ছেলেধরার গুজবের পর বিদ্যুৎ নিয়েও গুজব ছড়াচ্ছে কিছু অসাধু বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ। অনেকেই ফেইসবুক, টুইটার, মেসেঞ্জারে এসব ভুয়া নিউজ ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ‘আগামী ২৫ থেকে ২৭ তারিখ নাকি সাড়া দেশে বিদ্যুৎ থাকবে না। এই তিনদিনে রাতের অাধারে মানুষের কল্লা কাটা হবে! প্লীজ স্টপ। আপনারা থামুক একটু। অনেক হয়েছে। এসব বিভ্রান্তিকর নিউজ ছড়িয়ে কী বুঝাতে [বিস্তারিত আসুন গুজব থেকে বাঁচি]
সীমাহীন ভালোবাসতে হলে নিজের প্রিয়তমা স্ত্রীকে ভালোবাসুন। সবচে বেশি যত্নশীল হোন স্ত্রীর প্রতি! একজন ভালো গুণবতী স্ত্রীকে বলা হয় স্বামীর দ্বিতীয় আত্মা। স্বামী যখন প্রচন্ড ডিপ্রেশন বা হতাশায় থাকে তখন একমাত্র স্ত্রীর শক্তিতেই সে নিজেকে ঠিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়! সমস্ত দুঃখ-কষ্ট, সুখ-আনন্দ স্ত্রীকে ভাগাভাগি করুন তাহলে সংসারে শান্তি নিহিত। প্রকৃত স্ত্রী কতটা স্বামী প্রেমি হয় [বিস্তারিত স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার গাঢ়ত্ব]
ছোট বেলায় অনেকটাই সুখে ছিলাম। কোনোদিন বুঝতে পারিনি কষ্ট কী? কিন্তুু যত বড় হচ্ছি তত কষ্ট আর হতাশা বেড়েই চলছে ক্রমাগত। কোথায় এই বয়সে লম্বা শ্বাস ফেলে নিজের মত জীবনটাকে উপভোগ করবো। তা না করে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আর হাঁপাতে হাঁপাতে জীবন শেষ! কেন অাজ নির্লজ্জের মত বেঁচে থাকতে হবে? কেন মুখবুঝে সহ্য করে নিতে হয় [বিস্তারিত বিবর্ণ হতাশা]
আপনি প্রথমে ছোট একটি টং দোকান হতে গ্যাসলাইট সহ সিগারেট আর হাকিমপুরী জর্দ্দা দিয়ে একটা পান নিবেন। মনে রাখবেন পান নেয়ার সময় জর্দ্দাটা যেন হাকিমপুরী হয়। তবে সিগারেটের সাথে বেশ জমবে! তারপর, আপনার পছন্দের সিগারেট আর পানটা হাতে নিয়ে পায়ে হেঁটে খোলা মাঠ বিস্তীর্ণ আকাশের নিচে যাবেন! গাছের গোঁড়া কিংবা কুটির কোণে হেলান দিয়ে পা [বিস্তারিত সিগারেট খাওয়ার নিয়ম]
তখন দশম শ্রেণিতে পড়ি। বয়স একদম কম, ফুরফুরা মেজাজের মানুষ ছিলাম। প্রতিদিনের মত আড্ডা দিয়ে সন্ধ্যার পর পরই বাসায় আসলাম। ঘরে ঢুকতেই মা বললেন এখন ঘর থেকে যা তো, পরে আসিস তাড়াতাড়ি যা! মায়ের কথামত ঘর থেকে বের হয়ে যাই। ঘর থেকে বের হয়ে একটু দূর যেতেই একটি চিৎকার কান স্পর্শ করলো! মাগো ইশ, উফ,ছাড় [বিস্তারিত নির্বাক প্রতিবাদ]
