ঘরে থাকুন এবং ছুটিটাকে উপভোগ্য করে তুলুন।

আগামীকাল থেকে টানা দশদিনের ছুটিতে কারাবাসে আবদ্ধ হবো। সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিনের জায়গায় বাড়তি একদিনই যেখানে যন্ত্রণাদায়ক ঠেকে সেখানে টানা দশদিন কাটানো খুবই কষ্টকর। তবুও সংক্রমণ থেকে বাঁচতে আর বাঁচাতে এখন বাধ্যতামূলক গৃহবাস আবশ্যক। এ পরিস্থিতিতে প্রত্যোকেই বিরাট এ অবসর সময়টিকে উপভোগ্য করে তুলতে পছন্দমতো একটি ছক সাজিয়ে ফেলুন, নইলে অকারণ ভয় বা অস্বস্তি তাড়া করবে। [বিস্তারিত ঘরে থাকুন এবং ছুটিটাকে উপভোগ্য করে তুলুন।]

একা মানুষ মানুষ নয়, সম্মিলিত মানুষই মানুষ!

একা মানুষ মানুষ নয়, সম্মিলিত মানুষই মানুষ। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আজ মানুষে মানুষে একে অপর থেকে দুই ফিট দূরত্বে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কাছাকাছি, পাশাপাশি হলেই মরণকামড়। এই দুই ফিট দূরত্বে দাঁড়িয়েও কী আপনি নিশ্চিত হতে পারছেন যে আপনি নিরাপদ? আপনারা হাতে হাত রেখে হাঁটতে পারেননি, ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হতে হতে এতোটাই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে ওঠেছিলেন যে, কেবলই [বিস্তারিত একা মানুষ মানুষ নয়, সম্মিলিত মানুষই মানুষ!]

পারিবারিক সম্প্রীতিই শান্তির আধার!

হঠাৎ দেখা এমন একটা দৃশ্য যেন চোখ বিশ্বাসই করছিল না। আটাত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধা কাছাকাছি বয়সের আরেক বৃদ্ধাকে মুখে তুলে খাইয়ে দিচ্ছেন। পাশে বসা কন্যাসম আরো দুজনও পাতে বাড়া খাবার রেখে মুখে খাবার নেয়ার অপেক্ষায় বসে। কী? ভাবা যায় এমন দৃশ্য? হ্যাঁ, তেমনই এক বিরল দৃশ্য দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল গত কয়েকদিন আগে। নিরিবিলি শান্ত [বিস্তারিত পারিবারিক সম্প্রীতিই শান্তির আধার!]

করোনা! স্যালুট তোমায়।

বিধির বিধান আইলো এক নিদান। পৃথিবীর মানুষ আজ স্বেচ্ছা কারাবাসেই খুঁজে পেল; বেঁচে থাকার অমোঘ বিধান। অর্থ-বিত্তের বড়াই ছেড়ে ক্ষমতা প্রতিপত্তির খোলস ঝেড়ে, দাঁড়িয়ে সকলে; কাতারে কাতারে। মাতম করছে আজ বাঁচো রে, বাঁচারে। হিংসা, প্রতিহিংসা ক্রোধ আর ঘৃণা সব ছেড়ে ছুঁড়ে মানবিকতার দুয়ারে। দাঁড়িয়েছে বিশ্ব আজ হাতে হাত রেখে। হায়! করোনা, কত নিধন করবে জানিনা। [বিস্তারিত করোনা! স্যালুট তোমায়।]

‘মোহিনী মালদ্বীপ’ মোরশেদ হাসানের ভ্রমণ বিষয়ক উপন্যাস।

‘মোহিনী মালদ্বীপ’ সাহিত্যানুরাগী চিকিৎসক মোরশেদ হাসানের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনি বিষয়ক গ্রন্থ। দ্বীপদেশ মালদ্বীপকে নিয়ে লেখা এ গ্রন্থটি লেখালেখির জগতে লেখকের প্রথম প্রকাশ। তবে আমার পড়া এটি তাঁর দ্বিতীয় বই। মূলত আমি মোরশেদ হাসানের দ্বিতীয় বইটিই প্রথম পড়েছি। #ব্যাকরণ_ও_বিবিধ’ নামের বইটি গতবছর মেলা চলাকালীনই নজরে আসে। দারুণ উপকারী একটি বই। পরবর্তীতে একসময় ‘মোহিনী মালদ্বীপ’ বইটিও হস্তগত [বিস্তারিত ‘মোহিনী মালদ্বীপ’ মোরশেদ হাসানের ভ্রমণ বিষয়ক উপন্যাস।]

সময়টা এখন হিরো আর নুরুর!

