আনন্দ-তৃষিতা নিয়ে পা-ফেলি এদিক ওদিক, এখানে-ওখানে-সেখানে, বিক্ষিপ্ত ভাবে; বুঁদ হয়ে ডুবে থেকে, পাতা-ঝারাদের রেশমি শব্দের গান একটু যদি ভেসে আসে; সময়ের ধুলো-স্রোত আঙিনায়; লক্ষ্যচ্যুত লক্ষ্য-শূন্য অবিশ্রান্ত ডামাডোলে আঁটকে থাকে নিঃশ্বাস; প্রাণান্তকর হাঁসফাঁস, নুয়ে পড়ে; দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম অপেক্ষা, একটি অত্যুজ্জ্বল ঋতু, ক্ষিপ্রতায় জ্বলজ্বলে, আহ্লাদিত হাস্যোজ্জ্বল জলবালিকারা ইচ্ছের কালো কালো পোশাক-আশাকে আজ ম্রিয়মাণ, কেলো-ভূতের মত; [বিস্তারিত প্রাণান্তকর হাঁসফাঁস]
হঠাৎ ঝাঁ-চকচকে শুরু দেখে ভাবতে থাকি, এ নিশ্চয়ই সু-নিশ্চিত আরম্ভ! ইয়ার- দোস্ত সবাই হুল্লোড় আঁকে, উল্টোপাল্টার মোক্ষম চক্করে, বাজখাঁই চিৎকার চেঁচামেচি তো থাকেই। একটু সেকেলেরা ভাং বা চরসে মজে, একালে তো অনেক অনেক কিছু, ক্রিস্টাল মেথ অব্ধি, টাইট/খোলা পোশাকে, কনুই কাঁপিয়ে কত কী ভাবে, ভাবে! এক সূর্য-ঝিলিকে মিইয়ে যাবে ধোঁয়া বেয়ে বেয়ে পেঁচিয়ে ওঠা [বিস্তারিত সমাপ্তি সমাপ্তি খেলা]
মেঘেদের আড়াল থেকে উঁকি দিতে দিতে নেমে এলো এক ঝাঁক পরী, ছ’হাজার ডানার ফেরারি পাখিতে সওয়ার হয়ে; গোল গোল চোখ মেখে, দুরন্ত-চূড়ান্ত হাসি-খুশি, প্রণয় কাতর, বিবসনা রজনীগন্ধার ফুলে ফুলে, মেঘেস্তুপে কাঁচা মোনালিসা যেন; দিনান্তের লুকিয়ে রাখা কুতকুতে গোলাপ হাতে উন্মুখ লক্ষ লক্ষ হাত (লাইভ ভিউ প্রায় ৩৭ মিলিয়ন, লাইক ১.৮ মিলিয়ন, ১৪৮ হাজার শেয়ার)! [বিস্তারিত গোল চোখের পরীরা]
পরস্পর দুশমন, ঘুম ও জাগরণ, শেষমেশ কে কাকে বেছে নেবো/নেবে; সামান্য একটু মাঙ্গলিক তদন্ত শেষে, পাশাপাশি বসে, সহায়ক পদক্ষেপ কী বা কী কী নেয়া যায়, নিরপেক্ষ অবাধ উন্মুক্ততায়, ন্যায়-নিষ্ঠ মিষ্টতায়; দু’ভাগকারী এদিক না ওদিক অংক-হিশেব ফেলে-টেলে নিদেন পক্ষে মুখোমুখি না-হোক, পিঠোপিঠি তো বসা যেতেই পারে; অক্ষত বৃষ্টির ছাট এড়িয়ে; না, নাহ; নীরবতার কোন হিমেল ফারাক [বিস্তারিত জেগে থাকার ঘুম]
না-থামা-বৃষ্টি হয়ে এসো আবার যেমন এসেছিলে সেই সে-বার, হয়ে যাক একটু লেনদেন, সন্ধি গড়ার; বখে যাওয়া দমকা/ইঁচড়ে-পাকা বাতাস সে তো থাকেই প্রতিপক্ষের মত! নিয়তি ভেবে ঘাসের উপর বিছিয়ে দিতে পার, ফোঁটা ফোঁটা হীরক-কণা অনিন্দ্য সৌন্দর্যের বন্ধুত্বে, দ্বন্দ্ব মিটিয়ে; চাঁদ-কে জড়িয়ে ধরা দূর-মেঘ বৃষ্টি হয়ে এসো, হেঁটে বেড়ানো ফুলের সাথে, উচ্ছ্বসিত অত্যুজ্জ্বলতায়, আলো আধারের গোধূলিতে; তারপর [বিস্তারিত অবশেষের শীতল প্রশান্তি]