ধরো কোনো একদিন হুট করেই তোমার শহরে চলে আসলাম। তুমি নীল শাড়ি পরে আমার জন্য অপেক্ষা করছো! হাতে নীল চুড়ি, কপালে নীল টিপ, চুলগুলো এলোমেলো। তুমি চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দরে এসে আমার জন্য অপেক্ষা করছো! আমি কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা পরে তোমার সামনে আসলাম। তুমি বিস্মিত হয়ে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে অাছো অামার দিকে! [বিস্তারিত কল্পনার গল্প]
কাক তাড়ানো বৃষ্টি! অামি পা’দুটি বাঁকা করে ছোট একটি চায়ের দোকানে গা ঢেকে দাঁড়িয়ে অাছি। আসার সময় বাসা থেকে ছাতাটা আনতে ভুলে গ্যাছি, তাই আজ এত দুর্দশা! গুড়িগুড়ি বৃষ্টির ফোঁটায় কী যে এক অবস্থা শহরের তা বুঝাতে পারবোনা। চারিদিকে বাতাসের শোনশান শব্দ! আকাশ থেকে নেমে অাসা মেঘগুলো ধরণীকে বিদঘুটে করে রেখেছে। ঘনঘন বজ্রপাতে কেঁপে উঠছে [বিস্তারিত বৃষ্টিতে দেখা মেয়েটি]
তখন দুপুর বারোটা পঞ্চাশ। অামি ছোট একটা টং দোকানে বসে লেখক ‘অানিসুল হকের ‘এত দিন কোথায় ছিলেন’ বইটি খুব মনযোগ দিয়ে পড়ছি। বইটি প্রকৃতির কবি জীবনানন্দ দাশকে উৎস্বর্গ করা হয়েছে। আমি সাধারণত মোবাইলে পিডিএফ এর মাধ্যমে বই পড়ি। ইতিমধ্যে অনেকগুলো বই সংগ্রহ করে রেখেছি। খুব তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে বই পড়ছি! হঠাৎ দুজন পুলিশ এসে [বিস্তারিত সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি]
বাবা এই শব্দটা অনেক ছোট কিন্তুু তার গুরুত্ব কতটুকু তা একমাত্র বাবাহীন সন্তানরাই বুঝে। বাবা মানে একটা অনুভূতি, একটা দীর্ঘশ্বাস! বাবাদের সাথে অামাদের সম্পর্কটা অন্যরকম। যেমন ধরেন, অামরা মাঝে মধ্যে বলি ‘বাবা তো অাছেন এত টেনশন করে কী হবে? বাবা সবকিছুর সমাধান করে দিবেন। অাসলে এটা অামাদের ভরসা, অামাদের বিশ্বাস। আমরা বিশ্বাস করি বাবা থাকতে [বিস্তারিত বাবা]
ভালোবাসা একটা অনুভূতির নাম। কখন যে কার প্রতি অনুভূতি সঞ্চিত হয়ে ভালোবাসার সৃষ্টি হয় ব্যক্তি তা কোনোদিন উপলব্ধি করতে পারেনা। মানুষ ভালোবাসা দ্বারা বেষ্টিত অক্সিজেন দিয়ে তৈরী। জন্মলগ্ন থেকেই মানুষ উদাস আর হতাশা নিয়ে বেড়ে উঠে। যারা তরুণ বয়সে নিজের আঠারো’কে একশোতে রূপান্তরিত করতে পেরেছে তাই হল ভালোবাসার অাসল ভাস্কর্য! মানুষকে একমাত্র ভালোবাসা দ্বারাই ধ্বংস [বিস্তারিত প্রকৃত ভালোবাসা]
