একটু প্রার্থনা

 

কল্পনা ও স্বপ্ন বাস্তবতার পথ বেয়ে
হারিয়ে যেও না,
হে আমার আত্মার সৌন্দর্য,
দাঁত চেপে লাজুক ভঙ্গিতে একটু অপেক্ষায় থেকো;
আশীর্বাদের দরজা খুলে অনুগ্রহের ফেরেশতা এলো বলে।

হে সুলতানুল সুলতান,
এ শব্দ জঞ্জালের দিকে চোখ রেখো-না,
বানিয়ে বলা না-বলা লেখা/কথার অন্তঃসার শূন্যতা
সে শুধু তুমি-ই জানো,
তুমি-ই জা্নো রসদ-পত্রের আতীব্র শূন্যতা;
অন্ধ মন/চোখ মেলে শুধু তোমার-ই সাহায্য চাই,
তোমার-ই করুণা ভিক্ষা করি, মাতাল ভিখারির বেশে;

অবাধে বিলিয়ে দিতে চাই,
নিস্তব্ধতার বিষাদ নিপীড়ন, নিস্তরঙ্গ নিঝুম নিশীথে,
অমরত্ব সে আমি চাই-না, চাই শর্তহীন আশীর্বাদ;
শুধু একবার গ্রহণ কর প্রভু, এ অসহায় আত্মসমর্পণ,
অপার অনুগ্রহে;

হে খোদা, হে আমার রব,
রাহমানুর রহিম, দ্বিরুক্তি-পুনরুক্তি করেই বলছি,
হিকমা (বাকারা/২৬৯)সে আমার চাই-ই।

মোট পড়েছেনঃ ১,১৯৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. হে সুলতানুল সুলতান,
    এ শব্দ জঞ্জালের দিকে চোখ রেখ-না,
    বানিয়ে বলা না-বলা লেখা/কথার অন্তঃসার শূন্যতা
    সে শুধু তুমি জান,
    তুমি-ই জান রসদ-পত্রের আতীব্র শূন্যতা;
    অন্ধ মন/চোখ মেলে শুধু তোমার-ই সাহায্য চাই,

    আপাতত সাহায্য চাইছি এখানে কিছু বলার জন্য, কিছু শব্দের ব্যবহার করার জন্য।

  2. নিশি-নিশীথের নৈকট্য আমার চাই না
    চাইনি অমরত্বের শারাবান তহুরা,
    হে আমার অন্তর্যামী
    অতীত-নিকট-ভবিষ্যৎ-বলয়/বৃত্ত আবর্তনকালে
    চেয়েছি কেবল অনুমতি,
    অনুমতি আবেদনের-প্রত্যাবর্তনের.
    অনুমোদিত প্রস্থানে যেনো থেমে না যাই অলস ভীরুতায়/

    1. আপনার প্রার্থনা পড়ে, আমার লেখাটি নিয়ে বলার ইচ্ছে চেপে যেতে পারিনি।

      কল্পনা ও স্বপ্ন বাস্তবতার পথ বেয়ে
      হারিয়ে যেও না,
      হে আমার আত্মার সৌন্দর্য,
      দাঁত চেপে লাজুক ভঙ্গিতে একটু অপেক্ষায় থেক;
      আশীর্বাদের দরজা খুলে অনুগ্রহের ফেরেশতা এলো বলে।

      এই অপেক্ষা বলতে ধৈর্য বোঝাতে চেয়েছি এবং এই ধৈর্যের উৎস
      পবিত্র গ্রন্থের অনেক আয়াতের কিছু কিছু;
      যেমন,১০:১০৯,৩৯:১০,৪০:৫৫,৪০:৭৭,১৬:৯৬,৭০:৪/৫,২৯:৫৮/৫৯,
      ২:৪৫/১৫৩/১৫৭,৩:১৮৬/২০০,২২:৩৫………………