সময়ের ফোকাস এখন হিরো আর নুরু! তাদের দিয়েই কী শেষ? নাকি শুরু? সিদ্ধান্ত যে নিতে হবে রে গুরু। আলমের হিরোইজমে হিরো যায় হারিয়ে। রাখাল তার গরুকে, খুঁজে পায় বিদ্যালয়ে। চারিদিকে কলরব, গোলটেবিল বৈঠক, অবশেষে দেখা যায় বারোয়ারী নাটক! মিডিয়া/সংবাদকর্মী দৌড়ঝাঁপ চারদিকে! যেদিকে ক্যামেরা ছোটে সব সেদিকে। ধাপেধাপে খবরও রচিত হয় সেদিকেই। শিক্ষার্থী পাঠ খুঁজে মাহফিলে [বিস্তারিত সময়টা এখন হিরো আর নুরুর!]

অভিনন্দন গুলতেকিন!

হুমায়ুন আহমেদ এবং গুলতেকিন দুজনে একটা সময় আলাদা হয়ে গেলেও তাদের কাউকেই একের বিরুদ্ধে অন্যজনকে তেমন অভিযোগ করতে শোনা যায়নি। এটাই সুন্দর ব্যক্তিত্বের মান। মর্যাদাবোধ সম্পর্কে সচেতনতা এটাই অথচ আমরা তাদেরকে কেন্দ্র করে একজনকে ভালোবাসি বলে আরেকজনকে ছোট করছি, কেনো? কেউ কেউ তো দেখছি রাগের বশে কথার লাগামও হারিয়ে ফেলছেন! আহা! বি কুল। সমালোচনা করুন, [বিস্তারিত অভিনন্দন গুলতেকিন!]

Quality is better than quantity!

Quality is better than quantity! গতকাল ফেসবুকে লিখেছিলাম, “পঙ্গপালের মতো যে চক্রবৃদ্ধিহারে ইতর বাড়ছে দেশে, বুঝা যাচ্ছে তো? ইতরের পাল্লা কোনদিকে ভারী বেশি, ফেসবুকের পাতায় একটু মনযোগ দিলেই দেখতে পাবেন। দুজনের মৃত্যুতে একজনের বেলায় হা হা রিএক্ট একটাও খুঁজে পাবেন না। আর আরেকজনের বেলায় হা হা রিএক্ট বেশ কয়েকটাই দেখা যাচ্ছে। সমীকরণটা এখানেই স্পষ্ট।” পাবলিক [বিস্তারিত Quality is better than quantity!]

আমি নুসরাত বলছি!

তোমরা যদি বলতে চাও, মানুষের পৃথিবীতেই আমি জন্মেছিলাম, তবে শুয়োরকে তোমরা শুয়োরের খাঁচাতেই পুরে রাখবে। যদি বলো, তোমাদের পৃথিবীতে অমানুষের স্থান নেই তবে উন্মাদ শুয়োরগুলোর বেড়ে ওঠা রুখে দেবে। যদি বলো, পুরুষ কখনো ধর্ষক নয়, তবে নিশ্চয় ধর্ষকের বিনাশ ঘটাতে বেঁচে থাকা নুসরাতেদের সাথে হাতে হাত ধরে একতাবদ্ধ হবে। যদি বলো, তোমাদের সমাজ মানবিক তবে [বিস্তারিত আমি নুসরাত বলছি!]

আমি আবারও অসুস্থবোধ করছি!

আমি আবারও অসুস্থবোধ করছি! কিছু ঘটনা আমাকে স্থির থাকতে দেয় না। কতোক্ষণ একটানা দম মেরে ছিলাম, টের পাইনি। হবে হয়তো; বিশ কিংবা ত্রিশ মিনিট। চোখের কোল বেয়ে গড়িয়ে নামছে লোনাজল, আমার নারী জন্মের যন্ত্রণাকর উপলব্ধি। আহা, মেয়েটি! কতোই বা বয়স ছিলো তার? সতেরো বা আঠারো হবে হয়তো। ছিঁড়ে খুবলে সবটুকু তার নিংড়ে নিয়ে ফেলে চলে [বিস্তারিত আমি আবারও অসুস্থবোধ করছি!]

