীন আমাদের মতো সন্তান তারপরও ক্ষমা করে দাও… [বিস্তারিত]

আলমগীর সরকার লিটন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬১৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫৫৪টি
বিবেক বুদ্ধি আর হেদায়েত মানব দেহে কতটুকু বহমান? অন্ধ, জ্ঞানহীন তারাই জানেন তার মান অথচ শিক্ষত মানুষ জানে না নিভে যাওয়া মৃত্যুর স্লান তাদের আছে হিংস্র নেকড়ার প্রাণ; ওগো বিধাতা দাও হেদায়েত- দাও বিবেক শক্তি বুদ্ধির রেলগাড়ি মত যান; বিদ্যুৎগতিতে ঘটাতে পারে বিবেক জ্ঞান- দাও বিধাতা একটু হেদায়েত ধুয়ে যাক উঠান তবুও এ অল্প সময়ের… [বিস্তারিত]
শ্রমের ঘাম শুঁকিয়ে যাচ্ছে- যাচ্ছে- বলো দেখি- ঘামের মূল্য কোথায়? এ কেমন গান শুনা যাচ্ছে- হিজিবিজি মে আসে- মে যায়- এই তো রীতিনীতি; এই শ্রমের ঘাম শুধু মৃত্যুই আমি। বলো দেখি- আর কত মান চাই বস্তু নিষ্ঠু ঘাম চাই- শ্রমিক তো সবাই- অথচ বাস্তবতার মূল্য নাই- বিধাতায় জেনে কোথায় বিধাতা? শ্রমের ঘ্রাণ শুঙ্গে তিনি! বলো… [বিস্তারিত]
এতটু মুখ ভরে হাসতে চাই অথচ কৃষ্ণচূড়া রাঙা পথ! লজ্জাবতি সাম্মনটুকু বুঝল না। তবুও হাটতে হাটতে ক্লান্তীহীন আলোক সজ্জা চাঁদের মুখ অথচ তারা জোনাকির পিটে বসে হাসে বেশ- আর একটু বার মুখ ভরে হাসে দাও প্রভু- উজ্জ্বল থাক তোমার পৃথিবী; দুনয়নের আলো- বৈশাখি বাতাস একমুঠো বিশ্বাস শুধু হেসে উঠুক সমস্ত মুখ। ২৯ চৈত্র ১৪২৬, ১২… [বিস্তারিত]
করোনা সময়ের ব্যবধানে কবিতা ঘুমে যাচ্ছে অথৈ সাগরে; প্রিয়জন ডাকলও ভাঙ্গছে না ঘুম কিংবা স্রোতের ঢেউ অথচ সময় মুল্য এখন অবক্ষয়; কবিতারা দাঁড়িয়ে আছে জোছনা আলোতে নয় তো সবুজ ঘাসের দোল দেয়া সিঁড়িতে- সুতরাং সময় এখন করোনা ছোঁয়া হাত! ফিরবে না আর মেঠোপথের ধূলিমাখা রাত। ২১ চৈত্র ১৪২৬, ০৪ এপ্রিল ২১ ----------------------------------- [বিস্তারিত]
দু’নয়ন জুড়ে ভোরের শিশির সিক্ত সূর্য রজনীগন্ধার সুবাস ঝরানো ক্ষণ দীপ্ত; সন্ধ্যার হাহাকার যেনো নিভ নিভু আলোর শিখা চাওয়া- রাতটুকু স্বপ্ন বিরল চাঁদ; অথচ আধারের কায়া গল্প কেউ জানে না- জানতেও পারে না তারপরও আবার কোন নতুন প্রজন্মের ভোর হয় -এভাবেই চলতে থাকে শত কিছু নিয়মের ভোর; গন্ধরা আবার নতুন ভাবে রূপধারন করে বৃষ্টির ফোটা… [বিস্তারিত]
ঈশ্বর কার দোয়া কবুল করছে না ভাইরাস ছুটেই চলছে ঘর বন্ধী মন! ঈশ্বর সুন্দর পৃথিবীটাকে বাঁচাও; সোনালি ফসলগুলোর দম বন্ধ হয়ে আসছে; রঙে রঙিন হতে চাঁদ সরে যাচ্ছে বহুদূর অথচ মনের সংশয় বার বার আঘাত করছে- ঈশ্বর আমাদের দোয়া কবুল কর- এ বিভ্রান্তি দুর করে আগের সোনালি ফসলের হাসি দাও। ১৮ চৈত্র ১৪২৬, ০১ এপ্রিল… [বিস্তারিত]
কচরিফুল সেদিন স্বপন রাতছিল ক্ষীণ পাখিদের গান নেই, ভোরের আলো নেই- সারা শরীরটা জুড়ে করোনার বার্তা এলো; তারপর শুরু হলো যুদ্ধ দীর্ঘ ১৮দিন দুরচিন্তা কোন ভাবনা নেই, কবিতারা যেনো মৃত প্রায় যুদ্ধ করতে করতে এই বুঝি শহীদ হওয়া শ্লোগান শুনা যায় তারপর হঠাৎ নিশ্বাস ফিরে এলো- করোনা পজেটিভ থেকে নেগেটিভ। এভাবেই অন্ধকার ঘর হবে রঙিন… [বিস্তারিত]
