চলিতেছে সার্কাস, দেখিতেছি সার্কাস আমরা মধ্যবিত্ত। সবজির বাজার চড়া, লাগামহীনভাবে বাড়ছে মূল্য। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। একেতো বেতন-ভাতা বন্ধ তার উপর জেঁকে বসেছে অতিরিক্ত বাজার মূল্য। সরকার যেন চোখে, কানে ঠুসি পড়ে আছে। এসব তদারকি করার জন্য মনে হয় কোনো লোক নেই বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে! অদ্ভুত এক দেশে বাস করি, যে যার মতো [বিস্তারিত লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে অসহায় মধ্যবিত্ত]
চারিদিকে ধর্ষণের আহাজারি! আজ শুধু নারীর দেহ ধর্ষিত হচ্ছে না; আজ ধর্ষিত হচ্ছে শিশুর নরম তুলতুলে শরীর, বর্ষীয়ান বৃদ্ধার কোচকানো চামড়া। ধর্ষিত হচ্ছে মনের যত ভাবনা গুলো, ধর্ষিত হচ্ছে আমার লেখার কলমখানি। ডায়েরীর পাতাগুলো দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে ধর্ষণের ঘর্ষণে। শব্দগুলো ডুকরে কেঁদে ওঠে ধর্ষণের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে। ধর্ষিত হচ্ছে ঘুমিয়ে থাকা স্বপ্ন রাশি দুচোখের [বিস্তারিত ধর্ষিত]
আজকাল কলম কথা বলছে না, অসাড় হয়ে গেছে। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছে ডায়েরীর শ্বেত-শুভ্র জমিনটাকে। কিছুতেই সন্ধি ঘটছে না কলম-ডায়েরীর। কলম যতই ভালোবেসে আলিঙ্গন করতে চায়, ডায়েরী বুকে নিচ্ছে না শব্দের ঝুলি, কাব্য ব্যঞ্জন। প্রকৃতির বর্ণ, গন্ধে এখন আর শব্দরা লুটোপুটি খায় না। বর্ষা গিয়ে শরতের পালে যৌবনের জোয়ার এসেছে, চারিদিকে আগমনী বার্তা- বিষণ্ণতায় রঙের [বিস্তারিত বিবর্ণ সময়]
সূর্যটা নিভু নিভু ধরণীর আবক্ষে, সন্ধ্যা-গোধূলির আবির ছড়িয়ে যাচ্ছে আরশির আলোক ছটায়। আঁধারের শামিয়ানা পর্দা ফেলছে বিস্তীর্ণ প্রান্তর জুড়ে। সন্ধ্যা মালতীরা অঙ্গে রামধনুর রঙ এঁকে নিচ্ছে ধীরে ধীরে। বসনের খাঁজে খাঁজে কামনার বহ্নিশিখা উল্কাবৃষ্টি ছড়াচ্ছে। অমানিশার অন্ধকারে বর্ণিল আলোক বিচ্ছুরণ ঘটছে সড়কের বাগান গুলোতে; সুগন্ধির ঝাঁঝালো, মিষ্টি গন্ধ পথচারীদের নাসিকারন্ধ্রের সরু টানেল বেয়ে রতিশক্তির দ্বারে [বিস্তারিত সন্ধ্যা মালতী]