      অবাধে বিলিয়ে দিতে চাই,
      নিস্তব্ধতার বিষাদ নিপীড়ন, নিস্তরঙ্গ নিঝুম নিশীথে,
      অমরত্ব সে আমি চাই-না, চাই শর্তহীন আশীর্বাদ;
      শুধু একবার গ্রহণ কর প্রভু, এ অসহায় আত্মসমর্পণ,
      অপার অনুগ্রহে;
      এখানের এই ‘আত্মসমর্পণ’ এসেছে পবিত্র গ্রন্থের এমন কিছু থেকে
      যেমন, ২২:৩৪,২:১১২/১৩২,৩:২০/৮৪/১০২।
      শ্রেষ্ঠ আত্মসমর্পণ নবিজীর ৬:১৬৩

      এবারে আসি হিকমা (বাকারা:২৬৯)প্রসঙ্গে;এই শব্দটির অর্থ জ্ঞানীগণ
      ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বলেছেন, তবে মূলত তা প্রায় এক-ই বা কাছাকাছি
      বলে আমার কাছে মনে হয়েছে,আমি অর্থ নিচ্ছি,তত্ত্বজ্ঞান,এই জ্ঞানের একমাত্র উৎস
      আল্লাহ রব্বুল আল-আমিন।পবিত্র গ্রন্থে তত্ত্বজ্ঞানী হিসাবে আল্লাহ বলেন……
      ৬:১৭,৫:৫৪/১১৮,৪:৫৬/১২০,২:২৪৭/২২৬/২৬০,
      আল্লাহ নিজের পারঙ্গমতা ৩;৫ বোধশক্তি ৩:৭,৫:১০০ ও অন্তর্দৃষ্টি সম্পর্কে
      বলেন ৩:১২৩ আয়াতে।

      যেহেতু এ সব কিছু ই আমার রবের,তাই এসবের অতি অতি সামন্য অংশের
      একান্ত দাবী জানাচ্ছি,নগদে(আল্লাহ মাফ করুন);
      একটি বিখ্যাত দোয়া যদি আমার মত করে করি,তা হলে বলি,

      হে আল্লাহ,
      আপনার অনেক অনেক বান্দা,
      কিন্তু আমার রব একজন-ই,
      অতএব
      আপনার একান্ত অনুগ্রহ আমার চাই;

      স্মৃতি থেকে বলছি, মুল ভাব ঠিক রেখে,
      মহাকবি ইকবালের একটি প্রার্থনা…

      হে খোদা সব বেহেশত ওদের (যারা চায়)দিয়ে দিন,
      আমি শুধু আপনার অপার রহস্যে হাবুডুবু খেতে চাই।

      আবার বলি, হে মহা প্রভু,
      হিকমা আমার চাই-ই।

      এই দোয়াটি লিখতে গিয়ে ও উত্তর দিতে গিয়ে অনেক অনেক পবিত্র গ্রন্থ পড়ার সৌভাগ্য
      আল্লাহ আমাকে দান করেছেন, তাঁর অশেষ কৃপায়।

      পরে আর ও লিখব। বাকী লেখা। এখানেই।

      পরে আবার লিখব।

    2. এ দেখছি জটিল প্রার্থনা!!
      শারাবান তহুরা(৭৬ঃ২১……and their Lord will give them a pure drink) সে তো না চাইলেও নিতে হবে
      এ যে বিরাট নেয়ামত। কিন্তু কোথায় প্রস্থান নিবেন তা প্রভু জানেন বোঝেন, কিন্তু আমরা তো কিছুই বুঝতে পারলাম না।
      কোন কুলে পাড়ি জমাতে চান।
      প্রার্থনা জারি থাকুক/রাখুন। তবে একটু সহজ হলে আমাদের জন্য ভাল হয়।
      ধন্যবাদ।

      1. প্রার্থনা কখনো জটিল/কুটিল হয়না মহারাজ।
        প্রার্থনায় যা বলি বা না বলি সবই তিনি জানেন। তিনি (বিধানদাতা) সবই দেখেন শোনেন এবং তিনিই গন্তব্য পরিচালিত করেন।

