স্ট্রাইক

এক ফোঁটা,দুই ফোঁটা,তিন ফোঁটা… ভাতের পাতে মোমের ফোঁটা! চোখের কালো অংশ কিন্তু স্থির, পাতাগুলো দিনের আলোয় ফোটা! অন্ধকার নামে রাঙা চোখে, পাতায় পাতা নামে..……….., বন্ধ চোখে গাল বেয়ে মোম নামে, এক ফোঁটা কোন বেয়ে,ঘাড় বেয়ে! রাতের অন্ধকারে আলো বিহীন অন্ধ, সূর্যালোকে-তাপে দৃষ্টি ফেরায় পোকা-পদ্ম! পথ-ঘাটে তুমিও লজ্জায় বুঁদ.…, আহা! কি লজ্জাবতী!লাজুক-সিদ্ধ! লোকালয়ে ঘাপটি মারা বিড়াল, [বিস্তারিত স্ট্রাইক]

ব্ল্যাক

ধরিত্রীর দেহে, কাল-রাতের পেষণ! শিয়াল-কুকুরের, আঁচড়, কাঁমড়, চোষণ! ধর্ষন! গর্ভ দ্বারে ইস্পাত! ভেজে দ্বার ভেজে ঘাস, ঊষার দেহে রক্তপাত! ভেজা-লাল দিগন্তে দিবালোকের দিনারম্ভ, আজান কীর্তন মন্দির গমন, মসজিদে গমন যীশু দর্শণ! দর্শণ মন সাধ বাদ, বাদ সাধ ভক্তিবাদ! সুফিবাদ! সাধুর প্রেমে প্রেম জীবে, জড়ে দয়া নারী শ্রদ্ধা, সাধু! সাধু! নামাজী! নামাজী! সাধু নামাজী, সহাবস্থান জীবন! [বিস্তারিত ব্ল্যাক]

নীলখাম

ডাক- বাক্সের ধুলো ঝরে যায় দিন- মাস- কালে নীলকান্ত প্রহর গোনে নীল-খামে কখন ভেসে আসবে আগমনী বার্তা লক্ষী-পেচাঁর রাতের ব্যথা বোঝে না কোনো কর্তা কুকুরে নালে শুধু বয় যায় হাঁ- পিত্তেস বুকে শুধু তাপ-হীন মরচে নিঃশেষ অকালে জিরাফের চোখে এক-বুক রক্ত-জল খোঁজে ঋতু-স্রাবে চোখ ভেজে না- যৌবন ভেজে সুর্যের সরনে যুবকই শুধু অকাল-বৃদ্ধ হয় প্রেম [বিস্তারিত নীলখাম]

ভাষা কোনো জাতির বা দেশের দাস নয়,মননশীল প্রানীই ভাষার দাস!

ভাষা নদী-জীবনের মতো বহমান !ভাষার নিজষ্ব মান- মর্যাদা-অভিযোজন ক্ষমতা আছে!ভাষা কোনো জাতির বা দেশের দাস নয়!মননশীল প্রানীই ভাষার দাস!ভাষাকে যে যেমন মর্যাদা দেবে তেমনি সে মর্যাদা পাবে! ভাষা বা ধ্বনির উৎপত্তি নিয়ে অনেক তত্ত্ব আছে, তেমনি বিতর্ক আছে!তবে উনবিংশ-শতাব্দীর বিখ্যাত ভাষাবিদ Noam Chomsky- এর মতে,”ভাষা কোনো যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়,ভাষা মানুষের সৃজন চেতনার সঙ্গে যুক্ত”।এছাড়া শরীর [বিস্তারিত ভাষা কোনো জাতির বা দেশের দাস নয়,মননশীল প্রানীই ভাষার দাস!]