আশা- যখন জলাশয় হারিয়ে যায় খালের বুকে, খাল হারিয়ে যায় নদীর বুকে, নদী হারায় সাগরে তখনি তো জলাশয়ের কষ্ট আর কষ্ট থাকেনা। যেমনি ছোট ছোট দুঃখ হারায় বৃহৎ দুঃখের মাঝে তেমনি ঠুনকো সুখ হারায় বড় কোন সুখ পেলে। যেদিন সেই সুখ পাবো সেদিন সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাওয়া না পাওয়া ভুলে যাবো। জীবন সেদিন পাবে [বিস্তারিত ভাবনারাশি]
সমাজ আজ কলুষিত ধর্ষণের কালসিটে রক্তে, পিচঢালা রাজপথ রঞ্জিত বেওয়ারিশ সারমেয়দের বোবা কান্নায়। অবৈধ চাওয়া-পাওয়ায় ঘর হয়েছে পাপের সাম্রাজ্য। শাসকের লালসায় দিশাহীন রাষ্ট্র, জন্মভূমির সাদা জমিন, পাপের ফসলে উর্বর সমাজ, সংসারের পতিত ভূমি। নোংরামি, মিথ্যাচারের অট্টহাসি ঝরে পড়ে বাতাসের অলিতে গলিতে। ছাদ-বাগানের অক্সিজেন ও বিষাক্ত আজ রাসায়নিক সম্পর্কের মূলমন্ত্রে। শিক্ষার সনদে অদৃশ্য লিপিবদ্ধ চরিত্রের [বিস্তারিত রাষ্ট্রের অবক্ষয়]
ধূলোপড়া স্মৃতিগুলোতে আজো তেমনি তোমার পরশ পাই, যেমনি ছিলে সেদিন তুমি আমার ভালোবাসা হয়ে। শুকনো পাতার মতো ঝরে গেছে তোমার ভালোবাসা- যেমনি বৃক্ষরাজি হারায় সবুজের তারুণ্য বসন্তের আগমনে। শারদ-সন্ধ্যায় এসেছিলে, দু’হাত ভরে নিতে অপার ভালোবাসা, যেমনি সাঁঝবেলায় পান্হ-পাখিরা নীড়ে ফিরে। আজ তুমি অন্যের ভালোবাসার দাবিদার- তোমার-আমার প্রেমের সাঙ্গলীলা সাঙ্গ করে। কত স্বপ্ন, কত আশা [বিস্তারিত অসমাপ্ত প্রেম]
শরতের মেঘ জমেছে কাশবনের গগনে, চিত্ত নেচে উঠেছে দক্ষিণা পবনে। শুভ্র অঙ্গে শিউলি সেজেছে গৈরিক বসনে, রঙধনু নেমে এসেছে বাড়ির উঠোনে। বিল-ঝিল ভরে উঠেছে ভরা-যৌবনে, মীনদল মেতেছে উচ্ছল জলকেলির সনে। মাছরাঙা ছিপ ফেলেছে ভোজের আয়োজনে, তাই দেখে খোকার দল হাসছে মনে মনে। তরঙ্গের বুক চিঁড়ে শাপলা-শালুক নিশি লগনে, পদ্মবিলে পদ্মেরা জোট বেঁধেছে মধুর আলাপনে। [বিস্তারিত শরৎ ব্যঞ্জন]
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। শুধু তাই নয় একেকটি পূজোর জন্য একেক নিয়ম-কানুন, ধরণ , রকম, সাজসজ্জা, নৈবেদ্য। কিন্তু সব পূজোতেই প্রদীপ জ্বালাতে হয়। এই প্রদীপ শুধু মন্দিরেই নয় বা মন্দিরের চারদেয়ালেই সীমাবদ্ধ নয়। গঙ্গাপূজোর সময় নদী তীরে প্রদীপ জ্বালানো হয় তারপর ভাসিয়ে দেয়া হয় আবার দীপাবলীতে ঘরের কোনায় কোনায়, দেয়ালে, সিঁড়িতে, রাস্তা পর্যন্ত [বিস্তারিত হিন্দুরা প্রদীপ কেন জ্বালায়?]