  3. অন্তরের শূন্যতা একমাত্র তিনিই ভালো জানেন।হে অন্তর্যামী অন্তর থেকে দূর করে দিয়ো সকল পাপ ।।
    শুদ্ধ ও সঠিক পথে চলতে সাহায্য করো।

  4. সুন্দর ধর্মীয় উপস্থাপন।
    আত্ম নিবেদনে কাটালে রাত
    স্রষ্টা ফিরিয়ে দেন না তার হাত।
    মুগ্ধতায় শুভ কামনা রেখে গেলাম পাতায়।

  5. মনের পবিত্রতাই প্রকৃত মানবধর্ম। কত ভুল করি , কত পাপ করি অজান্তেই তার ও হয়তো ক্ষমা আছে কিন্তু যারা জেনেশুনে অন্যায় করে, অন্যের ক্ষতি সাধন করে তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। ঈশ্বর অন্তর্যামী তিনি সব দেখেন/শুনেন/জানেন তাইতো সময় বা প্রকৃতির প্রতিশোধ হয়ে ঠিক যার যার প্রাপ্য ফিরিয়ে দেন। মনের কলুষতা দূর হোক, ঈশ্বর সবার মঙ্গল করুন। আপনার প্রার্থনা সবাইকে সুন্দর, সুস্থ নির্দেশনা দিবে এই কামনা রইলো।
    থেকো, রেখো এগুলো কি এমন হবে না? অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো

    1. ভুল ছিল, আপনি দেখিয়ে দেয়াতে ঠিক করে নিতে পেরেছি। চোখ ঠিক-ঠাক ফেলেছেন বুঝতে পারছি,
      দায়িত্ব বলে কথা!!
      পবিত্র মনে প্রার্থনার চেষ্টাটুকুই শুধু আমরা করতে চাই, কী পারি বা কতটুকু পরেছি তার হিসেব তিনিই নেবেন।
      নিরন্তর ভুল করে যাওয়াই মানব মনের প্রকৃতি। তাই শুধু ক্ষমাই প্রার্থনা করি।
      ভাল থাকবেন আপনি।

  6. চলতে ফিরতে কতো যে ছোট ছোট ভুল, তা অন্তর্যামীই জানেন। তিনি পরম করুণাময়। আমাদের ভুল গুলো ক্ষমা করুন। সহজ সরল সুন্দর তাঁর দেখানো পথে যেনো চলতে পারি, এ কামনাই করি।
    আমিন

  7. হে আল্লাহ,
    আপনার অনেক অনেক বান্দা,
    কিন্তু আমার রব একজন-ই,
    অতএব
    আপনার একান্ত অনুগ্রহ আমার চাই;

    অথবা,
    মহাকবি ইকবালের একটি প্রার্থনা…

    হে খোদা সব বেহেশত ওদের (যারা চায়)দিয়ে দিন,
    আমি শুধু আপনার অপার রহস্যে হাবুডুবু খেতে চাই,,

    প্রার্থনা আর দোয়ার পার্থক্য এখানেই। প্রার্থনায় আবেদন করা হয়, অনুমোদনের অপেক্ষা আকাঙ্খা থাকে, কিন্তু দোয়ায় থাকে আশা-প্রত্যাশা।
    জানি তিনি (সর্ব শক্তিমান) দিতে পারেন যা চাই সব, তবুও প্রার্থনা করি যেন তিনি তার অনুগতের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে অনুগ্রহ করবেন।

    এবার আমি বলি, আমার কাছে প্রার্থনা হলো শুধু তার আর আমার একান্ত কথন, আমি বলতে থাকি, বলতেই থাকি, তিনি (অসীম দয়ালু সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকর্তা আল্লাহু সুবনাহু তায়া’লা) নিশ্চিত জানেন আমার মনোবাসনা।

    1. আমার কাছে দোয়া ও প্রার্থনা সমার্থক।
      আমাদের সব চাওয়া তাঁর-ই কাছে। তিনি অন্তর্যামী।
      ভাল থাকুন। প্রার্থনায় প্রার্থনায়।

মন্তব্য করুন