ভাগ্যের কলমে প্রথম শব্দটা ছিল বেদনার সৃষ্টিকর্তা লিখে দিয়েছিলেন ছেলেটার দুঃখ আছে। অতপর, তোমার ঝুমঝুম আগমন শিউলির মত নেচে নেচে এসেছিলে আমার সিলভার জীবনে। আমি মুগ্ধ হয়ে গ্রহণ করি তোমায়! তারপর, অনুরক্তি’র তপ্ত আচরণে আমাকে বলেছিলে মিথ্যুক। আমি মুচকি হেসে বলছিলাম আমি মিথ্যুক নই আমি মিথ্যা বলিনা। কিন্তুু তুমি ভালোবাসার অভিনয়ে আমার জীবনটাই নষ্ট করে দিয়েছো। [বিস্তারিত এটাই আমার সুখ]
পাহাড় কাটা রাত,ঘুমন্ত শৈশব সাঁতার কাটছে স্বর্ণালী কিশোর পাতায়। বিষপ্রসূনে ঝলমলে চারিদিক, গ্রেনেড হামলায় ঝলসানো স্বদেশের দেহ! ঠোঁট ছিঁড়ে থেঁতলে যাচ্ছে রক্তাক্ত অক্ষর চৈতন্য জুড়ে নেমেছে আজ ধূমকেতু। ভাবনার কৈশিক জালিকায় নরক্ষেত্র নেমেছে ব্যোম থেকে। অম্বুর ক্ষিপ্ত তৃষ্ণা, ঝুলে থাকা শশীর হাসি সবকিছু আমাকে বলে, ‘আমি কোনো আগন্তুক নই’,আমি বাঙ্গালি আমি বেঁচে থাকার চিৎকারে একশোকোটি [বিস্তারিত অরিন্দম]
সকালে নাস্তা করতে হোটেলে ঢুকলাম। হোটেলে ঢুকেই দুইটা রুটি, একটা ডিম আর এক প্লেট ডালভাজি অর্ডার করলাম। ওয়েটার বললো মামা কিচ্ছুক্ষণ অপেক্ষা করুন রুটি ভাজা শেষ হয়নি। কেবিনে বসে ফোন টিপছিলাম, হঠাৎ একটা মেয়ে এসে বললো – ‘এক্সকিউজ মি প্লিজ’ আমি কী এখানে বসতে পারি? অামি কিছুটা অদ্ভুত কণ্ঠে বললাম হ্যাঁ, বসুন। মেয়েটা আমার গা ঘেঁষে বসলো। অামি মোবাইলে গেইম’স [বিস্তারিত ক্রেজি ফ্রেন্ড]
শপিং শেষ করে অনেকগুলা ব্যাগ হাতে নিয়ে গাড়িতে উঠলাম। আজ শহরটা অন্যরকম! চারিদিকে আলোর ছড়াছড়ি! হৈচৈ ঝলমলে ফুটফুটে একটি শহর। ঈদের বাকী একদিন, সবাই ব্যস্ত শপিং নিয়ে। মানুষের কোলাহলে শহরটা অাজ অনেক খুশি। বুঝার কোনো উপায় নেই এখন রাত এগারোটা! সেফ গার্ডের ল্যামপোষ্টগুলো নির্বাক দাঁড়িয়ে অাছে। শহরের কুকুরগুলো এদিক ওকিদ দৌঁড়াচ্ছে গাড়ির বিরক্তিকর শব্দে। মানুষের [বিস্তারিত বিস্ময়কর ঈদ]
প্রিয় মৃণালিনী, কিছু অভিমান চেপে চিঠি লেখা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কিন্তুু হাজারো চেষ্টা করে পারিনি নিজের জিদটাকে কাজে লাগাতে! কিছু তেলে ভাজা সেঁতসেঁতে শব্দ অামাকে ঘুমাতে দেয়নি। তোমাকে নিয়ে লিখতে বিষন্ন করে তুলেছিল, তাই কলম ধরতে বাধ্য হলাম। অাজ ছোট করেই জানতে চাইবো কেমন অাছো? এই বৃষ্টিস্নাত রাতে অামার কথা কী মনে পড়ে তোমার? অামার এখন আর কোনো কিছুতেই অসহ্য লাগে নাহ! এক সময় খুব [বিস্তারিত চিঠি]