স্বপ্ন হারানো আকাশ-জল আর কত-শত কাঁদবে এবেলার অবেলায় ওবেলায়! বাঁধন ছেড়ার সময়ে, অন্যত্রবাসী হয়ে, স্বভাব ভেঙ্গে, ইচ্ছে-পোড়ার দোহাই দিয়ে, নীরবে নিভৃতে, মরুকরণের গল্প ভুলে; সর্বক্ষণের শান্তি চমকের পূর্বাভাস চমকায় ঐ দূরাকাশে, নির্জীব সবুজ পাতার আড়ালে, ফুলের দেশে বসে আছে এক চাতক পাখি, নির্লিপ্ত প্রণালিতে; অলিখিত প্রতীক্ষিত জলো-বৃষ্টি সে আসবেই, উঁকি দেয়া সুখ স্নানে স্নানে, [বিস্তারিত মিষ্টির সরোবর]
ডানা-মেলা আকাশকে দেখি ভাবি একদিন আমি পাখি হবো ঐ নীলের আকাশে; অনুদিত অনুবাদে কিছু ঘুম বকেয়ায় ফেলে আঁজলা আঁজলা মুক্তো-ঝিনুকের নির্বাসিত প্রশ্নের পিঠে জন্মানো গাঢ় তিলের অঙ্কুরোদগম ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেব; মেঘেদের দাঁড় করিয়ে রাখবো আরেক বর্ষা পেরিয়ে শীত অবধি; বোকা বোকা কবিতার মত সুখের অসুখে মুছে ফেলব বোবা সুখ-পাখিদের না-বলা গানের আকুতি, অলৌকিক [বিস্তারিত সুখ পাখিদের গান]
হেঁটে যাই ছেঁড়া ছেঁড়া হয়ে ভেসে থাকা বাতাসে অপেক্ষাগুলোকে অপেক্ষায় রেখেই সময় বয়ে যায় ভবিষ্যতে, ভারী হওয়া স্বপ্নগুলো ছিন্নভিন্ন শরীরে হারিয়ে যায়, ছাপ চিহ্ন না রেখে, চূর্ণবিচূর্ণ নুড়ির মত তদন্ত ছাড়াই; ঠিকানা-বিহীন সীমান্ত-বাঁধুনি সীমা-হীনতায় বিহ্বলতার দাগ ফেলে বারে বারে অখ্যাত নদীর ঘাটে ঢেউয়ে ঢেউয়ে; অবশিষ্টের মত হেঁটে যাই একাকী হাঁটা পথ ধরে। ছিনিমিনির জীবন [বিস্তারিত ছিনিমিনির বিলাসী জীবন]
কোন এক বিবস্ত্র তিথিতে অনুভূতি প্রদক্ষিণ করে চুপিসারে দাঁড়াবো সোনেলার গা-ঘেঁসে সবার অলক্ষ্যে, আশ্চর্যরকম সতর্কতায়; ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ইন্দ্রিয় টান টান করে, দেখে নেব এখানে-সেখানে কী-হয়, কে কী-লেখে, লিখবে বলে ভাবে; ভেবে ভেবে টো টো করে, ইতিউতি-ও; শুনতে পাই, এখানে অতি সামান্যের একটি মাত্র অক্ষর এঁকে দিলে, আনন্দ-বেদনা নিয়ে ভাবলেও, সেই ভাবনার সুলুক সন্ধান [বিস্তারিত অহেতুক দাঁড়িয়ে থাকা]
একটু দেরিতে দেরি করে হলেও চিনে/বুঝে ফেলেছি চিনি ও লবণের তফাৎ, রং ও স্বদে; গ্যাসের ফুঁয়ে ফোলানো বেলুন, মৌসুমি কাকতাড়ুয়া কলা পাতায় আঁকা ভিঞ্চি আর্ট, টেনে টুনে কতক্ষণ আর টিকিয়ে রাখা যায়, টিকে থাকে!! জড়ো করা বীজে চিটে ধান চিনে ফেলে বিস্মিত কৃষক বিপুল অভিজ্ঞতায়, সময়ের ঋতুতে; গাঢ় নির্জনতায় লৌকিক-অলৌকিক বিকেল,সন্ধ্যা বা রাতের যে [বিস্তারিত শাপলা শালুক]