কত অপেক্ষায় ছিলাম পড়ন্ত বিকেল এসে ছুঁয়ে যেতো বৃষ্টি ঘাম আর কিছু সুখের সুবাস ঘ্রাণ! উড়ে যেতো রাতমাখা ছোট ছোট যত স্বপ্ন; অথচ এখন পড়ন্ত বিকেল কাছে আসে না ক্লান্তি দূর বহুদূর অপেক্ষা দুরন্তপনা ভাবায় না দীর্ঘশ্বাস টানে রোদহীন, ছায়াহীন পড়ন্ত বিকেল চোখের নীরবতার ঘুম ধরে না- স্মৃতির মেঘে ভাসায় কোন এক পড়ন্ত বিকেল হৈ… [বিস্তারিত]
নিজের তালগাছটাকে বড় করে ভাবি ছোট সরিষা ভাবি না- অন্যের লিচু গাছ রস খেতে ভালবাসি, থুথু ফেলা জায়গা বুঝি না কারণ মুখের ভীতর থুথু আছে বলে শিষ্টাচার দেখি না- গাছের পাতা যতই ঝরুক না কেনো? আমি স্বচ্ছ, কোন ভুল নাই। ভাবি না! একদিন তালগাছ ভেঙ্গে পরবে- অন্যেরটা ভেঙ্গে যাওয়া চেয়ে চেয়ে দেখি কারণ মরণ হলে… [বিস্তারিত]
দাও দাও করা আগুন দেখেছো? বলবে হ্যা যেটা দেখেছো সেটা কয়লার আগুন; মনের অনল দেখনি! যেনো অদৃশ্য ইটভাটা! কথার বারুদ বুঝছো- বলবে হ্যা সেই বারুদের কারখানা আছে নিশ্চয়, একেই বলে মনহিংসার বারুদ, কখনো প্রয়োগ করেছো, বলবে না; মিথ্যা বুঝও, বলবে হ্যা, সেকেণ্ডে কতবার মিথ্যা বল? আশ্চর্য হয়ে যাবে- তাই না- যাকে বলে রহস্যময় সময়,জীবনে সিন্ধু… [বিস্তারিত]
চোখের দেখা- দেখে কি হবে- মনের দেখা- দেখলে না ভব সংসারে; শেষ বেলাতে বিবেক কেঁদে, কি হবে- শিক্ষার আগুন নিভে গেলো দ্বিগুণ- তবুও ভয় পেলে না শুধু মরণে, চোখের মায়া অন্ধ দূর- বহুদূর ধর্মগুরু অন্ধসুরু আসল চিনবে কি ভাবে? যখন আবেগ এসেছে শেষ বেলায়- তখন চোখের দেখা দেখে কি হবে- অন্তর দিয়ে দেখলে না- ভালমন্দ… [বিস্তারিত]
রঙ বিরল রাস্তার মোড় ছিল বেশ- সেইদিন জেদ ধরেছিলাম ফুলের গন্ধ নিবো বলে তা আর হয়ে উঠল না- এতোটাই ধূলিবালি ছিল বুঝাছিল না । সত্যই বড়ই গাছ হেঁটেই আসল! তারপর ঢিল ছুড়লাম বড়ই পরল না। প্রশ্নমালা কিছু বর্ণ রাস্তার মোড়ে কৃষ্ণচূড়া ছড়িয়ে দিলো অথচ প্রণয় হলো না। অবশেষে আকাশ মেঘলা বাদল ডুবে গেলো খালবিল- এমন… [বিস্তারিত]
পাড়া থেকে যাচ্ছে খশে রঙিন তারা- কেউ বা লাশ কেউ বা জীবিন্তলাশ বয়ে; পাড়ার কোন চোখ বিবেক এতটুকু নেই- একটু আলো জ্বালাবে শ্মাশান ঘাটের পারে। তবুও কত রঙের সাজান পাড়ার দিব্যজ্ঞান হেসেই যাচ্ছে- তুলে যাচ্ছে নদী সমুদ্র ঢেউ- এত হলো পাড়ার দাদাগীরি! কোথায় যাবে বাবুগীরি, চাঁদের পানে শোক কি হবে পাড়ার কেউ। ১৪ মাঘ ১৪২৬,… [বিস্তারিত]
বিবেক আর নিষ্ঠুরতা সমন্বয় করলেই বুঝি মানুষ গুণা যায়! তা না হলে জ্ঞান শূন্যতার পিচে অন্য কেউ- উস্কে দেয় মানুষটি- সেই মানুষ কে কি বলো? ষড়যন্ত্র নয় বিবেক, নয় নিঠুরবান মানুষ; সত্যই যদি পরিচয় ঘাটে কর্মের গুণে তাহলে পৃথিবী আর কত কর্ম ফলে নিস্ফল হবে মানুষ, বিবেক জানে না- নীল দেহের পঞ্চঘাত শুধু নিষ্ঠুরতার ওজন-… [বিস্তারিত]















