মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি,
রাখতে হবে দূরত্ব।
শুনছি বটে, মানছি না আর।
দিচ্ছি না কেউ গুরুত্ব।
দিব্যি সবই চলছে রে ভাই,
সামনে, বাঁয়ে, ডাইনে।
পড়াশোনা, উপাসনা
আটকে গেছে আইনে।
বছর গেল হেসে খেলে,
বিদ্যালয়ও বন্ধ যে।
লাভটা পেলুম ক’আনা ভাই?
চোখ থাকিতে অন্ধ যে!
সংক্রমণ হয় মসজিদে আর
সংক্রমণ হয় মন্দিরে।
সংক্রমণের ফান্দে কি আজ
আমরা সবাই বন্দি রে?
শুনছি কল আর কারখানাটা
চলছে নাকি ঠিক-ঠিকই।
তোমরা রাঘব-বোয়াল-কুতুব,
আমরা শুধু টিকটিকি!
দিচ্ছ খুলে কারখানা আর,
বন্ধ চলার বাসটা।
আমরা গরিব চলব কীসে?
তোমার গাড়ি পাঁচটা!
বুঝলে দাদু গল্পটা এই,
আগাগোড়া গলদের?
ধোঁকা খাওয়া বোকার কাজ,
আর মন্ত্রী হওয়া বলদের!
মোট পড়েছেনঃ ১,১৩২জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
ছন্দ এবং বাস্তবতার দারুন মিলবন্দন |
আপনাকে ধন্যবাদ।
মনের দুঃখ কবিতা হয়ে বের হয়ে এসেছে 😀
দারুণ ছন্দ।বাস্তব সত্য কথা বলছেন।
অবস্থা সুবিধের না। সাবধানে থাকবেন।
ছন্দময় বাস্তবতা। কি আর বলি ভাই হাত পা বাঁধা।
শুভ কামনা রইল।
এটাই তো দুঃখ। আমরাই সবসময় বলির পাঠা।
ভালো থাকবেন। সাবধানে থাকবেন।
সমন্বয়হীনতার সর্বো শ্রেষ্ট বাংলাদেশ। ছন্দের তালে সমসাময়িক ঘটনাগুলো ভালই বলেছেন।
মনির ভাই এখানে সমন্নয়হীন নয় ক্ষমতার অপব্যবহার মাত্র।
সেই বিচার তাল গাছ বিচারকের জন্য সংরক্ষিত।
এটাই আসল কথা মজিবর ভাই।
দেশের অবস্থা এইযে,
ক্ষমতা ইচ্ছে মতো চলছে যে
আইন করে যে, ভাঙ্গছে সেইযে,
চাপ শুধুই নেবে ক্ষমতাহীন সেই.
দাদুভাই এটাই বাস্তব যে।
সংক্রমণ হয় মসজিদে আর
সংক্রমণ হয় মন্দিরে।
সংক্রমণের ফান্দে কি আজ
আমরা সবাই বন্দি রে?
আসলে হেফাজতকে সামলানোর ব্যাবপ্সথা লকডাউন।
এ এক আজব ব্যাবস্থা কী যে হচ্ছে আর কী যে হবে কিছু-ই জানিনা।
এখন ভরসা শুধু বিধাতা।
দুঃখ থেকে যদি ছন্দ হয় তবে দুঃখকে স্বাগত।
দুঃখে এ যাত্রা জয়যুক্ত হয়েছে।
আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন।
মরারে আর মারিস ক্যান?
মরা যে নড়েচড়ে।
মরারা শুনবে দেখবে কিন্তু নড়নচড়ন নিষেধ!
বুঝি নাই। বুঝায়া বলেন 🤔🤔
এটা একটি আঞ্চলিক প্রবাদ। এর হুবহু মানে বলতে পারবো না, তবে মানেটা এইরকম বোঝায়, সমাজে যে/যারা নিরীহ প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন, শুধু নিজে বাঁচার জন্যেই বাঁচে তাদেরকে উত্যক্ত করা আর মৃত মানুষকে নড়াচড়া করার জন্য অত্যাচার/প্রহার করা কিংবা তাদের কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করা অর্থহীন।
আহ্ ক্ষমতা উহ্ ক্ষমতা। আমরা বলির পাঁঠা। চোখ থাকিতেও দেখিনা। বলদ সব। ঘাস খেয়েই অচেতন।
যেমন প্রজা, তেমনটা রাজা।
এই লকডাউন আমার কাছে কেমন যেন উপহাসের মত লাগছে। স্বাস্থ্যবিধি যেমন মানতে হবে তেমনি লকডাউন দিতে হলে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নিতে হবে যা বিজ্ঞানসম্মত।
ভাল থাকুন ভাই।
এই জাতি আজীবনই উপহাসের পাত্র ছিল। আহাম্মক জাতির আহাম্মক প্রশাসক।
লকডাউন আর বিধিনিষেধ এগুলো এই জাতির জন্য নয়, এরা নিয়ম ভাঙ্গতেই পটু। চমৎকার ছন্দে আরো একটি দারুন কবিতা উপহার দিলেন। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো
নববর্ষের শুভেচ্ছা।
সরকারের উচিৎ লক ডাউন উঠিয়ে দেয়া। যে যেমন ইচ্ছে চলুক। আক্রান্ত হোক সবাই। ঠকে শিখি আমরা।
লেখার বাস্তবতার সাথে একমত।