দিন-ক্ষণের নিরিখ নেই, নেই দিন বা রাত্রির ঘণ্টা-মিনিট, বৃষ্টি বা ঘন-তাপ, আনন্দ-বেদনা হাসি-তামাসা কটু-ফুর্তি, খেতে খেতে ঘুমুতে ঘুমুতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুধুই পড়তে/লিখতে ইচ্ছে করে; ইদে-ও; গাছ-পাথর লতা-পাতা ফুল-পাখি ইট-কাঠ নিরেট দেয়াল, সবার সাথে কথা বলতে/শুনতে ইচ্ছে করে, শুনি, শুনে শুনে লিখিও; এ এক অনিন্দ্য সুন্দর বন্ধুত্ব, দ্বিধা দ্বন্দ্বের বর্হি-সীমায়, সবুজ-গোলাপ ভালোবাসা; উঁচু চৈতন্যের আদিখ্যেতা [বিস্তারিত পড়তে-লিখতে ভালো লাগে]
পাশ ফেরা-ফেরি, হাই তোলা-তুলি, গড়াগড়ি না-করে লিখে ফেলতে পারি, ঝট করে উঠে গিয়ে, কী-বোর্ড দাপিয়ে/দাবিয়ে কিছু-না কিছু তো লিখতেই পারি, লিখি-ও; একদম ই দাঁত বসাতে না পারলেও অতি প্রিয় লেখক কমল কুমার মজুমদারের উপন্যাস সমগ্র, প্রবন্ধ সমগ্র,ছোট গল্প সমগ্র, প্রকাশিত চিঠি সমগ্র যা অনেক প্রতীক্ষার পর সংগ্রহে নিতে পেরেছি। মনোবল না হারিয়েই পড়া-বোঝার চেষ্টা [বিস্তারিত বিনা কারণেই লিখতে পারি ব্লগার্স-প্রফাইল]
লেখা-জন্মের নিষিদ্ধতা নিয়ে ভাবতে বসে কখন যে ঢুকে পড়ি অজন্তা-ইলোরার অচেনা-অজানা গুহায়, দেয়াল দেয়ালে ঝুলে আছে অসংখ্য লিখে রাখা ছাপ চিত্র, অলিখিত অর্ধ-লিখিত-ও; কথা না-রাখা(কবি) হৃদয়, শেষ ট্রেনের একমাত্র যাত্রীর মত নিঃসঙ্গ বিষণ্ণ ক্লান্তির রাত/দিনের স্তূপ ঠেলে ফেলে অতি-চেনা অচেনা লেখার ইশারা/হাতছানিতে, সব প্রতিজ্ঞা ভুলে বের হয়ে এসেছে লেখা-অভিসারে; কথা রাখেনি/রাখে-না(কবি) তা-ও, বেলাজ-লেখা রমণীয় [বিস্তারিত একাকীর ট্রেন যাত্রা]
স্রোত-নদীর মত কাউকে চাই, ভাসবে, ভাসাবে, জলের তরঙ্গে তরঙ্গে, এক চুমুক-স্রোতে বিষ-জল ছুঁড়ে ফেলে দেবে সব জ্বালা জুড়িয়ে!! এমন কাউকে চাই——– সবুজ-কবিতায় তোলপাড় তুলে জমানো বুক-ব্যথা মুছে দেবে শব্দহীন নিবিড় উচ্ছাস-উৎসবে!! হোক সে রাতজাগা নিরক্ষর বিভ্রান্ত পথের পথিক, ভুল-ভাল পাসওয়ার্ডে সারাক্ষণ ঘুর ঘুর করে এ-পাতা থেকে ও-পাতায়, শরীরী ভাঁজে ভাঁজে; চোখের আগুন ছুঁড়ে ভস্ম করতে [বিস্তারিত কখন হবে কিস্তিমাত]
রোদ-ডানায় ভর করে কখন যে পৌঁছে গেছি, গোধূলির পর অন্ধকারের-জ্যোৎস্না পেরিয়ে স্ফটিক-শিশিরের সকালে, জন্ম-সমুদ্রের ব-দ্বীপে; ক্ষয়িষ্ণু (পেন্সিলে আঁকা) জীবনে এও তো অনেক পাওয়া, সুয়োরানী দুয়োরানি বলে কিচ্ছুটি নেই, জন্মদাগে চিনতে পারে/পেরেছে সবাই, বৃত্ত-জীবনে আঙুলের ফাঁক গলে বেশী দূর যাওয়া, সহজ নয় মোটেই, বৃষ্টি-ভালোবাসায়। কানামাছি-দিন-চিহ্নে পৌঁছে গেছি, আনন্দ সৈকতের গান-গল্পের পসরায় ডুবে যেতে যেতে শিমুল-বনে [বিস্তারিত ঘরের গেরস্থালী]