শিখা,আল্পনা ও আমি

কবিতা কে কি কারনে লেখে আমি জানি না!আমার মোমের আলোর কান্না যখন আমার বুকের উপর পড়ে ,আল্পনা আঁকে, তখন তোমরা বলো কবিতার আল্পনা।আমি একে বলি,’মোমের দহন-যন্ত্রনা’! যতদিন মোম শিখা হয়ে জ্বলবে ততদিন এই ভাবে বুকের বেলাভূমিতে মোমের কান্না-জল আল্পনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। যে দিন মোমের শিখা নিভে যাবে,সেই দিন আমি হবো নিঃশেষ। পড়ে রবে শুধু [বিস্তারিত শিখা,আল্পনা ও আমি]

প্লেট-টেকটনিক

ঝর্না মেয়েটা পুরো চন্ডী! ওর পায়ে বয়ে যায় খরস্রোত নদী! শরীরে আমার জমে ওঠে পলি -কাদা- জল! ও আমার চেয়ে এক স্তর নীচু! আমি উত্তর পানে চায় তো, ও দক্ষিন মেরু! দুজনের এক জায়গায় মিল, একটাই বুক! একটাই তল! ছোট্ট বেলায় পুতুলের সঙ্গে পুতুলের বিয়ে হয়।ও বিন আমি বেয়ায়!বুকে আমার দুঃখ,সূর্য,রোদ,ঝড় সাজিয়ে রাখি।ওর সিন্দুক বসিয়ে [বিস্তারিত প্লেট-টেকটনিক]

প্যারাডক্স

প্যারাডক্স@ এজহারুল এইচ শেখ রাতের অন্ধকারে ঘুমের বিছানায় ঘুম হাতড়ে বেড়ায় তোমার আঁচলের স্পেক্ট্রাম! প্রতিকনা গুলো আজ ও আমার চোখ বিদ্ধ করে, বুকের নীল যবনিকা পেরিয়ে তোমার খুঁজতে পারিনা! আমি হকিন্সের হাত- ধরে কেঁদে কেঁদে চোখ রাঙিয়েছি গোধূলি আলোয়!শ্যামা শরীরে তোমার, যদি পাই নাভিমূলের কুসুম ছোঁয়া! মেঘ সরলে,আঁচলে ফাঁক দিয়ে বিগ ব্যাং-এ তোমার, সবাই মিলে [বিস্তারিত প্যারাডক্স]

বাঁচা!

জীবনটাকে নিয়ে অনেক বার একাকিত্বের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে ভেবেছি! ভেবেছি আইফেল টাওয়ারে জীবনটাকে দাঁড় করিয়ে ফিতে দিয়ে মাপবো!জীবন তুমি কত বড়! সবাই তখন নীচ থেকে দেখে আমি ক্ষুদ্র! আমার ফিতে ক্ষুদ্র!আর আমি নীচে দেখি সবার চোখ অশ্রু-জলে ভেজা!কান্না!চারিদিক লবন-জলের বন্যা! মরু পথের ক্লান্ত পথিককে তাজমহলে মমতাজের পাশে বসাবো ভেবে যাই আমি!সেখানে আর মমতাজ থাকে না!আমিও [বিস্তারিত বাঁচা!]

নাগরদোলা

যা ভিড় ! চিৎকার ! চেচাঁমেচি ! কোলাহল ! একাকিত্বের বড়ি গলবার জো নেই ! তা ও আমার এগিয়ে চলেছি এর ঠেলা ওর গুতো খেতে খেতে কেউ কারুর দিকে তাকায় না!আমিও না!শুধু আমাদের আধুনিক পথচলা!অনন্তকাল ধরে.. সামনে যেতে যেতে কারুর সাথে হয় দেখা! কেউ আবার অদেখা ! কেউ থাকে আলোয়!কেউ অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থেকে আলোর পথের [বিস্তারিত নাগরদোলা]

পলি

বুকের অতৃপ্ত যন্ত্রনা লেপ্টে থাকে ভাঙা পাঁজরের বধির মুখে,দুঃখের ভারে থিতিয়ে পড়ে স্রোতহীন পলি নদীর কোনো অচিন চরে!আলেয়া তখন ও কোনো ভাষা বলেনি,পার্বত্য মূষিক কোনো কালেই বোঝেনি থিতিয়ে পড়া নদীর ব্যাথা ভরা কথা!বোঝে শুধু ইলিউশন! অনির্বাণ আলোয় আলেয়া জ্বলে পোড়ে কোনো অজানা মৃত দেহের মিথেন পদ্মা- নদীর চরে!সবাই চাই আয়ু-বায়ু-তাপ!শুধু মাছরাঙা চাই মাছরাঙা দ্বীপের বধির [বিস্তারিত পলি]