আজ ২৩শে সেপ্টেম্বর, আজ শুভ জন্মদিন তোমার। কত শত লেখক, কবিবর লিখে যায় প্রাণের শব্দভান্ডার, হাসিমুখে বরণ করো নবীন লেখক, কবি, ছড়াকার। সবার মন্তব্যের ভাঁজে থাকে অনুপ্রেরণা, আশীর্বাদের ঝড়- নবীন-প্রবীণ ব্লগারগণ সোনেলায় মিলেমিশে হয় একাকার। আছেন সবার উপরে সবার প্রিয় ইকরাম দাদা ভাই, সোনেলার ব্লগে যার কোনো জুড়ি নাই। আছেন সবার প্রিয় মহারাজ নিজ [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন সোনেলা]
ভাবনাগুলো ধবল সাদা ডানায় ভর করে প্রাচীন শঙ্খের মতো- কুন্ডলীকারে ঘুরছে বন্দী কারাগারের প্রাচীর ঘেঁষে। ড্রিল মেশিনের মতো ভাবনাগুলো প্রাচীর ভেদ করে বেরিয়ে যেতে পারছেনা মুক্ত নীলাম্বরে। কষ্টগুলো ঝুলন্ত মেঘের বৃষ্টির মতো টপটপ করে জমা হচ্ছে- কপোল বেয়ে বুকের বাম অলিন্দের কুঠুরিতে। চাওয়া পাওয়া গুলো কে সুঁই সুতা দিয়ে একখন্ড কাপড়ের জমিনে- এফোড় ওফোড় [বিস্তারিত বিষণ্ণ বিকেল]
যারা সাহিত্য ভালোবাসেন, সাহিত্যের সর্বত্র বিচরণ করেন বা যারা শুধুই কবিতায় মগ্ন থাকেন, কবিতা রচনাতেই নিজেকে যুক্ত রেখেছেন তারা কবিতার ‘লিমেরিক’ শব্দটির সাথে কমবেশি পরিচিত। ‘লিমেরিক’ নিয়েই আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করবো। আশা করি সবাই উপকৃত হবেন বা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাবেন যা পরবর্তীতে আপনার কবিতা লেখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সমস্ত [বিস্তারিত লিমেরিক]
আমাদের সময় সবকিছু এনালগ আর ম্যানুয়েল ছিলো। তাই আমাদের চিন্তা-ভাবনা গুলো ও ছিল নন-ডিজিটালাইজড। চিঠির আদান-প্রদান ছিলো যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম , ল্যান্ডফোন ছিল হাতে গোনা কয়েকটি বাসায়। অবসর কাটতো গল্পের বই, ম্যাগাজিন পড়ে আর রেডিও-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান এর মাধ্যমে। এটাই ছিল বিনোদনের ব্যবস্থা। ছুটির দিনগুলোতে জাতীয় জাদুঘর, শিশুপার্কে যাওয়া তাও বাসা কাছাকাছি থাকার সুবিধার্থে। আর পহেলা [বিস্তারিত সোনেলায় আগমন ও অঙ্গীকার নামা (সোনেলার জন্মমাস)]
তোমার সৌন্দর্যের ধারে কুপোকাত কত শত বনিক, নাবিক, রাজাধিরাজ। তোমার এক অঙ্গুলীয় ইশারায় নাচে প্রজাতন্ত্র বৈশালী থেকে দক্ষিণের মগধ- তুমি পারোনি তোমার অঢেল রূপকে পর্দার আড়ালে ঢেকে রাখতে। পিতৃ পরিচয়হীন তোমাকে আম্রতলে পেয়ে ‘আম্রপালী’ নাম দিলে, শাসক মনুদেবের কামাগ্নির রোষানলে পরিণয় যামিনীতে মৃত্যু হলো প্রণয়প্রার্থী পুষ্পকুমারের; তারই ভোগের লালসায় ‘নগরবধূ’ হলে রাষ্ট্রীয় বিধানে। নৃত্যগুণ [বিস্তারিত নগরবধূ ‘আম্রপালী’]
রাতের আঁধার ফুঁড়ে কৃষ্ণগহ্বরে দুটো শ্বেত-শুভ্র তারা আলোর ফোয়ারা ছড়িয়ে নিভে গেল দপ করে। বিষাদে ভরে গেল অমৃতরসের অগ্নুৎপাতধারা। বিবর্ণ-বিষণ্ণ কালজয়ী দুঃখ বোধগুলো ইট-সুড়কির দেয়ালে গেঁথে থাকে; রাতের শরীর বেয়ে আঁধার নামে মহাজাগতিক এই নগরে; দিবানিশি ভাসে ঐ নীল-বিশুদ্ধ সরোবরে পানকৌড়ির দল- মেঘের উড়ুপে হাওয়ার সাথে সাথে আকাশের বুকে জড়াতে চায় সঙ্গোপনে। শ্রাবণের সিক্ত-আলোকজলে [বিস্তারিত মহাকালের সাক্ষ্য]