র‍্যাগিং! মৃত আবরারসহ সম্ভাবনাময় বিশটি তরুণ জাতির সম্পদ হতে পারতো।

আবরারকে পিটানোর ঘটনাগুলো টেলিভিশনে শুনলে খুব যন্ত্রণা হয়। কিভাবে পারলো প্রায় একই বয়সী ছেলেটিকে এতোগুলো ছেলে মিলে এমন নিষ্ঠুরভাবে পিটাতে? কতো খবরই আসতেছে। কতো খবরই ভাসতেছে। কিন্তু ঘুরেফিরে একটি কথাই বারবার মনে আসছে, এক মারা যাওয়া আবরার এবং তার হত্যাকারী আরও ১৯ টি আবরার আজ ধ্বংসের মুখে। অথচ এরা জাতির সম্পদ হতে পারতো। যে ছেলেগুলো [বিস্তারিত র‍্যাগিং! মৃত আবরারসহ সম্ভাবনাময় বিশটি তরুণ জাতির সম্পদ হতে পারতো।]

আসুন, ভিন্ন মত পোষণকারীকে হত্যা করা হয়েছে শুনে নীরব না থেকে প্রতিটা হত্যার বিরুদ্ধে সমষ্টিগত আওয়াজ তুলে সোচ্চার হই।

২০১৩ সাল থেকে ভিন্নমত পোষণকারীদের নির্মমভাবে কুপিয়ে মারার ঘটনা এদেশে ব্যাপক আকারে শুরু হয়েছিলো। একেকটা হত্যাকাণ্ড ঘটনোর পরই ধর্মের নামে চারদিকে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়া হতো হত্যাযজ্ঞটিকে জাস্টিফাই করার জন্য। ব্লগাদের হত্যার পর তাকে ‘নাস্তিক’ ট্যাগ দেয়া হতো হত্যাটিকে জায়েজ করার জন্য। আর আপনারা সাধারণেরাও নিশ্চুপ থেকেছেন ধর্ম রক্ষার নামে। অথচ আপনাদের একবারও ভাবনায় আসেনি, মত [বিস্তারিত আসুন, ভিন্ন মত পোষণকারীকে হত্যা করা হয়েছে শুনে নীরব না থেকে প্রতিটা হত্যার বিরুদ্ধে সমষ্টিগত আওয়াজ তুলে সোচ্চার হই।]

মেয়েরাও যৌতূক নিচ্ছে!

বর্তমান সময়ে কাবিনও একপ্রকার যৌতূক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে আজকাল এই ব্যাপারটা জটিল আকার ধারণ করেছে। আগেকার সময় বিয়ের কাবিন একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ছিলো এজন্য যে, মেয়েদের কাজ করে খাওয়ার মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতো না বলে কোন কারণে বিয়ে ভেঙে গেলে এই কাবিনটা তার একটা আর্থিক সাপোর্ট হয়ে দাঁড়াতো। সম্ভবত ধর্মীয় বিবেচনাটাও এ দৃষ্টিকোণ থেকেই এসেছে। [বিস্তারিত মেয়েরাও যৌতূক নিচ্ছে!]

পুরুষতান্ত্রিকতা এবং নারীর একাল সেকাল!

কালে কালে সবযুগেই পুরুষ তাদের পুরুষত্ব খুঁজে পেয়েছে নারীর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার মধ্য দিয়ে। আমার এ বাক্যটি শুনে অনেকেই আমাকে পুরুষবিদ্বেষী অথবা অন্য অনেককিছুই ভাবতে পারেন কিন্তু আমি বরাবরই যা নায্য বলে মনে করেছি, তাই বলে গিয়েছি। তাতে কে শুনলো না, বা কে মনঃক্ষুণ্ণ হলো, সেটা দেখিনি। আমার ভাবনা সবসময় এক জায়গাতেই আটকে যায়। [বিস্তারিত পুরুষতান্ত্রিকতা এবং নারীর একাল সেকাল!]

অষ্টম বছরে সোনেলা!

গত ২৩শে সেপ্টেম্বর ‘সোনেলা ব্লগ’ অষ্টম বছরে পদার্পণ করেছে। আর সোনেলা ব্লগে আমার জন্ম প্রায় পাঁচবছর আগে অর্থাৎ আমার বয়স এখন চারবছর নয়মাস চব্বিশ দিন। জন্মলগ্নে সোনেলার উঠুনে লেখতে বসে খুঁজে পেয়েছিলাম একঝাঁক নবীন প্রবীণ লিখিয়েদের। ভালো লাগতো সোনেলার সে উঠুন আড্ডা। মনে হতো সবাই মিলেই বাড়ির আঙিনায় আড্ডা বসিয়েছি। সময়ের অভাবে মাঝখানে অনেকদিন বসা [বিস্তারিত অষ্টম বছরে সোনেলা!]