শিশির

ভোরের গালে গড়িয়ে গড়িয়ে আমার ভোর বয়ে যায়, মেঠো পথে আমি, তোমার চোখে একবার চোখ ডুবিয়ে কচি পাতার ভাবনাগুলো সাঁতারে ছিল,কিন্তু পারিনি! মাটি তাকিয়ে থাকে আমার ভেজা মুখ চোখে ভেজে সারা বিকেল, ভেজে অজর চারাগাছ! জোৎস্নার জিভে ভিজেছি আমি,ভেজে আমার পথ! তুমি জানো! আকাশ জানে, ঝরনা জানে, বাতাসও জানে!জানে সবাই! ভাবতে ভাবতে জলে বয়ে যায় [বিস্তারিত শিশির]

হিগস-বোসন কনা

ফেরার পথে, ফিরতেই পারছিলাম না! মেরু ভল্লুকের খাড়া লোমে এক কাপ চা ঢেলে দিতে চেয়েছিলাম! চায়ের খোঁজে তখন আমি চা দোকানে,পাশেই চশমার ফাঁকে একটা আড্ডা হিগস-বোসন কনা! চায়ের কাপে এক সুড়কি টান আর শব্দ ভান্ডারে মুদ্রা পতন! যা বোস পাইনি,ওরা কিন্তু পেয়েছিল! স্থাবর কবি যা মৃত্যুকালে পাই! চায়ের ক্যাৎলির বাস্পকনায় জীবৎ-কাল ধরে ভার্সি খাতা খুজে [বিস্তারিত হিগস-বোসন কনা]

যমুনার জল@ এজহারুল এইচ শেখ

পায়রার খসে পড়া দানা সরষের, খুঁজে ফিরেছি পথ-ঘাট মাঠে, দীগন্ত পেরিয়ে কোন অজানা অলিন্দে! শূন্য মরুর বুকে যেখানে শিশু কাঁদে, কান্নার স্বর যেখানে বালিতে মেশে, বাতাসে বোঝা যায় না অভুক্ষ হা-পিত্তেস, সেখানে আমি ফুফিয়ে কাঁদতে গিয়েছিলাম! কোনো এক ভোরে কলাপাতার টুপটাপ করে, শিশিরে বয়ে দিতে ছেয়েছিলা আমার কান্না! কুকুরের লালায় অহরহ বয়ে যায়, আমার মায়ের [বিস্তারিত যমুনার জল@ এজহারুল এইচ শেখ]

সাহিত্যের উপর তালিবানি ফতুয়া !

বাংলা সাহিত্যের অসীম মহাসাগরে অসংখ্য শব্দ ভান্ডার আছে ! কবির চেতনার সাগরে ঢেউ আছড়ে পড়লে,যে শব্দ গুলো নিয়ে কবির একতারা বেজে ওঠে সেটাই কবিতার রূপ নেই ! যে শব্দ গুলো একতারার সুরে ভেসে ওঠে , সেটা কিন্তু সম্পূর্ন স্বাধীন-মানবিক মনের  ব্যাপার ! কবি মনতো এটা দেখবে না যে কে কোন শব্দ এর আগে ব্যবহার করেছেন [বিস্তারিত সাহিত্যের উপর তালিবানি ফতুয়া !]

ক্রসউইনস

পত্রকলসে তোমার আমার ঠোঁট আছে!যা পাই তাই চোষে!চোষক পোকা কাকে যে বলি,জোঁক না তুমি! পুকুরের আয়নায় পড়ে হ্যালুসিনেশনের রোদের ঢুলি! তুন্দ্রা শীতে গায়ে এখন শুয়োঁপোকার কাঁটা! মথ না প্রজাপতি!এলিয়েন হাসে, আরো মরবে এবার জোনাকি!গলায় আটকে আছে মাছের কাঁটা! ভান্ডারওয়াল পাত্রে ঝুলে থাকে সব মায়ের শাঁখা! তাপ বাড়লে অনু ছুটবে,গলার যন্ত্রনা আরো বাড়বে!সামনেই ক্রসউইনস,বাজনা বাজার আগেই [বিস্তারিত ক্রসউইনস]