বলদনামা

মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি,
রাখতে হবে দূরত্ব।
শুনছি বটে, মানছি না আর।
দিচ্ছি না কেউ গুরুত্ব।

দিব্যি সবই চলছে রে ভাই,
সামনে, বাঁয়ে, ডাইনে।
পড়াশোনা, উপাসনা
আটকে গেছে আইনে।

বছর গেল হেসে খেলে,
বিদ্যালয়ও বন্ধ যে।
লাভটা পেলুম ক’আনা ভাই?
চোখ থাকিতে অন্ধ যে!

সংক্রমণ হয় মসজিদে আর
সংক্রমণ হয় মন্দিরে।
সংক্রমণের ফান্দে কি আজ
আমরা সবাই বন্দি রে?

শুনছি কল আর কারখানাটা
চলছে নাকি ঠিক-ঠিকই।
তোমরা রাঘব-বোয়াল-কুতুব,
আমরা শুধু টিকটিকি!

দিচ্ছ খুলে কারখানা আর,
বন্ধ চলার বাসটা।
আমরা গরিব চলব কীসে?
তোমার গাড়ি পাঁচটা!

বুঝলে দাদু গল্পটা এই,
আগাগোড়া গলদের?
ধোঁকা খাওয়া বোকার কাজ,
আর মন্ত্রী হওয়া বলদের!

মোট পড়েছেনঃ ১,১৩২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৪টি মন্তব্য

  1. দেশের অবস্থা এইযে,
    ক্ষমতা ইচ্ছে মতো চলছে যে
    আইন করে যে, ভাঙ্গছে সেইযে,
    চাপ শুধুই নেবে ক্ষমতাহীন সেই.
    দাদুভাই এটাই বাস্তব যে।

  2. এ এক আজব ব্যাবস্থা কী যে হচ্ছে আর কী যে হবে কিছু-ই জানিনা।
    এখন ভরসা শুধু বিধাতা।

    দুঃখ থেকে যদি ছন্দ হয় তবে দুঃখকে স্বাগত।
    দুঃখে এ যাত্রা জয়যুক্ত হয়েছে।

      1. এটা একটি আঞ্চলিক প্রবাদ। এর হুবহু মানে বলতে পারবো না, তবে মানেটা এইরকম বোঝায়, সমাজে যে/যারা নিরীহ প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন, শুধু নিজে বাঁচার জন্যেই বাঁচে তাদেরকে উত্যক্ত করা আর মৃত মানুষকে নড়াচড়া করার জন্য অত্যাচার/প্রহার করা কিংবা তাদের কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করা অর্থহীন।

  3. এই লকডাউন আমার কাছে কেমন যেন উপহাসের মত লাগছে। স্বাস্থ্যবিধি যেমন মানতে হবে তেমনি লকডাউন দিতে হলে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নিতে হবে যা বিজ্ঞানসম্মত।

    ভাল থাকুন ভাই।

  4. লকডাউন আর বিধিনিষেধ এগুলো এই জাতির জন্য নয়, এরা নিয়ম ভাঙ্গতেই পটু। চমৎকার ছন্দে আরো একটি দারুন কবিতা উপহার দিলেন। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

  5. সরকারের উচিৎ লক ডাউন উঠিয়ে দেয়া। যে যেমন ইচ্ছে চলুক। আক্রান্ত হোক সবাই। ঠকে শিখি আমরা।
    লেখার বাস্তবতার সাথে একমত।

মন্তব্য করুন